আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ জাকারিয়ার সাফল্য


প্রকাশিত: ০৮:৫৯ এএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৭

যোগ্যতা ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে বাংলাদেশের উজ্জ্বল প্রতিভা হাফেজ মো. জাকারিয়া। সুদানের রাজধানী খার্তুমে অনুষ্ঠিত ৮ম আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজুল কুরআন ও তাফসির প্রতিযোগিতায় চতুর্থ হয়েছেন তিনি।

রাজধানী খাতুমে অনুষ্ঠিত ৮ম খার্তুম ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড প্রতিযোগিতায় ১০ জনকে প্রতিযোগিকে বাঁচাই করা হয়। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী হাফেজ মো. জাকারিয়া তাদের একজন। বিশ্বের ৫৫টি দেশের ৮৩জন হাফেজের মধ্যে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

গত ০৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে এ প্রতিযোগিতা। গতকাল শুক্রবার ১৩ জানুয়ারি ছিল প্রতিযোগিতার শেষ দিন। অতঃপর প্রতিযোগিতার শেষে সুদানের স্থানীয় সময় রাত ৮টায় প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সুদানের রাষ্ট্রপতি ওমর আল বশির অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার হিসেবে হাফেজ মো. জাকারিয়া পেয়েছেন ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

সে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কারী হাফেজ নাজমুল হাসান পরিচালিত যাত্রাবাড়ী তাহফিজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদরাসার ছাত্র। হাফেজ মো. জাকারিয়া মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার চর ইসলামপুরের হাফেজ ফয়জুল্লাহ ও মোসাম্মৎ জাহানারা বেগমের একমাত্র ছেলে।

হাফেজ মো. জাকারিয়া ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ১৪তম শায়খ জুনাইদ আলম আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। কিরাত ও হিফজ বিভাগে বিশ্বের ৫৭টি দেশের শতাধিক অংশগ্রহণকারীর মধ্যে সে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

এর আগে ২০১৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ১৯তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮০টি দেশের প্রতিযোগীদের হারিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন এবং সুর লহরীতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

সুদানের রাজধানী খার্তুমে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন ও তাফসির প্রতিযোগিতায় এ অসামান্য অবদান রেখে বাংলাদেশে সুনাম ও পরিচিতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরায় হাফেজ মো. জাকারিয়া প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।

এমএমএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]