‘লাকি খানের ঝাঁকি নৃত্যের প্রচলনও করেছিলেন জিয়া’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৯ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮ | আপডেট: ০৪:৩৯ পিএম, ২২ জুলাই ২০১৮
ছবি-ফাইল

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, যে হাত দিয়ে জিয়াউর রহমান সংবিধানে বিসমিল্লাহ শব্দটি যুক্ত করেছিলেন একই কলম দিয়ে সারাদেশে ৩৬০টি মদের বারের লাইসেন্স দিয়েছিলেন।

রোববার রাজধানীতে ‘উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় মাদকমুক্ত দেশ গঠনে ছাত্রসমাজ’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা কলেজের ঢাকা আ ন ম নজিব খান অডিটোরিয়ামে আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উপ-কমিটি এই সভার আয়োজন করে।

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ইয়ুথ ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে সে ক্লাবে হাউজের নামে জুয়া খেলার লাইসেন্সও তিনি দিয়েছিলেন। লাকি খানের ঝাঁকি নৃত্যের প্রচলনও করেছিলেন জিয়াউর রহমান। অর্থাৎ যুবসমাজকে নষ্ট করার জন্য যত রকমের অপকর্ম দরকার সবই ৭৫ পরবর্তী সরকারেরা করেছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বক্তৃতাকালে রেসকোর্সের নাম বদল করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান করেন। সেখানে রেসকোর্স অর্থাৎ ঘোড় দৌড় বন্ধ করেন। একই সঙ্গে মদের বার ও জুয়া খেলা বন্ধ করেন। ৭৫ পরবর্তী সরকারেরা দেশের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা না করেই তা পুনরায় চালু করেন। এই তারাই নাকি ইসলামিক ভাবধারায় বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, কোন ইসলামে আছে যে জুয়া খেলার বৈধ্যতা দিতে হবে? কোন ইসলামে আছে যে মদের বারের লাইসেন্স দিতে হবে? লাকি খানের ঝাঁকি নৃত্যের নামে উলঙ্গ নৃত্যের বৈধত্য দিতে হবে? যে বঙ্গবন্ধু ‘হিজবুল বহর’ নামের একটি জাহাজের মাধ্যমে হজযাত্রীদের হজে যাওয়ার ব্যবস্থা করতেন, সেই ‘হিজবুল বহর’-এর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিঙ্গাপুরে যান এবং সেখানে গিয়ে তাদের ছেড়ে দেন। এই হলো তার ধর্মীও প্রেম, এই হলো তার দেশপ্রেম।

মতিয়া বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন সব ষড়যন্ত্র ভেদ করে বাংলাদেশ বিশ্বে বিস্ময় সৃষ্টি করে এগিয়ে যাচ্ছে তখনই নতুন ষড়যন্ত্র শুরু। মাদক সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেয়া, আগুন সন্ত্রাস করা, রোহিঙ্গাদের উস্কিয়ে দেয়া। কিন্তু কোনোকিছুতেই শেখ হাসিনা সরকারকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি; এগিয়ে যাচ্ছে অগ্রতিরোধ্য গতিতে।

আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সচিব শামসুন্নাহার চাঁপার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী।

এইউএ/জেডএ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :