নিবন্ধনের জন্য আদালতে যাবে গণসংহতি আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৭ পিএম, ১৪ জুন ২০১৮

নতুন রাজনৈতিক চিন্তা ও দল গড়ে ওঠায় নির্বাচন কমিশন ‘প্রতিবন্ধকের ভূমিকা’পালন করছে বলে অভিযোগ করেছে গণসংহতি আন্দোলন। এ কারণে রাজপথে রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং আদালতের আশ্রয় নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে গণসংহতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে- দলীয় প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। গণসংহতি আশা প্রকাশ করেছে, নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্ত পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্বিবেচনা করে গণসংহতি আন্দোলনের আবেদন মাঠ পর্যায়ে জরিপের জন্য প্রেরণ করবে এবং নিবন্ধন বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।

লিখিত বক্তব্যে দলের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, কমিশনের দেয়া সবগুলো শর্ত পূরণ করেই গণসংহতি আন্দোলন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। গণমাধ্যম থেকে আমরা জানতে পেরেছি, নির্বাচন কমিশন গণসংহতি আন্দোলনকে নিবন্ধনের উপযুক্ত বলে মনে করেনি। অথচ এর আগে ৮ এপ্রিল গণসংহতি আন্দোলনকে চিঠি প্রদান করে নির্বাচন কমিশন অঙ্গ সংগঠন না থাকার ঘোষণা এবং প্রার্থী মনোনয়নের প্রক্রিয়া বিষয়ে গঠনতন্ত্রে সংশোধনীর জন্য বলেছিল। সেটি যথাসময়ে সংশোধন করে জমাও দেয়া হয়।

দলের প্রধান সম্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেলে গণসংহতি আন্দোলন সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আইনেরও দ্বারস্থ হবে। আরপিও সংবিধানের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। এই আরপিও বজায় থাকলে নতুন চিন্তা-চর্চা, সৃজনশীল উদ্যোগ এবং সমাজে-রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে উঠার সব প্রক্রিয়া প্রতিনিয়ত বন্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল কি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত যে সূর্যাস্তের আগে জমা দিতে না পারলে দেবে না? নিবন্ধন আইন করার ফলে রাজনৈতিক সুবিধাবাদের জন্ম হয়েছে। আমরা মনে করি নির্বাচন কমিশনের এ ধরনের মনোভাবের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২৭ জুন গোলটেবিল বৈঠক, ৩০ জুন জেলায়-জেলায় সংবাদ সম্মেলন ও আগামী ৫ জুলাই পুনঃনিরীক্ষার দাবিতে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি দিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন।

এইউএ/ওআর/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :