কুরআন অস্বীকারকারীরা ঈমানদার নয়


প্রকাশিত: ০৬:০৩ এএম, ১২ এপ্রিল ২০১৬

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইসলামের দাওয়াত প্রসঙ্গে ইয়াহুদিরে বক্তব্য হলো, ইসলামের দাওয়াত আমাদের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়াই সৃষ্টি করতে পারবে না। ইয়াহুদিরা প্রকাশ্যে এ কথা গর্বভরে বলে বেড়াত যে, এ নতুন নবি যা কিছুই করে ফেলুক না কেন, আমরা তার কথায় পড়ছি না। তাদের কথাকেই আল্লাহ তাআলা কুরআনে তুলে ধরেছেন-

Quran-Inner

তারা বলে আমাদের হৃদয় আচ্ছাদিত। এবং তাদের কুফরের কারণে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে অভিসম্পাত করেছেন। ফলে তারা অল্পই ঈমান আনে। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৮৮)

তারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উপহাস করে বলে আমাদের হৃদয় আচ্ছাদিত। অর্থাৎ তা জ্ঞানে পরিপূর্ণ রয়েছে, এরপর তাদের আর জ্ঞানের দরকার নেই। সুতরাং তুমি আমাদেরকে যা বল তা সংরক্ষণ করতে পারি না।

আল্লাহ তাআলা বলেন, বরং সত্য প্রত্যাখ্যানের কারণে তাদের অন্তরে আল্লাহ তাআলার লানতের মোহর লেগে গেছে। তাদের ঈমান লাভের সৌভাগ্যই হয় না। তাই আল্লাহ তাআলা তাঁর রহমত, বরকত, মাগফিরাত থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করেছেন এবং সত্য গ্রহণ থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করেছেন।

তাদের এ প্রত্যাখ্যান হৃদয়ের গঠন ত্রুটির জন্য নয়। সুতরাং তাদের অল্প সংখ্যকই বিশ্বাস করে অর্থাৎ তাদের ঈমান বা বিশ্বাস অতি সামান্য। এ কথার অর্থ হচ্ছে, তারা মুসা আলাইহিস সালাম, কিয়ামাত, নেক বা পূণ্য, শাস্তি এবং তাওরাতের প্রতি ঈমান এনেছে ঠিকেই কিন্তু শেষ নবি আগমনের পর তাঁর প্রতি আনুগত্য করে তাদের ঈমানকে পরিপূর্ণ করে না বরং তার সঙ্গে কুফরি করে তাদের অল্প ঈমানকেও নষ্ট করে বেঈমানে পরিণত হয়েছে।

শেষ নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমনের পর পূর্ববর্তী সকল শরিয়তের বিধান রহিত হয়ে ‘পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করা’র বিধান অর্পিত হয়েছে।

এ আয়াতের পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম উম্মাহর জন্য কুরআন-সুন্নাহর দাবি হচ্ছে, সকল মানুষের জন্য একমাত্র মনোনীত ধর্মই হলো ইসলাম। আল্লাহ তআলা প্রত্যেককে পরিপূর্ণভাবে ইসলামের সুশীলত ছায়া তলে আশ্রয় লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]