হজ চুক্তি : বাংলাদেশের কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৪৭ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে পবিত্র হজ পালনে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। এরমধ্যে সরকারি কোটায় ৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জনের কোটা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় সৌদি আরবের জেদ্দায় হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ-সৌদি আরবের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক হজ চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান ও সৌদি সরকারের পক্ষে হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাসাত চুক্তিতে সই করেন। বাংলাদেশ হজ অফিস, জেদ্দার একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

hajj-(2)

বৈঠকে ধর্ম সচিবের নেতৃত্বে অংশগ্রহণকারী একজন প্রতিনিধি জানান, গত বছরের মতো এবারও ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনের কোটা বরাদ্দ রয়েছে। তবে চুক্তির বাইরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আসন্ন হজ কোটা বৃদ্ধি করে ১ লাখ ৪৬ হাজার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে হজ কোটা বৃদ্ধির বিষয়টি সৌদি সরকারের আন্তঃ মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত হয়-বিধায় বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়টি ওই সভায় উত্থাপন করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

২০১৯ সালের হজে মিনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিজস্ব উদ্যোগে ক্লিনিক খোলার জন্য জমি বরাদ্দের অনুমতি প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, বাংলাদেশ থেকে সোয়া লাখের বেশি হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করে। এ সময় নিজস্ব উদ্যোগে ক্লিনিক স্থাপিত হলে ভাষাগত সমস্যায় পড়তে হবে না।

এ ছাড়া হজ প্যাকেজে ফ্লাইট সিডিউলের সময়সীমা ৬০দিনের পরিবর্তে ৪৫ দিন করারও বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত অনুরোধের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হবে বলে জানান আবদুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান।

hajj-(3)

ধর্ম সচিব আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, কাউন্সিলর (হজ) মাকসুদুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, মো. মিজানুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (হজ) এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব এম. শাহাদাত হোসাইন তসলিম, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম মোসাদ্দেক আহমেদ, হজ অফিস ঢাকার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিস্টেমস এনালিস্ট মো. সাইফুল ইসলাম, বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদুল হাসান প্রমুখ। হজচুক্তি সম্পন্ন করে হজ প্রতিনিধি দল সম্ভাব্য আগামী ২০ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন।

এমইউ/এনডিএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]