শ্রীকাইলে দ্বিতীয় ধাপে খনন, লক্ষ্যমাত্রা ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৭ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলে গ্যাসের নতুন অনুসন্ধান কূপ খননের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয়েছে। গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ খনন কাজ চার মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের জ্বালানি বিভাগ আগামী তিন বছরে ৪৬টি কূপ খননের যে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, এরই অংশ হিসেবে শ্রীকাইলে নর্থ-১ অনুসন্ধান কূপের ডিরেকশনাল ড্রিলিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

কূপ খনন শেষে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস আবিষ্কৃত হলে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস (এমএমএসসিএফ) উৎপাদন হতে পারে বলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বাপেক্সের এক কর্মকর্তা জানান, গত শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রকল্পটির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন। চলতি বছরের মধ্যে কূপটির খনন কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

এর আগে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানে এ লক্ষ্যে ২০২২-২০২৫ সময়কালের মধ্যে ৫০০ মিলিন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা দেন জ্বালানি সচিব হাবিবুর রহমান। এছাড়া নিজস্ব গ্যাসে চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এরই ধারাবাহিকতায় পেট্রোবাংলা মোট ৪৬টি অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ বছরের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে শ্রীকাইল নর্থ-১ এ অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রম শুরু করে বাপেক্স। এবার শুরু হলো দ্বিতীয় ধাপের কাজ।

বাপেক্সের এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, গত জুন মাসে শ্রীকাইল নর্থ-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী চার মাসের মধ্যে সম্ভাব্য ৩ হাজার ৫০০ মিটার গভীর কূপ খনন করা হবে। এরই মধ্যে ১৮২ মিটার পর্যন্ত কূপ খনন করা হয়েছে। সম্পূর্ণ কাজ শেষ হলে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যেতে পারে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে এ ক্ষেত্র থেকে গ্যাস যুক্ত করা সম্ভব হবে। বাপেক্সের এ প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

এমআইএস/এমকেআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।