ঘূর্ণিঝড় কোমেন : দেশের বিভিন্ন স্থানে নিহত ৫
ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন ও মহেশখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মোট পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ভোলায় ট্রলার ডুবে ২৪ জেলে নিখোঁজ রয়েছে বলেও জানা গেছে।
আমাদের প্রতিনিধিদের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন, পটুয়াখালীর গলাচিপা, ভোলার লালমোহন উপজেলায় গাছ চাপায় তিনজন নিহত হন। নিহতরা হলেন কক্সবাজারের মোহাম্মদ ইসলাম (৫০), গলাচিপা উপজেলায় নুরুল ইসলাম ফকির (৫৫) এবং লালমোহন উপজেলার মনজুরা বিবি(৫৫)।
এ দিকে দুপুরে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা সৈকত থেকে দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তারা হলেন কুতুবজোম তাজিয়ারকাটা গ্রামের বাসিন্দা কালা মিয়া (৩৪) ও একই এলাকার মো. সাইফুল (২৫)।
ভোলা প্রতিনিধি জানান, ভোলার চরফ্যাশনে সাগর উপকূলে ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে তিনটি মাছধরা ট্রলার ডুবে অন্তত ২৪ জেলে নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার রাতে জেলেরা সাগরে নিখোঁজ হলেও উপকূলের বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাদের উদ্ধার অভিযান শুরু করা যায়নি বলে জানিয়েছেন চরফ্যাশনের কুকরিমুকরি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নূর মোহাম্মদ।
আবহাওয়া দফতর থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ উত্তর দিকে আরো অগ্রসর হয়ে পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম উপকূলে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
এছাড়া ঘূর্ণিঝড় কোমেনের কারণে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত এবং মংলা ও পায়রা বন্দরে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাগরের মাছ ধরার ট্রলারসহ সকল প্রকার নৌযানকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
এসকেডি/বিএ