করোনা নিয়ন্ত্রণে উহান মডেল ও অন্যান্য কথা

ডা. এম এ হাসান
ডা. এম এ হাসান ডা. এম এ হাসান , চিকিৎসক
প্রকাশিত: ১২:২৯ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২০

সারাবিশ্বে যখন করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ১৪ হাজার ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং ১৮৫ দেশে যখন পৌনে সাড় তিন লাখ ব্যক্তি এতে আক্রান্ত হয়েছে, তখন এই প্যানডেমিক পরিস্থিতির পরিণতি অতি স্পষ্ট। এমন মুহূর্তে বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ জন এবং মৃত্যু দুইজন হলেও এর বিস্তার জানতে আমাদের আরও দুই সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। অবস্থাদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে সরকারে যারা উচ্চপর্যায়ে আছেন তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে কাজটি করতে পারছেন না এবং এর ভয়াবহ প্রকৃতির বিষয়টি অনুধাবন করতে সক্ষম হচ্ছেন না।

বিদেশফেরত এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ট্র্যাকিং, টেস্ট, আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টাইনের দায়িত্ব যাদের দেয়া হয়েছিল তারা যথাযথ যোগ্যতার সাথে তা করতে পারেনি। এতে আগামী ১৪ দিন পর যদি দেশে করোনার সংক্রমণ এবং করোনার মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পায় বা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বিদেশফেরতদের দেশে আনার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার দায়দায়িত্ব মুখ্য করোনা নিয়ন্ত্রক সংস্থার। যারা যথাযথ টেস্ট, স্ক্রিনিং বা কোয়ারেন্টাইন ছাড়া বিদেশফেরতদের নির্বিচারে জাতীয় বিমানে এনে ওই বিমানের সকল আরোহী ও ক্রুসহ দেশের বিমানবন্দরের কর্মী ও গণমানুষকে ঝুঁকিতে ফেলল তাদের বিশাল দায়টি বুঝতে হবে।

প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত অভিজ্ঞতার আলোকে এটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে করোনাভাইরাস নামক আরএএন ভাইরাস যা কোল্ড ভাইরাস নামে পরিচিত তা অত্যন্ত ছোঁয়াচে; এটি যেমন হাঁচি-কাশির মাধ্যমে মাইক্রোড্রপলেট আকারে ছড়ায়, তেমনি রোগীর ব্যবহার্য, পরিবেশে বিদ্যমান কাপড়, প্লাস্টিক, ধাতব ও অন্যান্য ফোমাইটের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। মাইক্রোড্রপলেট আকারে বাতাসে ভাসমান ভাইরাস প্রায় ৩-৪ ঘণ্টা জীবিত থাকলেও ধাতব ও প্লাস্টিকসহ অন্যান্য ফোমাইটে আঠার মতো লেগে তা তিনদিন পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। এ কারণে এটি প্রতিরোধে বহুমুখী ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ যাচাই করে দ্রুত পরীক্ষায় এনে কোয়ারেন্টাইনে আনা যেমন অবশ্য করণীয় তেমনি আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা প্রতিটি ব্যক্তি, বস্তুসহ তার পরিপার্শ্বের একটি মূল্যায়ন প্রয়োজন। সংস্পর্শে আসা মানুষগুলোর পরীক্ষাসহ তাদের আইসোলেশন এবং তাদের পারিপার্শ্বিক ডিজইনফেকশন প্রক্রিয়া অতি অপরিহার্য।

এ ক্ষেত্রে স্মরণ রাখা প্রয়োজন, ৬০% অ্যালকোহলের মতো সাবান ও ক্লোরিন দ্রবণ এই ভাইরাস মেরে ফেলতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে প্রতিটি ফোমাইটকে বা রোগীর সংস্পর্শে আসা বস্তুকে চার মিনিট ওই দ্রবণের সাথে সংযুক্ত রাখতে হবে। ব্যবহৃত কাপড়গুলো সাবান দিয়ে সিদ্ধ করে ভাইরাসগুলো মেরে ফেলা যেতে পারে। দরজার হাতল, পানির কলের নব, টয়লেট ও গণপরিবহনের আসন ও হাতলগুলো ডিজইনফেক্ট করা অতি জরুরি। এর জন্য মাস্ক, ফিউমিগেশন; কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইউভি রেডিয়েশন বা কোমল এক্সরে কার্যকর হতে পারে। তামার পাতের শিল্ড লাগানো হিটার ভাইরাস কমাতে সাহায্য করে- এটা আমি ২০০২-এ সার্স নিয়ে কাজ করার সময় দেখেছি। তাপমাত্রা ৬০-৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হলে ভাইরাসের মৃত্যু হবে। ৪৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে এটা নির্জীব হবে এবং সংখ্যায় কমবে।

সব মিলিয়ে ব্যাপক সংক্রমণ রোধে সকল ধরনের গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা উচিত এখনই। সমাবেশ, গণপাঠদান থেকে শুরু করে নামাজের জামাত সব কিছুই নিষেধের আওতায় আনতে হবে এখনই। সারাবিশ্বে যে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স ও আইসোলেশনের কথা বলা হয়েছে তা এখনই, আজ থেকেই দেশে কার্যকর করা উচিত।

এই ভাইরাসের জিনোমিক সিকোয়েন্সিংয়ের আলোকে কিছু ওষুধের কথাও ভাবা প্রয়োজন। জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যে কেউই এই ওষুধের ভ্যাকসিন তৈরি করুক না কেন ছয় মাসের আগে এমন ভ্যাকসিন হাতে আসার সম্ভাবনা একেবারে নেই।

এ প্রেক্ষিতে সার্স ও ফ্লু চিকিৎসায় যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয়েছে তার কিছু কিছু ওষুধ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় পরামর্শ মতো ফ্যাভিপিরাভির দিয়ে রোগাক্রান্তদের চিকিৎসা শুরু করে প্রতিরোধ বাড়াবার জন্য বিটাকাপ্পা ইনহিবিটরগুলো বিশেষ করে সেলিনিয়াম ও জিঙ্কের ব্যাপক ব্যবহার প্রয়োজন। জিঙ্ক ডায়ারিয়া ও নিউমোনিয়ায় মৃত্যু হার কমিয়ে আনে। এক্ষেত্রে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন যা এইডস প্রতিরোধ সিডিসিকে একসময় ব্যবহার করতে বলেছিলাম যা কি-না রিউমটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগে ইম্যুউন মডুলেটের হিসেবে ব্যবহার করা হয় তা করোনাভাইরাস সংক্রমণে প্রয়োগ করতে বলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বয়স বিবেচনা করে নির্বাচিত ক্ষেত্রে চোখের রেটিনার সমস্যাটি বিবেচনায় এনে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ঢালাওভাবে ব্যবহার করা কখনও নয়। যে বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি বাতরোগে ভুগছেন ও ইম্যুইনোডিফেসিয়েন্সিতে ভুগছেন তাদের জন্য ইন্টারফেরন এবং হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন কিছু কাজে আসতে পারে। এ-সংক্রান্ত সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিবেচনায় আনা প্রয়োজন।

সার্বিকভাবে আইসোলেশন ও টেস্টের কোনো বিকল্প নেই। করোনা টেস্টকিট হাতে না আসা পর্যন্ত ইনফ্লুয়েঞ্জার টেস্ট করে এক্সক্লুশন পদ্ধতিতে সিদ্ধান্তের কাছে আসা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জার ওষুধগুলো এবং কিছু ভাইরিসাইডাল কাজে আসতে পারে। আমাদের হাতে এমন কিছু ওষুধ রয়েছে। ব্যাপকভাবে ফ্লু ভ্যাকসিন দেয়া প্রয়োজন। এটা ফ্লুজনিত মৃত্যু কমিয়ে আনবে। চিকিৎসক, নার্স ও জনগণের ব্যবহারের জন্য মাস্ক ও টোটাল প্রটেকশন পিপিই নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর অভাবে ২০ জন আক্রান্তের চিকিৎসায় ৭ জন চিকিৎসক করোনা দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ডাক্তারের ঝুঁকির হার ১:৩। এটা অনেক বড় ঝুঁকি। এ ঋণ কীভাবে পরিশোধিত হয়! ডাক্তাদের প্রতি মানবিক হওয়া অতি প্রয়োজন।

এসব ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন প্রচলিত মাস্ক যার ভেতরের ফুটোগুলো দুই মাইক্রোনের বেশি বা যেগুলো এন-৯৫ নয় তার ব্যবহার কোনো সুফল বয়ে আনবে না। এটি পরিধানের পদ্ধতি রয়েছে। মাস্কের সাথে সাথে গ্লাভস ও চোখে চশমা পরা প্রয়োজন। ডাক্তাদের প্রটেকটিভ গাউন, টুপি, জুতা, চশমা অত্যাবশ্যক। প্রতিটি হাসপাতাসহ রোগীর আস্তানা, গণসমাবেশের স্থানগুলো ও বিমানসহ সকল যানবাহন ব্যাপকভাবে ফিউমিগেশন করা প্রয়োজন এবং কিছুক্ষণ পর পর জীবাণুনাশক দিয়ে মুছে ফেলা প্রয়োজন। গণসমাবেশের স্থানগুলোতে ডিসইনফেকটিংয়ের চেম্বার তৈরি করা যেতে পারে। হাসপাতাল, ডাক্তাদের চেম্বার ও করোনার ছোঁয়া পাওয়া স্থানগুলোতে তামার শিল্ডযুক্ত হিটার ও ইউভি লাইটের সহায়তায় ভাইরাসের জন্য অসহনীয় পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। কেমিক্যালস ও ফিউমিগেশন তো আপন স্থানে রয়েছে। বাড়িঘর, পরিধেয় বস্ত্র এবং বিছানাগুলো কড়া রোদে দেয়া প্রয়োজন। যা কিছু ধৌত করা সম্ভব তা সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলা প্রয়োজন। ক্লোরিন দ্রবণ না পেলে এক চামচ ব্লিচিং পাউডার, এক লিটার সাবান ও ফিটকিরি দ্রবণে মিশিয়ে তা ডিজইনফেকশন কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটি ত্বকের জন্য নয়। এসব কাজে গ্লাভস পরতে হবে।

করোনা শনাক্তে কিট তৈরি করে গণস্বাস্থ্য ১৫ দিনের মধ্যে তা হাজির করবে- এটি একটি সুখবর। ব্যাপক টেস্টের জন্য কিট হাজির করা এখনই সরকারের আশু দায়িত্ব। অধিকতর আক্রান্ত দেশ থেকে ফেরত আসা সকল ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়ে, এ যাবত আসা বিদেশফেরত এবং তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা প্রয়োজন এখনই। সর্বোপরি আতঙ্ক, অজ্ঞতা, নির্বোধ বাচালতা পরিহার করে এই মহাদুর্যোগের নানামুখী আঘাত, জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং আর্থিক দুর্যোগ বিবেচনায় এনে মোকাবিলায় সকল শক্তি ও মেধা প্রয়োগ করতে হবে। আসুন চীনের উহান প্রতিরোধ মডেলটি আমরা অনুসরণ করি।

লেখক : আহ্বায়ক, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি
সভাপতি ও প্রধান বৈজ্ঞানিক
অ্যালার্জি অ্যাজমা অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ ইনিস্টিটিউট।
২০০২ সালে সার্স ও এইডস রোধে হংকং সরকার এবং এনআইএআইডির সহায়ক গবেষক ছিলেন।

এইচআর/বিএ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১২,৯০,৮৪৪
আক্রান্ত

৭০,৬৫০
মৃত

২,৭২,১১৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১২৩ ১২ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৮,৮৯৯ ৯,৬৭৯ ১৮,০০২
স্পেন ১,৩৫,০৩২ ১৩,০৫৫ ৪০,৪৩৭
ইতালি ১,২৮,৯৪৮ ১৫,৮৮৭ ২১,৮১৫
জার্মানি ১,০০,৩৩৮ ১,৬০২ ২৮,৭০০
ফ্রান্স ৯২,৮৩৯ ৮,০৭৮ ১৬,১৮৩
চীন ৮১,৭০৮ ৩,৩৩১ ৭৭,০৭৮
ইরান ৬০,৫০০ ৩,৭৩৯ ২৪,২৩৬
যুক্তরাজ্য ৪৭,৮০৬ ৪,৯৩৪ ১৩৫
১০ তুরস্ক ২৭,০৬৯ ৫৭৪ ১,০৪২
১১ সুইজারল্যান্ড ২১,৬৫২ ৭৩৪ ৭,২৯৮
১২ বেলজিয়াম ২০,৮১৪ ১,৬৩২ ৩,৯৮৬
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৮,৮০৩ ১,৮৬৭ ২৫০
১৪ কানাডা ১৫,৫১২ ২৮০ ২,৯৪২
১৫ অস্ট্রিয়া ১২,২৩৬ ২২০ ৩,৪৬৩
১৬ পর্তুগাল ১১,৭৩০ ৩১১ ১৪০
১৭ ব্রাজিল ১১,৪৭৭ ৪৯৫ ১২৭
১৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,২৮৪ ১৮৬ ৬,৫৯৮
১৯ ইসরায়েল ৮,৬১১ ৫৬ ৫৮৫
২০ সুইডেন ৭,২০৬ ৪৭৭ ২০৫
২১ রাশিয়া ৬,৩৪৩ ৪৭ ৪০৬
২২ অস্ট্রেলিয়া ৫,৭৯৫ ৪১ ২,৪৩২
২৩ নরওয়ে ৫,৭৬০ ৭৪ ৩২
২৪ আয়ারল্যান্ড ৪,৯৯৪ ১৫৮ ২৫
২৫ ডেনমার্ক ৪,৬৪৭ ১৮৭ ১,৩৭৮
২৬ চেক প্রজাতন্ত্র ৪,৫৯১ ৭২ ৯৬
২৭ ভারত ৪,৫৫৩ ১১৮ ৩২৮
২৮ চিলি ৪,৪৭১ ৩৪ ৬১৮
২৯ পোল্যান্ড ৪,২০১ ৯৮ ১৬২
৩০ রোমানিয়া ৪,০৫৭ ১৬২ ৪০৬
৩১ মালয়েশিয়া ৩,৭৯৩ ৬২ ১,২৪১
৩২ ফিলিপাইন ৩,৬৬০ ১৬৩ ৭৩
৩৩ জাপান ৩,৬৫৪ ৮৫ ৫৭৫
৩৪ ইকুয়েডর ৩,৬৪৬ ১৮০ ১০০
৩৫ পাকিস্তান ৩,২৭৭ ৫০ ২৫৭
৩৬ লুক্সেমবার্গ ২,৮০৪ ৩৬ ৫০০
৩৭ সৌদি আরব ২,৫২৩ ৩৮ ৫৫১
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ২,৪৯১ ২০৯ ১৯২
৩৯ পেরু ২,২৮১ ৮৩ ৯৮৯
৪০ থাইল্যান্ড ২,২২০ ২৬ ৭৯৩
৪১ সার্বিয়া ২,২০০ ৫৮ ৫৪
৪২ ফিনল্যাণ্ড ২,১৭৬ ২৭ ৩০০
৪৩ মেক্সিকো ২,১৪৩ ৯৪ ৬৩৩
৪৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,০৭৬ ১১ ১৬৭
৪৫ পানামা ১,৯৮৮ ৫৪ ১৩
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৮২৮ ৮৬ ৩৩
৪৭ গ্রীস ১,৭৩৫ ৭৬ ৭৮
৪৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৬৫৫ ১১ ৯৫
৪৯ কাতার ১,৬০৪ ১২৩
৫০ আইসল্যান্ড ১,৫৬২ ৪৬০
৫১ আর্জেন্টিনা ১,৫৫৪ ৪৮ ৩২৫
৫২ কলম্বিয়া ১,৪৮৫ ৩৫ ৮৮
৫৩ আলজেরিয়া ১,৩২০ ১৫২ ৯০
৫৪ ইউক্রেন ১,৩১৯ ৩৮ ২৮
৫৫ সিঙ্গাপুর ১,৩০৯ ৩২০
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,২২২ ১৬ ১৩০
৫৭ মিসর ১,১৭৩ ৭৮ ২৪৭
৫৮ মরক্কো ১,১১৩ ৭১ ৭৬
৫৯ এস্তোনিয়া ১,১০৮ ১৯ ৬২
৬০ নিউজিল্যান্ড ১,১০৬ ১৭৬
৬১ স্লোভেনিয়া ১,০২১ ৩০ ১০২
৬২ মলদোভা ৯৬৫ ১৯ ৩৭
৬৩ ইরাক ৯৬১ ৬১ ২৭৯
৬৪ হংকং ৯১৫ ২১৬
৬৫ লিথুনিয়া ৮৪৩ ১৪
৬৬ আর্মেনিয়া ৮৩৩ ৬২
৬৭ হাঙ্গেরি ৭৪৪ ৩৮ ৬৭
৬৮ বাহরাইন ৭২৩ ৪৫১
৬৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৭০ বেলারুশ ৭০০ ১৩ ৫৩
৭১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬৭৪ ২৯ ৪৭
৭২ কুয়েত ৬৬৫ ১০৩
৭৩ ক্যামেরুন ৬৫৮ ১৭
৭৪ আজারবাইজান ৬৪১ ৪৪
৭৫ কাজাখস্তান ৬২৯ ৪৫
৭৬ তিউনিশিয়া ৫৭৪ ২২
৭৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৫৫৫ ১৮ ২৩
৭৮ বুলগেরিয়া ৫৪৯ ২২ ৩৯
৭৯ লাটভিয়া ৫৪২ ১৬
৮০ লেবানন ৫৪১ ১৯ ৬০
৮১ স্লোভাকিয়া ৫৩৪
৮২ এনডোরা ৫০১ ১৮ ২৬
৮৩ কোস্টারিকা ৪৫৪ ১৬
৮৪ সাইপ্রাস ৪৪৬ ৩৭
৮৫ উরুগুয়ে ৪০৬ ১০৪
৮৬ উজবেকিস্তান ৩৯০ ৩০
৮৭ আলবেনিয়া ৩৭৭ ২১ ১১৬
৮৮ তাইওয়ান ৩৭৩ ৫৭
৮৯ আফগানিস্তান ৩৬৭ ১৭
৯০ জর্ডান ৩৪৫ ১১০
৯১ বুর্কিনা ফাঁসো ৩৪৫ ১৭ ৯০
৯২ রিইউনিয়ন ৩৪৪ ৪০
৯৩ ওমান ৩৩১ ৬১
৯৪ কিউবা ৩২০ ১৫
৯৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩০৯ ২৭
৯৬ হন্ডুরাস ২৯৮ ২২
৯৭ সান ম্যারিনো ২৬৬ ৩২ ৩৫
৯৮ আইভরি কোস্ট ২৬১ ৩৭
৯৯ ফিলিস্তিন ২৫২ ২৫
১০০ ভিয়েতনাম ২৪৫ ৯৫
১০১ মরিশাস ২৪৪
১০২ মালটা ২৪১
১০৩ নাইজেরিয়া ২৩২ ৩৩
১০৪ সেনেগাল ২২৬ ৯২
১০৫ মন্টিনিগ্রো ২২৩
১০৬ কিরগিজস্তান ২১৬ ৩৩
১০৭ ঘানা ২১৪ ৩১
১০৮ জর্জিয়া ১৮৮ ৩৯
১০৯ নাইজার ১৮৪ ১০ ১৩
১১০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৩ ১০৭
১১১ বলিভিয়া ১৮৩ ১১
১১২ শ্রীলংকা ১৭৮ ৩৮
১১৩ ভেনেজুয়েলা ১৫৯ ৫২
১১৪ কেনিয়া ১৫৮
১১৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৫৪ ১৮
১১৬ মার্টিনিক ১৪৯ ৫০
১১৭ মায়োত্তে ১৪৭ ১৪
১১৮ আইল অফ ম্যান ১৩৮
১১৯ ব্রুনাই ১৩৫ ৮২
১২০ গুয়াদেলৌপ ১৩৫ ৩১
১২১ গিনি ১২১
১২২ কম্বোডিয়া ১১৪ ৫৩
১২৩ প্যারাগুয়ে ১১৩ ১২
১২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৫
১২৫ রুয়ান্ডা ১০৪
১২৬ জিব্রাল্টার ১০৩ ৫২
১২৭ লিচেনস্টেইন ৭৭
১২৮ মোনাকো ৭৩
১২৯ মাদাগাস্কার ৭২
১৩০ গুয়াতেমালা ৭০ ১৫
১৩১ এল সালভাদর ৬৯
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৬৮ ২৭
১৩৩ আরুবা ৬৪
১৩৪ জিবুতি ৫৯
১৩৫ জ্যামাইকা ৫৮
১৩৬ বার্বাডোস ৫৬
১৩৭ উগান্ডা ৫২
১৩৮ টোগো ৫২ ২২
১৩৯ মালি ৪৭
১৪০ কঙ্গো ৪৫
১৪১ ম্যাকাও ৪৪ ১০
১৪২ ইথিওপিয়া ৪৪
১৪৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪১
১৪৪ জাম্বিয়া ৩৯
১৪৫ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৯
১৪৬ বারমুডা ৩৭ ১৪
১৪৭ সিন্ট মার্টেন ৩৭
১৪৮ সেন্ট মার্টিন ৩২
১৪৯ বাহামা ২৯
১৫০ গায়ানা ২৯
১৫১ ইরিত্রিয়া ২৯
১৫২ গ্যাবন ২৪
১৫৩ তানজানিয়া ২৪
১৫৪ বেনিন ২২
১৫৫ মায়ানমার ২১
১৫৬ হাইতি ২১
১৫৭ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৫৮ সিরিয়া ১৯
১৫৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৬০ লিবিয়া ১৮
১৬১ গিনি বিসাউ ১৮
১৬২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৬
১৬৩ নামিবিয়া ১৬
১৬৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৫
১৬৫ মঙ্গোলিয়া ১৫
১৬৬ ডোমিনিকা ১৪
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৬৮ অ্যাঙ্গোলা ১৪
১৬৯ ফিজি ১৪
১৭০ লাইবেরিয়া ১৩
১৭১ গ্রেনাডা ১২
১৭২ সুদান ১২
১৭৩ লাওস ১২
১৭৪ কিউরাসাও ১১
১৭৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১১
১৭৬ সিসিলি ১১
১৭৭ সুরিনাম ১০
১৭৮ মোজাম্বিক ১০
১৭৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১০
১৮০ ইসওয়াতিনি ১০
১৮১ জান্ডাম (জাহাজ)
১৮২ জিম্বাবুয়ে
১৮৩ চাদ
১৮৪ নেপাল
১৮৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৮৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৮৮ সোমালিয়া
১৮৯ কেপ ভার্দে
১৯০ মৌরিতানিয়া
১৯১ মন্টসেরাট
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি
১৯৩ নিকারাগুয়া
১৯৪ বতসোয়ানা
১৯৫ সিয়েরা লিওন
১৯৬ ভুটান
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
১৯৮ বেলিজ
১৯৯ মালাউই
২০০ গাম্বিয়া
২০১ পশ্চিম সাহারা
২০২
২০৩ এ্যাঙ্গুইলা
২০৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২০৫ বুরুন্ডি
২০৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি
২০৯ পূর্ব তিমুর
২১০ দক্ষিণ সুদান
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।