ভারতের কাছে নির্বাচনের পদ্ধতি শিখতে হবে : মোশাররফ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৩ পিএম, ২৫ মে ২০১৯
ফাইল ছবি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলনের জন্য জনগণ প্রস্তুত আছে। এখন শুধু নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অপেক্ষা। আমরা সেই কাজটিই করছি।

ভারতের নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করায় দেশটির জনগণ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের কাছ থেকে আমাদের নির্বাচন পদ্ধতি শিখতে হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াাউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাৎবার্ষিকী এবং দলটির চেয়াারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুস্থতা কামনাসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক দলের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মোশাররফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রিত বিচারালয় থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে, এটা কেউ বিশ্বাস করে না। অতএব আন্দোলন করতে হবে। আমাদের দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা এটাই বলেন। তবে শুধু বললেই হবে না। আন্দোলন করে দেখাতে হবে। আর এ আন্দোলন করতে হলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে আন্দোলন সফল হবে।

ভারতের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্যে মোশাররফ বলেন, আপনারা সব সময় ভারত ভারত করেন। অথচ নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাদের অনুসরণ করেন না। ভারতের কাছ থেকে নির্বাচনের পদ্ধতি শিখতে হবে। তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের চর্চা কীভাবে করতে হয়, তা শিখতে হবে।

ভারতের জনগণ ও নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমি ভারতের জনগণকে অভিনন্দন জানাই। কারণ তারা নিজেদের ভোট দিতে পেরেছেন। আর মোদিকে অভিনন্দন জানাই এ জন্য যে, তিনি ক্ষমতায় থেকেও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করেছেন।

জাতীয়তাবাদী নাগরিক দলের সভাপতি শাহজাদা সৈয়াদ মো. ওমর ফারুক পীর সাহেবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর মহানগর বিএনপির দফতর সম্পাদক এড. এবিএমএ রাজ্জাক, নাগরিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাবলা, সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল আসাদুজ্জামান, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলহাজ্ব অদুদ মাহমুদী, এম এম মশিউর রহমান, আমিরুল ইসলাম খান টিপু, শাহজাহান বাচ্চু, মো. কামাল হোসেন, মো. হযরত আলী ভূইয়া রানা, মাসুদুল আলম, নূর নবী শিকদার রিপুন, স্থপতি মো. মোকসেদুর রহমান রিপন, সাধারণ সম্পাদক এড. মো. জাবেদ ইকবাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. শরিফুল ইসলাম মঞ্জু, অ্যাডভোকেট লায়ন সেলিম মিয়া, এস এম সাঈদ, মো. জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মো. শফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়াছিন, প্রচার সম্পাদক মো. মশিউর রহমান বেপারী প্রমুখ।

কেএইচ/এমএসএইচ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :