দক্ষিণ আফ্রিকায় ১ মাসেও খোঁজ মেলেনি চার বাংলাদেশির

ফারুক আস্তানা
ফারুক আস্তানা ফারুক আস্তানা , দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৪:২৮ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্রি স্টেট প্রদেশের উইনবার্গ থেকে নিখোঁজের ১ মাস পরেও খোঁজ মেলেনি চার বাংলাদেশির। ২৬ আগস্ট উইনবার্গ থেকে দোকানের মালামাল কেনার জন্য গাড়ি নিয়ে বের হন তারা।

এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ বাংলাদেশিরা হলেন- সাইফুল ইসলাম, মো. ফরহাদ, রাসেল ও মহসিন। চার বাংলাদেশি নিখোঁজের ঘটনায় ব্যবসায়িক সহযোগী দুই বাংলাদেশিসহ লেসোথোর এক নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।

রুবেল হোসেন নামের একজন নিখোঁজদের ব্যবসায়িক পার্টনার ও লেসোথোর এক স্থানীয় নাগরিক ছাড়াও আরও এক বাংলাদেশিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার এন্টি কিডনাপি গাইড।

ফ্রি স্টেট প্রদেশ পুলিশের মুখপাত্র কর্নেল থান্দি এমম্বো বাংলাদেশি কমিউনিটিকে জানিয়েছে, রুবেল হোসেনকে নিখোঁজের ঘটনার মূল সন্দেহে এক সপ্তাহ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে তার থেকে সন্তোষজনক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে লেসোথোর এক নাগরিকের থেকে ওই চার ব্যক্তির সিগারেটকেন্দ্রিক ১.২ মিলিয়ন রেন্ড (বাংলাদেশি প্রায় ৭০ লাখ) টাকার অর্থ পাওনা আছে।

ধারণা করা হচ্ছে, পাওনা অর্থ না দিতে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে পরিকল্পিত নিখোঁজের ঘটনা সাজিয়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছে। ২৬ আগস্টের পর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসীদের সংগঠন বাংলাদেশ পরিষদের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে ঘটনা উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি অপহরণের ঘটনাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন এক কমিউনিটির দায়িত্বশীল। তিনি বলেন, নিখোঁজ চার বাংলাদেশির একজন মো. মহসিনের মোবাইল ফোনটি দক্ষিণ আফ্রিকার লিম্পোপো ফার্ম এরিয়ার পোবলার ব্রিজের আশপাশে আছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

তিনি আরও বলেন, একটু পরপর সিম পরিবর্তন করতে থাকায় সঠিক স্থান চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। পুলিশ বলছে যদি কমপক্ষে দশ মিনিট কোনো সিমকার্ড মোবাইলটিতে সচল করে রাখা হয় তাহলে যে কোনো সময় স্থান চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা করতে পারে। সে সময়ের অপেক্ষায় আছে দেশটির এন্টি কিডনাপিং গাইড।

এমআরএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]