একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ওপর নিষেধাজ্ঞার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৫ পিএম, ৩০ আগস্ট ২০২৩

দেশে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ওপর নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশকর্মী এবং বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার (৩০ আগস্ট) ঢাকায় এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডো) ‘প্লাস্টিক পল্যুশন টুওয়ার্ডস প্লাস্টিক ট্রিটি নেগোসিয়েশন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, প্লাস্টিক দূষণ মানব এবং পরিবেশ উভয়ের জন্য মারাত্মক সমস্যা। এই দূষণ কমানোর জন্য সরকার ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যা বৈশ্বিক প্লাস্টিক চুক্তির পথ সুগম করবে। আমাদের যত দ্রুত সম্ভব একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। কারণ এটি জলবায়ু পরিবর্তনে আরও বেশি অবদান রাখে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসডোর চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ।

তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক যে, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্লাস্টিকদূষিত দেশ।

তিনি বলেন, প্লাস্টিক পরিবেশের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। আমরা পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধ করেছি। আমাদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, প্লাস্টিক দূষণ এমন একটি সমস্যা যা আমরা সমাধান করতে পারি নাই। আমরা প্লাস্টিক দূষণের সমস্যা মোকাবিলা করতে পিছিয়ে আছি। বিশ্বব্যাপী পলিথিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা প্রথম দেশ হিসেবে আমাদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে প্লাস্টিক দূষণের অবসান ঘটাতে হবে। এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সাবেক সচিব ড. মাহফুজুল হক বলেন, আমরা প্রত্যেকেই যদি পরিবেশ রক্ষার পদক্ষেপ গ্রহণ করি, তাহলে পরিবেশের ওপর উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব যোগ করে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাস করা, বিকল্প পণ্য ব্যবহার করা এবং রিফিল সিস্টেম বেছে নেওয়ার মতো ছোট পদক্ষেপ সম্মিলিতভাবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্টসের চিফ কন্ট্রোলার এস কে রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, এই নদীগুলো আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বহন করে। অথচ নদীগুলোর বেশিরভাগই প্লাস্টিক দ্বারা দূষিত। প্রকৃতি রক্ষার জন্য, এখনই এই সমস্যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এনএইচ/জেডএইচ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।