বাণিজ্যে বাধা ‘মমতা’, দ্রুত বন্দর খোলার দাবি ব্যবসায়ীদের

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৩ পিএম, ২৩ মে ২০২০

>> রাজ্য সরকারের আপত্তি ও অসহযোগিতায় বন্দর সচল হচ্ছে না
>> বন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা সচল চান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা
>> লোড-আনলোড শেড ও অবকাঠামো সমস্যা দূর করতে হবে
>> খরচ কমাতে ফিরতি ট্রেনে পণ্য পাঠাতে চান রফতানিকারকরা

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত বিশ্ব। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। ‘লকডাউন’ নামক বিধিনিষেধের কারণে আন্তর্জাতিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যের অংশীদার বাংলাদেশ-ভারতের ব্যবসায়ীরা।

শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশে কিছুটা শিথিলতা আনা হলেও ভারতের চিত্র ভিন্ন। কেন্দ্রীয় সরকার চাইলেও পশ্চিমবঙ্গের বাধায় বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে দেশটি। দিল্লির পক্ষ থেকে ‘কড়া ভাষায়’ চিঠি দিয়েও মমতা ব্যানার্জিকে স্থলবন্দর না খোলার সিদ্ধান্ত থেকে টলানো যায়নি। ফলে তিস্তার পানি ইস্যুতে টানাপোড়েনের পর এবার দু’দেশের বাণিজ্য সম্পর্কেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত প্রায় দুই মাসের মতো বাংলাদেশ-ভারতের স্থলবন্দরগুলোর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়ছে আমদানি-রফতানি। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনীতি। দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যেকোনো মূল্যে ভারতের সব স্থলবন্দর খোলা ও পুরোপুরি কার্যকরের দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে আগরতলা ছাড়া ভারতের সব স্থলবন্দর বন্ধ রয়েছে। আগরতলা দিয়ে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করছে, তাও সীমিত পর্যায়ে। প্রতিদিন মাত্র ২৫টি গাড়ি ছাড়া হচ্ছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য। এতে দু’দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ী উদ্যোক্তারা বলছেন, বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের প্রধান অন্তরায় হলো বন্দরগুলো বন্ধ; এগুলো খোলা রাখার ব্যবস্থা করে পুরোপুরি কার্যকর করতে হবে। লোড-আনলোড শেড, গুদামজাতকরণ ইত্যাদির মতো অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়াতে হবে। পণ্য রফতানির চালান দ্রুত নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেয়াও জরুরি। পাশাপাশি বিমানবন্দরগুলোর মতো স্থলবন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা দরকার।

port

“দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তির (সাফটা) আওতায় বাংলাদেশের বেশির ভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেও কিছু কিছু পণ্য রফতানিতে সমস্যা হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে দু’দেশের সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে”— বলেন ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (আইবিসিসিআই) সহ-সভাপতি এইচএসটিসি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম. শোয়েব চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে ভারতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় বাধা হলো স্থলবন্দরগুলো বন্ধ রাখা। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সরকারসহ সবপক্ষকে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার স্থলবন্দর খুলে দেয়ার জন্য রাজ্য সরকারগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের নিজস্ব পলিসির কারণে বন্দরগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে না। বন্দরগুলো দ্রুত খুলে দেয়ার জন্য আমাদের সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। ভারতের হাইকমিশনারসহ ওই দেশের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায় আলোচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উচিত হবে এখনই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা।

তিনি আরও বলেন, বেনাপোল-হিলিসহ বিভিন্ন বন্দরে এখন পণ্যবোঝাই ট্রাকের পর ট্রাক লাইন ধরে বসে আছে। পণ্য খালাস করতে পারছে না। এখানে কাঁচামালও আছে। অনেক পণ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এটি তো একধরনের বিপর্যয়। এ মুহূর্তে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে হলেও পণ্য খালাসের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে ক্ষতি কিছুটা কম হবে। ব্যবসার চাকাও সচল থাকবে।

‘আমরা সমস্যায় আছি। এর সমাধান করতে হবে সরকারকে। তাদের কেন্দ্রীয় সরকার বন্দর খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে কিন্তু রাজ্য সরকার খুলছে না। তাদের আপত্তি আর অসহযোগিতার কারণে বন্দর সচল হচ্ছে না। এজন্য আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে তাদের রাজ্য সরকারকে চাপ দিতে হবে’— বলেন এম. শোয়েব চৌধুরী।

পণ্য পরিবহন খরচ কমাতে ট্রেন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে এই উদ্যোক্তা বলেন, প্রতিদিন ভারত থেকে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে আসছে কিন্তু ট্রেনগুলো ফিরে যাওয়ার সময় ফাঁকা যাচ্ছে। আমরা যদি রফতানি পণ্যগুলো ওইসব ট্রেনে পাঠাতে পারতাম তাহলে উভয় দেশই উপকৃত হতো। পাশাপাশি আমাদের রফতানি খরচ কমে যেত।

port

তিনি আরও বলেন, ‘আমার পণ্য ৮২ দিন ধরে আটকে আছে। আমি টাকা দিয়ে পণ্য কিনেছি। কিন্তু আনতে পারছি না। আমার আমদানির কাগজপত্র এসেছে ২৬ দিন হলো। কিন্তু কাস্টমস খোলা না থাকায় এটি হস্তান্তর হচ্ছে না। চিন্ত করা যায়, কী বিপর্যয়ের মধ্যে আছি আমরা। এভাবে চললে ব্যবসা করব কীভাবে? বন্দরের সমস্যা, সরকারের সমন্বয়হীনতার কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এসব সমস্যা যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করতে হবে। সরকার এগিয়ে না এলে ভয়াবহ বিপদের মধ্যে পড়তে হবে আমাদের।’

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের এক আমদানিকারক জানান, গত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি পণ্য আমদানি-রফতানির অনুমতি দেয়া হয়। অনুমতি পাওয়ার পরও রফতানি কার্যক্রম চালু হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভারতের ব্যবসায়ীদের অনুরোধও জানানো হয়েছে। কিন্তু লকডাউন চলমান থাকায় রাজ্য সরকারের অনুমতি পাচ্ছে না বলে তারা জানান।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমদানি-রফতানি জটিলতা, বন্দর খুলে দেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে সম্প্রতি আমরা জানিয়েছি। হাইকমিশনার বলেছেন, তাদের রাজ্য সরকারের কিছু সমস্যা আছে। বিষয়গুলো নিয়ে তারা আলোচনা করছেন। খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে। বন্দরগুলো খুলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, আমদানি-রফতানির খরচ কমানোর জন্য আমরা বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছি। আমদানি করা পণ্যের ট্রেনে রফতানি করতে পারলে খরচ অনেকটা কমে যাবে। তবে আমাদের আমদানি বেশি, রফতানি কম। তাই কীভাবে এ সুবিধা নেয়া যায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

ভারতের সঙ্গে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গ সরকার লকডাউন করে রেখেছে। কেন্দ্রীয় সরকার যদিও রাজি হয়েছিল কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মমতা ব্যানার্জি রাজি হচ্ছেন না।’

উনি কোনো ট্রাকই আসতে দিচ্ছেন না। কেউ যদি আসে তারা ফেরত যেতে পারছেন না। সেখানে ১৪ দিনের (কোয়ারেন্টাইন) কোনো ব্যাপার নয়। যিনি আসবেন তিনি যেতেই পারবেন না! ফলে হাজার খানেক ট্রাক ওখানে লাইন ধরে বসে আছে,’ বলেন তিনি।

ড. মোমেন বলেন, ‘একবার আলোচনা হলো দু’দেশের জিরো পয়েন্টে ট্রাক থেকে মালামাল ওঠা-নামা করা হবে। তাতে দেখা যায়, মাত্র চার-পাঁচটি ট্রাক পরিবর্তন সম্ভব। কিন্তু তাতেও পশ্চিমবঙ্গ রাজি নয়। সবাই লকডাউন, করোনাভাইরাস নিয়ে ব্যস্ত।’

port

‘তবে বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছিল। বর্তমানে স্থলবন্দরের বিকল্প হিসেবে ভারতের সঙ্গে আমাদের চারটি পথে রেল যোগাযোগ চালু আছে। সেসব পথে এখন মালামাল আসা-যাওয়া করছে,’ বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ঠিক কবে স্থলবন্দরগুলো চালু হবে সে কথা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির যুক্তি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এখন পেট্রাপোল বা হিলির মতো স্থলবন্দরগুলো চালু করেনি। গত মাসের শেষ দিন সীমিত আকারে চালু হওয়ার তিনদিন পরই পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দরে স্থানীয়দের বাধায় মালপত্র ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আর রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচ্ছন্ন সায় ছিল।

এদিকে বাংলাদেশে মালপত্র পাঠানোর ক্ষেত্রে ‘ভারতের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা’র কথা রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে কড়া ভাষায় চিঠি লেখেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা। চিঠিতে পণ্য পরিবহনে অবিলম্বে বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দিতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তাতে এতটুকু টলেনি মমতা ব্যানার্জি ও তার সরকার।

গত ৫ মে পাঠানো ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহনে গত ২৪ এপ্রিল অনুমতি দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পণ্য পরিবহন এখনো শুরু করেনি। ফলে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়া বিপুলসংখ্যক পণ্যবাহী ট্রাক বিভিন্ন বর্ডার ক্রসিং পোস্টে আটকে রয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশে যেসব ট্রাক ও এর চালক পণ্য সরবরাহ করতে গিয়েছিলেন তারাও সীমান্তের ওপাড়ে আটকে রয়েছেন। তাদেরও ভারতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

port

এতে বাংলাদেশের প্রতি যেমন ভারতের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে তেমনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অবমাননা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার শুধু আইন লঙ্ঘন করেনি, তা ভারতের সংবিধান লঙ্ঘনেরও শামিল।

এ বিষয়ে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের অ্যাটাশে (প্রেস) দেবব্রত পাল জাগো নিউজকে বলেন, ভারত ফেডারেল রাষ্ট্র। এর রাজ্যগুলো স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখনই স্থলবন্দর খুলতে রাজি নয়। কবে নাগাদ এটি খুলবে সেটি বলাও যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আলোচনা করছে বলেও জানান তিনি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৪ মার্চ থেকে ভারতজুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করে দেশটির সরকার। এরপর চতুর্থ দফা লকডাউনে মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত করা হয়। প্রথম দফায় লকডাউন ঘোষণার পরপরই বন্ধ হয়ে যায় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সব ধরনের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য। ভারতের সঙ্গে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলসহ ১১টি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চলে। তবে বন্দরগুলো বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় পড়ে আছে। কয়েকটি বন্দরে কিছু কার্যক্রম চলছে, তাও সামান্য। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে দু’দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।

দেশের স্থলবন্দর গুলোর মধ্যে রয়েছে- বেনাপোল, হিলি, আখাউড়া, ভোমরা, সোনামসজিদ, বাংলাবান্ধা, হালুয়াঘাট, বিবিরবাজার, টেকনাফ, বুড়িমারী ও তামাবিল স্থলবন্দর। এসব বন্দর দিয়ে শুধুমাত্র ভারত থেকে ছয় কোটি ৬৭ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়ে থাকে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবির) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ শতাংশ এককভাবে ভারতের সঙ্গে হয়। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ৮৯০ কোটি ডলার। যার সিংহভাগ পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয় মাত্র ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৭৬৫ কোটি ডলার।

এসআই/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৬,৫৬,৮৪,২৫৮
আক্রান্ত

৫২,৬৩,৭১৯
মৃত

২৩,৯৩,৫০,৫৬২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৭৭,০৭০ ২৭,৯৮৯ ১৫,৪১,৮৮৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৯৯,৩৩,৭৫০ ৮,০৮,৬০৮ ৩,৯৪,৯৮,১১১
ভারত ৩,৪৬,৩২,৬১৫ ৪,৭০,৬২০ ৩,৪০,৫৩,৮৫৬
ব্রাজিল ২,২১,৩৮,২৪৭ ৬,১৫,৬০৬ ২,১৩,৫৯,৩৫২
যুক্তরাজ্য ১,০৪,২১,১০৪ ১,৪৫,৫৫১ ৯১,৮৮,১৩১
রাশিয়া ৯৭,৬৯,০১১ ২,৮০,০৭২ ৮৪,৭১,৮১৩
তুরস্ক ৮৮,৮১,৭৬০ ৭৭,৬৪৫ ৮৪,১২,৪৩৪
ফ্রান্স ৭৮,৭৫,০১২ ১,১৯,৫০৬ ৭১,৬৮,১৮৮
জার্মানি ৬১,৪৩,৮৫৬ ১,০৩,৫৩০ ৫০,৫৮,২০০
১০ ইরান ৬১,৩১,৩৫৬ ১,৩০,১২৪ ৫৯,১৬,১৯৯
১১ আর্জেন্টিনা ৫৩,৩৯,৩৮২ ১,১৬,৬৪৩ ৫২,০০,১৪১
১২ স্পেন ৫২,০২,৯৫৮ ৮৮,১৫৯ ৪৯,২৭,৩৯১
১৩ ইতালি ৫০,৯৪,০৭২ ১,৩৪,১৫২ ৪৭,৩৬,২০২
১৪ কলম্বিয়া ৫০,৭৮,৯৮৭ ১,২৮,৭৩৩ ৪৯,১৮,৬১৯
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৫৭,৪৮৯ ১,৪৩,৮৬৩ ৪১,০৫,৯৯৪
১৬ মেক্সিকো ৩৮,৯৭,৪৫২ ২,৯৪,৯০৩ ৩২,৫৩,০৬৬
১৭ পোল্যান্ড ৩৬,৪৯,০২৭ ৮৫,৬৩০ ৩১,১৬,৮৭৫
১৮ ইউক্রেন ৩৪,৯০,৮৫৫ ৮৮,০০২ ৩০,৪১,৩৮৫
১৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০,২০,৫৬৯ ৮৯,৯৬৫ ২৮,৫৫,৪৭৪
২০ ফিলিপাইন ২৮,৩৪,২৯৪ ৪৯,২৩০ ২৭,৭০,৭২৬
২১ নেদারল্যান্ডস ২৭,২৮,৮৭৬ ১৯,৬৪২ ২১,৪৭,২১০
২২ মালয়েশিয়া ২৬,৫৪,৪৭৪ ৩০,৫৭৪ ২৫,৬১,২৩২
২৩ পেরু ২২,৪১,০২৭ ২,০১,৩২৬ ১৭,২০,৬৬৫
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ২২,২৯,৭১৫ ৩৩,৫৭৬ ১৮,৯৫,৪৮৪
২৫ থাইল্যান্ড ২১,৩৬,৫৩৭ ২০,৯১৫ ২০,৪২,৬৬৬
২৬ ইরাক ২০,৮৩,৮৮৯ ২৩,৮৭৩ ২০,৪৯,১৯৪
২৭ বেলজিয়াম ১৮,২৭,৪৬৭ ২৭,১৬৭ ১৩,৫৮,২৫৭
২৮ কানাডা ১৮,০৫,০৭০ ২৯,৭৬৬ ১৭,৪৬,১৭০
২৯ রোমানিয়া ১৭,৮৫,১২০ ৫৭,০২১ ১৬,৯৯,০৮৩
৩০ চিলি ১৭,৭০,৬২০ ৩৮,৪৬৫ ১৬,৬২,৮৭৭
৩১ জাপান ১৭,২৭,৭০১ ১৮,৩৬৪ ১৭,০৮,৫০৫
৩২ ইসরায়েল ১৩,৪৫,৪৪২ ৮,১৯৯ ১৩,৩১,৯০৩
৩৩ ভিয়েতনাম ১২,৯৪,৭৭৮ ২৬,০৬১ ১০,০৭,৫৬৬
৩৪ পাকিস্তান ১২,৮৬,৪৫৩ ২৮,৭৬১ ১২,৪৫,৩৪৪
৩৫ সার্বিয়া ১২,৬২,৪১৯ ১১,৮৭৬ ১২,০৬,৫৮৬
৩৬ সুইডেন ১২,১২,১৪৫ ১৫,১৩৬ ১১,৬১,১০১
৩৭ অস্ট্রিয়া ১১,৯৩,২৮৬ ১২,৭৫৩ ১০,৬৩,৪৮৪
৩৮ পর্তুগাল ১১,৬৩,০০১ ১৮,৫১৪ ১০,৮৫,৬৫৪
৩৯ হাঙ্গেরি ১১,৩৪,৮৬৯ ৩৫,১২২ ৯,১০,৭৪৫
৪০ সুইজারল্যান্ড ১০,৩৯,৭৩০ ১১,৬১২ ৮,৬৭,৮৬০
৪১ কাজাখস্তান ৯,৭৪,৪৫৫ ১২,৭৫৪ ৯,৪০,৬৮৮
৪২ জর্ডান ৯,৭১,৪০১ ১১,৭১৫ ৮,৯৯,৫৫৫
৪৩ কিউবা ৯,৬৩,০০২ ৮,৩০৭ ৯,৫৪,০৩০
৪৪ গ্রীস ৯,৬২,৬৯৫ ১৮,৫১৬ ৮,৬৮,০২৮
৪৫ মরক্কো ৯,৫০,৫০১ ১৪,৭৮৭ ৯,৩২,৮৩৫
৪৬ জর্জিয়া ৮,৬১,৮৮৩ ১২,২৯৮ ৮,০১,৮৬৪
৪৭ নেপাল ৮,২২,৩৯২ ১১,৫৪০ ৮,০৪,১০৮
৪৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৪২,২১৪ ২,১৪৮ ৭,৩৭,১৭২
৪৯ স্লোভাকিয়া ৭,২২,১০৮ ১৪,৭৭১ ৫,৮৭,৭১৭
৫০ তিউনিশিয়া ৭,১৮,২৭৮ ২৫,৩৯৮ ৬,৯১,৫২২
৫১ বুলগেরিয়া ৭,০২,৪৫৪ ২৮,৮০৫ ৫,৭৩,১১২
৫২ লেবানন ৬,৭৭,১৪৭ ৮,৭৬৫ ৬,৩৪,৯৯৪
৫৩ বেলারুশ ৬,৬২,০৫৬ ৫,১৪৭ ৬,৫০,৫৭৭
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ৬,২৮,২৪১ ১১,১৫০ ৫,৮৫,৭৪৩
৫৫ গুয়াতেমালা ৬,১৯,৫৪২ ১৫,৯৮০ ৬,০২,৩৪৩
৫৬ আজারবাইজান ৫,৯৪,৯৯৪ ৭,৯৪৭ ৫,৬২,৭৮৬
৫৭ আয়ারল্যান্ড ৫,৮৯,০৯৪ ৫,৭০৭ ৪,৫৪,৩৬২
৫৮ কোস্টারিকা ৫,৬৭,৩৮৩ ৭,৩১২ ৫,৫২,১৫৮
৫৯ শ্রীলংকা ৫,৬৬,৯৩৬ ১৪,৪৪০ ৫,৪২,০১০
৬০ সৌদি আরব ৫,৪৯,৮৭৭ ৮,৮৪২ ৫,৩৯,০১১
৬১ বলিভিয়া ৫,৪০,৮৬৯ ১৯,২০৫ ৪,৯৫,৩৪৯
৬২ ইকুয়েডর ৫,২৬,৮৭০ ৩৩,২৫০ ৪,৪৩,৮৮০
৬৩ মায়ানমার ৫,২৪,১২২ ১৯,১৩৫ ৪,৯৯,৮০০
৬৪ ডেনমার্ক ৫,০৬,০৮৫ ২,৯৩৯ ৪,৪৩,৭৪৯
৬৫ পানামা ৪,৭৮,৫৪৩ ৭,৩৭১ ৪,৬৮,৪১৬
৬৬ লিথুনিয়া ৪,৭৮,৩১৪ ৬,৮২৫ ৪,৪৪,৩৪৬
৬৭ দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৬৭,৯০৭ ৩,৮০৯ ৪,০৫,৫৪৩
৬৮ প্যারাগুয়ে ৪,৬৩,৩১৫ ১৬,৪৭৭ ৪,৪৬,০৭৯
৬৯ ভেনেজুয়েলা ৪,৩৩,৬৬০ ৫,১৭৭ ৪,২০,৯৮৭
৭০ ফিলিস্তিন ৪,৩১,৫৮৮ ৪,৫৪৬ ৪,২৩,৭৭৭
৭১ স্লোভেনিয়া ৪,২৮,৯৪৫ ৫,২৯০ ৩,৯৩,১৮০
৭২ কুয়েত ৪,১৩,৪৬৪ ২,৪৬৫ ৪,১০,৭০১
৭৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪,০৮,২৪৫ ৪,২১২ ৪,০১,৭১৬
৭৪ উরুগুয়ে ৪,০০,৮২১ ৬,১৩২ ৩,৯২,৩৮৮
৭৫ মঙ্গোলিয়া ৩,৮৩,২১৬ ২,০১৩ ৩,১৩,২৫৬
৭৬ হন্ডুরাস ৩,৭৮,২৫১ ১০,৪১৩ ১,২২,০৩৯
৭৭ লিবিয়া ৩,৭৪,২৮০ ৫,৪৮০ ৩,৫২,৪১৬
৭৮ ইথিওপিয়া ৩,৭২,০৯০ ৬,৭৯৪ ৩,৪৯,৫৫৭
৭৯ মলদোভা ৩,৬৬,১৬২ ৯,২০৮ ৩,৬৩,৭৭৪
৮০ মিসর ৩,৬২,২৬০ ২০,৬৮২ ৩,০০,৪৩৭
৮১ আর্মেনিয়া ৩,৪০,৩৯৬ ৭,৬৬৯ ৩,২০,৪৩৯
৮২ ওমান ৩,০৪,৫৮১ ৪,১১৩ ৩,০০,০২১
৮৩ নরওয়ে ২,৮২,৯১৮ ১,০৯৩ ৮৮,৯৫২
৮৪ বাহরাইন ২,৭৭,৮০৩ ১,৩৯৪ ২,৭৬,০৯৬
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৭৭,২২৮ ১২,৬৮৭ ১৩,৪৯,৯৫৬
৮৬ সিঙ্গাপুর ২,৬৮,৬৫৯ ৭৪৬ ২,৫৮,০৩৮
৮৭ লাটভিয়া ২,৫৬,৮৫২ ৪,২৬১ ২,৪১,০৮৬
৮৮ কেনিয়া ২,৫৫,৪০৮ ৫,৩৩৫ ২,৪৮,৪০৪
৮৯ কাতার ২,৪৪,০৭১ ৬১১ ২,৪১,৩৪০
৯০ এস্তোনিয়া ২,২৪,৬৫৪ ১,৮১৫ ২,০৭,৪৫১
৯১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১৭,০২৫ ৭,৬৩১ ২,০৩,৩২৫
৯২ অস্ট্রেলিয়া ২,১৬,৫৮৭ ২,০৪২ ১,৯৬,৮৫৬
৯৩ নাইজেরিয়া ২,১৪,৫৬৭ ২,৯৮০ ২,০৭,৪২৭
৯৪ আলজেরিয়া ২,১১,২৯৭ ৬,০৯৬ ১,৪৫,০৫৪
৯৫ জাম্বিয়া ২,১০,২৯৪ ৩,৬৬৭ ২,০৬,৪৫৪
৯৬ আলবেনিয়া ২,০১,৪০২ ৩,১০৯ ১,৯১,৮৫৫
৯৭ বতসোয়ানা ১,৯৫,৩০২ ২,৪১৯ ১,৯২,৪৫২
৯৮ উজবেকিস্তান ১,৯৪,১০৫ ১,৪১৬ ১,৯০,৭০৪
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৯১,২২৬ ১,৩৬০ ৪৬,০০০
১০০ কিরগিজস্তান ১,৮৩,৫৭৩ ২,৭৫৭ ১,৭৮,৫৫০
১০১ মন্টিনিগ্রো ১,৫৮,২৮৩ ২,৩২৪ ১,৫৩,৭৫৮
১০২ আফগানিস্তান ১,৫৭,৪৩১ ৭,৩৬৫ ১,৪০,৬১৭
১০৩ মোজাম্বিক ১,৫১,৮৬৮ ১,৯৪১ ১,৫১,৩৮২
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩৭,৪৪১ ৪,৭০৮ ১,২৮,৮৪৭
১০৫ সাইপ্রাস ১,৩৬,৫২৫ ৬০১ ১,২৪,৩৭০
১০৬ ঘানা ১,৩০,৯২০ ১,২০৯ ১,২৯,০৪২
১০৭ নামিবিয়া ১,২৯,৫০৮ ৩,৫৭৩ ১,২৫,৫০৬
১০৮ উগান্ডা ১,২৭,৬১৬ ৩,২৫৪ ৯৭,৮৪৭
১০৯ কম্বোডিয়া ১,২০,২৩২ ২,৯৫৬ ১,১৬,৫৮৮
১১০ এল সালভাদর ১,১৯,৮০৩ ৩,৭৮১ ১,০২,৯৮২
১১১ ক্যামেরুন ১,০৭,১৪৮ ১,৮০৪ ১,০২,৭১৬
১১২ রুয়ান্ডা ১,০০,৪০৪ ১,৩৪৩ ৪৫,৫২২
১১৩ চীন ৯৯,০৮৩ ৪,৬৩৬ ৯৩,৪৩৪
১১৪ মালদ্বীপ ৯২,০৯৫ ২৫৩ ৯০,১০৩
১১৫ জ্যামাইকা ৯১,৪২১ ২,৪০৭ ৬২,৮২৪
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৯০,৭৭৪ ৮৮০ ৮৪,৮৩৪
১১৭ লাওস ৭৮,৪৬৯ ২০১ ৭,৩৩৯
১১৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭৪,৫৩৩ ২,২৩৬ ৬০,২০২
১১৯ সেনেগাল ৭৪,০১৩ ১,৮৮৬ ৭২,১০১
১২০ অ্যাঙ্গোলা ৬৫,২৪৪ ১,৭৩৫ ৬৩,২৯৮
১২১ মালাউই ৬১,৯৬৬ ২,৩০৭ ৫৮,৮১৬
১২২ আইভরি কোস্ট ৬১,৮১৭ ৭০৫ ৬০,৮৪৪
১২৩ রিইউনিয়ন ৬১,১৮৮ ৩৮৪ ৫৭,৭৮১
১২৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৮,৩১৯ ১,১০৭ ৫০,৯৩০
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৫৫,২৮৪ ৭৪৮ ২,২৫০
১২৬ ফিজি ৫২,৫৪৩ ৬৯৭ ৫১,১১৬
১২৭ সুরিনাম ৫০,৯৬০ ১,১৭০ ২৯,৫৭৬
১২৮ সিরিয়া ৪৮,৫৩৮ ২,৭৭২ ২৯,৬২৪
১২৯ ইসওয়াতিনি ৪৭,৩৬৮ ১,২৪৮ ৪৫,২৬৩
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৬,৩২৩ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৬,১৪২ ৩২৮ ১১,২৫৪
১৩২ মার্টিনিক ৪৫,৫০১ ৭১৮ ১০৪
১৩৩ মাদাগাস্কার ৪৪,৮০০ ৯৭২ ৪৩,১১৯
১৩৪ সুদান ৪৩,৪৮৯ ৩,১৬৪ ৩৫,৪৯১
১৩৫ মালটা ৩৯,৮৬৫ ৪৬৮ ৩৭,৬৩৮
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৯,৫১০ ৮৩৮ ৩৭,৮২৮
১৩৭ কেপ ভার্দে ৩৮,৪৩৯ ৩৫১ ৩৭,৯৬৮
১৩৮ গায়ানা ৩৮,১১৮ ১,০০৪ ৩৬,১৭০
১৩৯ গ্যাবন ৩৭,৪৭৭ ২৮০ ৩৩,০৯৪
১৪০ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৫,৩৯০ ৫৫০ ৩৪,৩২২
১৪১ গিনি ৩০,৭৭০ ৩৮৭ ২৯,৭২৫
১৪২ বেলিজ ৩০,৬৮০ ৫৭৯ ২৮,৯৭৯
১৪৩ টোগো ২৬,২৯১ ২৪৩ ২৫,৯২১
১৪৪ তানজানিয়া ২৬,২৭০ ৭৩০ ১৮৩
১৪৫ বার্বাডোস ২৫,৯৬৪ ২৩৪ ২৩,২৫৩
১৪৬ হাইতি ২৫,৫১০ ৭৪৭ ২১,৬৪৪
১৪৭ বেনিন ২৪,৮৬৩ ১৬১ ২৪,৫৪৬
১৪৮ সিসিলি ২৩,৫৩৭ ১২৭ ২২,৯১২
১৪৯ সোমালিয়া ২৩,০৫১ ১,৩৩১ ১২,৩২৫
১৫০ বাহামা ২২,৮২৫ ৬৯৫ ২১,৬১৫
১৫১ মরিশাস ২১,৯৭৩ ৪৫৫ ২০,১৬৪
১৫২ লেসোথো ২১,৮৩৮ ৬৬৩ ১৩,৭৪১
১৫৩ মায়োত্তে ২১,০০৩ ১৮৫ ২,৯৬৪
১৫৪ বুরুন্ডি ২০,৪৩৯ ৩৮ ৭৭৩
১৫৫ পূর্ব তিমুর ১৯,৮২৮ ১২২ ১৯,৭০০
১৫৬ কঙ্গো ১৮,৯৭০ ৩৫৪ ১২,৪২১
১৫৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১৮,৮৯৩ ১০৪ ১৬,৪৫৯
১৫৮ আইসল্যান্ড ১৮,৩৩৩ ৩৫ ১৬,৭২১
১৫৯ এনডোরা ১৮,০১০ ১৩২ ১৬,১৬২
১৬০ মালি ১৭,৮১২ ৬১৭ ১৫,২২৩
১৬১ কিউরাসাও ১৭,৪৭০ ১৭৯ ১৭,১৯০
১৬২ নিকারাগুয়া ১৭,২৫৪ ২১০ ৪,২২৫
১৬৩ তাজিকিস্তান ১৭,০৯৫ ১২৪ ১৬,৯৬৬
১৬৪ তাইওয়ান ১৬,৬৪৮ ৮৪৮ ১৫,৬৩৯
১৬৫ আরুবা ১৬,৪৩২ ১৭৪ ১৬,০৭৪
১৬৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১৬,০০০ ২৮৬ ১৫,৩৪৫
১৬৭ ব্রুনাই ১৫,১৬৪ ৯৮ ১৪,৭১৮
১৬৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৩,৫৯৯ ১৭৫ ১৩,৩৪৬
১৬৯ জিবুতি ১৩,৫০৮ ১৮৭ ১৩,২৯৪
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১৩,০২৭ ২৮২ ১২,৬৩৬
১৭১ দক্ষিণ সুদান ১২,৭৫৮ ১৩৩ ১২,৪৬৩
১৭২ হংকং ১২,৪৫৩ ২১৩ ১২,১৪৮
১৭৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২,২৪৩ ২৭৮ ১১,৭০৪
১৭৪ নিউজিল্যান্ড ১২,০৮৭ ৪৪ ৫,৭৭৩
১৭৫ আইল অফ ম্যান ১১,৮৬১ ৬৬ ১০,৮৮১
১৭৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৭৪২ ১০১ ৬,৮৫৯
১৭৭ ইয়েমেন ১০,০২১ ১,৯৫৩ ৬,৯০৪
১৭৮ গাম্বিয়া ৯,৯৯২ ৩৪২ ৯,৬৪০
১৭৯ কেম্যান আইল্যান্ড ৭,৫২৯ ৩,৫৭০
১৮০ ইরিত্রিয়া ৭,৪৫৮ ৬১ ৭,২৪০
১৮১ জিব্রাল্টার ৭,৩৬০ ৯৯ ৬,৯০২
১৮২ নাইজার ৭,০৬১ ২৬১ ৬,৬৯৩
১৮৩ গিনি বিসাউ ৬,৪৪৪ ১৪৯ ৬,২৭৫
১৮৪ সিয়েরা লিওন ৬,৪০২ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮৫ ডোমিনিকা ৬,১২০ ৩৯ ৫,৭১২
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৯৭৯ ৯৩ ৫,৬১০
১৮৭ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৭ ৫,৫২৩
১৮৮ গ্রেনাডা ৫,৯০৭ ২০০ ৫,৬৩২
১৮৯ বারমুডা ৫,৭৫১ ১০৬ ৫,৬১৫
১৯০ চাদ ৫,৭০১ ১৮১ ৪,৮৭৪
১৯১ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫,৫৭৯ ৭৪ ৫,০৭৭
১৯২ লিচেনস্টেইন ৪,৮৪৮ ৬২ ৪,৩৫৭
১৯৩ সিন্ট মার্টেন ৪,৫৯৮ ৭৫ ৪,৫০৪
১৯৪ কমোরস ৪,৫২৮ ১৫০ ৪,৩০৯
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৪,১৪৭ ১১৭ ৪,০১৯
১৯৬ সেন্ট মার্টিন ৩,৯৭৩ ৫৬ ১,৩৯৯
১৯৭ মোনাকো ৩,৮৭৯ ৩৬ ৩,৬৯১
১৯৮ ফারে আইল্যান্ড ৩,৭৯৬ ১৩ ৩,২৬৩
১৯৯ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৩,১০৩ ২৫ ৩,০৪৯
২০০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩,০২৬ ২২ ৬,৪৪৫
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৮০৯ ৩৮ ২,৬৪৯
২০২ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৭৮৯ ২৮ ২,৭৪৯
২০৩ ভুটান ২,৬৪১ ২,৬২৫
২০৪ সেন্ট বারথেলিমি ১,৬০৩ ৪৬২
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১,৫৮২ ১,২৬১
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ১,৪১৪ ১,৩২৩
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৮৩ ৬৮
২১০ ম্যাকাও ৭৭ ৭৭
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৫৯ ৩২
২১২ মন্টসেরাট ৪৪ ৪৩
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
২২২ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]