স্বেচ্ছাশ্রমে ১০ কি.মি. রাস্তা প্রশস্ত করলেন ইব্রাহীমপুরের মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০৬ পিএম, ১৭ জুন ২০২১

স্বেচ্ছায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্ত করায় রাজধানীর কাফরুলের ইব্রাহীমপুরের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুরে ইব্রাহীমপুরে এডভেন্টিস্ট ইন্টারন্যাশনাল মিশন স্কুল এলাকায় স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রাস্তা প্রশস্তকরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণ জনগণের অসাধারণ ক্ষমতাবলে স্বেচ্ছায় ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭টি রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। স্বেচ্ছায় না করলে এসব এলাকার রাস্তা প্রশস্ত করতে গেলে জমি অধিগ্রহণ করতে অনেক টাকা খরচ হতো।

জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে এমন মহৎ উদ্যোগের জন্য স্বেচ্ছাসেবকদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু ডিএনসিসির ৪ নম্বর অঞ্চলই নয়, অন্যান্য সকল অঞ্চলের জন্য এমনকি ঢাকাসহ সারা দেশের জন্যই এটি একটি রোল মডেল, একটি অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। এই এলাকার বাড়ির মালিকেরা তথা ভলান্টিয়াররা স্বেচ্ছায় মোট ২৭টি রাস্তায় বা রাস্তার অংশের প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্ত করতে গিয়ে অনেককে নিজেদের মূল্যবান স্থাপনার আংশিক ভাঙতে হয়েছে, মূল্যবান জমিও ছাড়তে হয়েছে। এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ।

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪ নম্বর অঞ্চলের ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। এসব ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট এতটাই অপ্রশস্ত যে, বিপৎকালীন সময়ে জরুরি এম্বুলেন্সও প্রবেশ করতে পারত না। এমনকি এই এলাকার বাড়ি-ঘর থেকে মৃতদেহ বাইরে বের করাটাও খুবই কঠিন ছিল। এখন প্রশস্ত রাস্তার গুরুত্ব অনুধাবন করেই এলাকার সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে ভলান্টিয়ার হিসেবে এগিয়ে আসায় এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ কাজ করা সম্ভব হয়েছে। এভাবে ঢাকাকে দখল, দূষণ ও দুষ্ট লোকের কবল থেকে মুক্ত করে সবার বাসযোগ্য একটি আধুনিক নগরীতে রূপান্তরিত করতে হবে।

এমএমএ/এসএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]