করোনাকালে জিডিপি ৫.২০ শতাংশ গ্রহণযোগ্যই বটে

সায়েম সাবু
সায়েম সাবু সায়েম সাবু , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:২২ পিএম, ০৮ আগস্ট ২০২০

করোনাকালে বিদায়ী অর্থবছরে ৫ দশমিক ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মির্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে জিডিপির এই হার অর্থনীতির জন্য কিছুটা হলেও আশাব্যঞ্জক।

করোনাভাইরাসের প্রভাবে গোটা বিশ্বে জিডিপির হারে ধস নেমেছে। বাংলাদেশেও মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অনেক কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ শতাংশ কমেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ২০ শতাংশ।

যদিও গত অর্থবছরে জন্য প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। জিডিপির এই নিম্নমুখী অবস্থান নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেন, মির্জা আজিজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতি স্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যে নেই। গোটা পৃথিবীতে ধস নেমেছে। কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়েও নিশ্চয়তা নেই। এই পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশে ৫ দশমিক ২০ শতাংশ জিডিপি মোটামুটি গ্রহণযোগ্য বলেই মনে করি। যদিও সরকার বিদায়ী অর্থ বছরের জন্য ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল এবং এটি করেছিল তার আগের বছরের ধারবাহিকতায়। কিন্তু কোভিট-১৯ এর প্রভাবে সবকিছুই অনির্ধারিত হয়ে যায়। আর গত বছরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছিল কিছুটা অবাস্তব’।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ শতাংশ জিডিপি কমে যাওয়া অর্থনীতির জন্য কি বার্তা দিচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকার চেষ্টা করছে সামগ্রিক অর্থব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার। নানা প্রণোদনাও দিচ্ছে। এটি ভালো ইঙ্গিত। কিন্তু মানুষ কর্মহীন হচ্ছে, তা অবশ্যই দুঃচিন্তার। জিডিপির ধারাবাহিকতা ফেরাতে হলে চাহিদা এবং সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে। আর এজন্য মানুষের হাতে টাকা থাকতে হবে। এবারে আমদানি সন্তোষজনক না। রফতানি যা হচ্ছে, তা প্রায় আগের অর্ডারে। সামনের রফতানির কী অবস্থা দাঁড়ায়, তা চিন্তার বিষয়।

এএসএস/এমআরএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]