‘কিট আসুক না আসুক, কাউকে ঘুষ দেবে না গণস্বাস্থ্য’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:১১ পিএম, ২৬ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র যে কিট উদ্ভাবন করেছে, সেটা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর নেয়নি উল্লেখ করে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ব্যবসায়িক স্বার্থে জাতীয় স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করছে। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে গণস্বাস্থ্যের কিট গ্রহণ করেনি। আমরা জনগণের স্বার্থে শুধু সরকারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে কিটটি কার্যকর কি-না, তা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকারিভাবে প্রতি পদে পদে পায়ে শিকল দেয়ার চেষ্টা হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেন।

এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে একই জায়গায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আমন্ত্রণ জানানোর পরও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এ কিট গ্রহণের জন্য যায়নি সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান। পরদিনই এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কার্যালয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিটের উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীলসহ তিনজন এটি জমা দিতে যান। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর তা গ্রহণ করেনি। এমনকি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তিনজনের একজনকে ওষুধ প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রবেশও করতে দেয়া হয়নি।

‘কর্তৃপক্ষ জমা নেবেন না। আমরা গিয়েছিলাম, তারা জমা নেননি। বললেন যে সিআরও নিয়ে আসেন। তারপর বললেন, এটা আপনারা ভেরিফিকেশন করে আনেন সিআরও থেকে। সিআরও হলো চুক্তিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ওখানে পয়সা দিতে হবে। কত খরচ লাগবে, তা উনারা (সিআরও) বাজেট দেবেন। পরে আইসিডিডিআর,বি থেকে ভেরিফিকেশন করিয়ে আনার কথা বলেন। আইসিডিডিআর,বি লকডাউন থাকায় তারা বিএসএমএমইউ, আইইডিসিআর কিংবা আর্মি প্যাথলজি ল্যাবরেটরি থেকে কার্যকারিতা আছে কি-না পরীক্ষা করে দেখার প্রস্তাব দিলেও তা মানা হয়নি।’

তিনি বলেন, জাতির এ দুর্যোগের সময় যুগান্তকারী আবিষ্কার এ কিট কাজে লাগানো যাচ্ছে না। যেখানে ইরানে এ ধরনের কিট প্রতিদিন ১০ লাখ তৈরি ও ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে তারা কিট জমাই রাখেননি। যে কোনো ল্যাবরেটরি থেকে পরীক্ষায় আপত্তি নেই। কিন্তু জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে তারা এখন বাজেট ঠিক করবেন, তারপর সিআরও’র মাধ্যমে রিপোর্ট নেবেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের বুঝতে হবে, কীভাবে তারা ব্যবসায়িক স্বার্থকে রক্ষা করছেন। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর অনৈতিক কাজ করছে, দেশের ক্ষতি করছে। তারা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে রেখে চলেন, তাতে তাদের লেনদেনে সুবিধা হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ প্রধান বলেন, প্রথমে আমাদের বললো, অনুমোদন নেই দেখে আমরা আসতে পারব না। আমরা তো আপনাদের হাতে দিতে চাই, যাতে আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আমাদের গতকাল বলা হলো, তারা আসবেন না। ঠিক আছে, আজকে আমরা গেলাম। আজকে গণস্বাস্থ্যের ড. বিজন কুমার শীলসহ তিনজন গেলেন। তারপরও দেখেন, কেমন আমলাতান্ত্রিকতা। দুজনকে ঢুকতে দেবে, আরেকজনকে দেবে না। অথচ বাইরের তিনজন লোককে ভেতরে বসিয়ে রেখেছেন। তাদের ব্যবসাসংশ্লিষ্ট লোকদের ভেতরে বসিয়ে রেখেছেন। ফিরোজ, তিনি হেড অব এ ডিপার্টমেন্ট অব নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পদমর্যাদায় ওই ডিজি সাহেবের সমতুল্য তিনি। এ জাতীয় লোককে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি যুক্তিতর্কে হেরে যাওয়ার ভয়ে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গতকাল আমরা এখানে কিট হস্তান্তরের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলাম, এটার অনুমোদনের জন্য। এটা অনুমোদন করার দায়িত্ব হলো ওষুধ প্রশাসনের। দুর্ভাগ্যবশত, ওষুধ প্র্রশাসন এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, তারা না ফার্মাসিস্ট, না ফার্মাকোলজিস্ট। তার ফলে এই জিনিসগুলোর গুরুত্ব সেভাবে তারা উপলব্ধি করতেই সক্ষম হচ্ছেন না। তারা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ী স্বার্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন।

‘বিজ্ঞানীরা জনস্বার্থে এটি আবিষ্কার করেছেন। এটি ব্যবহারে যত দেরি হবে তত জনগণের ক্ষতি বেশি হবে। এ গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের গুরুত্ব আমরা ওষুধ প্রশাসনকে বোঝাতে পারছি না। সিআরও নামের এজেন্টকে পরীক্ষার জন্য ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা চাই এটির মূল্য ২৫০ থেকে ২০০ টাকা নামাতে, আর তারা ব্যবসায়িক স্বার্থে নানা অজুহাতে ৫০০ টাকা দাম করতে চায়। ওষুধ প্রশাসন থেকে বলা হয়, দাম বাড়লে বাড়বে। এটা কি জনস্বার্থে কথা হলো? আমার ধারণা একটা শ্রেণি সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’

আপনারা গতকাল কিট হস্তান্তর করা হবে বলেছিলেন কেন? এ প্রশ্নের জবাবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কিটটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে চেয়েছি। এখন আমার কাছে কিট থাকলেও সরকারের অনুমোদন ছাড়া আমরা পরীক্ষা করতে পারবো না।

তিনি বলেন, গত ১২ এপ্রিল কিটের যথার্থতা প্রমাণের জন্য সরকারের কাছে রক্ত চেয়েছি। কিন্তু পেয়েছি ২২ এপ্রিল, তাও আবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হস্তক্ষেপের পর। আমার মতো লোক ২৫ বার ফোন করেছি।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালকের উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আপনাদের সব ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করে দেব, তবে ঘুষ দেব না। গণস্বাস্থ্যের ৪৮ বছরে কাউকে ঘুষ দেয়নি, এতে প্রোডাক্ট বাজারে আসুক না আসুক, আমরা ঘুষ দেইনি, দেব না। এই দুর্নীতির অংশীদার হইনি, হবো না। আমরা আন্দোলন করে যাব।

পিডি/এমইউ/এইচএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬২,৯১,২৫৯
আক্রান্ত

৩,৭৪,৩৪৩
মৃত

২৮,৬২,৫৫৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৯,৫৩৪ ৬৭২ ১০,৫৯৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,৩৭,৫৭৮ ১,০৬,১৯৮ ৫,৯৯,৮৭৫
ব্রাজিল ৫,১৪,৯৯২ ২৯,৩৪১ ২,০৬,৫৫৫
রাশিয়া ৪,১৪,৮৭৮ ৪,৮৫৫ ১,৭৫,৮৭৭
স্পেন ২,৮৬,৫০৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭৪,৭৬২ ৩৮,৪৮৯ ৩৪৪
ইতালি ২,৩৩,০১৯ ৩৩,৪১৫ ১,৫৭,৫০৭
ভারত ১,৯১,৩৩৩ ৫,৪১৩ ৯২,০২৭
ফ্রান্স ১,৮৮,৮৮২ ২৮,৮০২ ৬৮,৩৫৫
১০ জার্মানি ১,৮৩,৪৯৪ ৮,৬০৫ ১,৬৫,৯০০
১১ পেরু ১,৬৪,৪৭৬ ৪,৫০৬ ৬৭,২০৮
১২ তুরস্ক ১,৬৩,৯৪২ ৪,৫৪০ ১,২৭,৯৭৩
১৩ ইরান ১,৫৪,৪৪৫ ৭,৮৭৮ ১,২১,০০৪
১৪ চিলি ৯৯,৬৮৮ ১,০৫৪ ৪২,৭২৭
১৫ কানাডা ৯০,৯৪৭ ৭,২৯৫ ৪৮,৮৭৯
১৬ মেক্সিকো ৯০,৬৬৪ ৯,৯৩০ ৬৪,৩২৬
১৭ সৌদি আরব ৮৫,২৬১ ৫০৩ ৬২,৪৪২
১৮ চীন ৮৩,০১৭ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩০৭
১৯ পাকিস্তান ৭২,৪৬০ ১,৫৪৩ ২৬,০৮৩
২০ বেলজিয়াম ৫৮,৫১৭ ৯,৪৮৬ ১৫,৯১৯
২১ কাতার ৫৮,৪৩৩ ৪০ ৩৩,৪৩৭
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,৪৪২ ৫,৯৫৬ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪৩,৪০৩ ২৪০ ১৮,৭৭৬
২৪ ইকুয়েডর ৩৯,০৯৮ ৩,৩৫৮ ১৯,৫৯২
২৫ সুইডেন ৩৭,৫৪২ ৪,৩৯৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৫,২৯২ ২৩ ২১,৬৯৯
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৪,৫৫৭ ২৬৪ ১৭,৯৩২
২৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২,৬৮৩ ৬৮৩ ১৬,৮০৯
২৯ পর্তুগাল ৩২,৫০০ ১,৪১০ ১৯,৪০৯
৩০ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৭১ ১,৯২০ ২৮,৫০০
৩১ কলম্বিয়া ২৯,৩৮৩ ৯৩৯ ৮,৫৪৩
৩২ কুয়েত ২৭,৭৬২ ২২০ ১২,৮৯৯
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৬,৯৪০ ১,৬৪১ ৭,৬৩৭
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৯৯০ ১,৬৫২ ২২,০৮৯
৩৫ মিসর ২৪,৯৮৫ ৯৫৯ ৬,৮১০
৩৬ ইউক্রেন ২৪,০১২ ৭১৮ ৯,৬৯০
৩৭ পোল্যান্ড ২৩,৯৮৭ ১,০৬৫ ১১,৪৪৯
৩৮ রোমানিয়া ১৯,৩৯৮ ১,২৭০ ১৩,৪২৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৮,৬৩৮ ৯৬০ ৩,৯৭৯
৪০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৭,২৮৫ ৫০২ ১০,৫৫৯
৪১ ইসরায়েল ১৭,১০৬ ২৮৫ ১৪,৮২৬
৪২ জাপান ১৬,৮৫১ ৮৯১ ১৪,৪৫৯
৪৩ আর্জেন্টিনা ১৬,৮৫১ ৫৩৯ ৫,৩৩৬
৪৪ অস্ট্রিয়া ১৬,৭৩৩ ৬৬৮ ১৫,৫৯৬
৪৫ আফগানিস্তান ১৫,৭৫০ ২৬৫ ১,৪২৮
৪৬ পানামা ১৩,৪৬৩ ৩৩৬ ৯,৫১৪
৪৭ ওমান ১২,২২৩ ৫০ ২,৬৮২
৪৮ বাহরাইন ১১,৮০৪ ১৯ ৭,০৭০
৪৯ ডেনমার্ক ১১,৬৬৯ ৫৭৪ ১০,৩৬২
৫০ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৫০৩ ২৭১ ১০,৪২২
৫১ সার্বিয়া ১১,৪১২ ২৪৩ ৬,৬৯৮
৫২ কাজাখস্তান ১১,৩০৮ ৪৮৯ ৫,৪৫৮
৫৩ নাইজেরিয়া ১০,১৬২ ২৮৭ ৩,০০৭
৫৪ বলিভিয়া ৯,৯৮২ ৩১৩ ৯৬৮
৫৫ আর্মেনিয়া ৯,৪৯২ ১৩৯ ৩,৪০২
৫৬ আলজেরিয়া ৯,৩৯৪ ৬৫৩ ৫,৭৪৮
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২৭৩ ৩২০ ৬,৫৬২
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৪০ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,২৫১ ২৯৫ ৪,৫৮১
৬০ ঘানা ৮,০৭০ ৩৬ ২,৯৪৭
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৮৫৭ ১১৫ ৬,৪০৪
৬২ মরক্কো ৭,৮১৯ ২০৫ ৫,৭৫৪
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,২০৪ ১০৩ ৬,৬১৯
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮৮৫ ৩২০ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,৪৩৯ ২০৫ ৩,১৫৬
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৯০৪ ১৯১ ৩,৫৬৮
৬৭ আজারবাইজান ৫,৪৯৪ ৬৩ ৩,৪২৮
৬৮ হন্ডুরাস ৫,২০২ ২১২ ৫৩৭
৬৯ গুয়াতেমালা ৫,০৮৭ ১০৮ ৭৩৫
৭০ সুদান ৫,০২৬ ২৮৬ ১,৪২৩
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৮ ১১০ ৩,৮৩৩
৭২ তাজিকিস্তান ৩,৯৩০ ৪৭ ২,০০৪
৭৩ হাঙ্গেরি ৩,৮৯২ ৫২৭ ২,১৫৬
৭৪ সেনেগাল ৩,৭৩৯ ৪২ ১,৮৫৮
৭৫ গিনি ৩,৭০৬ ২৩ ২,০৩০
৭৬ উজবেকিস্তান ৩,৬৬২ ১৫ ২,৮৫৯
৭৭ জিবুতি ৩,৩৫৪ ২৪ ১,৫০৪
৭৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩,১৯৫ ৭২ ৪৫৪
৭৯ থাইল্যান্ড ৩,০৮২ ৫৭ ২,৯৬৫
৮০ গ্রীস ২,৯১৭ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৮৩৩ ৩৩ ১,৪৩৫
৮২ গ্যাবন ২,৬৫৫ ১৭ ৭২২
৮৩ এল সালভাদর ২,৫৮২ ৪৬ ১,০৬৩
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৫২৪ ১৫৪ ১,৮৮৮
৮৫ বুলগেরিয়া ২,৫১৯ ১৪০ ১,০৯০
৮৬ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,৩১৫ ১৪০ ১,৫৬৯
৮৭ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৭২
৮৮ হাইতি ২,১২৪ ৪৪ ২৯
৮৯ কিউবা ২,০৪৫ ৮৩ ১,৮০৯
৯০ সোমালিয়া ১,৯৭৬ ৭৮ ৩৪৮
৯১ কেনিয়া ১,৯৬২ ৬৪ ৪৭৮
৯২ এস্তোনিয়া ১,৮৭০ ৬৮ ১,৬২৫
৯৩ কিরগিজস্তান ১,৮১৭ ১৬ ১,১৮১
৯৪ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৫ নেপাল ১,৭৯৮ ২২১
৯৬ মালদ্বীপ ১,৭৭৩ ৪৫৩
৯৭ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৮ লিথুনিয়া ১,৬৭৮ ৭০ ১,২৩৬
৯৯ শ্রীলংকা ১,৬৩৩ ১১ ৮১১
১০০ স্লোভাকিয়া ১,৫২২ ২৮ ১,৩৬৮
১০১ ভেনেজুয়েলা ১,৫১০ ১৬ ৩০২
১০২ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০৩ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৯ ১,৩৫৮
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৫ মালি ১,২৬৫ ৭৭ ৭১৬
১০৬ ইথিওপিয়া ১,২৫৭ ১২ ২১৭
১০৭ গিনি বিসাউ ১,২৫৬ ৪২
১০৮ লেবানন ১,২২০ ২৭ ৭১২
১০৯ আলবেনিয়া ১,১৪৩ ৩৩ ৮৭৭
১১০ জাম্বিয়া ১,০৮৯ ৯১২
১১১ হংকং ১,০৮৮ ১,০৩৭
১১২ তিউনিশিয়া ১,০৮৪ ৪৮ ৯৬৪
১১৩ লাটভিয়া ১,০৬৬ ২৪ ৭৪৫
১১৪ কোস্টারিকা ১,০৫৬ ১০ ৬৬৯
১১৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১,০১১ ২৩
১১৬ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৭ প্যারাগুয়ে ৯৮৬ ১১ ৪৭৭
১১৮ নাইজার ৯৫৮ ৬৪ ৮৩৯
১১৯ সাইপ্রাস ৯৪৪ ১৭ ৭৯০
১২০ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৮৫
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৬১ ৪৬ ৪৫৪
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ মাদাগাস্কার ৮২৬ ১৭৪
১২৪ জর্জিয়া ৭৯৪ ১২ ৬২৪
১২৫ চাদ ৭৭৮ ৬৫ ৪৯১
১২৬ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৯৪
১২৭ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৮ জর্ডান ৭৩৯ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৯
১৩১ মালটা ৬১৯ ৫৩৭
১৩২ কঙ্গো ৬১১ ২০ ১৭৯
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৮৬ ৩১১
১৩৪ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৭২
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫২৮
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৫৩০ ২৩ ২৭
১৩৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৯৯ ২০০
১৩৯ রিইউনিয়ন ৪৭১ ৪১১
১৪০ উগান্ডা ৪৫৭ ৭২
১৪১ তাইওয়ান ৪৪৩ ৪২৭
১৪২ টোগো ৪৪২ ১৩ ২১১
১৪৩ কেপ ভার্দে ৪৩৫ ১৯৩
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩৭০ ২৫৬
১৪৫ বেনিন ৩৩৯ ১৪৩
১৪৬ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৭ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৮ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৯৩
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫০ ইয়েমেন ৩২৩ ৮০ ১৪
১৫১ লাইবেরিয়া ২৮৮ ২৭ ১৫৭
১৫২ ইসওয়াতিনি ২৮৫ ১৮৯
১৫৩ মালাউই ২৮৪ ৪২
১৫৪ মোজাম্বিক ২৫৪ ৯১
১৫৫ মায়ানমার ২২৮ ১৩৮
১৫৬ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৮৫ ৪৪
১৫৯ জিম্বাবুয়ে ১৭৮ ২৯
১৬০ জিব্রাল্টার ১৭০ ১৫১
১৬১ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬২ লিবিয়া ১৫৬ ৫২
১৬৩ গায়ানা ১৫৩ ১২ ৭০
১৬৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪১ ৬৮
১৬৬ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৭ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৮ সিরিয়া ১২২ ৪৬
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৭ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৮
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ অ্যাঙ্গোলা ৮৬ ১৮
১৭৬ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৭৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮১ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮২ ভুটান ৪৩
১৮৩ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৪ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৫ বতসোয়ানা ৩৮ ২০
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৬ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৮৮ নামিবিয়া ২৫ ১৬
১৮৯ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৯০ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ সুরিনাম ২৩
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২০ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৯ ১৪
১৯৫ লাওস ১৯ ১৬
১৯৬ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৭ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৮ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৯ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০২ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১১ সেন্ট বারথেলিমি
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।