১৮ ফুট চওড়ায় উন্নীত হচ্ছে ফেনী সদর থেকে শান্তিরহাট মহাসড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৪৫ এএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
ফাইল ছবি

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সীমান্ত হাট বসে। সীমান্ত হাট বসায় ফেনী সদর থেকে ছাগলনাইয়ার শান্তিরহাট পর্যন্ত জেলা মহাসড়কটি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সড়কটির কোথাও ১০ ফুট, আবার কোথাও ১২ ফুট চওড়া। সড়কটি সরু হওয়ায় দুটো গাড়ি পাশাপাশি অতিক্রম করতে অসুবিধা হয়। তাই সড়কটি ১৮ ফুট প্রশস্তে উন্নীত ও মজবুত করার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

‘ফেনী (মাস্টারপাড়া)-আলোকদিয়া-লস্করহাট-ছাগলনাইয়া (শান্তিরহাট) জেলা মহাসড়কটি যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। পরিকল্পনা কমিশন সূত্র বলছে, এটি আগামী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পাস হতে যাচ্ছে।

৫৯ কোটি ৮৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ)। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সুপারিশ করে বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ফেনী জেলার সদর উপজেলার সঙ্গে ছাগলনাইয়া উপজেলার উন্নত ও সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন এবং প্রকল্প এলাকার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

সড়ক ও জনপথ অধিদফতর বলছে, ফেনী (মাস্টাপাড়া)-আলোকদিয়া-ভালুকিয়া-লস্করহাট-ছাগলনাইয়া (শান্তিরহাট) জেলা মহাসড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা মহাসড়ক। সড়কটি পুরাতন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৮ কিলোমিটারে মাস্টারপাড়া পয়েন্ট থেকে আরম্ভ হয়ে সদর উপজেলার আলোকদিয়া, ভালুকিয়া, লস্করহাট হয়ে ছাগলনাইয়া উপজেলার ভূঁইয়ারহাট নামক স্থানে মিলিত হয়েছে। সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ১৪ দশমিক ১২৩ কিলোমিটার।

সড়কটি কোথাও ১০ ফুট আবার কোথাও ১২ ফুট চওড়া। সড়কটি সরু হওয়ায় দুটো গাড়ি পাশাপাশি অতিক্রম করতে অসুবিধা হয়। এ মহাসড়কের শান্তিরহাট নামক স্থান থেকে ভারতের দূরুত্ব মাত্র সাত কিলোমিটার। দুদেশের সীমান্ত অঞ্চল ছাগলনাইয়ায় সীমান্ত হাট বসে বিধায় মহাসড়কটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক। এ লক্ষ্যে সড়কটি ১৮ ফুট প্রশস্তে উন্নীতকরণ ও মজবুতীকরণ প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রস্তাব পাঠানো হয়।

এই প্রকল্পের আওতায় সড়ক বাঁধে মাটির কাজ, বিদ্যমান পেভমেন্ট প্রশস্ত ও মজবুত করা, বিদ্যমান পেভমেন্ট পুনঃনির্মাণ করা, সার্ফেসিং, একটি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ তিনটি, ব্রিক মেশিনারি টো-ওয়াল, গ্রাস টার্ফিং, সসার ড্রেন নির্মাণ, রোড মার্কিং, নির্মাণের সময় রক্ষণাবেক্ষণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, জেনারেল অ্যান্ড সাইট ফ্যাসিলিটিস, সাইন, সিগন্যাল, কিলোমিটার পোস্ট ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।

পিডি/এসআর/পিআর