‘সময় দ্রুত হারিয়ে ফেলছি’

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:২৬ এএম, ২৩ মার্চ ২০২০

আমি শুধু সময়ের দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছি। প্রতি মুহূর্তে যেন আমরা সুযোগ হারিয়ে ফেলছি। এখনো বিষয়টা বুঝে উঠতে পারলে আমাদের সামনে যে রকমের যুদ্ধ, আমরা সে রকমের প্রস্তুতি নিতে পারতাম। যুদ্ধের চেহারাটা যেন আমরা কেউ দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারছি না। চেহারাটা পরিষ্কার বুঝতে পারলে সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম যে জীবনের ওপরেই যখন হামলা, জীবন বাজি রেখেই এখন লড়াইতে নামবো। আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ এখানে নেই।

করোনা রোগের বিস্তারের গতি দেখলে যে কোনো মানুষ থ’ হয়ে যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেইজিং অফিসকে চীন একটা অজানা রোগের কথা জানিয়েছিল ডিসেম্বরের ৩১ তারিখে। আজ মার্চের ২২ তারিখ।

অর্থাৎ ৮২ দিন আগে। এই ৮২ দিনে কিন্তু এই রোগ সারা দুনিয়া তছনছ করে ফেললো। তার মোকাবিলার জন্য এখন সেনাবাহিনী তলব করতে হচ্ছে। সমস্ত কিছু অচল করে মানুষকে ঘরের ভেতর দিনরাত কাটাতে বাধ্য করছে। সরকার তার মোকাবিলার জন্য ট্রিলিয়নকে ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিচ্ছে।

সরকার প্রধানরা সারাক্ষণ টেলিভিশনের সামনে এসে মানুষকে প্রতিটি পদক্ষেপ ব্যাখ্যা করছে। পার্লামেন্টে সকল দল একমত হয়ে আইন পাস করছে। দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে। সারা দুনিয়া ক্রিকেটের স্কোর বোর্ডের মত করোনার স্কোর বোর্ড দেখছে। অতীতে কোনো বিশ্বযুদ্ধও মানুষকে এত ভাবিয়ে তুলতে পারেনি। অথচ মাত্র ৮২ দিনের ব্যাপার। দুনিয়ার এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত সে বিস্তৃত হয়ে কোটি কোটি মানুষকে কাবু করে ফেলেছে। সে যে দেশেই ঢুকছে সে দেশকেই নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে।

আমাদের কপাল ভালো এই ৮২ দিনের মহামূল্যবান অভিজ্ঞতা আমরা অন্যদেশগুলোর কাছ থেকে পেয়ে গেছি। এই অভিজ্ঞতা যদি আমরা কাজে না লাগাই তাহলে আমরা আমাদের কপালকে দূষতে পারবো না। দূষতে হবে আমাদের নির্বুদ্ধিতাকে, বালিতে আমাদের মাথা গুঁজে রাখাকে।

একটা দেশে ঢোকার পরপর সে কত শতাংশ মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় সেটা জার্মানির চ্যান্সেলরের (অ্যাঙ্গেলা মেরকেল) ভাষণ থেকেই বুঝা যায় স্পষ্টভাবে। জার্মানির মানুষ যখন করোনার চেহারার সঙ্গে পরিচিত হতে পারেনি, এমন এক সময়ে চ্যান্সেলর মের্কেল জাতিকে জানালেন যে এই রোগ শিগগিরই ৭০ শতাংশ জার্মান নাগরিকের মধ্যে সংক্রমিত হবে।

কী সাহসী এবং স্পষ্ট বক্তব্য। মার্চ ২০ তারিখে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর তার ভাষণে জনগনকে জানিয়ে দিলেন যে আগামী দু’মাসে ক্যালিফোর্নিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ২.৫ কোটিতে পৌঁছাবে। অর্থাৎ তার রাজ্যের ৫৬ শতাংশ মানুষ ২ মাসের মধ্যে আক্রান্ত হবে।
ক্যালিফোর্নিয়াতে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়েছিল জানুয়ারির ২২ তারিখে। মাত্র দু’মাস আগে। মাত্র চার মাসে একজন রোগী থেকে আড়াই কোটি রোগীতে গিয়ে পৌঁছাবে! প্রচণ্ড তার গতি। এই তার ধর্ম। তার গতিপথ পাল্টানোর কোনো ব্যবস্থা এখনো কেউ করতে পারেনি। আমাদের লড়াই হবে তার গতিপথ থেকে নিজেকে আড়াল করা। যারা যত সফলভাবে তা করতে পারবে তারা তত আঘাত কমাতে পারবে।

সবচাইতে সফলভাবে একাজটা করতে পেরেছে এশিয়ারই কয়েকটি দেশ। চীন একাজ পেরেছে, সেখানে এ রোগের সূত্রপাত হয়েছিল ৮২ দিন আগে। এখন সেখানে এ রোগকে থামিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপর সফল হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, তাইওয়ান, হংকং, এবং সিঙ্গাপুর।
সফল দেশগুলোর কৌশল ছিল একটাই। যে যখনই আক্রান্ত হচ্ছে তাকে চিহ্নিত করো। তাকে আলাদা যায়গায় রাখো। তাহলে সংক্রমণ থেকে অন্যরা রেহাই পাবে। সংক্রমণ থামাতে পারলেই রোগের বিস্তার হতে পারবে না। একজন থেকে ২ জনও যদি সংক্রমিত হয় তাহলে হু হু করে সংখ্যা বেড়ে যায়। একটা পরিসংখ্যান দিচ্ছি, একজন যদি প্রতি ৫ দিনে ২.৫ জনকে আক্রান্ত করে তাহলে ৩০ দিনে সে একাই ৪০৬ জনকে আক্রান্ত করবে।

এশিয়ার এ সকল দেশগুলো তার সমস্ত শক্তি দিয়ে আক্রান্তদের শনাক্ত করেছে এবং তাদেরকে অন্যদের থেকে দূরে রেখেছে। এর ফলে তাদের দেশের বেশি লোক আক্রান্ত হবার সুযোগ পায়নি। এখন এসব দেশে করোনার উৎপাত থেমে গেছে।

যারা একাজে গাফিলতি করে ভীষণ বিপদে পড়েছে তারা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সুইজারল্যান্ড। এখন তাদের অবস্থা সামালের বাইরে।

আমরা কোন দলে?

এই মহূর্তে যদি জাতি সমস্ত সরকারি, বেসরকারি, সামাজিক, আন্তর্জাতিক শক্তি নিয়ে এগিয়ে না-আসে, কোনো বিবেচনায় বিলম্ব করে, তাহলে এ রোগের বিপুল প্লাবণকে বাঁধ দিয়ে ঠেকিয়ে রাখতে পারবো না। জোয়ারের ঠেলায় সবকিছু ভেসে যাবে।

মহাপ্লাবণ কী আসছে?

অবশ্যই আসছে। প্রায় দ্বারপ্রান্তে। আমরা বরং দেরি করে ফেলছি। আর দেরি করার সুযোগ নেই।

জোয়ার ঠেকাতে হলে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে পরীক্ষা, পরীক্ষা, পরীক্ষা। যতজনকে পরীক্ষা করার সামর্থ্য আমাদের আছে ততজনকে পরীক্ষা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ঠিক এ কথাই বারবার আমাদের বলে যাচ্ছে। পরীক্ষা। পরীক্ষা। পরীক্ষা। চিহ্নিত করো। আলাদা করো। চিহ্নিত করো। আলাদা করো।

এটা সোজা হিসাব। এই শিক্ষা আমরা ‘জুতা আবিষ্কারের’ কাহিনী থেকে অনেক আগেই পেয়েছি। আমি যদি ধুলা থেকে নিজের পা-কে মুক্ত রাখতে চাই তাহলে সারা দেশ থেকে ধুলা পরিষ্কার করার কাজে লাগতে পারি, অথবা নিজের পায়ে জুতা পরতে পারি। আক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সকলের কাছ থেকে দূরে রাখতে পারি, অথবা আমরা সবাই তার ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতে পারি। প্রথমটাই সোজা কাজ, যখন আক্রান্ত ব্যক্তি মাত্র কয়েকজন, আর আক্রান্ত হতে পারে যারা তাদের সংখ্যা কয়েক কোটি। কয়েকজনকে পৃথক করে রাখতে পারলে কয়েক কোটি লোক বেঁচে যায়।

যদি আক্রান্তদের চিহ্নিত করার যন্ত্রপাতির অভাব থাকে তাহলে যেটুকু সামর্থ্য আছে তা-দিয়ে শুরু করতে পারি। তাদেরকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষ জানবে প্রতিদিন কতজন আক্রান্ত ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে। মানুষ উৎসাহিত হবে এবং আক্রান্ত লোকের থেকে সাবধান হবে।

যে ক’টা যন্ত্র আছে সে ক’টার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার করতে হবে। মানুষকে তার ফলাফল জানতে দিতে হবে। আরো যন্ত্র কখন ক’টা আসছে সেই তথ্য জানাতে হবে। একজনকেও যদি চিহ্নিত করতে পারি এবং তাকে আলাদা রাখতে পারি তাহলে তার থেকে হাজার মানুষকে আমরা রক্ষা করতে পারলাম। পরীক্ষার গুরুত্ব কোনোভাবে কোনো সময় খাটো করা যাবে না। পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

এ রোগ বিদেশ থেকে এসেছে। যখন এটা ঠেকানো খুবই সহজ ছিল সেটা আমরা করতে পারিনি। এখন এই দৈত্য বোতল থেকে বেরিয়ে গেছে। জাতির সবকিছু দিয়ে একে ঠেকাতে হবে।

আমরা জানি একে কীভাবে ঠেকাতে হয়। কিন্তু আমাদের মধ্যে এখনো কোনো গরজ আসছে না। আমরা জানি এটা কী, কিন্তু আমরা হৃদয়ঙ্গম করছি না। আমরা বলছি শারীরিক দূরত্বই এ রোগ থেকে নিজে বাঁচা এবং অন্যকে বাঁচানোর একমাত্র পথ। সে কথা বলার জন্যই আমরা একটা সম্মেলন করার ব্যবস্থা করে ফেলতে পারি অতি উৎসাহে!

অর্থাৎ কী বলছি আর কী করছি তার মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই। এখনো বিষয়টা কথা বলাবলি, কাগজে লেখালেখি, টিভির টক শো’র আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রেখে দিয়েছি। আমি আমার আচরণের কারণে কিছুদিনের মধ্যে, দু-তিন মাসের মধ্যে আমারই বাবা-মা, স্ত্রী, কিংবা দাদা-দাদি, কিংবা চাচা-চাচি, কিংবা বন্ধু-বান্ধবের মৃত্যুর কারণ হতে যাচ্ছি এটা কিছুতেই মনে আসছে না।

দায়িত্ব পালনের খাতিরে অনেক উপদেশ দেয়া হচ্ছে কিন্তু সে উপদেশ যারা দিচ্ছেন তারা নিজেরা মানছেন কিনা, অন্যরা মানছেন কিনা এটা নিয়ে চিন্তিত হবার কারো গরজ কোথাও নজরে পড়ে না।

জাতির এই কঠিনতম সময়ে যে রকম নিদ্রাহীন, আহারহীনভাবে দিনরাত প্রস্তুতির কথা ছিল সেটা এখনো দেখা যাচ্ছে না। মহাপ্লাবন আসছে, বাঁধ রক্ষার যে শপথ চায় সে শপথের ডাক এখনো আসছে না।

কী কাজ করতে হবে সেটা আমরা জেনে গেছি। সকল মানুষের কাছ থেকে দূরত্ব রাখতে হবে। ঘন ঘন হাত ধুতে হবে।

উপদেশ দেয়া এক জিনিস আর উপদেশ পালন করার জন্য দেশব্যাপী প্রচণ্ড তাগিদ সৃষ্টি তা আরেক জিনিস। আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। আমার নিজেকে বাঁচানোর, আমার পরিবারের সদস্যদের বাঁচানোর, আমার আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের বাঁচানোর প্রতি কি আমরা এতই অনাগ্রহী? নাকি আমরা যা কিছু আমাদের চারপাশে ঘটছে সব কিছুকে ‘ফেইক নিউজ’ ধরে নিয়ে স্বস্তি অনুভব করতে চাচ্ছি।

আশা করি দেশের তরুণরা দেশের এই মহাদুর্যোগের দিনে কারো দিকে না-তাকিয়ে নিজ নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসবে। তরুণরা নিজেদের সংগঠন তৈরি করে মানুষকে বাঁচানোর জন্য শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এগিয়ে আসবে। যে রকম তারা সব সময় সব প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এগিয়ে এসেছে। এবার এটা কোনো স্থানীয় সুর্যোগ নয়। দেশব্যাপী এবং সব মানুষের দুর্যোগ।

তরুণরা এই কথাগুলো মানুষকে বুঝিয়ে বলে নিজ নিজ বাড়িতে থাকার জন্য বলতে পারে। যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাড়িতে বাড়িতে তরুণরা নিজেদের নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে সবাই যার যার পরিবারকে বাড়িতে রাখা নিশ্চিত করবে। নিজ নিজ এলাকাকে মুক্ত এলাকা ঘোষণার চেষ্টায় থাকবে।

যাদের জীবিকা বন্ধ হবে তাদের খাবারের ব্যবস্থার জন্য অন্য লোকের সহায়তা চাইতে পারে। বুঝাতে হবে যে গরিব যদি রোজগারের জন্য আবার পথে ঘাটে বের হয় তাহলে তারা অন্য সবাইকে আক্রান্ত করবে। তাদেরকে বাঁচার ব্যবস্থা করলে অন্যরা বাঁচতে পারবে।

স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অত্যন্ত সঠিক কাজ হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা আগামী কয়েক মাস শুধু মানুষকে বাঁচানোর জন্য নিজেদের নিয়োজিত রাখবে। তাদের একমাত্র কাজ হবে মানুষকে বাঁচানো। পরিস্থিতি ক্রমে কঠিন থেকে কঠিনতর হবে। একমাত্র তরুণরাই এই কঠিন সময়ে মানুষকে সঙ্গ দিতে পারে। সাহস দিতে পারে। পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করতে পারে, সারা দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে।

তরুণরা শুরু করবে নিজ নিজ প্রস্তুতি নিয়ে, সংগঠন তৈরি করে, করণীয় কাজের তালিকা বানিয়ে, সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি মোকাবিলার পরিকল্পনা নিয়ে।

শুরুতে তাদের কাজ হবে এলাকার সকল পরিবারকে নিজ নিজ বাড়িতে থাকতে উদ্বুদ্ধ করা নিয়ে। পরিবারের সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজে দেয়া। এলাকার মানুষকে এক জায়গায় একত্র হতে নিরুৎসাহিত করা, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এলাকার মানুষকে প্রস্তুত করা। দুর্যোগকালীন সকল নিয়ম কঠিনভাবে মেনে চলার জন্য নিজেদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রাখতে হবে। তারা নিজেরা নিয়ম মানলে তখন এলাকার মানুষ তাদের নির্দেশিত নিয়মাবলীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে।

তরুণরা নিজেদের মধ্যে দেশব্যাপী যোগাযোগ রাখবে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রাখবে- একে অপরকে উৎসাহিত করার জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা সকল তথ্য ও নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে। পরস্পরের মধ্যে পরামর্শ এবং উৎসাহ বিনিময় করবে।

এরকম কাজে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কিংবা পৃথকভাবে তরুণগোষ্ঠী, এনজিওরা, সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহও এগিয়ে আসতে পারবে।

আমরা একটা জাতীয় দুর্যোগের মুখোমুখি। এই মহা দুর্যোগ আমাদের জাতীয় জীবনের সবকিছু তছনছ করে দিয়ে যেতে পারে। করোনার আক্রমণ যদি অন্যান্য দেশের তো মহা দুর্যোগে পরিণত না-ও হয় তাহলেও আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রস্তুতি না নেয়ার কোনো সুযোগ আমাদের কাছে নেই।

প্রস্তুতি নিতে হবে, এবং সেটা চরম দুর্যোগকে কল্পনা করে নিতে হবে। কোনো পর্যায়ে যেন আমাদেরকে অপ্রস্তুত হতে না হয়।

আরেকটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করি। যুদ্ধের সময় যেমন সারা দেশব্যাপী যুদ্ধ হয় তখন কোথাও কোথাও শত্রুকে পরাভূত করে ‘মুক্ত এলাকা’ সৃষ্টি করা হয়। করোনার যুদ্ধেও আমরা এরকম ‘করোনামুক্ত’ এলাকা তৈরি করতে পারি। সেটা একটা পাড়া হোক, একটা গ্রাম হোক, কিংবা আরো বড় এলাকা হোক। যাদের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটা করা হবে এলাকাবাসী তো বটেই, জাতি তাদের চিরদিন স্মরণ রাখবে।

দেশের প্রতিটি গ্রামে এনজিওদের কর্মসূচি আছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ঋণের কর্মসূচি আছে। ক্ষুদ্রঋণের ঋণগ্রহীতারা শৃঙ্খলাবদ্ধতার সঙ্গে সকল দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্তই শুধু নয়, তারা একাজে বিশেষভাবে অভিজ্ঞ। তাদের শৃঙ্খলাবদ্ধতা এবং অভিজ্ঞতাকে আসন্ন দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য কাজে লাগানোর প্রস্তুতি নিতে হবে। তাদেরকে নতুন নীতিমালা তৈরি করে দিতে হবে। তারা কীভাবে নিজ নিজ বাড়িতে থাকবে, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে কীভাবে নিজ পরিবারকে এবং গ্রামকে রক্ষা করবে এই নীতিমালায় তা পরিষ্কার করে দেয়া হবে। কারো বাড়িতে করোনার আক্রমণ দেখা দিলে সে ব্যাপারে তাদের করণীয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করে দিতে হবে।

বলে দিতে হবে তারা তাদের স্বামী সন্তানদের কীভাবে বাড়িতে থাকতে উদ্বুদ্ধ করবে, সামনের মহাপ্লাবন কত বড় হবে, কতদিন এই প্লাবনে আমাদের ভুগতে হবে, এর মোকাবিলার জন্য আমাদের প্রধান অস্ত্রগুলো কি, প্রয়োজনে কার কাছে পরামর্শ ও সহায়তা পাওয়া যাবে, ইত্যাদি।
তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে যে সাহস ও শৃঙ্খলা থাকলে যে কোনো শত্রুর মোকাবিলা করা যায়। এই মহাপ্লাবনের মোকাবিলায়ও আমরা শক্তি, সাহস, এবং শৃঙ্খলা দিয়ে জয় করবো। মহাপ্লাবন যত শক্তিশালীই হোক- এটা ক্ষণস্থায়ী। আমরা চিরস্থায়ী। আমাদেরকে তারা পরাজিত করতে পারবে না।

দেশের আরো বহু সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান আছে। গ্রামে গ্রামে তাদের অনেক কর্মী আছে। সকল প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের এই দুর্যোগরোধে নামিয়ে দিতে পারে।

মহা দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে জান বাঁচালাম কিন্তু বাঁচতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হলাম। পথের ভিখারী হলাম। যা কিছু পুঁজি সব গেল- তার উপায় হবে কী? দেশের সাধারণ মানুষ বাঁচবে কী করে। দেশের অর্থনীতি দুমড়ে মুচড়ে পড়বে। তার কী হবে? যারা দিন এনে দিন খায় দুর্যোগ চলাকালে তাদের কী হবে?

সারা পৃথিবীর অর্থনীতি প্রায় ধসে পড়তে শুরু করেছে। এর শেষ কোথা পর্যন্ত গড়াবে? মাঝখানে বাংলাদেশের অর্থনীতি উঠে দাঁড়াবার কোনো শক্তি পাবে কি না?

এখন থেকে এসব নিয়ে আমাদের চিন্তা শুরু করতে হবে। করোনা-পর্বের শেষে পৃথিবী পূনঃজন্ম হবে। বর্তমান এ পৃথিবীর সঙ্গে তার বোধহয় খুব বেশি একটা মিল থাকবে না। এই পূনঃজন্মের পৃথিবীতে বাংলাদেশের স্থান কোন স্থানে নির্ধারিত হবে।

করোনার দৈত্য বোতল থেকে বের হয়ে গেছে। এই দৈত্য কি পৃথিবী খাবে? তাকে যখন বোতলে ভরা হবে অথবা সে স্বেচ্ছায় বোতলে ফিরে যাবে তখন পৃথিবীর যাত্রা, বাংলাদেশের যাত্রা কোথা থেকে শুরু হবে। মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু আমাদের নির্ধারণ করতে হবে।

কোনোভাবেই সময় কিন্তু খুব বেশি আমাদের হাতে নেই।

আইএইচএস/

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৪,১৪,৫৯,৮১৬
আক্রান্ত

১১,৩৫,৬৫৭
মৃত

৩,০৯,০১,৫৬৫
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৯৩,১৩১ ৫,৭২৩ ৩,০৮,৮৪৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮৫,৮২,৫৮৮ ২,২৭,৩৬৯ ৫৬,০০,৬৮৫
ভারত ৭৭,০৫,১৫৮ ১,১৬,৬৫৩ ৬৮,৭১,৮৯৮
ব্রাজিল ৫৩,০০,৬৪৯ ১,৫৫,৪৫৯ ৪৭,৫৬,৪৮৯
রাশিয়া ১৪,৪৭,৩৩৫ ২৪,৯৫২ ১০,৯৬,৫৬০
স্পেন ১০,৪৬,৬৪১ ৩৪,৩৬৬ ১,৯৬,৯৫৮
আর্জেন্টিনা ১০,৩৭,৩২৫ ২৭,৫১৯ ৮,৪০,৫২০
কলম্বিয়া ৯,৮১,৭০০ ২৯,৪৬৪ ৮,৮৪,৮৯৫
ফ্রান্স ৯,৫৭,৪২১ ৩৪,০৪৮ ১,০৭,৬৫২
১০ পেরু ৮,৭৬,৮৮৫ ৩৩,৯৩৭ ৭,৯২,৮৯২
১১ মেক্সিকো ৮,৬০,৭১৪ ৮৬,৮৯৩ ৬,২৭,৫৮৪
১২ যুক্তরাজ্য ৭,৮৯,২২৯ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,০৮,৩৫৯ ১৮,৭৪১ ৬,৪১,৭০৬
১৪ ইরান ৫,৪৫,২৮৬ ৩১,৩৪৬ ৪,৩৮,৭০৯
১৫ চিলি ৪,৯৫,৬৩৭ ১৩,৭১৯ ৪,৬৮,২৬৯
১৬ ইতালি ৪,৪৯,৬৪৮ ৩৬,৮৩২ ২,৫৭,৩৭৪
১৭ ইরাক ৪,৩৮,২৬৫ ১০,৪১৮ ৩,৬৯,০১০
১৮ জার্মানি ৩,৯১,৩৫৫ ৯,৯৯৯ ৩,০২,১০০
১৯ ইন্দোনেশিয়া ৩,৭৩,১০৯ ১২,৮৫৭ ২,৯৭,৫০৯
২০ ফিলিপাইন ৩,৬২,২৪৩ ৬,৭৪৭ ৩,১১,৫০৬
২১ তুরস্ক ৩,৫৩,৪২৬ ৯,৫১৩ ৩,০৮,৪৪৬
২২ সৌদি আরব ৩,৪৩,৩৭৩ ৫,২৩৫ ৩,২৯,৭১৫
২৩ পাকিস্তান ৩,২৪,৭৪৪ ৬,৬৯২ ৩,০৮,৬৭৪
২৪ ইউক্রেন ৩,১৫,৮২৬ ৫,৯২৭ ১,৩২,২১৯
২৫ ইসরায়েল ৩,০৭,৩৩৫ ২,২৯১ ২,৮৫,৪৭৫
২৬ নেদারল্যান্ডস ২,৫৩,১৩৪ ৬,৮৭৩ ২৫০
২৭ বেলজিয়াম ২,৪০,১৫৯ ১০,৪৮৯ ২১,৪৭৭
২৮ চেক প্রজাতন্ত্র ২,০৮,৯১৫ ১,৭৩৯ ৮৩,১৩৬
২৯ কানাডা ২,০৫,৯৫৪ ৯,৮২৬ ১,৭৭,১০৪
৩০ পোল্যান্ড ২,০২,৫৭৯ ৩,৮৫১ ৯৮,৮৮৪
৩১ রোমানিয়া ১,৯১,১০২ ৬,০৬৫ ১,৩৭,৮৩৫
৩২ মরক্কো ১,৮২,৫৮০ ৩,০৯৭ ১,৫১,৬৩৪
৩৩ ইকুয়েডর ১,৫৫,৬২৫ ১২,৪৫৩ ১,৩৪,১৮৭
৩৪ নেপাল ১,৪৪,৮৭২ ৭৯১ ৯৯,৬০৫
৩৫ বলিভিয়া ১,৪০,০৩৭ ৮,৫২৬ ১,০৫,৫২৬
৩৬ কাতার ১,৩০,২১০ ২২৫ ১,২৭,০৯৩
৩৭ পানামা ১,২৬,৪৩৫ ২,৫৯৭ ১,০২,৭২৫
৩৮ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,২২,৩৯৮ ২,২০৬ ১,০০,০৫১
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,১৯,১৩২ ৪৭২ ১,১১,৮১৪
৪০ কুয়েত ১,১৮,৫৩১ ৭২১ ১,০৯,৯১৬
৪১ ওমান ১,১১,৪৮৪ ১,১৩৭ ৯৭,৩৬৭
৪২ কাজাখস্তান ১,০৯,৭৬৬ ১,৭৯৬ ১,০৫,৩০১
৪৩ সুইডেন ১,০৭,৩৫৫ ৫,৯২৯ ৪,৯৭১
৪৪ পর্তুগাল ১,০৬,২৭১ ২,২২৯ ৬৩,২৩৮
৪৫ মিসর ১,০৫,৮৮৩ ৬,১৫৫ ৯৮,৫১৬
৪৬ গুয়াতেমালা ১,০২,৪১৫ ৩,৫৬৭ ৯২,১৪৯
৪৭ কোস্টারিকা ৯৯,৪২৫ ১,২৩৬ ৬০,৭৩৮
৪৮ জাপান ৯৩,৯৩৩ ১,৬৭৯ ৮৭,১০৭
৪৯ সুইজারল্যান্ড ৯১,৭৬৩ ২,১৪৫ ৫৪,৬০০
৫০ ইথিওপিয়া ৯১,১১৮ ১,৩৮৪ ৪৪,৫০৬
৫১ হন্ডুরাস ৯০,২৩২ ২,৫৮২ ৩৫,৯৩০
৫২ বেলারুশ ৮৯,৬৪২ ৯৪১ ৮০,৯০৫
৫৩ ভেনেজুয়েলা ৮৭,৬৪৪ ৭৪৭ ৮০,৩১৬
৫৪ চীন ৮৫,৭১৫ ৪,৬৩৪ ৮০,৮৩৪
৫৫ বাহরাইন ৭৮,৯০৭ ৩০৮ ৭৫,৪২৪
৫৬ অস্ট্রিয়া ৬৯,৪০৯ ৯২৫ ৫২,৬১৭
৫৭ মলদোভা ৬৮,৭৯১ ১,৬৩০ ৪৯,৭০২
৫৮ আর্মেনিয়া ৬৮,৫৩০ ১,১২১ ৪৯,২১৯
৫৯ লেবানন ৬৫,৫৭৭ ৫৩৬ ৩০,৪৭০
৬০ উজবেকিস্তান ৬৪,০১০ ৫৩৪ ৬১,০৬৮
৬১ নাইজেরিয়া ৬১,৬৬৭ ১,১২৫ ৫৬,৮৮০
৬২ সিঙ্গাপুর ৫৭,৯৩৩ ২৮ ৫৭,৮২১
৬৩ প্যারাগুয়ে ৫৬,৮১৯ ১,২৫০ ৩৭,৬৭৩
৬৪ আলজেরিয়া ৫৫,০৮১ ১,৮৮০ ৩৮,৪৮২
৬৫ কিরগিজস্তান ৫৩,৪৫৯ ১,৪৯৮ ৪৬,৪৪৪
৬৬ আয়ারল্যান্ড ৫৩,৪২২ ১,৮৬৮ ২৩,৩৬৪
৬৭ লিবিয়া ৫১,৬২৫ ৭৬৫ ২৮,৪৪০
৬৮ হাঙ্গেরি ৫০,১৮০ ১,২৫৯ ১৪,৯০৫
৬৯ ফিলিস্তিন ৪৮,৬২৮ ৪২৭ ৪১,৯৩৫
৭০ ঘানা ৪৭,৪৬১ ৩১২ ৪৬,৭৫২
৭১ আজারবাইজান ৪৬,৫৯৩ ৬৪২ ৪০,৪৪৮
৭২ কেনিয়া ৪৬,১৪৪ ৮৫৮ ৩২,৭৬০
৭৩ তিউনিশিয়া ৪৫,৮৯২ ৭৪০ ৫,০৩২
৭৪ জর্ডান ৪৩,৬২০ ৪৪৩ ৭,২২৩
৭৫ আফগানিস্তান ৪০,৫১০ ১,৫০১ ৩৩,৮২৪
৭৬ মায়ানমার ৩৯,৬৯৬ ৯৭২ ১৮,৮৭৪
৭৭ সার্বিয়া ৩৭,১২০ ৭৮১ ৩১,৫৩৬
৭৮ ডেনমার্ক ৩৭,০০৩ ৬৯০ ৩০,৪৩২
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৬,৩১৫ ১,০৩১ ২৫,৭৭৯
৮০ স্লোভাকিয়া ৩৩,৬০২ ৯৮ ৮,৪০৪
৮১ বুলগেরিয়া ৩৩,৩৩৫ ১,০৪৮ ১৭,৫৯৮
৮২ এল সালভাদর ৩২,১২০ ৯৩৩ ২৭,৬৭০
৮৩ ক্রোয়েশিয়া ২৮,২৮৭ ৩৯৩ ২১,৪৩৫
৮৪ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৪৪৪ ৯০৫ ২৫,১৪৭
৮৫ গ্রীস ২৭,৩৩৪ ৫৩৪ ৯,৯৮৯
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ২৫,৪২৪ ৪৫০ ২৩,৫৮৪
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৪,৮৩৬ ৮৬২ ১৭,৯০৫
৮৮ মালয়েশিয়া ২২,৯৫৭ ১৯৯ ১৪,৯৩১
৮৯ ক্যামেরুন ২১,৫৭০ ৪২৫ ২০,১১৭
৯০ জর্জিয়া ২১,২০৮ ১৭২ ৯,০০৩
৯১ আইভরি কোস্ট ২০,৩৬৩ ১২১ ২০,০৭০
৯২ আলবেনিয়া ১৭,৯৪৮ ৪৬২ ১০,৩৪১
৯৩ নরওয়ে ১৬,৯৬৪ ২৭৯ ১১,৮৬৩
৯৪ মাদাগাস্কার ১৬,৮১০ ২৩৮ ১৬,২১৫
৯৫ মন্টিনিগ্রো ১৬,০৬৯ ২৫০ ১১,৮১৫
৯৬ জাম্বিয়া ১৬,০০০ ৩৪৬ ১৫,১৬৮
৯৭ স্লোভেনিয়া ১৫,৯৮২ ২০০ ৬,৯২২
৯৮ সেনেগাল ১৫,৪৮৪ ৩২১ ১৩,৯৭৫
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১৪,০৭১ ৩৫৫ ৯,৮০০
১০০ সুদান ১৩,৭২৪ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
১০১ নামিবিয়া ১২,৪০৬ ১৩৩ ১০,৫৮৭
১০২ লুক্সেমবার্গ ১১,৬৭১ ১৩৮ ৮,৪৭৩
১০৩ গিনি ১১,৫৯৯ ৭০ ১০,৪৬১
১০৪ মোজাম্বিক ১১,৩৩১ ৭৯ ৯,১৬৫
১০৫ মালদ্বীপ ১১,৩১৬ ৩৭ ১০,২৮৪
১০৬ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১১,০৬৬ ৩০৩ ১০,৩৬২
১০৭ উগান্ডা ১০,৯৩৩ ৯৮ ৭,১৫৪
১০৮ তাজিকিস্তান ১০,৬১৩ ৮০ ৯,৬৬৮
১০৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১০,২৯৫ ৬৯ ৯,৯৯৫
১১০ হাইতি ৮,৯৭৯ ২৩১ ৭,৩০৩
১১১ গ্যাবন ৮,৯০১ ৫৪ ৮,৪৭৯
১১২ জ্যামাইকা ৮,৪৪৫ ১৭৪ ৪,০১৬
১১৩ অ্যাঙ্গোলা ৮,৩৩৮ ২৫৫ ৩,০৪০
১১৪ লিথুনিয়া ৮,২৩৯ ১২০ ৩,৫৯৯
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৮,২১৫ ২৩৬ ৭,৭২৫
১১৬ কেপ ভার্দে ৮,০৩৩ ৯০ ৬,৮৩৫
১১৭ মৌরিতানিয়া ৭,৬৩৮ ১৬৩ ৭,৩৬৩
১১৮ গুয়াদেলৌপ ৭,৩২৯ ১১৫ ২,১৯৯
১১৯ কিউবা ৬,৩৬৮ ১২৭ ৫,৮১৪
১২০ বাহামা ৬,০৫১ ১২৭ ৩,৬৩৩
১২১ শ্রীলংকা ৫,৯৭৭ ১৩ ৩,৫০১
১২২ মালাউই ৫,৮৬৪ ১৮৩ ৪,৭৬২
১২৩ ইসওয়াতিনি ৫,৮০৫ ১১৬ ৫,৪৫৩
১২৪ বতসোয়ানা ৫,৬০৯ ২১ ৯১৫
১২৫ জিবুতি ৫,৫১২ ৬১ ৫,৩৮৭
১২৬ নিকারাগুয়া ৫,৪৩৪ ১৫৫ ৪,২২৫
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫,৩৯২ ১০১ ৩,৮২২
১২৮ হংকং ৫,২৭০ ১০৫ ৫,০০৪
১২৯ সিরিয়া ৫,২২৪ ২৫৭ ১,৬২৯
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫,১৬১ ১৯ ৩,৫৩৬
১৩১ কঙ্গো ৫,১৫৬ ১১৪ ৩,৮৮৭
১৩২ সুরিনাম ৫,১৫০ ১০৯ ৪,৯৯১
১৩৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০৭৪ ৮৩ ৪,৯৫৪
১৩৪ মালটা ৫,০২৬ ৪৬ ৩,৩৩১
১৩৫ রিইউনিয়ন ৫,০১৫ ১৯ ৪,৪৪৫
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,০১২ ৩৪ ৪,৭৯৮
১৩৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮৫৮ ৬২ ১,৯২৪
১৩৮ আরুবা ৪,৩৬৯ ৩৫ ৪,০৮৪
১৩৯ আইসল্যান্ড ৪,২৩০ ১১ ৩,০১৩
১৪০ মায়োত্তে ৪,২০৩ ৪৪ ২,৯৬৪
১৪১ এস্তোনিয়া ৪,১৭১ ৭১ ৩,৩৩৪
১৪২ সোমালিয়া ৩,৮৯০ ১০১ ৩,১৬৬
১৪৩ গায়ানা ৩,৮৫০ ১১৬ ২,৮৩৯
১৪৪ এনডোরা ৩,৮১১ ৬৩ ২,৪৭০
১৪৫ লাটভিয়া ৩,৭৯৭ ৪৭ ১,৩৪১
১৪৬ থাইল্যান্ড ৩,৭০৯ ৫৯ ৩,৪৯৫
১৪৭ গাম্বিয়া ৩,৬৫৭ ১১৮ ২,৬৫৮
১৪৮ মালি ৩,৪২৮ ১৩২ ২,৫৯৯
১৪৯ সাইপ্রাস ২,৯৬৬ ২৫ ১,৪৪৪
১৫০ বেলিজ ২,৮৮৬ ৪৫ ১,৭২৭
১৫১ দক্ষিণ সুদান ২,৮৭০ ৫৫ ১,২৯০
১৫২ উরুগুয়ে ২,৬৬৩ ৫৩ ২,১৭২
১৫৩ বেনিন ২,৫৫৭ ৪১ ২,৩৩০
১৫৪ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৪০৬ ৬৫ ১,৮২৪
১৫৫ গিনি বিসাউ ২,৪০৩ ৪১ ১,৮১৮
১৫৬ সিয়েরা লিওন ২,৩৩৭ ৭৩ ১,৭৭১
১৫৭ মার্টিনিক ২,২৫৭ ২৪ ৯৮
১৫৮ টোগো ২,১২০ ৫১ ১,৫৬১
১৫৯ ইয়েমেন ২,০৫৭ ৫৯৭ ১,৩৪৪
১৬০ লেসোথো ১,৯১৮ ৪৩ ৯৬১
১৬১ নিউজিল্যান্ড ১,৯১২ ২৫ ১,৮৩১
১৬২ চাদ ১,৪০৪ ৯৬ ১,২২১
১৬৩ লাইবেরিয়া ১,৩৮৫ ৮২ ১,২৭৬
১৬৪ নাইজার ১,২১৪ ৬৯ ১,১২৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,১৪৪ ৩৫ ১,০৪৬
১৬৬ কিউরাসাও ৭৮৫ ৪৭৯
১৬৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৭৫ ৪৮ ৬৫৯
১৬৮ সান ম্যারিনো ৭৭৪ ৪৫ ৬৯০
১৬৯ সিন্ট মার্টেন ৭৬২ ২২ ৬৭৫
১৭০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৯৮ ৬৮৯
১৭২ জিব্রাল্টার ৬২১ ৪৮১
১৭৩ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৮১ ৫৪১
১৭৪ বুরুন্ডি ৫৫০ ৪৯৭
১৭৫ তাইওয়ান ৫৪৪ ৪৯৫
১৭৬ সেন্ট মার্টিন ৫৩৮ ৪২২
১৭৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৮ কমোরস ৫০৪ ৪৯৪
১৭৯ ফারে আইল্যান্ড ৪৮৮ ৪৭৩
১৮০ ইরিত্রিয়া ৪৫২ ৩৮৮
১৮১ মরিশাস ৪১৯ ১০ ৩৭৯
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪৮ ২৪ ৩২১
১৮৩ ভুটান ৩৩১ ৩০২
১৮৪ মঙ্গোলিয়া ৩২৭ ৩১২
১৮৫ কম্বোডিয়া ২৮৬ ২৮০
১৮৬ মোনাকো ২৭৩ ২৩১
১৮৭ লিচেনস্টেইন ২৫২ ১৪৫
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৩৫ ২১৪
১৮৯ বার্বাডোস ২২২ ২০৫
১৯০ বারমুডা ১৮৮ ১৭৪
১৯১ সিসিলি ১৫১ ১৪৮
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৫০ ১২১
১৯৩ ব্রুনাই ১৪৭ ১৪৩
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১২২ ১০১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৭৭ ৬৬
১৯৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৮ ৬৪
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ৩৮ ২৭
২০০ ডোমিনিকা ৩৩ ২৯
২০১ ফিজি ৩৩ ৩০
২০২ পূর্ব তিমুর ২৯ ৩১
২০৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৭ ২৪
২০৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৬ লাওস ২৪ ২২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৬ ১৬
২০৯ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১০ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
২১৫ সলোমান আইল্যান্ড
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]