যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না যদি পারে, তাহলে আমরা পারব না কেন?

প্রদীপ দাস
প্রদীপ দাস প্রদীপ দাস , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৪ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২০

করোনা মহামারি থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে আশাজাগানিয়া খবর দিয়েছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড’। প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা করোনার টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের দাবি করেছে। প্রাথমিকভাবে তারা প্রাণীর দেহে এই টিকা প্রয়োগ করে সফলতা পেয়েছে। তবে এখনই তারা মানবদেহে পরীক্ষা চালাতে পারবে না। মানবদেহে প্রয়োগের আগে বিধিবিধান মেনে বড় পরিসরে প্রাণীর দেহে টিকার প্রয়োগ করতে হবে। সেটার কাজ ইতোমধ্যে শুরু করেছে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তারা সেটা করবেন। সেখানে সফল হলে তারা মানবদেহে টিকা প্রয়োগের অনুমতি পাবেন।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগে এই টিকার উদ্ভাবন কাজ শুরু হয় গত ৮ মার্চ। এই বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন ড. আসিফ মাহমুদ। টিকা আবিষ্কার করা গবেষক দলের সদস্যও তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তিনিই সংবাদ সম্মেলনে তাদের উদ্ভাবিত টিকার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

আসিফ মাহমুদের জন্ম গাজীপুরে। দাদা বাড়িতে জন্মের কয়েক বছর পর সরকারি চাকরি করা বাবা বদলি হয়ে পরিবার নিয়ে চলে যান চট্টগ্রামে। সেখানে আসিফ মাহমুদের প্রায় সাত বছর কাটে। তারপর নারায়ণগঞ্জে, সেখানে কাটে প্রায় তিন বছর। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে চলে আসেন ঢাকায়। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে এসএসসি সম্পন্ন করেন। নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর বৃত্তি নিয়ে চলে যান জাপানে। সেখানে তিনি আবারও স্নাতকোত্তর করেন অ্যাপ্লাইড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে। মেটাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর করেন পিএইচডি। দেশে ফেরার বাধ্যবাধকতা থাকায় পিএইচডি শেষে ২০১৩ সালের এপ্রিলে দেশে ফেরেন তিনি।

দেশে ফিরে যোগ দেন বেসরকারি প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দুই বছর ৮ মাস শিক্ষকতা করেন। শিক্ষকতা করা অবস্থায় গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আরএনডি) বিভাগের সার্কুলার দেখে খুব আগ্রহী হন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে সেখানে যোগ দেন। এখন তিনি প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত।

ashif-mahmud-05.jpg

করোনার টিকা আবিষ্কারের বিষয়ে জাগো নিউজের সাথে কথা হয় ড. আসিফ মাহমুদের। টিকা আবিষ্কারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।

জাগো নিউজ : করোনার টিকা আবিষ্কারে গবেষণার শুরুর দিককার কথা যদি বলতেন…

আসিফ মাহমুদ : গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড একটা বায়ো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। আমরা বায়োলজিক্যাল ড্রাগ নিয়ে কাজ করি। করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের ফোকাসটা এদিকে নিয়ে আসি।

আমাদের কোম্পানির সিইও (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) ড. কাকন নাগ এবং সিওও (চিফ অপারেটিং অফিসার) ড. নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে আমরা ৮ মার্চ কাজ শুরু করি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ থেকে। গত ১৪ মার্চ সিইও ও সিওও কানাডায় যান ১৫ দিনের জন্য। তারা যেহেতু কানাডার নাগরিক, প্রতি বছর একটা সময় যেতে হয় কিছু প্রয়োজনে। ৩১ মার্চ ফেরার কথা থাকলেও করোনার কারণে ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। সেজন্য তারা এখনও আসতে পারেননি। তারা সেখান থেকেই নেতৃত্ব দিতে থাকেন অনলাইনে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো প্রসেস, ভেরিফিকেশন, কিউসি, প্রি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাই। অবশেষে আমাদের কাজ অ্যানিমেল (প্রাণী) ট্রায়ালের জন্য জমা হয়।

জাগো নিউজ : প্রিলিমিনারি (প্রাথমিক) ট্রায়াল কয়টি খরগোশের ওপর করেছেন?

আসিফ মাহমুদ : প্রিলিমিনারি ট্রায়ালে আমরা পাঁচটা খরগোশ ব্যবহার করেছি। কারণ আমরা তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট ট্রায়ালের চেষ্টা করেছি। সেক্ষেত্রে একটা কন্ট্রোল, একটা পসিবল আর তিনটা আমাদের ক্যান্ডিডেট ভ্যাকসিন দিয়ে ইমুনাইজেশন (রোগ প্রতিরোধ) করা হয়েছে।

জাগো নিউজ : প্রিলিমিনারি ট্রায়ালের জায়গা কোথায় ছিল?

আসিফ মাহমুদ : আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগেই করা হয়েছে। খরগোশগুলো আমাদের এখানেই আছে। করোনার কারণে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গবেষণাকেন্দ্রে যেতে পারিনি। যখনই আমাদের ভ্যাকসিন টার্গেট রেডি হয়েছে, আমরা আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগে প্রয়োগ করেছি।

ashif-mahmud-05.jpg

জাগো নিউজ : মানবদেহে কবে নাগাদ এই টিকা প্রয়োগের আশা রাখেন?

আসিফ মাহমুদ : আমরা প্রিলিমিনারি ট্রায়াল করেছি। এই প্রিলিমিনারি ট্রায়াল দিয়ে কিন্তু হিউম্যান বডিতে (মানবদেহে) ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা যাবে না। এখন রেগুলেটেড অ্যানিমেল ট্রায়াল (বিধিবিধান মেনে প্রাণীর দেহে টিকা প্রয়োগ) করতে হবে। সেখানে আমাদের তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের টার্গেটের সাথে আরও তিনটা টার্গেট যোগ হবে। স্যাম্পল সংখ্যাও আমাদের বাড়াতে হবে। সেই ট্রায়ালের জন্য আমরা ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় নিয়েছি। এর মধ্যে আমরা রেগুলেটেড ট্রায়ালটা শেষ করব। এরপর আমরা মানবদেহে ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) কাছে প্রটোকল সাবমিট (জমা) করব।

জাগো নিউজ : তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের সাথে আর কী কী যুক্ত হবে?

আসিফ মাহমুদ : আমরা আসলে চারটা টার্গেট নিয়ে কাজ করছিলাম। চারটা টার্গেট আমরা তিনটা ডিফারেন্ট ডেলিভারি মেথডে ব্যবহার করব। আমাদের মোট ক্যান্ডিডেট হচ্ছে ১২টা। এর মধ্যে তিনটা ক্যান্ডিডেটের ডাটা শো করেছি। বাকি ডাটাগুলো পর্যায়ক্রমে পাবলিকেশন করব। তারপর আমরা সামনে এগোব।

জাগো নিউজ : মানবদেহে প্রয়োগের আগে প্রটোকল মেনে বড় পরিসরে প্রাণীর দেহে টিকার প্রয়োগ করবেন। সেটার প্রস্তুতি সম্পর্কে যদি বলতেন…

আসিফ মাহমুদ : সেটার প্রটোকল আমাদের রেডি করা আছে। কিছু প্রস্তুতিও আছে, অ্যানিমেল মডেলে ট্রাই করতে হলে তাদের কিছুটা আইসোলেশনে রাখতে হয়, সিলেকশন করতে হয়– এই প্রসেসগুলো আমরা চালাচ্ছি। এগুলো আমাদের রূপগঞ্জ অ্যানিমেল ফ্যাসিলিটিতেই হবে। রেগুলেটেড অ্যানিমেল ট্রায়াল আমরা রেগুলেটড পন্থাতেই করব।

জাগো নিউজ : এখন কোন প্রাণীর দেহে করতে চান?

আসিফ মাহমুদ : এটা আমরা করব মাউস (ছোট ইঁদুর) অ্যান্ড র‌্যাট (বড় ইঁদুর)-এর ওপর। যেকোনো একটা সুইটেবল মেডেল বেছে নেব। সেটাতে করা হবে।

জাগো নিউজ : কতগুলো প্রাণীর ওপর ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরিকল্পনা আছে কিংবা রেগুলেটরি সমর্থন করে?

আসিফ মাহমুদ : এটা আসলে গাইডলাইনের ওপর নির্ভর করে। পরীক্ষামূলক নকশা আমরা অবশ্যই করেছি। এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলাটা সম্ভব নয়।

জাগো নিউজ : প্রতিবন্ধকতার শিকার না হলে আগামী ডিসেম্বরে টিকা বাজারে আনার কথা বলছেন। কিন্তু অনেকে বলছেন, ৬ মাসে টিকা বাজারে আনা অবাস্তব?

আসিফ মাহমুদ : যারা বলেছেন, তারা তো আমার সামনে বলেননি। দেড় বছরে তারা করেছে কি-না, জানি না। যদি তারা করে থাকে, তাহলে বলতে পারে দেড় বছর লেগেছে। আমি বিশ্বব্যাপী যা দেখতে পাচ্ছি, যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ৬৯ দিনে ভ্যাকসিন ডেভেলপ করেছে। তারা কিন্তু এখন ফেজ-২ ট্রায়ালে আছে। তারা বলছে, ডিসেম্বরের শেষের দিকে তারা বাজারে আসবে। ওরা যদি ফেব্রুয়ারিতে শুরু করে ডিসেম্বরে বাজারে আসতে পারে, তাহলে আমরা পারব না কেন?

ashif-mahmud-05.jpg

ছয় থেকে আট সপ্তাহ মানে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অ্যানিমেল ট্রায়াল শেষ করে ফেলব। তারপর আমরা যখন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল সাবমিশন করব, তখন কিন্তু আমাদের আর তেমন কোনো দায়িত্ব নেই। তখন দায়িত্ব হলো বিএমআরসি’র। তারা আমাদের প্রটোকল অনুমোদন করবে, মূল্যায়ন করবে। এখন সেখানে যদি তাদের সময় লেগে যায়, সেটা কিন্তু কন্ট্রোল করতে পারব না। সেটা আমাদের আয়ত্বের বাইরে। তারপর তারা অনুমোদন দিলে আমাদের পক্ষ হয়ে তৃতীয়পক্ষ মানবদেহে প্রয়োগ করবে। ওই সময় যদি সুইটেবল সিআরও (তৃতীয়পক্ষ) না পাওয়া যায় এবং তাদের যদি সময় বেশি লেগে যায়, তাহলে কিন্তু আমরা কিছু করতে পারব না।

একইভাবে এই ধাপগুলো পার হওয়ার পর আমরা যখন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে যাব, মার্কেট অথোরাইজেশনের (বাণিজ্যিকীকরণ) জন্য, সেখানেও যদি সময় লেগে যায়, সেখানেও কিন্তু আমরা কিছু করতে পারব না। সবকিছু যদি স্মুথলি চলে, আমরা আশা করছি, হিউম্যান ট্রায়ালের ফেজ-১, ফেজ-২ ও ফেজ-৩— এই তিনটা তিন মাসে শেষ করতে পারব।

জাগো নিউজ : টিকা উদ্ভাবনের কাজ করতে গিয়ে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছেন কি-না?

আসিফ মাহমুদ : অবশ্যই প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছি। সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছি, সেটা হলো, আমরা বড় ধরনের রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট করেছি। এই রিসার্চের জন্য যে র-মেটেরিয়ালগুলো, রি-এজেন্ট, সেগুলোর বেশিরভাগই কোর-চেইন মেইনটেইন করে আসতে হয়। আমাদের দেশের কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স, র-মেটেরিয়ালগুলোর সহজলভ্যতা– এগুলোতে আমাদের প্রধান সময়টা লেগে গেছে। বিদেশে যখন কাজ করেছি, তখন দেখেছি, আজ অর্ডার দিলে কালকে ল্যাবে চলে আসত। কিন্তু এখানে কোনো একটা জিনিস আনার পরিকল্পনা করলে সেটা হাতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে খুব দ্রুত হলেও এক মাস লেগে যায়। এটা রিসার্চ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু এগুলো বিবেচনায় রেখেই আমরা কাজ করছি।

জাগো নিউজ : ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে কী প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে মনে করছেন?

আসিফ মাহমুদ : আমাদের তরফ থেকে সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পাচ্ছি না। কারণ, আমরা যে টেকনোলজি ব্যবহার করে ভ্যাকসিন ডেভেলপ করেছি, সেই টেকনোলজির সাথে আমরা খুব ভালোভাবে পরিচিত। কারণ, একই টেকনোলজি ব্যবহার করে আমরা বায়োলজিকস ডেভেলপ করি। তো এটা আমাদের কাছে খুবই পরিচিত ব্যাপার। সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো চ্যালেঞ্জ নাই।

কিন্তু যেহেতু দেশে প্রথমবারের মতো আমরা একটা জিনিস তৈরি করেছি, সেটার রেগুলেটরি গাইডলাইন ফলো করে মার্কেটে আসার কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকবে। সেগুলো আমরা সময়মতো যদি সমাধান করতে পারি, তাহলে সময়মতো ভ্যাকসিন দেশের মানুষ পাবে।

ashif-mahmud-05.jpg

জাগো নিউজ : আপনারা তো বাংলাদেশের করোনার জিনোম সিকোয়েন্স দেখেছেন। অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের করোনা কতটা মারাত্মক?

আসিফ মাহমুদ : এ ব্যাপারে আমরা কোনো রিসার্চ করিনি। আমি মনে করি, এটার জন্য বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন। আমাদের দেশে সিকোয়েন্স জমা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে করছে কি-না, তা জানি না। আমার ধারণা, একটা সুনির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে সিকোয়েন্সিংগুলো করা হলে আরেকটু বড় পরিসরে, হয়তো-বা এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেত। এই মুহূর্তে আমার কাছে এর উত্তর নাই।

জাগো নিউজ : আপনাদের উদ্ভাবিত টিকার আশার দিকটা কী?

আসিফ মাহমুদ : আমরা বাংলাদেশে প্রথম এই ধরনের একটা জিনিস তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আমরা কিন্তু টিকার কোম্পানি না। তারপরও বিশ্বের নেতৃত্বে যেসব টিকা কোম্পানি আছে, তারা কিন্তু একটা ক্যান্ডিডেট নিয়ে কাজ করছে। তাদের ডেলিভারি ম্যাকানিজমও একটা। আমাদের সফলতা যেন নিশ্চিত হয়, সেজন্য আমরা মাল্টিপল টার্গেট সেট করেছি। মাল্টিপল ডেলিভারি মেথডও রেখেছি। যাতে কোনোভাবেই ব্যর্থ না হই। আমাদের আত্মবিশ্বাসের জায়গাটা সেখানেই যে, কোনো না কোনো একটা মেথড অবশ্যই কাজ করবে। যদি আমেরিকার মডার্না সফল হয়, তাহলে আমরাও অবশ্যই সফল হব।

জাগো নিউজ : দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করে কী বলতে চান?

আসিফ মাহমুদ : দেশের মানুষের জন্যই টিকাটা করা। টিকা হয়তো এ বছরের শেষে কিংবা সামনের বছরের শুরুতে বাজারে আনার অনুমোদন অবশ্যই পাব। উন্নত বিশ্বে তৈরি হওয়া টিকা আমাদের দেশ পর্যন্ত আসতে অনেক সময় লাগবে। সেই সময় পর্যন্ত আমরা বসে থাকতে চাই না। টিকা আমরা নিজেদের দেশেই তৈরি করতে চাই। যাতে আমরা দেশের ১৬ কোটি মানুষকে টিকা দিতে পারি। এজন্যই আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

পিডি/এমএআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২,১৪,১০,৫১১
আক্রান্ত

৭,৬৪,৪০২
মৃত

১,৪১,৯০,৯৪৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৭৪,৫২৫ ৩,৬২৫ ১,৫৭,৬৩৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫৪,৭৮,০৩৮ ১,৭১,৫৬৯ ২৮,৭৬,০৯২
ব্রাজিল ৩২,৭৮,৮৯৫ ১,০৬,৫৭১ ২৩,৮৪,৩০২
ভারত ২৫,৪৫,০৬২ ৪৯,৩২৩ ১৮,২৪,৯৪০
রাশিয়া ৯,১৭,৮৮৪ ১৫,৬১৭ ৭,২৯,৪১১
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৭৯,১৪০ ১১,৫৫৬ ৪,৬১,৭৩৪
পেরু ৫,১৬,২৯৬ ২৫,৮৫৬ ৩,৫৪,২৩২
মেক্সিকো ৫,১১,৩৬৯ ৫৫,৯০৮ ৩,৪৫,৬৫৩
কলম্বিয়া ৪,৪৫,১১১ ১৪,৪৯২ ২,৬১,২৯৬
১০ চিলি ৩,৮২,১১১ ১০,৩৪০ ৩,৫৫,০৩৭
১১ স্পেন ৩,৭৯,৭৯৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,৪১,০৭০ ১৯,৪৯২ ২,৯৫,৬৩০
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৬,৩৬৭ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৯৭,৩১৫ ৩,৩৬৯ ২,৬৪,৪৮৭
১৫ পাকিস্তান ২,৮৮,০৪৭ ৬,১৬২ ২,৬৫,৬২৪
১৬ আর্জেন্টিনা ২,৮২,৪৩৭ ৫,৫২৭ ১,৯৯,০০৫
১৭ ইতালি ২,৫২,৮০৯ ৩৫,২৩৪ ২,০৩,৩২৬
১৮ তুরস্ক ২,৪৬,৮৬১ ৫,৯৩৪ ২,২৮,৯৮০
১৯ জার্মানি ২,২৩,৭৮০ ৯,২৮৯ ২,০২,৫৫০
২০ ফ্রান্স ২,১২,২১১ ৩১,০১৭ ৮৩,৮৪৮
২১ ইরাক ১,৭২,৫৮৩ ৫,৭৮৫ ১,২২,৭০০
২২ ফিলিপাইন ১,৫৭,৯১৮ ২,৬০০ ৭২,২০৯
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,৩৭,৪৬৮ ৬,০৭১ ৯১,৩২১
২৪ কানাডা ১,২১,৬৫২ ৯,০২০ ১,০৭,৯৪২
২৫ কাতার ১,১৪,৮০৯ ১৯২ ১,১১,৫০৫
২৬ কাজাখস্তান ১,০২,২৮৭ ১,২৬৯ ৮০,৭১৬
২৭ ইকুয়েডর ৯৯,৪০৯ ৬,০৩০ ৭৯,১৭৬
২৮ বলিভিয়া ৯৭,৯৫০ ৩,৯৩৯ ৩৪,৭২৩
২৯ মিসর ৯৬,২২০ ৫,১২৪ ৫৭,৮৫৮
৩০ ইসরায়েল ৯১,০৮০ ৬৬৫ ৬৬,৯৬৫
৩১ ইউক্রেন ৮৯,৭১৯ ২,০৪৪ ৪৭,৪৩০
৩২ চীন ৮৪,৮০৮ ৪,৬৩৪ ৭৯,৫১৯
৩৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৮৪,৪৮৮ ১,৪০৯ ৪৯,৫৩৯
৩৪ সুইডেন ৮৪,২৯৪ ৫,৭৮৩ ৪,৯৭১
৩৫ ওমান ৮২,৯২৪ ৫৬২ ৭৭,৫৫০
৩৬ পানামা ৭৯,৪০২ ১,৭৩৪ ৫২,৮৮৬
৩৭ বেলজিয়াম ৭৭,১১৩ ৯,৯২৪ ১৭,৯৪১
৩৮ কুয়েত ৭৫,১৮৫ ৪৯৪ ৬৬,৭৪০
৩৯ রোমানিয়া ৬৯,৩৭৪ ২,৯৫৪ ৩২,৩৩৪
৪০ বেলারুশ ৬৯,৩০৮ ৬০৩ ৬৬,৪৫২
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬৪,১০২ ৩৬১ ৫৭,৫৭১
৪২ নেদারল্যান্ডস ৬২,৪৯৫ ৬,১৬৯ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৬১,৪২৮ ২,৩৪১ ৪৯,৩৫৫
৪৪ পোল্যান্ড ৫৬,০৯০ ১,৮৬৯ ৩৮,৮৫৩
৪৫ সিঙ্গাপুর ৫৫,৬৬১ ২৭ ৫১,০৪৯
৪৬ পর্তুগাল ৫৩,৯৮১ ১,৭৭৫ ৩৯,৫৮৫
৪৭ জাপান ৫২,২১৭ ১,০৭৩ ৩৭,৪৭৯
৪৮ হন্ডুরাস ৪৯,৪৬৭ ১,৫৪৮ ৭,১২৮
৪৯ নাইজেরিয়া ৪৮,৪৪৫ ৯৭৩ ৩৫,৯৯৮
৫০ বাহরাইন ৪৬,০৫২ ১৬৯ ৪২,৪৬৯
৫১ ঘানা ৪২,২১০ ২৩১ ৪০,১৪৭
৫২ কিরগিজস্তান ৪১,৬৪৫ ১,৪৯৩ ৩৩,৯৫১
৫৩ আর্মেনিয়া ৪১,৪৯৫ ৮১৭ ৩৪,৪৮৪
৫৪ মরক্কো ৩৯,২৪১ ৬১১ ২৭,৬৪৪
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৭,৯২৪ ১,৯৯১ ৩২,৯০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৭,৬৬৪ ১,৩৫১ ২৬,৩০৮
৫৭ আফগানিস্তান ৩৭,৫৫০ ১,৩৬৯ ২৭,১৬৬
৫৮ আজারবাইজান ৩৪,১০৭ ৫০৬ ৩১,৬৯৭
৫৯ উজবেকিস্তান ৩৪,০১৭ ২২১ ২৮,৬৬১
৬০ ভেনেজুয়েলা ৩১,৩৮১ ২৬৬ ২১,৫৮০
৬১ মলদোভা ২৯,৯০৫ ৮৯৫ ২০,৯০৮
৬২ কেনিয়া ২৯,৮৪৯ ৪৬৫ ১৫,৯৭০
৬৩ সার্বিয়া ২৯,৪৭১ ৬৭০ ২৬,৪৪০
৬৪ ইথিওপিয়া ২৭,২৪২ ৪৯২ ১১,৬৬০
৬৫ আয়ারল্যান্ড ২৬,৯৯৫ ১,৭৭৪ ২৩,৩৬৪
৬৬ কোস্টারিকা ২৬,৯৩১ ২৮১ ৮,৭৮৫
৬৭ নেপাল ২৬,০১৯ ১০২ ১৭,২০১
৬৮ অস্ট্রিয়া ২৩,১৭৯ ৭২৮ ২০,৬২৭
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২৩,০৩৫ ৩৭৯ ১৩,৬৩৪
৭০ এল সালভাদর ২২,৬১৯ ৬০৩ ১০,৬১৮
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৯,৬৯৩ ৩৯৪ ১৩,৭৩১
৭২ ক্যামেরুন ১৮,৪৬৯ ৪০১ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৯৩৫ ১০৮ ১৩,৭২১
৭৪ ফিলিস্তিন ১৬,১৫৩ ১০৮ ৯,৩৮৮
৭৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৫,৮০১ ৪৭১ ৯,৬১৯
৭৬ ডেনমার্ক ১৫,৪৮৩ ৬২১ ১৩,২৭৫
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ১৫,০৩৯ ৩০৫ ১৩,৯০১
৭৮ বুলগেরিয়া ১৪,২৪৩ ৪৯২ ৯,১১৪
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,৭২৪ ১৬৬ ১২,২৩২
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১২,৫১৫ ৫৩৫ ৯,০৩০
৮১ সুদান ১২,২১১ ৭৯৬ ৬,৩৪০
৮২ সেনেগাল ১২,০৩২ ২৫১ ৭,৬৩৭
৮৩ নরওয়ে ৯,৯৩৪ ২৬১ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৬০৫ ২৩৮ ৮,৫১২
৮৫ জাম্বিয়া ৯,১৮৬ ২৬০ ৮,০৬৫
৮৬ মালয়েশিয়া ৯,১৭৫ ১২৫ ৮,৮৩১
৮৭ প্যারাগুয়ে ৯,০২২ ১০৮ ৫,৬৫৭
৮৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,৫৪৯ ৫৩ ৭,৮৪১
৮৯ গিনি ৮,২৬০ ৫০ ৭,১৭৭
৯০ গ্যাবন ৮,২২৫ ৫১ ৬,২৭৭
৯১ লেবানন ৮,০৪৫ ৯৪ ২,৫৫১
৯২ তাজিকিস্তান ৭,৯৮৯ ৬৩ ৭,২৩৫
৯৩ হাইতি ৭,৮৩১ ১৯৬ ৫,২৩৫
৯৪ ফিনল্যাণ্ড ৭,৭২০ ৩৩৩ ৭,০৫০
৯৫ লুক্সেমবার্গ ৭,৪০৫ ১২২ ৬,৫০০
৯৬ লিবিয়া ৭,৩২৭ ১৩৯ ৮৪৮
৯৭ আলবেনিয়া ৭,১১৭ ২১৯ ৩,৬৯৫
৯৮ মৌরিতানিয়া ৬,৬৭৬ ১৫৭ ৫,৮৮৯
৯৯ গ্রীস ৬,৬৩২ ২২৩ ৩,৮০৪
১০০ ক্রোয়েশিয়া ৬,৪২০ ১৬৫ ৫,১৯৩
১০১ মালদ্বীপ ৫,৫৭২ ২২ ৩,০১০
১০২ জিবুতি ৫,৩৬৭ ৫৯ ৫,১৮১
১০৩ জিম্বাবুয়ে ৫,০৭২ ১২৮ ১,৯৯৮
১০৪ মালাউই ৪,৯৮৮ ১৫৬ ২,৫৭৬
১০৫ হাঙ্গেরি ৪,৮৭৭ ৬০৭ ৩,৬০৬
১০৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৫২ ৬১ ১,৭২৮
১০৮ হংকং ৪,৪০৭ ৬৮ ৩,৪৮৮
১০৯ নিকারাগুয়া ৪,১১৫ ১২৮ ২,৯১৩
১১০ মন্টিনিগ্রো ৩,৯৩০ ৭৩ ২,৭৫২
১১১ কঙ্গো ৩,৭৪৫ ৬০ ১,৬২৫
১১২ নামিবিয়া ৩,৭২৬ ৩১ ৮৪৮
১১৩ ইসওয়াতিনি ৩,৬৭০ ৬৮ ১,৯৯১
১১৪ থাইল্যান্ড ৩,৩৭৬ ৫৮ ৩,১৯৩
১১৫ সোমালিয়া ৩,২৫০ ৯৩ ২,২৬৮
১১৬ কিউবা ৩,২২৯ ৮৯ ২,৫৪৭
১১৭ কেপ ভার্দে ৩,১৩৬ ৩৩ ২,২৫৪
১১৮ মায়োত্তে ৩,১১৯ ৩৯ ২,৯৪০
১১৯ শ্রীলংকা ২,৮৮৮ ১১ ২,৬৬৬
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৮৫৫ ৩১ ১,৯৬৯
১২১ সুরিনাম ২,৮৩৮ ৪১ ১,৮৯৪
১২২ মোজাম্বিক ২,৭০৮ ১৯ ১,০৭৫
১২৩ মালি ২,৫৯৭ ১২৫ ১,৯৭৯
১২৪ দক্ষিণ সুদান ২,৪৮২ ৪৭ ১,১৭৫
১২৫ স্লোভেনিয়া ২,৪০১ ১২৯ ২,০৪২
১২৬ লিথুনিয়া ২,৩৮৬ ৮১ ১,৭০৪
১২৭ রুয়ান্ডা ২,২৯৩ ১,৬০৪
১২৮ এস্তোনিয়া ২,১৮৪ ৬৯ ১,৯৭৬
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৮৮ ২৯ ১,০১৫
১৩০ বেনিন ২,০১৪ ৩৮ ১,৬৮১
১৩১ আইসল্যান্ড ১,৯৯৯ ১০ ১,৯০৭
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৯৪৭ ৬৯ ১,৫০২
১৩৩ তিউনিশিয়া ১,৯০৩ ৫৩ ১,৩২০
১৩৪ ইয়েমেন ১,৮৫৮ ৫২৮ ১,০০৯
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৮৫২ ৮৬ ৫৮৪
১৩৬ গাম্বিয়া ১,৬৮৯ ৫৪ ৩৪৭
১৩৭ নিউজিল্যান্ড ১,৬০৯ ২২ ১,৫৩১
১৩৮ সিরিয়া ১,৫১৫ ৫৮ ৪০৩
১৩৯ উরুগুয়ে ১,৪২১ ৩৮ ১,১৮২
১৪০ উগান্ডা ১,৩৮৫ ১২ ১,১৪২
১৪১ মালটা ১,৩৪৮ ৭৮২
১৪২ জর্ডান ১,৩২৯ ১১ ১,২২৯
১৪৩ জর্জিয়া ১,৩২১ ১৭ ১,০৮৮
১৪৪ সাইপ্রাস ১,৩১৮ ২০ ৮৭০
১৪৫ লাটভিয়া ১,৩১৫ ৩২ ১,০৭৮
১৪৬ লাইবেরিয়া ১,২৫২ ৮২ ৭৩৮
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১,২৪০ ৫৪ ১,০০৬
১৪৮ বতসোয়ানা ১,২১৪ ১২০
১৪৯ নাইজার ১,১৬১ ৬৯ ১,০৭৫
১৫০ টোগো ১,১২৪ ২৬ ৮০৬
১৫১ বাহামা ১,১১৯ ১৭ ১৩৮
১৫২ জ্যামাইকা ১,০৮২ ১৪ ৭৬১
১৫৩ এনডোরা ৯৮৯ ৫৩ ৮৬৩
১৫৪ আরুবা ৯৭৩ ১১৪
১৫৫ চাদ ৯৫১ ৭৬ ৮৬২
১৫৬ ভিয়েতনাম ৯৫০ ২৩ ৪৫১
১৫৭ লেসোথো ৮৮৪ ২৫ ২৭১
১৫৮ রিইউনিয়ন ৭৭৬ ৬৫৭
১৫৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬০ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৬১ গায়ানা ৬৪৯ ২৩ ৩০৬
১৬২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬০৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮২ ৪৫০
১৬৫ গুয়াদেলৌপ ৪৪৬ ১৪ ২৮৯
১৬৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪২৬ ১০ ১৩৯
১৬৭ বুরুন্ডি ৪১২ ৩১৫
১৬৮ কমোরস ৪০৩ ৩৭৯
১৬৯ বেলিজ ৩৮৮ ৩৫
১৭০ মায়ানমার ৩৭৪ ৩২২
১৭১ ফারে আইল্যান্ড ৩৭০ ২২৫
১৭২ মরিশাস ৩৪৫ ১০ ৩৩৪
১৭৩ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭৫ মঙ্গোলিয়া ২৯৮ ২৭২
১৭৬ পাপুয়া নিউ গিনি ২৮৭ ৭৮
১৭৭ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৮
১৭৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২৭৪ ৫৪
১৭৯ কম্বোডিয়া ২৭৩ ২২৯
১৮০ সিন্ট মার্টেন ২৬৯ ১৭ ১০২
১৮১ জিব্রাল্টার ২০৯ ১৯০
১৮২ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৮৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৬৬ ৬৪
১৮৪ বারমুডা ১৫৯ ১৪৫
১৮৫ বার্বাডোস ১৪৮ ১১৯
১৮৬ মোনাকো ১৪৬ ১১৪
১৮৭ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৮ ভুটান ১৩৩ ১০২
১৮৯ সিসিলি ১২৭ ১২৬
১৯০ সেন্ট মার্টিন ১০৯ ৪৯
১৯১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৩ ৮৩
১৯২ লিচেনস্টেইন ৯১ ৮৭
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৭ ৫৫
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩৩ ৩১
১৯৭ ফিজি ২৮ ২০
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৫
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২২ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৭
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]