স্বপ্ন নিয়ে নবিজী (সা.)-এর সুন্নাত কী?

ইসলাম ডেস্ক
ইসলাম ডেস্ক ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০৫ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২২

স্বপ্ন নবুয়তের ৪৬ ভাগের এক ভাগ। স্বপ্ন ভালো কিংবা মন্দ, যেমনই হোক; স্বপ্ন দেখা বিষয়ে রয়েছে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুস্পষ্ট সুন্নাত। হাদিসের বিশুদ্ধ বর্ণনায় তা ওঠে এসেছে। ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ দিকনির্দেশনা আর অপছন্দনীয় স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাহলে এসব স্বপ্ন দেখার পর করোনীয় কী?

অপছন্দীয় স্বপ্ন দেখলে সুন্নাত কী?
যে ব্যক্তি অপছন্দনীয় কোনো স্বপ্ন দেখে সে যেন বাম দিকে থুথু ফেলে এবং শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে। তাহলে শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা। আর সে সেই স্বপ্নের বিষয়েও কাউকে কিছু বলবে না।
যে ব্যক্তি অপছন্দনীয় কোনো স্বপ্ন দেখবে সে পার্শ্ব পরিবর্তন করে ঘুমাবে। সম্ভব হলে নামাজ পড়বে। তার জন্য রয়েছে ৫টি করণীয়-
১. বাম দিকে থুথু ফেলবে।
২. আউজু বিল্লাহি মিনাশ-শাইত্বানির রাঝিম পড়বে।
৩. কাউকে সে বিষয়ে সংবাদ দেবে না।
৪. পার্শ্ব পরিবর্তন করে ঘুমাবে এবং
৫. নামাজ আদায় করবে।

ভালো স্বপ্ন দেখলে সুন্নাত কী?
যদি কেউ ভাল ও পছন্দনীয় স্বপ্ন দেখে তবে সে যেন খুশী হয় এবং একান্ত প্রিয় ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে স্বপ্নের বিষয় বলাও যাবে না।

স্বপ্ন সম্পর্কে সতর্কতা
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ব্যাখ্যা না করা পর্যন্ত স্বপ্নের বিষয়টি স্বপ্ন দর্শকের উপরই উড়তে থাকে। ব্যাখ্যা করা হলে তা সংঘটিত হয়ে যায়।
সুতরাং স্বপ্নের কথা শুধু প্রিয়তম ব্যক্তি অথবা স্বপ্নের ব্যাখ্যা সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও কাছে বলা ঠিক নয়।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আর বর্ণিত হয়েছে, তিনি স্বপ্ন দর্শককে বলতেন- তুমি ভালই দেখেছ। অতঃপর তিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতেন ‘

এমএমএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]