রাজধানীতে চিরচেনা যানজট, তবুও চালক-যাত্রীদের স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৭ পিএম, ০৬ মে ২০২১ | আপডেট: ০৫:৩২ পিএম, ০৬ মে ২০২১

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ২২ দিন পর রাজধানীর রাস্তায় চলতে শুরু করেছে গণপরিবহন। প্রায় সব যানবাহনের কর্মী এবং যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করছেন।

প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (৬ মে) রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা গেছে তীব্র যানজট। এদিন দুপুরে রাজধানীর বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, ফার্মগেট, মগবাজার, কাকরাইল, গুলিস্তান এলাকা ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। গত প্রায় এক মাস রাজধানীতে যানজটের মাত্রা এতটা তীব্র ছিল না। এদিন কারওয়ান বাজার থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশেই যানজটে গাড়ি আটকে থাকতে দেখা গেছে।

গণপরিবহন চালু করায় চালক, যাত্রী, মালিক সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

মহাখালীর আমতলী থেকে তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড়ের দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। যানজটের কারণে বাসে যেতে সময় লেগেছে প্রায় ৩০ মিনিট। একইভাবে সাতরাস্তা থেকে বনানী পর্যন্ত সড়কেও বেশ যানজট দেখা গেছে।

jagonews24

কাকরাইল মোড়ে কথা হয় সদরঘাটগামী স্কাইলাইন পরিবহনের চালক মাসুদের সঙ্গে। তিনি জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসের অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখেই তারা যাত্রী পরিবহন করছেন। তবে সড়কে আগের মতোই যানজট।

সাতরাস্তা মোড়ে পল্টনগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, অফিসের কাজে প্রায়ই তেজগাঁও যাতায়াত করতে হয়। এতদিন বাস না চলায় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এখন বাস চালু হওয়ায় যাতায়াতে সুবিধা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে গত ১৪ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। টানা বিধিনিষেধ (লকডাউন) শেষে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অর্ধেক যাত্রী এবং ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়ায় গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। তবে আন্তঃজেলা বাস চালু হচ্ছে না এখনই। আগামী ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে বুধবার (৫ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধু জেলার গাড়ি জেলার মধ্যেই চলাচল করতে পারবে। আন্তঃজেলা বাসের পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে যাত্রীবাহী ট্রেন ও নৌযানও।

এমএমএ/এসএস/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]