সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কায় ২০ দল
তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা ও সংশয় প্রকাশ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। বুধবার সন্ধ্যায় ২০দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠনো এক বিবৃতিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লহ বুলু এ শঙ্কার কথা জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সিটি নির্বাচনে সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও লুটেরাদের অবাধ বিচরণ এবং অবৈধ সরকারের মন্ত্রী, এমপি, প্রার্থী ও সমর্থকদের দ্বারা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তা সত্তেও নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে উদাসীনতা দেখাচ্ছে। ফলে সিটির ভোটার ও নাগরিক সমাজ সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে সন্দিহান ও শঙ্কিত।
তিনি আরো বলেন, ৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বর্তমান লুটেরা ও খুনী সরকার তাদের অপশাসন ও অবৈধ কর্মকাণ্ডকে জনদৃষ্টির আড়াল করছে। এজন্য জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমকে ইচ্ছামতো ব্যবহার করছে।
স্বাধীনতার ঊষালগ্ন থেকে আজ অবধি আওয়ামী লীগ দলীয় লোকজন হিন্দু সম্প্রদায়ের যতো সম্পত্তি দখল ও আত্মসাৎ করেছে তার সঠিক পরিসংখ্যান বা ফিরিস্তি উদঘাটন করা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
বরগুনা জেলার তালতলীর হিন্দু পরিবার উচ্ছেদের ঘটনার কোনো সুষ্ঠু তদন্ত ব্যতিরেকে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের দায়ী করা হচ্ছে। অথচ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সরকার দলীয় লোকজনই জড়িত বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
সরকারের লুটেরা প্রবৃত্তির কারণেই আজ দেশের সর্বত্র টেন্ডারবাজি, জমি-নদী-খাল-ডোবা এমনকি সরকারি সম্পত্তিও তাদের দখল ও আত্মসাতের লোভাতুর দৃষ্টি থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, সম্পত্তি, অর্থ, হাট-বাজার, ব্যাংকের অর্থ, শেয়ার মার্কেট লুন্ঠনের মতো দুর্নীতি করতে করতে বিরোধী দলীয় জনপ্রতিনিধিদের পদও আজ দখলের নগ্ন থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে।
ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শাসকগোষ্ঠীর ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থে ব্যবহারের ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে রাজধানীসহ সারাদেশে একের পর এক হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হচ্ছে। জনগণ আওয়ামী লীগের এই জঘন্য অপশাসন থেকে মুক্তি চায়।
এমএম/এএইচ/আরআই