বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতি-সহিংসতায় টিআইবির উদ্বেগ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৪০ পিএম, ০৮ নভেম্বর ২০১৯

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় একের পর এক রক্তক্ষয়ী ছাত্র সহিংসতা, ব্যাপক দুর্নীতি-অনিয়ম নিরসনে সরকার ব্যর্থ উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সদস্যরা।

টিআইবির সদস্যদের বার্ষিক (২০১৮-১৯) সভায় এই উদ্বেগ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে এই সভা হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন টিআইবির সাধারণ পর্ষদে সদস্যদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কাজী মো. মোরতুজা আলী। টিআইবির সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে সম্পৃক্ত বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ৫১ জন সদস্য সভায় অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে আগ্রহী বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাধারণ নাগরিককে সদস্য করে আসছে টিআইবি। পাশাপশি সারাদেশে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ইযুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) প্ল্যাটফর্মে স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ৭ হাজার নাগরিক, যার সিংহভাগ তরুণ প্রজন্মের সদস্য।

সভায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান ‘শুদ্ধি অভিযানে’ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘কাউকে ছাড় দেয়া হবে না’ এই ঘোষণার কার্যকর নিশ্চয়তার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া অনিয়ম, দুর্নীতি ও সহিংসতা মুক্ত শিক্ষাঙ্গণ, সব নাগরিকের জন্য মানবাধিকার নিশ্চিত, সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ এর কঠোর বাস্তবায়ন এবং আর্থিক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান টিআইবির সদস্যরা।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে টিআইবি পরিচালিত বহুমুখী গবষেণা, অধিপরার্মশ ও প্রচারণাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট আর্থিক হিসাবের সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ওপর সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে টিআইবির কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এইচএস/জেডএ/এমএস