পুরান ঢাকায় প্লাস্টিক দানার ব্যবসার অনুমতি দিলেন মেয়র

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৪৭ পিএম, ১০ মার্চ ২০১৯

রাজধানীর পুরান ঢাকায় প্লাস্টিকের দানার ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অনুমিত দিয়েছেন মেয়র সাঈদ খোকন। রোববার (১০ মার্চ) রাজধানীর উর্দু রোডে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ অনুমতি দেন।

তিনি বলেন, প্লাস্টিক দাহ্য পদার্থ নয়। বিস্ফোরক অধিদফতরের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তা প্রমাণিত হয়েছে। তাই পুরান ঢাকায় প্লাস্টিকের দানা ও পিগমেন্টের (রং) দোকান এবং গোডাউন ব্যবসায় কোনো সমস্যা নেই। তবে যেসব দোকান ও গোডাউনে কেমিক্যাল (দাহ্য পদার্থ; এখন পর্যন্ত ২৯টি কেমিক্যাল চিহ্নিত, এ সংখ্যা ৩৫-এ বৃদ্ধি হতে পারে) রয়েছে সেগুলো উচ্ছেদ করা হবে।

মেয়রের এ ঘোষণার পর পুরান ঢাকার প্লাস্টিক ব্যবসায়ীরা উল্লাসে ফেটে পড়েন এবং কেমিক্যালের দোকান ও গোডাউন উচ্ছেদে মেয়রকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশ প্লাস্টিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি মো. আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজ বলেন, প্লাস্টিক কোনো দাহ্য পদার্থ নয়। প্লাস্টিকের দানা এক ঘণ্টা আগুনে জ্বালালেও পুড়বে না। মোমের মতো গলে যাবে। এসব প্লাস্টিকের দানা তিন ঘণ্টা হিট দেয়ার পর যে কোনো পণ্য তৈরি হয়।

তিনি বলেন, পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কেমিক্যালের গোডাউন উচ্ছেদের সময় প্লাস্টিকের দানা ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হন। মেয়রের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে বিস্ফোরক অধিদফতরের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার দাবি জানানো হয়। পরে পরীক্ষা করে প্লাস্টিক দানা দাহ্য পদার্থ নয় বলে প্রমাণ হয়।

আনোয়ার হোসেন বলেন, প্লাস্টিকের দানার ব্যবসার সঙ্গে শুধু পুরান ঢাকার উর্দু রোডের ব্যবসায়ীরা নন, সারাদেশের কমপক্ষে ৫০ লাখ মানুষ জড়িত। মানুষের ব্যবহার্য কাপড় থেকে শুরু করে প্রতিটি পণ্যে প্লাস্টিকের ব্যবহার রয়েছে। মূলত ভুল বোঝাবুঝির কারণেই প্লাস্টিকের ফ্যাক্টরি উচ্ছেদের আওয়াজ উঠেছিল।

এমইউ/এএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]