জয়বাংলা কেবল আ.লীগের নয়, বাংলাদেশের স্লোগান : জয়


প্রকাশিত: ০২:১২ পিএম, ০২ মে ২০১৫

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা ও পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘জয়বাংলা’ কেবল আওয়ামী লীগের স্লোগান নয়, এটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধের স্লোগান, এটি হচ্ছে বাংলাদেশের স্লোগান।

বিভিন্ন খাতের ৩০ জন যুবকের মাঝে জয়বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড বিতরণকালে আইসিটি বিশেষজ্ঞ জয় এসব কথা বলেন।

জয় বলেন, এই স্লোগান বাংলাদেশের জনগণের জন্য বিজয়ের নির্দেশক। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তরুণদের হাতে রয়েছে বাংলাদেশ, তারাই দেশকে সামনে এগিয়ে নেবে। আমার জয়বাংলা ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে। গত ৫ থেকে ৬ বছরে আমরা অত্যন্ত সফলভাবে ভিশন বাস্তবায়নে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আজকে তরুণরা সচেতন হচ্ছে, তারাই বাংলাদেশের দায়িত্ব নেবে সেটিই হবে বাংলাদেশের জন্য বিজয়। আমি বিশ্বাস করি যুবকরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। আমাদের পরিকল্পনা ২০২১ সাল পর্যন্ত সীমিত নয়। আমাদের পরিকল্পনা, আওয়ামী লীগ সরকারের অঙ্গীকার হচ্ছে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা। আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণ করা।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি সাধারণ আহ্বানে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়।

সারাদেশ থেকে সফল তরুণদের খুঁজে বের করে তাদের সাফল্যের কাহিনী ছড়িয়ে দিতে এবং তাদের একটি প্লাটফরমে নিয়ে আসার জন্য সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

অনুষ্ঠানে সিআরআই নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, নায়েম রাজ্জাক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, সমাজ কল্যাণ সচিব নাসিমা বেগম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

আরএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।