নির্বাচনি ইশতেহার

পরমাণু শক্তি কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াবে জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৭ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পরমাণু শক্তি কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এক্ষেত্রে সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা হবে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে বৃহৎ সোলার পার্ক, রুফটপ ও নেট মিটারিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ১০ গুণ বাড়ানো হবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে ‘ভিশন: পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির নিশ্চয়তা’ অংশে এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

ইশতেহারে বলা হয়, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও সম্প্রসারণ বিষয়ে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অনশোর ও অফশোর- উভয় ক্ষেত্রেই দ্রুততর ও স্বচ্ছ গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো হবে। বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পিডিবির সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ও সিস্টেম লস কমিয়ে বিদ্যুতের দাম কমানো হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে সৌর জ্বালানিতে দ্রুত রূপান্তরের বিষয়ে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি প্রবণতা ও জাতীয় জলবায়ু প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সৌরবিদ্যুতের দিকে সাহসী ও দ্রুত রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে বৃহৎ সোলার পার্ক তৈরি, বাসাবাড়ির ছাদে (রুফটপ) সোলার প্যানেল প্রতিষ্ঠায় প্রণোদনা দেওয়া, নেট মিটারিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে সৌর বিদ্যুৎ ১০ গুণ বাড়ানো হবে। এলপিজি ও এলএনজিকে পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানির বিকল্প হিসেবে উন্নীত করা হবে।

ইশতেহারে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইন মেনে পরমাণু শক্তি কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে। দেশীয় কয়লার ভূমিকা জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈচিত্র্যময় জ্বালানি মিশ্রণে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পরিবেশগত সুরক্ষা বজায় রেখে এর সীমিত ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের নীতি গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে কৌশল হবে বিদ্যমান কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দক্ষতা বাড়াতে নির্গমন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, আধুনিক বয়লার এবং উন্নত অপারেশনাল মানদণ্ড সমন্বিত করা।

জ্বালানি খাত নিয়ে প্রতিশ্রুতির মধ্যে জামায়াত আরও যেসব বিষয় সামনে এনেছে, তা হলো- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের স্বাধীনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। কুইক রেন্টালসহ অন্যান্য দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর এবং সর্বস্তবে জ্বালানির অপচয় বোধ করা এবং দেশীয় ব্যবস্থাপনায় দক্ষ ও উন্নত তেল শোধনাগার স্থাপন করার মাধ্যমে জ্বালানির দাম কমানো ও স্বনির্ভরতা বৃদ্ধি করা হবে।

এএএইচ/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।