যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না যদি পারে, তাহলে আমরা পারব না কেন?

প্রদীপ দাস
প্রদীপ দাস প্রদীপ দাস , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৪ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২০

করোনা মহামারি থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে আশাজাগানিয়া খবর দিয়েছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড’। প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা করোনার টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের দাবি করেছে। প্রাথমিকভাবে তারা প্রাণীর দেহে এই টিকা প্রয়োগ করে সফলতা পেয়েছে। তবে এখনই তারা মানবদেহে পরীক্ষা চালাতে পারবে না। মানবদেহে প্রয়োগের আগে বিধিবিধান মেনে বড় পরিসরে প্রাণীর দেহে টিকার প্রয়োগ করতে হবে। সেটার কাজ ইতোমধ্যে শুরু করেছে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তারা সেটা করবেন। সেখানে সফল হলে তারা মানবদেহে টিকা প্রয়োগের অনুমতি পাবেন।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগে এই টিকার উদ্ভাবন কাজ শুরু হয় গত ৮ মার্চ। এই বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন ড. আসিফ মাহমুদ। টিকা আবিষ্কার করা গবেষক দলের সদস্যও তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) তিনিই সংবাদ সম্মেলনে তাদের উদ্ভাবিত টিকার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

আসিফ মাহমুদের জন্ম গাজীপুরে। দাদা বাড়িতে জন্মের কয়েক বছর পর সরকারি চাকরি করা বাবা বদলি হয়ে পরিবার নিয়ে চলে যান চট্টগ্রামে। সেখানে আসিফ মাহমুদের প্রায় সাত বছর কাটে। তারপর নারায়ণগঞ্জে, সেখানে কাটে প্রায় তিন বছর। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে চলে আসেন ঢাকায়। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে এসএসসি সম্পন্ন করেন। নটর ডেম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর বৃত্তি নিয়ে চলে যান জাপানে। সেখানে তিনি আবারও স্নাতকোত্তর করেন অ্যাপ্লাইড বায়োলজিক্যাল সায়েন্সে। মেটাবলিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর করেন পিএইচডি। দেশে ফেরার বাধ্যবাধকতা থাকায় পিএইচডি শেষে ২০১৩ সালের এপ্রিলে দেশে ফেরেন তিনি।

দেশে ফিরে যোগ দেন বেসরকারি প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দুই বছর ৮ মাস শিক্ষকতা করেন। শিক্ষকতা করা অবস্থায় গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আরএনডি) বিভাগের সার্কুলার দেখে খুব আগ্রহী হন। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে সেখানে যোগ দেন। এখন তিনি প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত।

ashif-mahmud-05.jpg

করোনার টিকা আবিষ্কারের বিষয়ে জাগো নিউজের সাথে কথা হয় ড. আসিফ মাহমুদের। টিকা আবিষ্কারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।

জাগো নিউজ : করোনার টিকা আবিষ্কারে গবেষণার শুরুর দিককার কথা যদি বলতেন…

আসিফ মাহমুদ : গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড একটা বায়ো ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। আমরা বায়োলজিক্যাল ড্রাগ নিয়ে কাজ করি। করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের ফোকাসটা এদিকে নিয়ে আসি।

আমাদের কোম্পানির সিইও (চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার) ড. কাকন নাগ এবং সিওও (চিফ অপারেটিং অফিসার) ড. নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে আমরা ৮ মার্চ কাজ শুরু করি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ থেকে। গত ১৪ মার্চ সিইও ও সিওও কানাডায় যান ১৫ দিনের জন্য। তারা যেহেতু কানাডার নাগরিক, প্রতি বছর একটা সময় যেতে হয় কিছু প্রয়োজনে। ৩১ মার্চ ফেরার কথা থাকলেও করোনার কারণে ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। সেজন্য তারা এখনও আসতে পারেননি। তারা সেখান থেকেই নেতৃত্ব দিতে থাকেন অনলাইনে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো প্রসেস, ভেরিফিকেশন, কিউসি, প্রি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাই। অবশেষে আমাদের কাজ অ্যানিমেল (প্রাণী) ট্রায়ালের জন্য জমা হয়।

জাগো নিউজ : প্রিলিমিনারি (প্রাথমিক) ট্রায়াল কয়টি খরগোশের ওপর করেছেন?

আসিফ মাহমুদ : প্রিলিমিনারি ট্রায়ালে আমরা পাঁচটা খরগোশ ব্যবহার করেছি। কারণ আমরা তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট ট্রায়ালের চেষ্টা করেছি। সেক্ষেত্রে একটা কন্ট্রোল, একটা পসিবল আর তিনটা আমাদের ক্যান্ডিডেট ভ্যাকসিন দিয়ে ইমুনাইজেশন (রোগ প্রতিরোধ) করা হয়েছে।

জাগো নিউজ : প্রিলিমিনারি ট্রায়ালের জায়গা কোথায় ছিল?

আসিফ মাহমুদ : আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগেই করা হয়েছে। খরগোশগুলো আমাদের এখানেই আছে। করোনার কারণে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গবেষণাকেন্দ্রে যেতে পারিনি। যখনই আমাদের ভ্যাকসিন টার্গেট রেডি হয়েছে, আমরা আমাদের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগে প্রয়োগ করেছি।

ashif-mahmud-05.jpg

জাগো নিউজ : মানবদেহে কবে নাগাদ এই টিকা প্রয়োগের আশা রাখেন?

আসিফ মাহমুদ : আমরা প্রিলিমিনারি ট্রায়াল করেছি। এই প্রিলিমিনারি ট্রায়াল দিয়ে কিন্তু হিউম্যান বডিতে (মানবদেহে) ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করা যাবে না। এখন রেগুলেটেড অ্যানিমেল ট্রায়াল (বিধিবিধান মেনে প্রাণীর দেহে টিকা প্রয়োগ) করতে হবে। সেখানে আমাদের তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের টার্গেটের সাথে আরও তিনটা টার্গেট যোগ হবে। স্যাম্পল সংখ্যাও আমাদের বাড়াতে হবে। সেই ট্রায়ালের জন্য আমরা ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় নিয়েছি। এর মধ্যে আমরা রেগুলেটেড ট্রায়ালটা শেষ করব। এরপর আমরা মানবদেহে ট্রায়ালের জন্য বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) কাছে প্রটোকল সাবমিট (জমা) করব।

জাগো নিউজ : তিনটা ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের সাথে আর কী কী যুক্ত হবে?

আসিফ মাহমুদ : আমরা আসলে চারটা টার্গেট নিয়ে কাজ করছিলাম। চারটা টার্গেট আমরা তিনটা ডিফারেন্ট ডেলিভারি মেথডে ব্যবহার করব। আমাদের মোট ক্যান্ডিডেট হচ্ছে ১২টা। এর মধ্যে তিনটা ক্যান্ডিডেটের ডাটা শো করেছি। বাকি ডাটাগুলো পর্যায়ক্রমে পাবলিকেশন করব। তারপর আমরা সামনে এগোব।

জাগো নিউজ : মানবদেহে প্রয়োগের আগে প্রটোকল মেনে বড় পরিসরে প্রাণীর দেহে টিকার প্রয়োগ করবেন। সেটার প্রস্তুতি সম্পর্কে যদি বলতেন…

আসিফ মাহমুদ : সেটার প্রটোকল আমাদের রেডি করা আছে। কিছু প্রস্তুতিও আছে, অ্যানিমেল মডেলে ট্রাই করতে হলে তাদের কিছুটা আইসোলেশনে রাখতে হয়, সিলেকশন করতে হয়– এই প্রসেসগুলো আমরা চালাচ্ছি। এগুলো আমাদের রূপগঞ্জ অ্যানিমেল ফ্যাসিলিটিতেই হবে। রেগুলেটেড অ্যানিমেল ট্রায়াল আমরা রেগুলেটড পন্থাতেই করব।

জাগো নিউজ : এখন কোন প্রাণীর দেহে করতে চান?

আসিফ মাহমুদ : এটা আমরা করব মাউস (ছোট ইঁদুর) অ্যান্ড র‌্যাট (বড় ইঁদুর)-এর ওপর। যেকোনো একটা সুইটেবল মেডেল বেছে নেব। সেটাতে করা হবে।

জাগো নিউজ : কতগুলো প্রাণীর ওপর ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরিকল্পনা আছে কিংবা রেগুলেটরি সমর্থন করে?

আসিফ মাহমুদ : এটা আসলে গাইডলাইনের ওপর নির্ভর করে। পরীক্ষামূলক নকশা আমরা অবশ্যই করেছি। এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলাটা সম্ভব নয়।

জাগো নিউজ : প্রতিবন্ধকতার শিকার না হলে আগামী ডিসেম্বরে টিকা বাজারে আনার কথা বলছেন। কিন্তু অনেকে বলছেন, ৬ মাসে টিকা বাজারে আনা অবাস্তব?

আসিফ মাহমুদ : যারা বলেছেন, তারা তো আমার সামনে বলেননি। দেড় বছরে তারা করেছে কি-না, জানি না। যদি তারা করে থাকে, তাহলে বলতে পারে দেড় বছর লেগেছে। আমি বিশ্বব্যাপী যা দেখতে পাচ্ছি, যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ৬৯ দিনে ভ্যাকসিন ডেভেলপ করেছে। তারা কিন্তু এখন ফেজ-২ ট্রায়ালে আছে। তারা বলছে, ডিসেম্বরের শেষের দিকে তারা বাজারে আসবে। ওরা যদি ফেব্রুয়ারিতে শুরু করে ডিসেম্বরে বাজারে আসতে পারে, তাহলে আমরা পারব না কেন?

ashif-mahmud-05.jpg

ছয় থেকে আট সপ্তাহ মানে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অ্যানিমেল ট্রায়াল শেষ করে ফেলব। তারপর আমরা যখন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল সাবমিশন করব, তখন কিন্তু আমাদের আর তেমন কোনো দায়িত্ব নেই। তখন দায়িত্ব হলো বিএমআরসি’র। তারা আমাদের প্রটোকল অনুমোদন করবে, মূল্যায়ন করবে। এখন সেখানে যদি তাদের সময় লেগে যায়, সেটা কিন্তু কন্ট্রোল করতে পারব না। সেটা আমাদের আয়ত্বের বাইরে। তারপর তারা অনুমোদন দিলে আমাদের পক্ষ হয়ে তৃতীয়পক্ষ মানবদেহে প্রয়োগ করবে। ওই সময় যদি সুইটেবল সিআরও (তৃতীয়পক্ষ) না পাওয়া যায় এবং তাদের যদি সময় বেশি লেগে যায়, তাহলে কিন্তু আমরা কিছু করতে পারব না।

একইভাবে এই ধাপগুলো পার হওয়ার পর আমরা যখন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে যাব, মার্কেট অথোরাইজেশনের (বাণিজ্যিকীকরণ) জন্য, সেখানেও যদি সময় লেগে যায়, সেখানেও কিন্তু আমরা কিছু করতে পারব না। সবকিছু যদি স্মুথলি চলে, আমরা আশা করছি, হিউম্যান ট্রায়ালের ফেজ-১, ফেজ-২ ও ফেজ-৩— এই তিনটা তিন মাসে শেষ করতে পারব।

জাগো নিউজ : টিকা উদ্ভাবনের কাজ করতে গিয়ে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছেন কি-না?

আসিফ মাহমুদ : অবশ্যই প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছি। সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছি, সেটা হলো, আমরা বড় ধরনের রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট করেছি। এই রিসার্চের জন্য যে র-মেটেরিয়ালগুলো, রি-এজেন্ট, সেগুলোর বেশিরভাগই কোর-চেইন মেইনটেইন করে আসতে হয়। আমাদের দেশের কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স, র-মেটেরিয়ালগুলোর সহজলভ্যতা– এগুলোতে আমাদের প্রধান সময়টা লেগে গেছে। বিদেশে যখন কাজ করেছি, তখন দেখেছি, আজ অর্ডার দিলে কালকে ল্যাবে চলে আসত। কিন্তু এখানে কোনো একটা জিনিস আনার পরিকল্পনা করলে সেটা হাতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে খুব দ্রুত হলেও এক মাস লেগে যায়। এটা রিসার্চ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু এগুলো বিবেচনায় রেখেই আমরা কাজ করছি।

জাগো নিউজ : ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে কী প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে মনে করছেন?

আসিফ মাহমুদ : আমাদের তরফ থেকে সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পাচ্ছি না। কারণ, আমরা যে টেকনোলজি ব্যবহার করে ভ্যাকসিন ডেভেলপ করেছি, সেই টেকনোলজির সাথে আমরা খুব ভালোভাবে পরিচিত। কারণ, একই টেকনোলজি ব্যবহার করে আমরা বায়োলজিকস ডেভেলপ করি। তো এটা আমাদের কাছে খুবই পরিচিত ব্যাপার। সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো চ্যালেঞ্জ নাই।

কিন্তু যেহেতু দেশে প্রথমবারের মতো আমরা একটা জিনিস তৈরি করেছি, সেটার রেগুলেটরি গাইডলাইন ফলো করে মার্কেটে আসার কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকবে। সেগুলো আমরা সময়মতো যদি সমাধান করতে পারি, তাহলে সময়মতো ভ্যাকসিন দেশের মানুষ পাবে।

ashif-mahmud-05.jpg

জাগো নিউজ : আপনারা তো বাংলাদেশের করোনার জিনোম সিকোয়েন্স দেখেছেন। অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের করোনা কতটা মারাত্মক?

আসিফ মাহমুদ : এ ব্যাপারে আমরা কোনো রিসার্চ করিনি। আমি মনে করি, এটার জন্য বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন। আমাদের দেশে সিকোয়েন্স জমা হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে করছে কি-না, তা জানি না। আমার ধারণা, একটা সুনির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে সিকোয়েন্সিংগুলো করা হলে আরেকটু বড় পরিসরে, হয়তো-বা এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেত। এই মুহূর্তে আমার কাছে এর উত্তর নাই।

জাগো নিউজ : আপনাদের উদ্ভাবিত টিকার আশার দিকটা কী?

আসিফ মাহমুদ : আমরা বাংলাদেশে প্রথম এই ধরনের একটা জিনিস তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আমরা কিন্তু টিকার কোম্পানি না। তারপরও বিশ্বের নেতৃত্বে যেসব টিকা কোম্পানি আছে, তারা কিন্তু একটা ক্যান্ডিডেট নিয়ে কাজ করছে। তাদের ডেলিভারি ম্যাকানিজমও একটা। আমাদের সফলতা যেন নিশ্চিত হয়, সেজন্য আমরা মাল্টিপল টার্গেট সেট করেছি। মাল্টিপল ডেলিভারি মেথডও রেখেছি। যাতে কোনোভাবেই ব্যর্থ না হই। আমাদের আত্মবিশ্বাসের জায়গাটা সেখানেই যে, কোনো না কোনো একটা মেথড অবশ্যই কাজ করবে। যদি আমেরিকার মডার্না সফল হয়, তাহলে আমরাও অবশ্যই সফল হব।

জাগো নিউজ : দেশের মানুষকে আশ্বস্ত করে কী বলতে চান?

আসিফ মাহমুদ : দেশের মানুষের জন্যই টিকাটা করা। টিকা হয়তো এ বছরের শেষে কিংবা সামনের বছরের শুরুতে বাজারে আনার অনুমোদন অবশ্যই পাব। উন্নত বিশ্বে তৈরি হওয়া টিকা আমাদের দেশ পর্যন্ত আসতে অনেক সময় লাগবে। সেই সময় পর্যন্ত আমরা বসে থাকতে চাই না। টিকা আমরা নিজেদের দেশেই তৈরি করতে চাই। যাতে আমরা দেশের ১৬ কোটি মানুষকে টিকা দিতে পারি। এজন্যই আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

পিডি/এমএআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৭,৯৮,৭০,১৫৯
আক্রান্ত

৩৮,৯৬,১০৮
মৃত

১৬,৪৬,২০,১৬৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৮,৬১,১৫০ ১৩,৭০২ ৭,৮৮,৩৮৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৪৪,৩২,৫৪২ ৬,১৭,৮৩২ ২,৮৮,১৫,১২৭
ভারত ৩,০০,২৭,৮৫০ ৩,৯০,৬৯১ ২,৮৯,৮৭,৩১১
ব্রাজিল ১,৮০,৫৪,৬৫৩ ৫,০৪,৭১৭ ১,৬৩,৮৮,৮৪৭
ফ্রান্স ৫৯,১৭,৩৯৭ ১,১০,৮২৯ ৫৫,৭৫,১৩৭
তুরস্ক ৫৩,৮১,৭৩৬ ৪৯,২৯৩ ৫২,৪২,৯৪৫
রাশিয়া ৫৩,৫০,৯১৯ ১,৩০,৩৪৭ ৪৮,৮৯,৪৫০
যুক্তরাজ্য ৪৬,৫১,৯৮৮ ১,২৮,০০৮ ৪৩,১০,৫৭২
আর্জেন্টিনা ৪২,৯৮,৭৮২ ৯০,২৮১ ৩৯,২৮,৩৮৯
১০ ইতালি ৪২,৫৪,২৯৪ ১,২৭,৩২২ ৪০,৫৪,০০৮
১১ কলম্বিয়া ৩৯,৬৮,৪০৫ ১,০০,৫৮২ ৩৬,৮৫,৯৪৭
১২ স্পেন ৩৭,৬৮,৬৯১ ৮০,৭১৯ ৩৫,৬৪,৮৫০
১৩ জার্মানি ৩৭,৩১,২৮৭ ৯১,০৮২ ৩৬,০৮,১০০
১৪ ইরান ৩১,১৭,৩৩৬ ৮৩,২১৭ ২৭,৭১,৭০৫
১৫ পোল্যান্ড ২৮,৭৯,০৩০ ৭৪,৮৫৮ ২৬,৫০,৭৭৩
১৬ মেক্সিকো ২৪,৭৮,৫৫১ ২,৩১,২৪৪ ১৯,৭৪,২৫৫
১৭ ইউক্রেন ২২,৩০,১৪২ ৫২,০৫৩ ২১,৫২,৯৬৯
১৮ পেরু ২০,৩০,৬১১ ১,৯০,৬৪৫ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ২০,১৮,১১৩ ৫৫,২৯১ ১৮,১০,১৩৬
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮,৪৩,৫৭২ ৫৯,০৯২ ১৬,৬৫,৫৪০
২১ নেদারল্যান্ডস ১৬,৮০,২২৮ ১৭,৭৩০ ১৬,০৮,৫০৫
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৬৬,১৯২ ৩০,২৮৩ ১৬,৩৩,৪৮২
২৩ চিলি ১৫,২৫,৬৬৩ ৩১,৬৯০ ১৪,৫৬,৬৭২
২৪ কানাডা ১৪,১০,২০৬ ২৬,১৫৫ ১৩,৭৩,৭৭৪
২৫ ফিলিপাইন ১৩,৬৭,৮৯৪ ২৩,৮০৯ ১২,৯১,৩৮৯
২৬ ইরাক ১২,৯৮,৭০৩ ১৬,৯৩৫ ১২,০৯,৯১৮
২৭ সুইডেন ১০,৮৮,০১৪ ১৪,৫৭০ ১০,৪৮,৫৪৭
২৮ রোমানিয়া ১০,৮০,৩২৩ ৩২,৪৬৫ ১০,৪৫,৩০৩
২৯ বেলজিয়াম ১০,৭৯,৬৪০ ২৫,১৪১ ১০,১৬,৫৭৪
৩০ পাকিস্তান ৯,৪৯,৮৩৮ ২২,০৩৪ ৮,৯৪,৩৫২
৩১ পর্তুগাল ৮,৬৬,৮২৬ ১৭,০৭৪ ৮,২১,৩৭৪
৩২ ইসরায়েল ৮,৪০,০৭৯ ৬,৪৩০ ৮,৩৩,১৭৪
৩৩ হাঙ্গেরি ৮,০৭,৬৮৪ ২৯,৯৬৩ ৭,৩৫,৯৩৭
৩৪ জাপান ৭,৮৬,২৯৮ ১৪,৪৫৪ ৭,৫২,৪২৭
৩৫ জর্ডান ৭,৪৭,৫০৪ ৯,৬৮৩ ৭,৩১,৪১৮
৩৬ সার্বিয়া ৭,১৫,৯১৩ ৭,০১০ ৭,০৬,২০৩
৩৭ মালয়েশিয়া ৭,০৫,৭৬২ ৪,৫৫৪ ৬,৩৯,১৮১
৩৮ সুইজারল্যান্ড ৭,০২,১২৪ ১০,৮৭৫ ৬,৭৬,৪৯৪
৩৯ অস্ট্রিয়া ৬,৪৯,৭২৮ ১০,৬৮৪ ৬,৩৬,৫২৩
৪০ নেপাল ৬,২৬,৩৪৩ ৮,৮১৩ ৫,৬৪,৮৮২
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬,১৬,১৬০ ১,৭৬৭ ৫,৯৫,০৮৬
৪২ লেবানন ৫,৪৩,৬৯৮ ৭,৮২৯ ৫,৩০,৬৮৯
৪৩ মরক্কো ৫,২৭,১৭৪ ৯,২৪৭ ৫,১৪,২৭৯
৪৪ সৌদি আরব ৪,৭৬,৮৮২ ৭,৬৯১ ৪,৫৮,০৪৮
৪৫ ইকুয়েডর ৪,৪৭,১৭৬ ২১,৩১৫ ৪,১৫,৫০৮
৪৬ বলিভিয়া ৪,২২,৮১১ ১৬,১৭৪ ৩,৪০,৯৫৯
৪৭ বুলগেরিয়া ৪,২১,২৪৬ ১৮,০০৮ ৩,৯৩,৬৩৬
৪৮ গ্রীস ৪,১৮,৯৪৩ ১২,৫৭৫ ৪,০০,৬১১
৪৯ বেলারুশ ৪,১১,৫৫১ ৩,০৬৩ ৪,০৪,২৪০
৫০ কাজাখস্তান ৪,১০,৫২৩ ৪,২৪৯ ৩,৮৬,১২৭
৫১ প্যারাগুয়ে ৪,০৭,৭২১ ১১,৭৪৩ ৩,৪৬,৬৪৬
৫২ পানামা ৩,৯৪,২৪১ ৬,৪৭৭ ৩,৭৭,২৪৩
৫৩ স্লোভাকিয়া ৩,৯১,৩৮৫ ১২,৫০২ ৩,৭৮,০৫০
৫৪ তিউনিশিয়া ৩,৮৭,৭৭৩ ১৪,২২৩ ৩,৩৯,০৬৫
৫৫ জর্জিয়া ৩,৬০,০৫৫ ৫,১৯৯ ৩,৪৬,২১৭
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ৩,৫৯,২৫৯ ৮,১৮৮ ৩,৫০,৫৩৯
৫৭ উরুগুয়ে ৩,৫৮,৪৬১ ৫,৩৫০ ৩,২৯,৬৬২
৫৮ কোস্টারিকা ৩,৫৪,০৯৫ ৪,৫৩০ ২,৭৮,২২৫
৫৯ কুয়েত ৩,৪২,৯২৯ ১,৮৮৮ ৩,২২,৮৯৭
৬০ আজারবাইজান ৩,৩৫,৫২১ ৪,৯৬৩ ৩,২৯,৫৯৯
৬১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,১৮,৩৬৮ ৩,৭৬৯ ২,৬০,৫৩৩
৬২ ফিলিস্তিন ৩,১২,৮১১ ৩,৫৫৪ ৩,০৬,৩১২
৬৩ ডেনমার্ক ২,৯১,৯৫৬ ২,৫৩১ ২,৮৫,৩৭৫
৬৪ গুয়াতেমালা ২,৮২,৭১৩ ৮,৭৮৫ ২,৫৫,৯৯৬
৬৫ লিথুনিয়া ২,৭৮,৪৬৬ ৪,৩৭১ ২,৬৫,৯৬৬
৬৬ মিসর ২,৭৭,৭৯৭ ১৫,৮৯৮ ২,০৬,০৫৩
৬৭ ইথিওপিয়া ২,৭৫,৩৯১ ৪,২৯০ ২,৫৫,৯৬২
৬৮ আয়ারল্যান্ড ২,৬৯,৪৯৫ ৪,৯৭৯ ২,৫৩,৭২৬
৬৯ বাহরাইন ২,৬৩,৬৮৯ ১,৩২৬ ২,৫৬,০৬৩
৭০ ভেনেজুয়েলা ২,৬২,০৩৮ ২,৯৭৩ ২,৪২,৩৫৭
৭১ স্লোভেনিয়া ২,৫৭,০৬৬ ৪,৪১৬ ২,৫১,২৪৩
৭২ মলদোভা ২,৫৬,২৩২ ৬,১৭৫ ২,৪৯,২৫০
৭৩ হন্ডুরাস ২,৫৪,১৯৪ ৬,৭৭২ ৯১,৮৬২
৭৪ ওমান ২,৫২,৬০৯ ২,৭৮২ ২,২১,২৫০
৭৫ শ্রীলংকা ২,৪৩,৯১৩ ২,৬৩৩ ২,০১,৩৮৯
৭৬ থাইল্যান্ড ২,২৫,৩৬৫ ১,৬৯৩ ১,৮৭,৮৩৬
৭৭ আর্মেনিয়া ২,২৪,৩৩০ ৪,৫০২ ২,১৬,১৮২
৭৮ কাতার ২,২১,১১৯ ৫৮৪ ২,১৮,৫৮৪
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৪,৮৬০ ৯,৬৪৩ ১,৮০,২৪৫
৮০ লিবিয়া ১,৯১,২৫৩ ৩,১৮১ ১,৭৬,৬৪৯
৮১ কেনিয়া ১,৭৯,২৯৩ ৩,৪৬১ ১,২২,৯৬৫
৮২ কিউবা ১,৭০,৮৫৪ ১,১৮০ ১,৬০,৯৫৬
৮৩ নাইজেরিয়া ১,৬৭,২৯২ ২,১১৮ ১,৬৩,৭৯৭
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৫,৬৪০ ৫,৪৭৭ ১,৪৯,৯০৮
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৫১,৯০১ ২,০০৬ ১,৪৩,৮১৭
৮৬ মায়ানমার ১,৪৯,২৪৭ ৩,২৬৭ ১,৩৩,৮৯৩
৮৭ লাটভিয়া ১,৩৬,৯৭৫ ২,৪৯৭ ১,৩২,৭২১
৮৮ আলজেরিয়া ১,৩৬,৬৭৯ ৩,৬৫০ ৯৫,০৮৪
৮৯ জাম্বিয়া ১,৩৩,৬৫৯ ১,৭৪৪ ১,১১,৮৪৪
৯০ আলবেনিয়া ১,৩২,৪৯৬ ২,৪৫৫ ১,২৯,৯৪১
৯১ এস্তোনিয়া ১,৩০,৮৫৫ ১,২৬৯ ১,২৬,৭৯৮
৯২ নরওয়ে ১,২৯,৬৫৭ ৭৯০ ৮৮,৯৫২
৯৩ কিরগিজস্তান ১,১৬,৫৪৬ ১,৯৪৫ ১,০৫,৯৩২
৯৪ আফগানিস্তান ১,০৭,৯৫৭ ৪,৩৬৬ ৬৫,৫৬৫
৯৫ উজবেকিস্তান ১,০৬,৮৪৭ ৭২০ ১,০২,৫৪৬
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১,০০,০৯২ ১,৬০৫ ৯৮,১৮৯
৯৭ মঙ্গোলিয়া ৯৮,০৫০ ৪৫৯ ৬৪,৩৫৪
৯৮ ঘানা ৯৫,০৫৯ ৭৯৪ ৯৩,০০৫
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ৯৪,৪৮৯ ৯৬৭ ৪৬,০০০
১০০ চীন ৯১,৬২৯ ৪,৬৩৬ ৮৬,৪৮১
১০১ ক্যামেরুন ৮০,৩২৮ ১,৩১৩ ৭৮,১৬২
১০২ এল সালভাদর ৭৭,৪৮৪ ২,৩৪১ ৭১,৬০৩
১০৩ নামিবিয়া ৭৫,৭৬৬ ১,১৭৯ ৬০,৪৮৪
১০৪ সাইপ্রাস ৭৩,৭১০ ৩৭৪ ৭২,০৮৩
১০৫ উগান্ডা ৭৩,৪০১ ৭১৪ ৫০,০৮৫
১০৬ মোজাম্বিক ৭২,৫৭৭ ৮৪৮ ৭০,২৪১
১০৭ মালদ্বীপ ৭২,২৯৪ ২০৭ ৬৭,৫০৭
১০৮ লুক্সেমবার্গ ৭০,৫৪৭ ৮১৮ ৬৯,৪৬১
১০৯ বতসোয়ানা ৬৫,৮০৮ ১,০৬৯ ৫৯,৬১৬
১১০ সিঙ্গাপুর ৬২,৪৪৮ ৩৫ ৬২,০৯৮
১১১ জ্যামাইকা ৪৯,৭১২ ১,০৩৪ ২৮,৭৯৩
১১২ আইভরি কোস্ট ৪৮,০৪৭ ৩০৮ ৪৭,৪৮৭
১১৩ কম্বোডিয়া ৪৪,১২৪ ৪৫৯ ৩৮,৭৬৬
১১৪ সেনেগাল ৪২,৪৭২ ১,১৫৯ ৪০,৯৬৩
১১৫ জিম্বাবুয়ে ৪২,১৯৫ ১,৬৮৫ ৩৭,২০০
১১৬ মাদাগাস্কার ৪২,১৩৭ ৯০৩ ৪০,৮৭০
১১৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩৮,৩৩০ ৮৮৮ ২৭,৯৬৯
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৩৭,৭৪৮ ৮৬৮ ৩১,৭৮২
১১৯ সুদান ৩৬,৩৪৭ ২,৭৩৭ ৩০,০৬২
১২০ মালাউই ৩৪,৯৯৬ ১,১৭৩ ৩২,৯০৯
১২১ রুয়ান্ডা ৩২,২৯৬ ৩৯২ ২৬,৭১২
১২২ কেপ ভার্দে ৩২,০৩৯ ২৮৩ ৩১,০৯১
১২৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩০,৯৮২ ৭৬১ ২২,২৬৭
১২৪ মালটা ৩০,৫৯৫ ৪২০ ৩০,১৪৮
১২৫ অস্ট্রেলিয়া ৩০,৩৬৬ ৯১০ ২৯,২৭২
১২৬ রিইউনিয়ন ২৮,৪৪১ ২২০ ২৬,৩৩৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৬,৬৪৭ ১৪২ ৯,৯৯৫
১২৮ সিরিয়া ২৫,১৫৮ ১,৮৪৮ ২১,৭৪৭
১২৯ গ্যাবন ২৪,৮৬৪ ১৫৮ ২৪,২৬৪
১৩০ গিনি ২৩,৫৩৫ ১৬৮ ২২,২৮২
১৩১ মৌরিতানিয়া ২০,৩৬৫ ৪৮১ ১৯,৪৩৮
১৩২ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৪ ২,৯৬৪
১৩৩ সুরিনাম ২০,১৪১ ৪৬৭ ১৫,৪২৪
১৩৪ গায়ানা ১৯,১৪৪ ৪৪৯ ১৭,১৭৫
১৩৫ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৯৭২ ১৪২ ১৮,৮০৫
১৩৬ ইসওয়াতিনি ১৮,৮৩১ ৬৭৭ ১৮,০৩৯
১৩৭ হাইতি ১৭,৭১০ ৩৯৩ ১২,৭৫৩
১৩৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১৭,০১৩ ১৭৩ ১৬,৩৯৬
১৩৯ গুয়াদেলৌপ ১৬,৭৫২ ২২৯ ২,২৫০
১৪০ সোমালিয়া ১৪,৮৬৭ ৭৭৫ ৭,২০৪
১৪১ সিসিলি ১৪,৬২০ ৫৯ ১৩,৩২৩
১৪২ মালি ১৪,৩৮৫ ৫২৪ ১০,০৩৬
১৪৩ তাইওয়ান ১৪,১৫৭ ৫৭৫ ৯,১৭৯
১৪৪ এনডোরা ১৩,৮৬৪ ১২৭ ১৩,৬৬৫
১৪৫ টোগো ১৩,৭৩৫ ১২৮ ১৩,৩৬২
১৪৬ ভিয়েতনাম ১৩,৬৩০ ৬৯ ৫,৪৫৩
১৪৭ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৪৬৯ ১৬৭ ১৩,২৯৩
১৪৮ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪৯ বেলিজ ১৩,০৩৯ ৩২৯ ১২,৫৬৮
১৫০ বাহামা ১২,৩৭৯ ২৪৪ ১১,৩৫৬
১৫১ কিউরাসাও ১২,৩১৯ ১২৫ ১২,১৬১
১৫২ কঙ্গো ১২,২৯৮ ১৬১ ১১,২১১
১৫৩ মার্টিনিক ১২,১৭৮ ৯৮ ৯৮
১৫৪ হংকং ১১,৮৯৭ ২১০ ১১,৬১৮
১৫৫ জিবুতি ১১,৫৯১ ১৫৫ ১১,৪৩১
১৫৬ লেসোথো ১১,১২৮ ৩২৯ ৬,৪৪৫
১৫৭ আরুবা ১১,১১২ ১০৭ ১০,৯৭৫
১৫৮ দক্ষিণ সুদান ১০,৭৮৬ ১১৫ ১০,৫১৪
১৫৯ পূর্ব তিমুর ৮,৭৮১ ১৯ ৭,৭৬২
১৬০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৭০৮ ১২০ ৮,৪৮৯
১৬১ বেনিন ৮,১৪০ ১০৩ ৭,৯৭৯
১৬২ নিকারাগুয়া ৭,৬৯৬ ১৮৮ ৪,২২৫
১৬৩ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১২৯ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৪ ইয়েমেন ৬,৮৯২ ১,৩৫৫ ৩,৯৮০
১৬৫ আইসল্যান্ড ৬,৬৩০ ৩০ ৬,৫৭৬
১৬৬ গাম্বিয়া ৬,০৪৫ ১৮১ ৫,৮৩৭
১৬৭ ইরিত্রিয়া ৫,৫০৮ ২১ ৫,০১৬
১৬৮ নাইজার ৫,৪৬৯ ১৯৩ ৫,১৭৮
১৬৯ বুরুন্ডি ৫,২৭৩ ৭৭৩
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ৫,২১৮ ৮০ ৫,০৬৫
১৭১ সান ম্যারিনো ৫,০৯০ ৯০ ৪,৯৯৯
১৭২ সিয়েরা লিওন ৪,৯৬৩ ৮৪ ৩,২৭৯
১৭৩ চাদ ৪,৯৪৮ ১৭৪ ৪,৭৬৮
১৭৪ জিব্রাল্টার ৪,৩২৩ ৯৪ ৪,২১৪
১৭৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১২৮ ৮৬ ৩,৯৯৪
১৭৬ বার্বাডোস ৪,০৪৫ ৪৭ ৩,৯৮৮
১৭৭ কমোরস ৩,৯১২ ১৪৬ ৩,৭৪৫
১৭৮ গিনি বিসাউ ৩,৮২৫ ৬৯ ৩,৫৫৮
১৭৯ লাইবেরিয়া ৩,১০৯ ৯৯ ২,১৬৯
১৮০ লিচেনস্টেইন ৩,০২৮ ৫৯ ২,৯৫৭
১৮১ নিউজিল্যান্ড ২,৭২০ ২৬ ২,৬৭১
১৮২ সিন্ট মার্টেন ২,৫৭৫ ৩২ ২,৪৮৭
১৮৩ মোনাকো ২,৫৫৪ ৩৩ ২,৪৮৭
১৮৪ বারমুডা ২,৫০৪ ৩৩ ২,৪৬১
১৮৫ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪২৪ ১৮ ২,৩৮৯
১৮৬ ফিজি ২,২৭০ ৬১৮
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,১৯৬ ১২ ১,৯৩৬
১৮৮ সেন্ট মার্টিন ২,১৩৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৯ লাওস ২,০৬৭ ১,৯৫৪
১৯০ ভুটান ১,৯৩৯ ১,৬৮৫
১৯১ মরিশাস ১,৭০১ ১৮ ১,২৬৫
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬৩৩ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯৩ আইল অফ ম্যান ১,৫৯৯ ২৯ ১,৫৬৬
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৬৩ ৪২ ১,২২১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৭৬৮ ৭৫৫
১৯৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৮ কেম্যান আইল্যান্ড ৬০৯ ৫৮৭
১৯৯ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০০ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০১ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫০ ৭৫
২০২ ব্রুনাই ২৫৬ ২৪৫
২০৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২৪৮ ২০৯
২০৪ ডোমিনিকা ১৯১ ১৮৯
২০৫ গ্রেনাডা ১৬১ ১৬০
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৯ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১০৯ ১০৯
২০৮ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৯ ম্যাকাও ৫৩ ৫১
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৫০ ৪০
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৬ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]