বিএনপির আইনজীবী ফোরাম নিয়ে গৃহদাহ, নেতাদের মুখে কুলুপ

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪২ এএম, ০৫ নভেম্বর ২০১৯

দীর্ঘ নয় বছর পর গত ৩ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক ও অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১৭৯ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি করে দিয়েছে বিএনপি।

আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির চারবারের নির্বাচিত সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। সদস্য সচিব ফজলুর রহমান দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি।

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে সভাপতি, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে সাধারণ সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়াকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করে তিন সদস্যের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করে দেন। এরপর দীর্ঘ নয় বছরেও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়া হয়নি। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া দীর্ঘসময় ধরে নিষ্ক্রিয়। সানাউল্লাহ মিয়াও গুরুতর অসুস্থ। গত সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে তিনিও একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন।

২০১০ সালে গঠিত কমিটির কোনো কার্যক্রম না থাকায় সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলন ঠিক মতো করতে পারেনি- এমন অভিযোগ বিএনপিপন্থী অনেক আইনজীবীর।

নাম প্রকাশ না করে বিএনপির একাধিক আইনজীবী জাগো নিউজকে বলেন, শুধুমাত্র গুটিকয়েক আইনজীবীর একক কর্তৃত্বের কারণে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। তাদের কোনো ভূমিকা না থাকায় দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশে অবস্থান করতে বাধ্য হচ্ছেন। সাংগঠনিক কোনো ঐক্য এবং দলীয় কোনো কর্মসূচি না থাকায় সাধারণ নেতাকর্মীরা অসহায়ত্ব বোধ করছেন।

কমিটিতে স্থান পাওয়া অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন, আহ্বায়ক কমিটিতে সিনিয়র-জুনিয়র সমন্বয় করা হয়নি। তবে, অনেকেই কমিটিকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, বিগত দিনে ফোরামের কিছু নেতা ক্ষমতা কুক্ষিগত রাখতে প্রতিটি বারে কৃত্রিম বিভাজন তৈরি করে পুরো ফোরাম অকার্যকর করে রাখেন।

তারা বলেন, প্রতি বছর সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনের আগে দলের নেতারা একজোট হয়ে নির্বাচন করেন। কিন্তু নির্বাচনের পর ফোরামের নতুন কমিটি গঠনের আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হয় না। দীর্ঘ নয় বছরেও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটিকে আর পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। এ কমিটির ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। কার্যত এখন এক সদস্যের কমিটি দিয়ে এ ফোরামের কার্যক্রম চলছে।

অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করে ৯০০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে ইউনিটের এ কমিটিতে কার কোন পদ, তা কেউ জানেন না। অনেকে বলছেন, কমিটিতে ২০০ জনের মতো নেতাকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে। কমিটির এমন হ-য-ব-র-ল অবস্থার কারণে সরকারবিরোধী কোনো কর্মসূচিতেই আইনজীবীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় না।

সংগঠনের এমন সমন্বয়হীনতার কারণে বিকল্প হিসেবে ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়া মুক্তি আন্দোলন' নামে নতুন একটি সংগঠন তৈরি করেছেন বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের একটি অংশ। তাদের দাবি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কমিটি গঠন নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিএনপি ও দলের সমর্থক আইনজীবীরা। এদের বড় অংশটি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের নতুন কমিটি গঠনের পক্ষে সোচ্চার থাকলেও হাতেগোনা কয়েকজনের বাধায় তা হয়ে উঠছে না। নয় বছরের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিকে নতুন করে গঠনের ব্যাপারে স্পষ্টতই বিভক্ত হয়ে পড়ায় বিকল্প হিসেবে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন নিয়ে আইনজীবীদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। ভেতরে ভেতরে ক্ষোভে ফুসলেও মুখ খুলছেন না ফোরামের কোনো নেতা।

এরই মধ্যে আহ্বায়ক কমিটিতে পদ না পেয়ে বঞ্চিতরা সুপ্রিম কোর্ট ও ঢাকা বারে ক্ষোভ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন আইনজীবীরা। এর আগে ঢাকা বারে এক আইনজীবীর চেম্বারে ভাঙচুর চালানো হয়। গত ৭ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসিম ও আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সুপ্রিম কোর্টের কক্ষও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায়। আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মহসীন মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা খানসহ ঢাকা বারের আট আইনজীবী নেতা।

এসব বিষয়ে ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মনির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের নতুন কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের ব্যাপারে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কারণ দুজনকে মনোনীত করেছেন আমাদের নেতা তারেক রহমান। তবে, অন্যদের ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে। দলের সক্রিয় নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে সরকারের দালালদের নিয়ে নতুন এ কমিটি করা হয়েছে। আমাদের দাবি, সক্রিয় যারা বাদ পড়েছেন, তাদের এ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তা না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন 'ক্ষোভের কথা’ অস্বীকার করে বলেন, ‘ফোরামের মধ্যে কোনো ক্ষোভ নেই। যোগ্য যারা কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন তাদের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা হচ্ছে।’

jfc

সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীদের কক্ষ ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শুনেছি, এজন্য তদন্ত কমিটি করে চিহ্নিত দোষীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙের ব্যবস্থা নেয়া হবে।' এ বিষয়ে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘ভাঙচুর বা মিছিলের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কোনো স্লোগানও শুনি নাই।'

কক্ষ ভাঙচুরের বিষয়ে আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘আইনজীবীদের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশা করিনি। এটা ভাঙচুরের জায়গা নয়। এটা পেশাজীবীদের স্থান। ভবনের কক্ষ কারও ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এটা বারের সম্পদ। তাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

গত ৩ অক্টোবর বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক এবং কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ১৭৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন বিএনপিপন্থী বেশকিছু ত্যাগী আইনজীবী।

এদিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মহসিন মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা খান, মো. ইকবাল হোসেন ও মোসলেহ উদ্দিন জসিম, আইনজীবী নেতা হোসেন আলী খান হাসান, আমীরুল ইসলাম আমীর, মকবুল আহমেদ খান, ও মোরশেদা খাতুন শিল্পী আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, আইনজীবী নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা না করেই গুটি কয়েক ব্যক্তির মাধ্যমে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এ কারণে পদত্যাগ করছি।

তবে আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘কোনো পদত্যাগপত্র পাইনি। কারও কোনো ক্ষোভ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। আশা করি, কয়েকদিনের মধ্যেই সব ঠিক হয়ে যাবে।’

কমিটির বিষয়ে মুখ খোলার এখনও সময় হয়নি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমানের নির্দেশে এ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। এটা নিয়ে ক্ষোভ-অভিমানের কিছু নেই।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবী জাগো নিউজকে বলেন, যারা জাতীয়তাবাদী দল তথা বিএনপি করার কারণে জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছেন, তাদের জন্য কোনো পদ নেই। কিছু কিছু আইনজীবীর ইচ্ছা মতো আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। দলের ত্যাগী ও কর্মঠদের ঠাঁয় হয়নি এ কমিটিতে। আবার যারা ছাত্রজীবনে ছাত্রদল করে এখন আইনজীবী হিসেবে কাজ করে ত্যাগ স্বীকার করে যাচ্ছেন তাদেরও মূল্যায়ন করা হয়নি। কিন্তু সরকারি দল আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের ঠিকই মূল্যায়ন করছে। তবে, আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, মূল্যায়ন করবেন। দেখা যাক কী ধরনের মূল্যায়ন করা হয়। আমরা অপেক্ষায় আছি।

ফোরামের সদস্য সচিব ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেন, আমাদের আহ্বায়ক কমিটিতে কোনো ধরনের ক্ষোভ, অভিযোগ বা অভিমানের কিছু নেই। নেতার (তারেক রহমান) পরামর্শে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন এ কমিটির সদস্যদের মতামত ও আলোচনার পর গণতান্ত্রিক উপায়ে কীভাবে আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করা যায় সে চিন্তা চলছে। আমরা দেশব্যাপী সকল বারে আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য সদস্য সংগ্রহের কাজ করব। এরপর গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করব।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে। এত বড় একটি সংগঠন, কমিটি গঠন করার জন্য পূর্ব প্রস্তুতি চলছে। এটা নিয়ে এখন এ মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। মাত্র আহ্বায়ক কমিটির মিটিং শুরু করতে যাচ্ছি। সেখানে আলোচনার পর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের চেষ্টা করা হবে। কমিটিতে কে থাকবে বা বাদ পড়বে তা দেখার সময় এখনও হয়নি। এ বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

বিশিষ্ট সাংবাদিক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফজাল এইচ খান জাগো নিউজকে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি বিশাল একটি সংগঠন। সেখানে ছোটখাটো সমস্যা, কে-কী ঘটিয়েছে- এসব নিয়ে তো বসে থাকলে হবে না। সারাদেশব্যাপী আইনজীবীদের সংগঠন শক্তিশালী করার জন্য জেলায় জেলায় স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে, তাদের মতামত ও ভোটের মাধ্যমে একটি কমিটি হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে মান-অভিমান বা অভিযোগ থাকতেই পারে। এসব ওভারকাম করার জন্য আলাপ-আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটের মাধ্যমে কমিটি করা হবে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন কমিটির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বারের) সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল জাগো নিউজকে বলেন, কমিটি ছাড়া জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ছিল নিষ্ক্রিয়। এখন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পরামর্শে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টসহ সকল বিভাগে গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটের মাধ্যমে শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে।

আহ্বায়ক কমিটিতে স্থান না পাওয়া সদস্যদের উদ্দেশ্যে গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী আলাল বলেন, এটা তো অস্থায়ী একটি কমিটি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের জন্য এটি করা হয়েছে। সেখানে ত্যাগী ও নির্যাতিতদের মূল্যায়ন করা হবে। তাদের নিয়ে একটা ডাইনামিক কমিটি করা হবে। আইনজীবী ফোরামের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ দেশের সকল বিভাগের জেলায় যাচ্ছেন। এটা সংগঠনের জন্য পজিটিভ দিক।

এফএইচ/এমএআর/এমকেএইচ