ইউপি নির্বাচনে অরাজকতা তৈরির উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে ঘিরে দেশব্যাপী নাশকতা ও অরাজকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি আমদানি করে একটি চক্র জেলায় জেলায় সরবরাহ করছিল বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে আয়োজিত এক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
বুধবার রাতে পুরান ঢাকার বংশালের নবাব ইউসুফ রোডের নবাব ইউসুফ মার্কেটের সামনে থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (দক্ষিণ) কর্তৃক আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ ৩জনকে আটকের পর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আটকরা হলেন; মো. দবির উদ্দিন ওরফে তুহিন, মো. আব্দুল হামিদ ও মো. ইফরানুল হাসান পিয়াস। আটকদের কাছ থেকে ৬টি বিদেশি অস্ত্র, ১০টি ম্যাগজিনসহ ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
মনিরুল ইসলাম বলেন, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত। এ ঘটনায় বংশাল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে চোরাইপথে অস্ত্র সংগ্রহ করে তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করত। ইফরানুল কুমিল্লার স্থানীয় অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা-কুমিল্লা রুট ব্যবহার করে তিনি অস্ত্র সংগ্রহ করেন এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে চাহিদা মাফিক অস্ত্রের যোগান দিতেন।
কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) এ অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অরাজকতা সৃষ্টিই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
জেইউ/এসকেডি/পিআর