বাসের ভেতরে সিলিন্ডার রেখে ফাঁসলো আজমেরী

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৫ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০১৯

বাসের ভেতরে যাত্রীদের মাঝেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় সিএনজি সিলিন্ডার স্থাপন ও ব্যবহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের একটি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

একই সঙ্গে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বাসটিতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাখা সিলিন্ডার রিমুভ ও রঙ করতে ওয়ার্কশপে পাঠায় বিআরটিএ। আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের ওই বাসটি (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-২৬৬৯) সদরঘাট টু গাজীপুর চলাচল করে আসছিল।

বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে, আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের ওই বাসটির ভেতরে পেছনে দুই সারি যাত্রী সিটের মাঝ বরাবর গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপনের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ওই ছবিটি ও তথ্য বিআরটিএর দৃষ্টিগোচর হয় ১৫ দিন আগে। পরে বাসটির মালিকপক্ষকে বাসসহ ডেকে পাঠায়। এরপর বাসটির রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করে বিআরটিএ।

গতকাল সোমবার আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের ওই বাসটির রেজিস্ট্রেশন স্থগিতের তথ্যসহ বাসটির ছবি বিআরটিএ তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে।

বিআরটিএ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অনিরাপদ অবস্থায় সিএনজি সিলিন্ডার রাখার জন্য গাড়ির ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয় সেখান থেকেই আমাদের কার্যক্রম শুরু। ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-২৬৬৯ ছবি ভাইরাল হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় গাড়ি নিয়ে হাজির সিলিন্ডার রিমুভ করেন মালিক এবং গাড়িটি নতুন করে রঙ পরিবর্তনের জন্য ওয়ার্কশপে পাঠানো হয়েছে। গাড়িটির বর্তমান রেজিস্ট্রেশন স্থগিত আছে।’

E Veins Links ফেসবুক পেজে মোহাম্মদ জাকির নামক একজনের করা পোস্ট উল্লেখ করা হয়েছে বিআরটিএর ফেসবুকে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘যাত্রীদের মাঝেই গ্যাস বোমা নিয়ে ছুটে চলেছে বাস। অথচ বোমাটি থাকার কথা গাড়ির নিচে। গাড়ি- আজমেরি গ্লোরী (সদরঘাট টু গাজীপুর) গাড়ি নং-ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-২৬৬৯।

এ ব্যাপারে বিআরটিএ’র পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী জাগো নিউজকে বলেন, পরিবহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে সিএনজি সিলিন্ডার। তবে সেটা গাড়িতে ব্যবহারের নিয়ম নির্ধারিত স্থানেই। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব ধরনের গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষার নিয়ম। কিন্তু সেটা অনেকেই করছেন না।

মানহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনিরাপদ গ্যাস সিলিন্ডার এক রকম বোমার মতো। উল্টো ব্যবহারে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি। প্রতিনিয়ত কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনার তথ্য পাওয়া যাচ্ছেই বলে জানান তিনি।

জেইউ/জেএইচ/জেআইএম