রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে ইউকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৩ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) সভাপতি অ্যানী মেইন।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের বোঝা। এখন মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়া উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমরা মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। কারণ মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরাও একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সে সময় এক কোটি বাংলাদেশি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এদের কারণে স্থানীয় মানুষ ব্যাপক ভোগান্তি পোহাচ্ছে।’ এ সময় মানবিক কারণে ভোগান্তি মেনে নেয়ায় স্থানীয় মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সফররত ইউকে কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ (সিএফওবি) ও ইউকে এপিপিজি অন পপুলেশন, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেল্থের প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) সভাপতি অ্যানী মেইন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

ইউকে এপিপিজি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের সফরের ওপর লেখা একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আবারো প্রতিশ্রুতি দেন।

দুই বছর আগে বাংলাদেশে তাদের সফরের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, সেই সময়ের তুলনায় এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিবেশ অনেক ভালো হয়েছে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরো গভীর থেকে গভীরতর হবে।

এইউএ/এএইচ/এমকেএইচ