করোনা আতঙ্কে দুশ্চিন্তা এবং ভালো থাকার উপায়

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫২ এএম, ২৮ মে ২০২০

অধ্যাপক জে. আলী

মহামতি গৌতম বুদ্ধ বলেছেন, ‘তোমার চরম শত্রুও তোমার ততটা ক্ষতি করতে পারে না যতটা না পারে তোমার অনিয়ন্ত্রিত ও অসতর্ক চিন্তাধারা।’ আর এই অনিয়ন্ত্রিত চিন্তাধারা নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে মানুষের দুশ্চিন্তার নব্বই ভাগ সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। ইংল্যান্ডের ইতিহাসে বিখ্যাত রাজনীতিবিদ, সেনাকর্মকর্তা ও লেখক ছিলেন স্যার উইনস্টন লিউনার্দ স্পেনসার চার্চিল। তিনি ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ আমেরিকা মিত্রশক্তির বিজয়ের একজন প্রধান কারিগর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিবর্ণময় দিনগুলোতে তিনি দৈনিক ১৮ ঘণ্টারও অধিক সময় কাজ করতেন। এমন সময় তার কাছের একজন মানুষ তাকে প্রশ্ন করে, ‘সারাবিশ্বে চলছে মারাত্মক যুদ্ধ। এই যুদ্ধের জয়-পরাজয়ের ওপর দেশের ও বিশ্বের ভাগ্য নির্ভর করছে। এই যে প্রচণ্ড চাপ ও দায়িত্বের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন, এতে এই প্রচণ্ড দায়িত্ব সম্পর্কে আপনার দুশ্চিন্তা হয় কিনা?’

এই প্রশ্ন শুনে তিনি মিষ্টি হেসে জবাব দেন, ‘আমি দারুণ ব্যস্ত, দুশ্চিন্তা করার মতো প্রচুর সময় নেই আমার।’ এ প্রসঙ্গে বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর বলেছেন, ‘গবেষণাগার আর পাঠাগারেই শান্তি থাকে। কারণ কোনো মানুষ যখন বই পড়ে বা কোনো কাজে নিজেকে নিবদ্ধ রাখে তখন দুশ্চিন্তার মতো মারাত্মক রোগ তার কাছেও ঘেঁষতে পারে না।’

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য খ্রিস্টের জন্মের পাঁচশ বছর আগে গ্রিক পণ্ডিতরা আবিষ্কার করেছিলেন ‘অকুপেশনাল থেরাপি’। এ হলো কাজকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করার এক মনস্তাত্বিক নাম। তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষকে এ বিধান দিতেন। অর্থাৎ যারা ব্যক্তিগত, কর্মক্ষেত্র বা পারিবারিক চাপে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে অসহায় বোধ করতেন, কেউ কেউ আত্মহত্যার কথা ভাবতেন, কেউ জীবন সংসার অসার-মূল্যহীন বলে ভাবতেন, ভাবতেন নিজের অক্ষমতার কথা, ব্যর্থতার কথা এবং এভাবে যারা নীরবে নিঃশেষ করে দিতেন নিজেদের মূল্যবান জীবনটাকে। গ্রিক পণ্ডিতরা তাদের মানসিক শক্তি জোগাতেন আর বলতেন, ‘যেকোনো কাজের মাঝে ডুবে যেতে। কারণ তারা প্রমাণ করেছিলেন প্রচণ্ড কাজের চাপই পারে যে কাউকে দুশ্চিন্তার চাপ থেকে মুক্তি দিতে।’

আমেরিকার সাহিত্য জগতে সবচেয়ে খ্যাতিমান কবি ছিলেন হেনরি ওয়ার্ডওয়ার্থ লং ফেলো (১৮০৭-১৮৮২) । তিনি ছিলেন আটটি ভাষায় সুপণ্ডিত ও হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির নামকরা অধ্যাপক। এই মহান আমেরিকান কবির প্রথম স্ত্রী ম্যারি পটার ১৮৩৫ সালে মারা যান সন্তান প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ফ্রান্সিস অ্যাপলেটন মারা যান আগুনে পুড়ে। রান্না করার সময় অসাবধানতাবসত তার জামায় আগুন লেগে যায় এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই মৃত্যুর পর কবির জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠল। ছোট ছোট তিনটি শিশু তার ঘরে মা-হারা। তিনি এমন শোকগ্রস্ত হলেন যে তার মনে হতে লাগল যেকোনো সময় তিনি পাগল হয়ে যাবেন। এরপর তিনি বুঝতে পারলেন- ‘ব্যস্ত থাকা স্নায়ুর পক্ষে কতটা ভালো’। এরপর তিনি সমস্ত দুশ্চিন্তা ঝেড়ে লেগে পড়লেন তিন সন্তানের মায়ের দায়িত্বে। একেবারেই তাদের মায়ের মতোই গোসল করান, খাবার তুলে খাওয়ান, বেড়াতে নিয়ে যান, গল্প শোনান, শিশুসুলভ খেলা করেন। তিনি কিছুদিন পর উপলব্ধি করলেন আগের সেই মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা তার নেই এতটুকুও। ‘ছেলেদের ঘণ্টা’ নামের বইতে সন্তানদের সাথে কাটানো এই মুহূর্তগুলো অমর করে গেছেন। এ সময় তিনি ইতালির মহাকবি দান্তের বিশ্ববিখ্যাত মহাকাব্য ‘কমেডি ডিভাইন’ এর ইংরেজি অনুবাদ করে ফেলেন। আর এসব সংসারী কাজ ও লেখালেখি করতে গিয়ে তিনি একেবারে নিজেকে ভুলে যান এবং ফিরে পান মানসিক শান্তি।

আমাদের অনেকেই নিজেদের কাজের মধ্যে হারিয়ে যেতে বেগ পেতে হয় না কিন্তু কাজের পরবর্তী সময়টায় হলো মারাত্মক। কারণ কাজের পর যখন আমাদের অবসর কাটানোর কথা তখনই দুশ্চিন্তার কালোমেঘ আমাদের ঘিরে ধরে। আর তখনই মনে হয় যেন জীবনে কিছুই হলো না।

আমরা যখন ব্যস্ত থাকি না তখন আমাদের মন শূন্য হয়ে যায়। পদার্থবিদ্যার প্রতিটি ছাত্রই জানে প্রকৃতি শূন্যতা পছন্দ করে না। জ্বলন্ত বাল্বের মধ্যে যে শূন্যতা, বাল্বটা ভাঙলেই সেটা আর থাকে না- প্রকৃতি তখন বাতাস দিয়ে সেটা পূর্ণ করে দেয়। ঠিক তেমনি আমাদের কর্মহীন মন প্রকৃতি ভরাট করতে চায়। কিন্তু কী দিয়ে? স্বভাবতই আবেগ দিয়ে, কারণ প্রাণিকুলের মধ্যে একমাত্র মানবজাতিই প্রচণ্ড আবেগপ্রবণ। আর এই আবেগ থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উৎপত্তি হয়- দুশ্চিন্তা, ভয়, ঘৃণা, ঈর্ষা ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জঙ্গলে বাস করা বাঘের শক্তি। এইসব আবেগের এতই ক্ষমতা যে এরা শান্তি আর সুখকে ঘরছাড়া করে দেয়।

কলম্বিয়া শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক জেমস এল মুর্শেল চমৎকারভাবে এ বিষয়টি ব্যাখা করেছেন। তিনি বলেন, ‘দুশ্চিন্তা আপনার কাজে মগ্ন থাকার সময় ভর করে না বরং দিনের কাজের শেষেই মাথায় এসে জড়ো হয় বা ভর করে।’ সে সময় আপনার কল্পনাগুলো উদ্ভট হতে চায়। সমস্ত রকম অসম্ভব কথা মনে আসে। তখন জীবনে ঘটে যাওয়া ছোটখাট ভুলকে বিরাট বলে মনে হয়। এই সময় আপনার মনটা মোটরচালিত হয়ে চলে, কোনো রকম বোঝা এই মোটর টানে না। মোটর এত জোরে চলে যেন মনে হয় মনকে পুড়িয়ে ভেঙে নিঃশেষ করে দেয়। তাই দুশ্চিন্তা তাড়ানোর একমাত্র কার্যকরী পন্থা হলো গঠনমূলক কিছু করা এবং ব্যস্ত থাকা।

জর্জ বার্নার্ড শ (জুলাই ১৮৫৬-নভেম্বর ১৯৫০) ছিলেন একজন আইরিশ নাট্যকার এবং লন্ডন হল অব ইকোনোমিক্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা (এই লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্সের ছাত্র ছিলেন আমাদের দেশের খ্যাতনামা পণ্ডিত অধ্যাপক রাজ্জাক স্যার)। ইউরোপে শেক্সপিয়ারের পর তিনিই সবচেয়ে বিখ্যাত নাট্যকার। তিনি ৬০ এর অধিক নাটক রচনা করেছেন এছাড়াও তিনি ছিলেন একাধারে প্রাবন্ধিক, উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার। জর্জ বার্নার্ড শ’র একটি মহৎগুণ ছিল, আর তা হলো সামাজিক বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হাস্যরসের ছন্দাবরণে তিনি অত্যন্ত দক্ষশিল্পীর হাতে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন। শিক্ষা, বিয়ে, ধর্ম, সরকার, স্বাস্থ্যসেবা এবং শ্রেণি সুবিধা ও মানুষের কল্যাণকামী জীবনের জন্যেই উৎসর্গকৃত ছিল তার লেখা। তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এই মহান লেখক বলেছিলেন, ‘দুঃখী হয়ে ওঠার আসল রহস্য হলো আপনি সুখী বা দুঃখী তা ভাবতে পারার মতো অফুরন্ত সময় থাকা।’

অর্থাৎ আপনি যদি কাজের মাঝে ব্যস্ত না থাকেন, আপনার যদি অবসর থাকে অঢেল তাহলেই কেবল আপনি সময় পাবেন দুশ্চিন্তা করার, নিজের দুঃখবোধকে সামনে টেনে এনে আরও দুঃখ জাগানিয়া গল্প তৈরি করার। আপনার যদি এসব নিয়ে ভাবনার সময়ই না থাকে কাজের চাপে তাহলে দুশ্চিন্তা আপনার বাড়ির কাছেও আসতে পারবে না। বড় আঘাত মানুষকে যতটা না কাবু করে তার চেয়েও বেশি ক্ষতি করে ছোট ছোট দুশ্চিন্তা। এটা তার প্রতিদিনের ভালো থাকাকে সমূলে বিনষ্ট করে দেয় এবং বড় বড় প্রাপ্তিকে বাধাগ্রস্ত করে দেয়। নির্বল, নিস্তেজ করে একেবারে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় সেই বিখ্যাত গাছটির মতো।

আমেরিকার কলোরাডোতে লঙ পাহাড়ের গায়ে এক বিশাল গাছের ধ্বংসাবশেষ এখনও টিকে আছে। প্রকৃতি বিজ্ঞানীরা বলেন, গাছটি বেঁচে ছিল প্রায় চারশ বছর। নাবিক কলম্বাস যখন আজ থেকে প্রায় ৫০০ বছর আগে আমেরিকা আবিষ্কারের সময় ১৪৯২ সালে সান সালভাদারে নামেন তখন এই গাছটি ছিল শিশু। আর প্লাইমাউথে যখন ঔপনিবেশিকরা আসে তখন সেটা অর্ধেক বড়। ওই গাছটির ওপর চৌদ্দবার বজ্রপাত হয় (ঠাডা পড়ে) এবং কত যে তুষার ঝড় বয়ে গেছে ওপর দিয়ে কিন্তু ওর কোনো ক্ষতিই করতে পারেনি। অবশেষে একঝাক ক্ষুদ্র পোকা গাছটিকে একেবারে শুইয়ে দেয়। এইসব পোকা গাছটির ভেতরের সব শক্তি কুড়ে কুড়ে খেয়ে নেয়। এই বিশাল অরণ্যের দৈত্য যে বয়সের ভারে নুয়ে পড়েনি, বজ্রপাত তাকে শেষ করতে পারেনি, মারাত্মক তুষারঝড় তাকে কাবু করতে পারেনি সে কিনা সামান্য পোকার আক্রমণে শেষ হয়ে গেল। যে পোকাকে মানুষ দু আঙুলে টিপে মারতে পারে।

আমরাও ঠিক এই গাছের মতো জীবনযুদ্ধের ঝড়-ঝাপ্টা আর বড় হিমবাহের ধাক্কা সহ্য করতে পারি কিন্তু হেরে যাই ছোট ছোট দুশ্চিন্তার কাছেই। সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন দুশ্চিন্তার অভ্যাস কাটানোর নিয়ম হলো ছোটখাট সব ব্যাপারে দুশ্চিন্তা না করে তা ভুলে যাওয়া। মনে রাখবেন জীবনটা ছোট বলেই এত মহৎ। যার জন্য ভয় পাচ্ছেন তা নাও ঘটতে পারে। জেনারেল জর্জ কুক যিনি আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত রেড ইন্ডিয়ান গবেষক। তিনি তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ইন্ডিয়ানদের সমস্ত দুশ্চিন্তা আর অসুখী ভাবের কারণ তাদের কল্পনাপ্রসূত দুশ্চিন্তা। আসলে বাস্তবে যা আদৌ ঘটেই না।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও তাই পরিলক্ষিত হয়। যেমন- আজ মনে হয় ট্রেন ধরতে পারব না, ট্রেন না ধরা পর্যন্ত টেনশন। আজ বস বকবেন, বস না বকা পর্যন্ত টেনশন। অফিসে গিয়ে দেখলেন বস ফুরফুরে মেজাজে সবার সাথে মজা করছেন। আজ মনে হয় অফিসে লেট হবে, অথচ লেট হলো না। বউ মনে হয় বাসায় মেয়েটাকে মেরেছে। বাসায় মনে হয় একগাদা মেহমান এসেছে। সবার ইনক্রিমেন্ট হবে শুধু আমারটা?

গ্যাসের সমস্যায় ডান পাশে বুক ব্যথা করলে আমরা অনেকে দুশ্চিন্তা করি এই বুঝি হার্টের সমস্যা হলো অথচ হার্ট থাকে বুকের বাম পাশে। বর্তমানে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হলো করোনায় হয়তো আমাকেই ধরবে অথচ করোনায় মারা যায় শতকরা তিনজন। আর করোনা কাউকে ধরে না যদি সে নিজে করোনার কাছে না যায়। অথচ বেশিরভাগ মানুষ ঘরে বসেই দুশ্চিন্তায় অস্থির। এখন প্রশ্ন হলো করোনার কারণে অফিস-আদালত, কলকারখানা বন্ধ, কীভাবে একজন কর্মজীবী নিজেকে ব্যস্ত রাখবেন।

আপনার সাথে একমত হয়েই বলছি- মোবাইল/সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় না দিয়ে ঘরের কাজে স্ত্রী বা বাবা-মাকে সময় দিন, হাত লাগান, যেমন- বাসন মাজা, ঘর মোছা, ঝাড়ু দেয়া, ঘরের ঝুল পরিষ্কার করা, টয়লেট পরিষ্কার করা। ইউরোপ-আমেরিকার সাহেবরা এগুলো সবসময়ই করেন আর আমরা এগুলোকে বুয়ার কাজ বলে মনে করি। বাবা-মা করলে সমস্যা নেই, স্ত্রীরা তো এসব সব সময়ই করেন। এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সন্তানদের সাথে সময় কাটান, ঘুড়ি বানাতে পারেন, লুডু বা দাবা খেলতে পারেন, মহাবিশ্ব বা মহাকাশ নিয়ে বিভিন্ন কুইজ করতে পারেন শিশুরা এসব পছন্দ করে। নতুন কোনো রান্নার পদ নিজে নিজে করতে পারেন।

ভালো বই পড়তে পারেন। ভালো বইয়ের খোঁজ পেতে বইপোকাদের আড্ডাখানা বা বইপড়ুয়াদের আড্ডাতে ঢু মারতে পারেন। যে কাজগুলো অফিসিয়াল ব্যস্ততার কারণে এতদিন করতে পারেননি সেগুলো নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারেন। নতুন যেসব আইডিয়া এতদিন মাথায় ঘুরপাক খেত সেগুলো লিখে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করতে পারেন। সবচেয়ে বড় আশার কথা হলো আমাদের দেশ সোনার দেশ, এ বছর ধানের ফলন মারাত্মক, আপনি না খেয়ে মরবেন না। আর সবার সমস্যা হলে আপনারও হবে। শুধু বাড়তি টেনশন নেয়ার দরকার নেই।

এই দুশ্চিন্তা দূর করার বিষয়ে কার্যকরী পরামর্শ দিয়েছেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির স্বনামধন্য প্রফেসর উইলিয়াম হার্ভার্ড। তিনি বলেন, ‘দুশ্চিন্তা দূর করার একমাত্র কার্যকরী ওষুধ হলো ধর্মে বিশ্বাস রাখা।’ কোনো মানুষই জীবনের রহস্য এখনও ব্যাখ্যা করতে পারেনি। আমরা রহস্যেই আবৃত। আমাদের মানবদেহটাই সবচেয়ে বড় রহস্য, আর মন আরও রহস্যময়। বাড়িতে যে বিদ্যুৎ আসে সেটাও তাই। একটা দেয়াল ফুটো হয়ে গাছ বেরোনোও এক অপার রহস্য। জানালার বাইরে সবুজ ঘাসও তাই। চার্লস এফ কেটারিং নামক আমেরিকান এক ধনকুবের ঘাস কেন সবুজ হয় তা জানার জন্য নিজের পকেট হতে অ্যান্টিক কলেজকে বছরে হাজার হাজার ডলার দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি জানতে পারি ঘাস কী করে সূর্যালোক, জল আর কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে খাদ্য আর শর্করায় পরিণত করে, তাহলে পুরো মানব সভ্যতাকেই পরিবর্তন করতে পারব।’

আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের কাজও কম আশ্চর্য নয়। জেনারেল মোটরসের রিসার্চ ল্যাবরেটরিগুলো কোটি কোটি ডলার খরচ করে জানার চেষ্টা করেছে ‘সিলিন্ডারের এক স্ফূলিঙ্গ কীভাবে মোটর চালায়।’ অনুরূপভাবে আমাদের শরীরের, বিদ্যুৎ, ইঞ্জিন ইত্যাদির রহস্য না জানলেও এসব ব্যবহারে আমাদের বাধা নেই। তাই প্রার্থনা ও ধর্মের রহস্য বুঝি না বলে তা উপভোগ করতে পারব না এমন কোনো কথা নেই। আর এ জন্যই মহাজ্ঞানী স্যান্ডায়ন বলেছেন, ‘মানুষ জীবন কী তা জানার জন্য জন্মায়নি, জন্মেছে তা উপভোগের জন্য ‘

আমি ধর্মের ব্যাপারে কথা বলছি বলে মনে হচ্ছে, আসলে তা নয়। আমি ধর্মের এক নতুন উপলব্ধি লাভ করেছি। ধর্ম নিয়ে মতভেদ আছে, থাকতেই পারে; সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। কিন্তু ধর্ম আমার কী করতে পারে তা নিয়ে আমার ভাবনা আছে। যেমন আছে বিদ্যুৎ, ভালো খাদ্য নিয়ে, এগুলো আমার ভালো জীবনযাপনে সাহায্য করে, কিন্তু ধর্ম তার চেয়েও বেশি করে। ধর্ম দেয় সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ। যেকোনো মানুষকে সুখী ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবন কাটাতে সাহায্য করে। এ প্রসঙ্গে সাড়ে চারশ বছর আগে ইংল্যান্ডের মহান দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকন বলেছেন, ‘অল্প দর্শনে (পড়াশোনায়) মানুষ নাস্তিক হয়, কিন্তু দর্শনের (পড়াশোনার) মধ্যে ঢুকলে তাকে ধার্মিক হতেই হয়।’ ড. এ এ ব্রিল বলেছেন,- ‘সত্যিকারে যে ধর্মপরায়ন তার মনোরোগ জন্মায় না।’ মনস্তাত্ত্বিকরা জানেন- প্রার্থনা আর ধর্মাকাঙ্ক্ষা সমস্ত প্রকার দুশ্চিন্তা দূর করে, দূর করে উদ্বেগ, ভয় আর অন্যান্য অর্ধেক রোগ।

পরিশেষে বলব- এই মহামারি করোনা আতঙ্কে অনেকেই দুশ্চিন্তায় আছেন। যেমন- চাকরিটা থাকবে কিনা, চাকরি থাকলে বেতন পাব কিনা, বাড়িভাড়া, সন্তানের স্কুলের বেতন দেব কীভাবে, করোনা আর কিছুদিন থাকলে তো না খেয়েই মরে যাব ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব হাজারটা দুশ্চিন্তা নিজে নিজেই তৈরি করে মনোরোগ পর্যায়ে নিয়ে যাবেন। অথচ ইতিহাস বলে পৃথিবীর কোনো মহামারিই দীর্ঘদিন মানবজাতিকে ভোগায়নি। তাই উপরোক্ত বিষয়গুলো মনে নিয়ে নিজেকে বারবার বলুন- যা হবার হবে, আজকের দিনটা বাঁচি ভালোভাবে পরিবার-ন্তানদের নিয়ে, ভবিষ্যতে কী হবে তা আল্লাহ ভালো জানেন।

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও অধ্যাপক, দ্য ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স।

এইচআর/বিএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,১০,১৫,৩২৭
আক্রান্ত

৫,২৪,৭৪৫
মৃত

৬১,৭১,৮৬৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১,৫৬,৩৯১ ১,৯৬৮ ৬৮,০৪৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৮,৩৭,২৩৭ ১,৩১,৪৮৫ ১১,৯১,৩০৬
ব্রাজিল ১৫,০১,৩৫৩ ৬১,৯৯০ ৯,১৬,১৪৭
রাশিয়া ৬,৬৭,৮৮৩ ৯,৮৫৯ ৪,৩৭,৮৯৩
ভারত ৬,২৮,২০৫ ১৮,২৪১ ৩,৮০,৩৭৪
যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৩,৯৯৫ ৩৪৪
স্পেন ২,৯৭,১৮৩ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
পেরু ২,৯২,০০৪ ১০,০৪৫ ১,৮২,০৯৭
চিলি ২,৮৪,৫৪১ ৫,৯২০ ২,৪৯,২৪৭
১০ ইতালি ২,৪০,৯৬১ ৩৪,৮১৮ ১,৯১,০৮৩
১১ মেক্সিকো ২,৩৮,৫১১ ২৯,১৮৯ ১,৪৯,৩১৮
১২ ইরান ২,৩৫,৪২৯ ১১,২৬০ ১,৯৬,৪৪৬
১৩ পাকিস্তান ২,২১,৮৯৬ ৪,৫৫১ ১,১৩,৬২৩
১৪ তুরস্ক ২,০২,২৮৪ ৫,১৬৭ ১,৭৬,৯৬৫
১৫ সৌদি আরব ১,৯৭,৬০৮ ১,৭৫২ ১,৩৭,৬৬৯
১৬ জার্মানি ১,৯৬,৭১৭ ৯,০৬৪ ১,৮১,০০০
১৭ ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,৮৭৫ ৭৬,৮০২
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৬৮,০৬১ ২,৮৪৪ ৮১,৯৯৯
১৯ কলম্বিয়া ১,০৬,১১০ ৩,৬৪১ ৪৪,৫৩১
২০ কানাডা ১,০৪,৭৭২ ৮,৬৪২ ৬৮,৩৪৭
২১ কাতার ৯৭,৮৯৭ ১১৮ ৮৬,৫৯৭
২২ চীন ৮৩,৫৪২ ৪,৬৩৪ ৭৮,৪৯৯
২৩ মিসর ৭১,২৯৯ ৩,১২০ ১৯,২৮৮
২৪ সুইডেন ৭০,৬৩৯ ৫,৪১১ ৪,৯৭১
২৫ আর্জেন্টিনা ৬৯,৯৪১ ১,৩৮৫ ২৪,১৮৬
২৬ বেলারুশ ৬২,৬৯৮ ৪০৫ ৪৮,৭৩৮
২৭ বেলজিয়াম ৬১,৭২৭ ৯,৭৬৫ ১৭,০৭৩
২৮ ইন্দোনেশিয়া ৬০,৬৯৫ ৩,০৩৬ ২৭,৫৬৮
২৯ ইকুয়েডর ৫৯,৪৬৮ ৪,৬৩৯ ২৮,০৩২
৩০ ইরাক ৫৩,৭০৮ ২,১৬০ ২৭,৯১২
৩১ নেদারল্যান্ডস ৫০,৩৩৫ ৬,১১৩ ২৫০
৩২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৪৯,৪৬৯ ৩১৭ ৩৮,৬৬৪
৩৩ কুয়েত ৪৭,৮৫৯ ৩৫৯ ৩৮,৩৯০
৩৪ ইউক্রেন ৪৬,৭৬৩ ১,২১২ ২০,৫৫৮
৩৫ সিঙ্গাপুর ৪৪,৪৭৯ ২৬ ৩৯,৪২৯
৩৬ কাজাখস্তান ৪৪,০৭৫ ৪৮৯ ২৬,২৫১
৩৭ ওমান ৪৩,৯২৯ ১৯৩ ২৬,১৬৯
৩৮ পর্তুগাল ৪২,৭৮২ ১,৫৮৭ ২৮,০৯৭
৩৯ ফিলিপাইন ৪০,৩৩৬ ১,২৮০ ১১,০৭৩
৪০ বলিভিয়া ৩৫,৫২৮ ১,২৭১ ১০,৩৫৮
৪১ পোল্যান্ড ৩৫,৪০৫ ১,৫০৭ ২২,৬৫১
৪২ পানামা ৩৫,২৩৭ ৬৬৭ ১৬,৪৪৫
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩৪,১৯৭ ৭৬৫ ১৮,১৪১
৪৪ আফগানিস্তান ৩২,৩২৪ ৮১৯ ১৭,৩৩১
৪৫ সুইজারল্যান্ড ৩২,১০১ ১,৯৬৫ ২৯,২০০
৪৬ রোমানিয়া ২৮,১৬৬ ১,৭০৮ ২০,৪৩৩
৪৭ বাহরাইন ২৭,৮৩৭ ৯৪ ২২,৫৮৩
৪৮ ইসরায়েল ২৭,৬১১ ৩২৬ ১৭,৬০৭
৪৯ আর্মেনিয়া ২৭,৩২০ ৪৬৯ ১৫,৪৮৪
৫০ নাইজেরিয়া ২৭,১১০ ৬১৬ ১০,৮০১
৫১ আয়ারল্যান্ড ২৫,৪৮৯ ১,৭৩৮ ২৩,৩৬৪
৫২ হন্ডুরাস ২১,১২০ ৫৯১ ২,১৯০
৫৩ গুয়াতেমালা ২০,০৭২ ৮৪৩ ৩,২৭৯
৫৪ জাপান ১৮,৮৭৪ ৯৭৫ ১৬,৭৭২
৫৫ আজারবাইজান ১৮,৬৮৪ ২২৮ ১০,৪২৫
৫৬ ঘানা ১৮,১৩৪ ১১৭ ১৩,৫৫০
৫৭ অস্ট্রিয়া ১৮,০৫০ ৭০৫ ১৬,৫৫৮
৫৮ মলদোভা ১৭,১৫০ ৫৬০ ৯,৮৪৬
৫৯ নেপাল ১৫,২৫৯ ৩২ ৬,১৪৩
৬০ সার্বিয়া ১৫,১৯৫ ২৮৭ ১২,৯১২
৬১ আলজেরিয়া ১৪,৬৫৭ ৯২৮ ১০,৩৪২
৬২ মরক্কো ১৩,২১৫ ২৩০ ৯,১৫৮
৬৩ দক্ষিণ কোরিয়া ১২,৯৬৭ ২৮২ ১১,৭৫৯
৬৪ ডেনমার্ক ১২,৮১৫ ৬০৬ ১১,৭৬৯
৬৫ ক্যামেরুন ১২,৫৯২ ৩১৩ ১০,১০০
৬৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,১৭৮ ৩৫৩ ৭,৮২২
৬৭ আইভরি কোস্ট ৯,৯৯২ ৬৮ ৪,৬৬০
৬৮ সুদান ৯,৬৬৩ ৬০৪ ৪,৬২৪
৬৯ উজবেকিস্তান ৯,১৯৯ ২৭ ৬,০৩৪
৭০ নরওয়ে ৮,৯০২ ২৫১ ৮,১৩৮
৭১ মালয়েশিয়া ৮,৬৪৮ ১২১ ৮,৪৪৬
৭২ অস্ট্রেলিয়া ৮,২৫৫ ১০৪ ৭,৩১৯
৭৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৭,৩১১ ১৭৯ ২,৬৮৪
৭৪ এল সালভাদর ৭,২৬৭ ২০২ ৪,২৬৮
৭৫ ফিনল্যাণ্ড ৭,২৪১ ৩২৮ ৬,৭০০
৭৬ সেনেগাল ৭,১৬৪ ১২৫ ৪,৬৬৬
৭৭ কেনিয়া ৬,৯৪১ ১৫২ ২,১০৯
৭৮ কিরগিজস্তান ৬,৭৬৭ ৭৬ ২,৬৫৫
৭৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬,৬২৫ ৩২১ ২,৭৪৮
৮০ ভেনেজুয়েলা ৬,২৭৩ ৫৭ ২,১০০
৮১ হাইতি ৬,১০১ ১১০ ১,১৪১
৮২ তাজিকিস্তান ৬,০৫৮ ৫২ ৪,৬৯০
৮৩ ইথিওপিয়া ৫,৮৪৬ ১০৩ ২,৪৩০
৮৪ গ্যাবন ৫,৫১৩ ৪২ ২,৫০৮
৮৫ গিনি ৫,৪৫০ ৩৩ ৪,৩৯২
৮৬ বুলগেরিয়া ৫,৩১৫ ২৩২ ২,৮০২
৮৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪,৭৮৮ ১৮৯ ২,৫১৫
৮৮ জিবুতি ৪,৭১৫ ৫৫ ৪,৫৬৪
৮৯ মৌরিতানিয়া ৪,৬০৬ ১২৯ ১,৭২৭
৯০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪,৪৪৪ ১৬ ১,৬৮০
৯১ লুক্সেমবার্গ ৪,৩৯৫ ১১০ ৪,০১২
৯২ হাঙ্গেরি ৪,১৭২ ৫৮৮ ২,৭৫২
৯৩ কোস্টারিকা ৪,০২৩ ১৮ ১,৫৮৯
৯৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৩,৭৮৮ ৪৭ ৮১০
৯৫ গ্রীস ৩,৪৫৮ ১৯২ ১,৩৭৪
৯৬ থাইল্যান্ড ৩,১৮০ ৫৮ ৩,০৬৬
৯৭ ফিলিস্তিন ৩,১৪৮ ১০ ৪৬৩
৯৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৩,০৭১ ৫১ ৮৪২
৯৯ সোমালিয়া ২,৯৪৪ ৯০ ৯৫১
১০০ ক্রোয়েশিয়া ২,৯১২ ১১০ ২,১৫৫
১০১ আলবেনিয়া ২,৭৫২ ৭২ ১,৫৯২
১০২ মায়োত্তে ২,৬৫০ ৩৫ ২,৩৪১
১০৩ নিকারাগুয়া ২,৫১৯ ৮৩ ১,২৩৮
১০৪ মাদাগাস্কার ২,৫১২ ২৬ ১,০৫৭
১০৫ মালদ্বীপ ২,৪০০ ১০ ১,৯৬৯
১০৬ কিউবা ২,৩৫৩ ৮৬ ২,২২১
১০৭ প্যারাগুয়ে ২,৩০৩ ১৯ ১,১০৮
১০৮ মালি ২,২৬০ ১১৭ ১,৫০২
১০৯ শ্রীলংকা ২,০৬৬ ১১ ১,৮৬৩
১১০ দক্ষিণ সুদান ২,০২১ ৩৮ ৩৩৩
১১১ এস্তোনিয়া ১,৯৯১ ৬৯ ১,৮৫৯
১১২ আইসল্যান্ড ১,৮৫০ ১০ ১,৮২৮
১১৩ লিথুনিয়া ১,৮২৮ ৭৯ ১,৫৩৯
১১৪ লেবানন ১,৭৯৬ ৩৫ ১,২৪২
১১৫ স্লোভাকিয়া ১,৭২০ ২৮ ১,৪৬৬
১১৬ গিনি বিসাউ ১,৬৫৪ ২৪ ৩১৭
১১৭ স্লোভেনিয়া ১,৬৫০ ১১১ ১,৩৮৪
১১৮ জাম্বিয়া ১,৬৩২ ৩০ ১,৩৪৮
১১৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫৩০ ২২ ১,৪৯০
১২০ সিয়েরা লিওন ১,৫১৮ ৬০ ১,০০৭
১২১ কঙ্গো ১,৩৮২ ৪১ ৪৮৬
১২২ মালাউই ১,৩৪২ ১৬ ২৭১
১২৩ কেপ ভার্দে ১,৩০১ ১৫ ৬২৯
১২৪ হংকং ১,২৪৩ ১,১২০
১২৫ ইয়েমেন ১,২২১ ৩২৫ ৫১৩
১২৬ বেনিন ১,১৯৯ ২১ ৩৩৩
১২৭ তিউনিশিয়া ১,১৭৮ ৫০ ১,০৩৯
১২৮ জর্ডান ১,১৩৬ ৮৮৯
১২৯ লাটভিয়া ১,১২২ ৩০ ৯৯৭
১৩০ নাইজার ১,০৮১ ৬৮ ৯৫৯
১৩১ রুয়ান্ডা ১,০৬৩ ৪৯৩
১৩২ সাইপ্রাস ৯৯৯ ১৯ ৮৩৩
১৩৩ বুর্কিনা ফাঁসো ৯৬৭ ৫৩ ৮৪৬
১৩৪ উরুগুয়ে ৯৪৭ ২৮ ৮২৮
১৩৫ জর্জিয়া ৯৪৩ ১৫ ৮২১
১৩৬ মোজাম্বিক ৯১৮ ২৪৯
১৩৭ উগান্ডা ৯১১ ৮৪৯
১৩৮ লিবিয়া ৮৯১ ২৬ ২২৪
১৩৯ ইসওয়াতিনি ৮৭৩ ১১ ৪৫২
১৪০ চাদ ৮৬৮ ৭৪ ৭৮৫
১৪১ এনডোরা ৮৫৫ ৫২ ৮০০
১৪২ লাইবেরিয়া ৮১৯ ৩৭ ৩৩৮
১৪৩ জ্যামাইকা ৭১৫ ১০ ৫৬০
১৪৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৪৫ সান ম্যারিনো ৬৯৮ ৪৫ ৬৫৬
১৪৬ মালটা ৬৭২ ৬৫০
১৪৭ টোগো ৬৬৭ ১৪ ৪২৪
১৪৮ জিম্বাবুয়ে ৬১৭ ১৭৩
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৬১৬ ১২ ৩১৫
১৫০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৭১ ৪৮ ৫২৮
১৫১ সুরিনাম ৫৪৭ ১৩ ২৫৩
১৫২ রিইউনিয়ন ৫৩১ ৪৭২
১৫৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৫৪ তাইওয়ান ৪৪৯ ৪৩৮
১৫৫ ভিয়েতনাম ৩৫৫ ৩৪০
১৫৬ মরিশাস ৩৪১ ১০ ৩৩০
১৫৭ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৫৮ নামিবিয়া ৩৩৫ ২৫
১৫৯ অ্যাঙ্গোলা ৩১৫ ১৭ ৯৭
১৬০ সিরিয়া ৩১২ ১১৩
১৬১ মায়ানমার ৩০৪ ২২৩
১৬২ কমোরস ৩০৩ ২০০
১৬৩ গায়ানা ২৫০ ২৩ ১১৭
১৬৪ মার্টিনিক ২৪২ ১৪ ৯৮
১৬৫ বতসোয়ানা ২২৭ ২৮
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ২২০ ১৭৯
১৬৭ ইরিত্রিয়া ২১৫ ৫৬
১৬৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০১ ১৯৪
১৬৯ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৭০ গুয়াদেলৌপ ১৮২ ১৪ ১৫৭
১৭১ জিব্রাল্টার ১৭৮ ১৭৬
১৭২ বুরুন্ডি ১৭০ ১১৫
১৭৩ বারমুডা ১৪৬ ১৩৫
১৭৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৭৫ কম্বোডিয়া ১৪১ ১৩১
১৭৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১৩০ ১১৫
১৭৭ মোনাকো ১০৬ ৯৫
১৭৮ আরুবা ১০৪ ৯৮
১৭৯ বাহামা ১০৪ ১১ ৮৯
১৮০ বার্বাডোস ৯৭ ৯০
১৮১ লিচেনস্টেইন ৮৬ ৮১
১৮২ সিসিলি ৮১ ১১
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬২
১৮৪ ভুটান ৭৭ ৫০
১৮৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৬৯ ২৩
১৮৬ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬২ ৬০
১৮৭ গাম্বিয়া ৫৫ ২৭
১৮৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮৯ ম্যাকাও ৪৬ ৪৫
১৯০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৪৪ ১১
১৯১ সেন্ট মার্টিন ৪৩ ৩৭
১৯২ লেসোথো ৩৫ ১১
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৯ ২৯
১৯৪ বেলিজ ২৮ ১৮
১৯৫ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯৬ গ্রেনাডা ২৩ ২৩
১৯৭ কিউরাসাও ২৩ ১৯
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২২ ১৯
১৯৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২১ ২১
২০০ লাওস ১৯ ১৯
২০১ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০২ ফিজি ১৮ ১৮
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০৪ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২০৭ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১
২০৯ পশ্চিম সাহারা ১০
২১০ জান্ডাম (জাহাজ)
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ সেন্ট বারথেলিমি
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]