উপজেলা পরিষদ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা কেন বাতিল নয় : আদালত


প্রকাশিত: ১০:০৮ এএম, ৩০ মার্চ ২০১৬

উপজেলা পরিষদ সংশোধন আইন-২০১১ এর যে ধারায় চাপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান বাইরুল ইসলামকে বরাখাস্ত করা হয়েছিল সেই ধারাটি কেন বাতিল করা হবে না জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি রাফিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।  সেই বাইরুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন আদালত। এই আদেশের ফলে চেয়ারম্যান পদ আবারো ফিরে পেলেন বাইরুল ইসলাম।

আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও গাজী কামরুল ইসলাম সজল। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

পরে আইনজীবী গাজী কামরুল ইসলাম সজল সাংবাদিকদের জানান, বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলায় গত বছরের ৩১ আগস্ট বাইরুল ইসলামের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তাই চলতি বছরের ১০ মার্চ তাকে বরখাস্ত করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সেই প্রজ্ঞাপসহ ১৯৯৮ সালের উপজেলা পরিষদ সংশোধন আইন ২০১১ এর সংশোধিত ধারা ১৩ এর খ (১) চ্যালেঞ্জ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান বাইরুল ইসলাম। যেই ধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের কোনো হানিকর কাজে জড়িত থাকলে বা দুর্নীতি, অসদাচারণ বা নৈতিক স্থলনজিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে (অভিযোগপত্র দাখিল করলে) তাকে বরখাস্ত করা যাবে।

উপজেলা পরিষদ আইনের এই ধারাটি সংবিধানের মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে তা বাতিল চাওয়া হয়। আদালত সেই রিটের প্রাথমিক শুনানি করে বুধবার এই আদেশ দেন।
 
এফএইচ/এসকেডি/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।