ফতুল্লায় আ.লীগ ও চরমোনাই পীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১০
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার পাগলায় তারাবিহ নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে চরমোনাই পীর সমর্থকদের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজনদের সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানান, পাগলার মুসলিমপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে তারাবিহ নামাজ পড়া নিয়ে চরমোনাই পীরের সমর্থক সোহেল রানা, বিএনপি নেতা বাবুল আহম্মেদ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন হাওলাদার, মজিবুর গ্রুপের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও পরে সংঘর্ষ বাঁধে।
সংঘর্ষে সোহেল রানা, জুয়েল, এমএ আকবর, সোহাগ, রাসেল, পাবেল, ওমর আলী, স্বপন, ইকবাল প্রমুখ আহত হন। এদের মধ্যে সোহাগ ও রাসেলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত চরমোনাই পীরের সমর্থক সোহেল রানা জাগো নিউজকে জানান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের সঙ্গে পূর্ব বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ও তারাবির নামাজ পড়ার সময় কাতার ঠিক করা নিয়ে তর্কের এক পর্যায়ে আমাদের উপর হামলা হয়।
তবে আলাউদ্দিন হাওলাদার জাগো নিউজকে জানান, মেজবা নামে এক মুসল্লির সঙ্গে সোহেল রানার ঝগড়া হয় এবং তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আমি তাদের সংঘর্ষে জড়াইনি। ফতুল্লা থানা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহম্মেদ, সোহেল রানাসহ তাদের গ্রুপের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন লোককে মারধর করা নিয়ে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলী জিন্নাহ জাগো নিউজকে জানান, মসজিদে নামাজ আদায়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মো.শাহাদাৎ হোসেন/এমজেড/এমএস