সাঙ্গ হলো বন্দি মানবতার


প্রকাশিত: ০৭:১১ এএম, ১০ মে ২০১৫

বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহলগুলো দু’দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। একটি ছিটমহল অন্য রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত। তাই ছিটের মানুষরা এক ধরনের বন্দি জীবনযাপন করে। তারা হতাশা আর নিপীড়নের যন্ত্রণা নিয়ে দিনের পর দিন কাটিয়েছে। এর মধ্যে দেশের নাম বদল হয়েছে। পতাকা বদল হয়েছে, কিন্তু ছিটমহলবাসীর ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। বদলায়নি ছিটের কিছুই। এই নিরক্ষর আর দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে তাদের নিজের রাষ্ট্রে যেতে অন্য রাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু সীমানা পার হওয়ার জন্য যে অনুমতি দরকার সেটি সহজে পাওয়া যেত না। ফলে ছিটের বাসিন্দারা নিজ রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা থেকে চূড়ান্তভাবে বঞ্চিত। তারপরও এসব প্রান্তিক, নিম্নবর্গ ও ভূমিলগ্ন মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার সংগ্রাম থাকে। থাকে ভবিষ্যতের স্বপ্নীল জীবনের আকাঙ্ক্ষা। সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে এবার। সীমান্ত ও সীমান্তরক্ষীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিটমহলবাসীদের বন্দি জীবনের অবসান হলো। এজন্য ছিটমহলবাসী মুক্ত বিহঙ্গের মতো আনন্দিত। মানবতারও এক বড় জয় ঘোষিত হয়েছে এর মধ্য দিয়ে।
   
উল্লেখ্য, সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য ভারতের সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ এবং রাজ্যসভা ও লোকসভায় তা পাস হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। একাত্তরে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যে উচ্চতায় উঠেছিল, এই বিল পাস হওয়ায় সেই সম্পর্ক আরও মজবুত এবং দৃঢ় হলো। রচিত হচ্ছে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের এক নতুন সংজ্ঞা। ছিটমহলের বাসিন্দারা উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে। এতোদিন পর্যন্ত ছিটমহলবাসীদের কোনো রাষ্ট্র ছিল না; এখন স্থলসীমান্ত নির্দিষ্ট হলে নিজেদের পরিচয় বিকশিত হবে। আপন পরিচয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিকের মতো সকল অধিকার নিয়ে তারা দিনযাপন করতে পারবেন। আর বিলটি পাস হওয়ায় ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি বাস্তবায়নের সকল বাধা দূর হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব গ্রহণ করেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি একাধিকবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ ব্যাপারে আশ্বাসও দেন। একই আশ্বাস দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও। এখন ভারতের বিশিষ্টজনরা এক কথায় স্বীকার করেছেন, বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে বড় বন্ধু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সবচেয়ে বড় মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী। তাই দেরিতে হলেও এ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন সকলে।

ভারতের আন্তরিকতার জন্য দেশহীন, নাগরিকত্বহীন ‘ছিটের মানুষ’গুলো আজ স্বপ্ন দেখছেন। নিজেদের দেশ-মাটি ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন। আবদ্ধ জীবনযাপনের কষ্ট, যাতায়াত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার কষ্ট, নিরাপত্তা ও বিচ্ছিন্নতার কষ্ট সব মিলে হাহাকারের এক জীবন ছিল তাদের। এসব সমস্যা উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে সকলে। কারণ সীমান্ত বিলটি বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের (আয়তন ১৭ হাজার ১৫৮ একর জমি) বাংলাদেশের এবং ভারতে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের (আয়তন ৭ হাজার ১১০ একর জমি) ভারতে থাকবে। ভারতীয় ছিটমহলগুলোর বেশির ভাগই রয়েছে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে। এসব ছিটমহলের ৫৯টি লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারীতে চারটি। বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের ৪৭টির অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহারে এবং জলপাইগুড়িতে বাকি চারটি। এ ছাড়া অপদখলীয় জমিও হস্তান্তর করা হবে। অপদখলীয় জমি হচ্ছে ভারতের দখলে থাকা বাংলাদেশের আইনসম্মত জমি। তেমনি বাংলাদেশের দখলে থাকা ভারতের আইনসম্মত জমিও। এখন সীমান্ত বিল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারত পাবে এই জমির ২ হাজার ৭৭৭ একর এবং বাংলাদেশ পাবে ২ হাজার ২৬৭ একর। আর ৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সীমানা চিহ্নিত হবে দইখাটা ৫৬ (পশ্চিমবঙ্গ), মুহুরী নদী-বিলোনিয়া (ত্রিপুরা) ও লাঠিটিলা-ডুমাবাড়িতে (আসাম)।

সীমানা নিয়ে উপমহাদেশে যে মানবিক সমস্যার উদ্ভব হয়েছিল তার যৌক্তিক সমাধানের প্রচেষ্টা নেয়া হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে। ১৯৭৪ সালের ১৬ মে দিল্লিতে স্থলসীমান্ত চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ভূমি হস্তান্তরের বিষয়ে চুক্তির তৃতীয় ধারায় বলা হয়েছে, ভূমি বিনিময়ের সময় লোকজন কোথায় থাকতে চান, সে ব্যাপারে তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। চুক্তিটি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশের সংসদে তা অনুসমর্থন করা হয়েছিল। কিন্তু ভারতের পক্ষে তা করা হয়নি। ফলে সমস্যার সমাধানও ঝুলে ছিল। ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির পর দুই দেশ ছিটমহলের আলাদাভাবে তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে। কিন্তু দুই পক্ষের তালিকায় দেখা দেয় গড়মিল। পরে ১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল চূড়ান্ত হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ও ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে।

পরবর্তীকালে বারবার ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমানা চিহ্নিত করা, চুয়াত্তরের চুক্তির অনুসমর্থন, ছিটমহল এবং অপদখলীয় জমি হস্তান্তর- এই ধারাবাহিকতায় বিষয়গুলো সমাধান করা হবে। কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। এমনকি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের (২০১১ সালে) ঢাকা সফরের সময়ও ভারতের ছিল গা-ছাড়া ভাব। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের অনমনীয় অবস্থানে ভারত পিছু হটে। ছাপা হওয়া চুক্তিতে হাতে লিখে ঘষামাজা করে ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সীমান্ত প্রটোকলটি সই করে দুই দেশ। আর রাজ্যসভায় সর্বসম্মতভাবে সীমান্ত বিল পাসের পর তা লোকসভায় পাস হলো। প্রথম দিকে চুক্তি থেকে আসামকে বাদ দিয়েই এটি পাস করাতে আগ্রহী ছিল বিজেপি সরকার। কিন্তু কংগ্রেসের পক্ষে বিশেষ করে কংগ্রেস শাসনাধীন রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর কারণে আসামকে সংযুক্ত করেই বিলটি পাস হয়েছে।

১৯৭৪ সালের চুক্তি ও ২০১১ সালের প্রটোকল চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের আসাম অংশে করিমগঞ্জ জেলার লাঠটিলা-দুমাবাড়ি সেক্টর, ধুবরি জেলার কলাবারি (বড়ইবাড়ি) এলাকা এবং করিমগঞ্জ জেলার পাল্লাথাল এলাকার সীমানা রেখা ‘রেডক্লিফ লাইন’ নতুন করে টানা হবে। এই সীমানা রেখা আবার টানার ফলে লাঠিটিলা এলাকার প্রায় ৭১৪ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের (আসাম) অংশ হয়ে যাবে। একইভাবে পাল্লাথাল এলাকায় ৭৪ দশমিক ৫৫ একর জমিও আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হবে। এই ২৬৮ দশমিক ৪ একর জমি এর মধ্যেই বাংলাদেশের প্রতিকূল দখলে রয়েছে। আর তাই ভারত (আসাম) রেডক্লিফ লাইনের হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৪৫ দশমিক ৬ একর জমি পাবে। আসলে ১৯৭৪ সালের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তির প্রটোকল বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘ মেয়াদে আসামেরই লাভ হবে। তাছাড়া আসামে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধের অবসান হবে; লাঠিটিলা-দুমাবাড়িতে অচিহ্নিত সীমানা চিহ্নিতকরণেও তা সহায়তা করবে। পরিষ্কারভাবে সীমানা চিহ্নিত হলে তাতে সীমানায় কাঁটাতার দেওয়াও সম্ভব হবে। এর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও উগ্র সন্ত্রাসবাদীদের চলাচলও ঠেকানো যাবে। মূলত স্থলসীমানা চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুটি চা বাগানসহ বাংলাদেশের কাছ থেকে ২৩১ একর জমি পাবে আসাম। অন্য দিকে নিজ নাগরিকদের আবাস ২৬৮ একর জমি পাবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় মানবিক কারণে খুব প্রশংসিত হচ্ছে। চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুদেশের মধ্যে ছিটমহল, বেদখল জমি ও অচিহ্নিত সীমানা সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধান হবে। সীমানা নির্দিষ্ট হলে বাংলাদেশি ছিটমহলগুলোর ১৪ হাজার এবং ভারতীয় ছিটমহলের ৩৭ হাজার মানুষ নিজেদের ঠিকানা খুঁজে পাবে। ভারত প্রায় ৭ হাজার একরের বেশি জমি হারাবে কিন্তু ফিরে পাবে স্বস্তি। দুর্ভোগের অবসান ঘটবে দুই দেশের ১৬২টি ছিটমহলের বাসিন্দাদের জীবনে।

জুন মাসে বাংলাদেশে আসতে চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তখন ‘খালি হাতে’ ঢাকা সফরে আসা মোদির ‘ঠিক হবে না’ বলে ঘোষণা দিয়েছে সেদেশের কূটনৈতিকরা। এজন্যই অমীমাংসিত ইস্যুকে মীমাংসা করতে তৎপর হয়েছে মোদি সরকার। বিএনপি-জামায়াত সবসময় ভারতের বিরোধিতা করে আসছে। অথচ আমরা বিশ্বাস করি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তা পারস্পরিক আস্থা ও মর্যাদার ভিত্তিতে হওয়া দরকার। সমুদ্রসীমার রায় পাবার পর তিস্তার পানি বণ্টন, সীমান্ত হত্যাসহ দুই দেশের মধ্যকার সমস্যাগুলোর সম্মানজনক সমাধান হবে বলে আশা করছি। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ (বাধ্যবাধকতামূলক শর্ত) রাখার দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। তবে দুইদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হলে যেকোনো চুক্তি ফলপ্রসূ হবে। কেউ কেউ বলছেন চুক্তি করে বাংলাদেশ কখনো লাভবান হয়নি। পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে ফারাক্কা ইস্যুতে ভারতের উদারতার অভাব রয়েছে। সেই বাঁধের প্রভাবে বাংলাদেশের ২০টি নদী আজ মৃত। পানিকে ঘিরে টানাপোড়েনের অবসান চান সকলে।

আমরা মনে করি ‘ভারত প্রতিবেশীকে ছাড় দেয় না’- এটা এই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক ভিত্তিক চুক্তি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভুমিকা রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস। দুই পক্ষ লাভবান হবে বিভিন্ন চুক্তিতে। শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় দুই দেশের অনেক দিনের সমস্যাগুলো সমাধান হয়েছে এবং আরও হতে যাচ্ছে। সীমান্ত সংকট মীমাংসা হতে চলেছে। ভারত সীমান্তজুড়ে বাংলাদেশের ২৮ জেলার মানুষ বাস করে। বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে চার হাজার কিলোমিটারের সীমানা। এর মধ্যে আড়াই হাজার কিমি কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা। তবু অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানি নিত্যদিনের ঘটনা। এক্ষেত্রে ছিটমহলগুলো বেশি ব্যবহার করা হতো। এজন্য সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে চুক্তি বাস্তবায়ন হতে চলেছে। এর ফলে সীমান্তের নিরীহ মানুষ হত্যা বন্ধ হবে এবং পানির ন্যায্য হিস্যা প্রাপ্তি ঘটবে; বাংলাদেশ-ভারতের সুসম্পর্কের প্রধান প্রত্যাশা এটাই। মোদি সরকার এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে আগামী ৬ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসছেন। মোদি সরকার বাংলাদেশ সফরের সময় খালি হাতে আসবেন না। বিশেষত তিস্তা চুক্তি এবং বাণিজ্যিক অসাম্য দূর করার প্রচেষ্টা থাকবে তার সরকারি সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য। শেখ হাসিনা সরকার ভারতের পরমবন্ধু এটি প্রতিষ্ঠা করতে পরস্পরের আস্থা বিশ্বাস আরো দৃঢ় করতে হবে। এজন্য আরো মানবিক হতে হবে মোদি সরকারকে। বাংলাদেশের মানুষকে ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপনই হোক উভয় দেশের সম্পর্কের মৌল স্তম্ভ। আর মানবিকতার সিঁড়ি বেয়ে ছিটমহলের মানুষরা নিজস্ব পরিচয় প্রকাশ করে অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী হয়ে উঠবে।

ছিটমহল নিয়ে রচিত সেলিনা হোসেনের ‘ভূমি ও কুসুম’ উপন্যাসে আছে- ‘আমি ছিটের মানুষের স্বাধীনতা চাই। আমাদেরকে বন্দি করে রাখতে পারবে না।’ ছিটমহলবাসীর প্রতিদিনের জ্বালাযন্ত্রণা, অপমানের জীবন বয়ে বেড়ানোর দিন শেষ হয়েছে কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে। মূলত ছিটমহলবাসীর প্রতি নির্যাতন-নিপীড়নের অবসানে ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেনের ভবিষ্যৎপ্রসারী দৃষ্টিকোণ ও শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা উভয়ই জয়যুক্ত হয়েছে।  

লেখক : কলামিস্ট ও সহযোগী অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

বিএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।