৯১ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি চূড়ান্ত


প্রকাশিত: ১০:৪৪ এএম, ০৫ এপ্রিল ২০১৬

চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ৯১ হাজার কোটি টাকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। যা ঘোষিত বাজেটে ছিলো ৯৭ হাজার কোটি টাকা।

অবশ্য সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন হিসাবে নিলে সংশোধিত এডিপি দাঁড়াবে ৯৩ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা। একই হিসেবে ঘোষিত এডিপির আকার ১ লাখ ৯৯৭ হাজার কোটি টাকা। এর ফলে এডিপি থেকে বড় অংকের অর্থ ছেড়ে দিতে হলো। মূলত বাস্তবায়ন ধীর গতির কারণে এটি হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সস্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে সংশোধিত এডিপি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
তিনি বলেন, চাহিদা থাকলেও আমরা সে অনুযায়ী বরাদ্দ দিতে পারিনি। তারপরও বাস্তবতার প্রেক্ষিতে বরাদ্দ দিয়েছি। আগামীতে এডিপির পরিমাণ আরো বাড়বে।

কামাল আরো বলেন, চলতি অর্থবছরে সব মিলিয়ে এডিপির আকার ১ লাখ ৯৯৭ হাজার কোটি টাকা ছিল। সেখান থেকে ৯৩ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা ৬৮ লাখ টাকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৬৪ হাজার ৭৩৪ কোটি ৬৮ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২৯ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। যদিও অর্থ বিভাগ থেকে সংশোধিত এডিপির আকার দেয়া হয়েছিল ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

সংশোধিত এডিপিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে পরিবহন খাত। পরিবহন খাতে সংশোধিত এডিপির ২২ শতাংশ বা ১৯ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে বিদ্যুৎ খাত। মাতারবাড়ী কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঘোড়াশালের দুটি ইউনিটের রিপাওয়ারিং, পল্লী বিদ্যুতের ১৫ লাখ গ্রাহককে সংযোগ প্রদানসহ বড় কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নে এ খাতে ১৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগ। তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাচ্ছে শিক্ষা ও ধর্ম খাত। শিক্ষার প্রসার ও গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ খাতে নয় হাজার ৮৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে।

পানি সরবরাহ ও গৃহায়ন খাতে সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীল করা ও অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান খাতে ৮ হাজার ২১০ কোটি টাকা পাবে।

স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ খাতে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা এবং কৃষি খাতে ৪ হাজার ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা সচিব তারিকুল-উল-ইসলাম, আইএমইডির সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এবং তথ্য ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।

এসএ/একে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।