শায়খ আহমাদুল্লাহ
‘ইসরায়েলি লবির প্রভাবেই সম্ভবত আমার বিরুদ্ধে প্রচারণা’
জনপ্রিয় আলেম ও আলোচক আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, তার অস্ট্রেলিয়া সফরকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়ায় তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। তার কিছু বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ ও কিছু বক্তব্যের বিকৃত অনুবাদ প্রচার করা হয়েছে এবং তা ইসরায়েলি লবির প্রভাবে হয়ে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, গত জানুয়ারি মাসে ইসলামোফোবিক কন্টেন্ট তৈরির অভিযোগে সামি ইয়াহুদ নামে একজন ইজরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারের ভিসা বাতিল করেছিল অস্ট্রেলিয়া সরকার। বিষয়টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হয় এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে চাপ তৈরি হয়। একজন ইসরায়েলি ইনফ্লুয়েন্সারকে এভাবে বাধা দেয়া প্রবল শক্তিশালী ইসরায়েলি লবি মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। সে ঘটনারই বিপরীত ক্রিয়া হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এই প্রচারণা কি না, তা আমি নিশ্চিত নই।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোনো ধর্ম, জাতি বা গোষ্ঠীর প্রতি আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিদ্বেষ নেই। বরং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি যেকোনো বিচ্ছিন্ন অন্যায় আচরণেরও আমরা বিরোধিতা করি।
অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল হওয়ার ব্যাপারে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণে গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলাম আমি। এরপর একটি জরুরি কাজে গত শনিবার দেশে ফিরে এসে তাতে মনযোগ দিয়েছি। আজ সকালে জানতে পারলাম, আমার ভিসা বাতিল করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও সিডনিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলাম। ভিসা সংক্রান্ত লেটারটা ছিল অনেকটা ফরমাল। সেখানে উল্লেখ ছিল—আবেদনকারী যে উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া এসেছিলেন, তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করে তিনি ফিরে গেছেন। তাই ভিসার উদ্দেশ্য আর অবশিষ্ট নেই। বিভিন্ন মিডিয়ায় বিষয়টা যেভাবে প্রচারিত হয়েছে, সেরকম কিছু আমি লেটারে দেখতে পাইনি।
তবে অষ্ট্রেলিয়ার কয়েকজন বিরোধী রাজনীতিককে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেখেছেন উল্লেখ করে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, তারা সম্ভবত ইসলাম বিদ্বেষীদের নেতিবাচক প্রচারণায় প্রভাবিত হয়েছেন। যে কোনো অভিযোগ আমলে নেওয়ার পূর্বে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই এবং ন্যায্যতা ও নিরপেক্ষতা প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন।
ওএফএফ