যত্রতত্র ফেলা মাস্ক-গ্লাভস আনছে নতুন বিপদ

সাইফুল হক মিঠু
সাইফুল হক মিঠু সাইফুল হক মিঠু
প্রকাশিত: ০৮:৪০ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০২০ | আপডেট: ০৮:৫০ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক-গ্লাভসসহ নানা ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করছেন নাগরিকরা। তবে ব্যবহৃত এসব সামগ্রী যেখানে-সেখানে ফেলায় সেগুলো জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে। নাগরিক শিষ্টাচার না মেনে ফেলা এসব সামগ্রী এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বলছে, এ বিষয়ে তারা ‘জনসচেতনতা’ তৈরির চেষ্টা করছে। অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস নিয়ে উদাসীনতার চরম মূল্য দিতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক শ্রেণির অসচেতন মানুষ ব্যবহারের পর যেখানে খুশি সেখানেই ফেলছেন মাস্ক, গ্লাভস। নগরীর প্রতিটি গলি, সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত সবখানেই ব্যবহৃত মাস্কের ছড়াছড়ি। পড়ে থাকা গ্লাভস ও আই-প্রোটেকশন গ্লাসের তুলনায় সাদা বা নীল রঙের সার্জিক্যাল মাস্কের পরিমাণই বেশি। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবকে দুষছেন নগরবাসী। তবে সরেজমিনে ঘুরে অসেচতনতা এবং আইনের প্রয়োগে উদাসীনতাই চোখে পড়েছে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেলে দেয়া এসব সুরক্ষা সামগ্রী করোনা ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়া যেখানে সেখানে ফেলা মাস্ক হতে পারে নানাবিধ রোগের কারণ।

এ প্রসঙ্গে হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘কোভিড-১৯ আক্রান্ত বা উপসর্গহীন মানুষ যেসব মাস্ক ব্যবহার করে সেগুলো করোনাভাইরাস ছড়ানোর একটি মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। এসব মাস্ক কিংবা গ্লাভস যেখানে সেখানে ফেলা যাবে না। এই বিষয়টা মানুষকে বোঝাতে হবে। কোভিড-১৯ রোগী অথবা সন্দেহজনক কোভিড-১৯ রোগীর ব্যবহৃত মাস্কের মাধ্যমে ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়াতে পারে। এগুলো অন্যান্য রোগ ছড়ানোরও উপকরণ।’

রাজধানীর বনানী এলাকায় রাস্তায় পড়ে থাকা মাস্ক দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, ‘ডাস্টবিনে যে ময়লা ফেলতে হবে এই সংস্কৃতি আমাদের গড়ে ওঠেনি। রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলা আমাদের এখানে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এজন্য কারও কোনো শাস্তি হয় না। বনানীর মতো অভিজাত এলাকায়ও রাস্তার পাশে কোনো ডাস্টবিন নেই। এই মাস্কগুলো থেকে অন্যেরও রোগ হতে পারে। শুধু মাস্ক নয়, যে কোনো আবর্জনাই নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা উচিত।’

মহাখালীতে রিকশাচালক হাশেম আলী বলেন, ‘এখন রাস্তায় গাছের পাতার চেয়ে মাস্ক বেশি। সবাইতো এখন মাস্ক ব্যবহার করে। রাস্তায় মাস্ক তো থাকবোই। এই মাস্কে হাঁচি, কাশি থাকে। আর একজনের ব্যবহার করা জিনিস থেকে রোগ হতে পারে।’

মাস্ক ব্যবহারের সরকারি বিধিতে নেই কোনো নির্দেশনা
করোনা সংক্রমণ বাড়লে সরকারি অফিস আদালত এবং জনসমাগম হয় এমন সব জায়গায় মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাস্ক ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের ২১ জুলাই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, ‘সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট অফিসে আগত সেবাগ্রহীতারা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করবেন। সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।’

সরকারি-বেসরকারি অফিস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, শপিং মল, হাটবাজার, গণপরিবহন, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, হোটেল-রেস্তোঁরাসহ সকল প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠানে সবাইকে এই নির্দেশনা মানতে বলা হয়। এছাড়া বাড়িতে করোনা উপসর্গের কোনো রোগী থাকলে পরিবারের সুস্থ সদস্যদেরও মাস্ক ব্যবহার করতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

jagonews24

তবে মাস্ক ব্যবহারের পরে সেগুলো কী করতে হবে সে সম্পর্কিত কোনো কিছুই এ নির্দেশনায় বলা হয়নি।

স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি পরিবেশের ঝুঁকি
সম্প্রতি বান্দরবানের নীলাচল পাহাড়ে সার্জিক্যাল মাস্কসহ একটি বানরকে ক্যামেরাবন্দি করেন বন্যপ্রাণী গবেষক আদনান আজাদ আসিফ। পরিবেশ বিষয়ক ম্যাগাজিন বেঙ্গল ডিসকাভার থেকে এ ঘটনা জানা যায়।

সেখানে আদনান আজাদ আসিফ বলেন, ‘পাহাড়টিতে পর্যটকদের ফেলা মাস্ক একটি বানর কুড়িয়ে নিয়ে ঠিক মানুষের মতো করেই পরার চেষ্টা করছিল। কিছুক্ষণ চেষ্টার পর মাস্কটি নিয়েই চলে যায় বানরটি।’

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, যততত্র ফেলে দেয়া এ ধরনের বর্জ্য মানুষ ছাড়া পরিবেশ ও প্রাণিকূলের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা বুড়িগঙ্গা নদীতে একটা সার্ভে করেছি। সেখানে নদী গর্ভে প্রচুর মাস্ক এবং গ্লাভস পেয়েছি। এছাড়া কিছু মাস্ক ভাসছে, আবার দুই কূলেও প্রচুর মাস্ক, গ্লাভস পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় ৯০ শতাংশ মাস্ক সিনথেটিক থেকে তৈরি। এক ধরনের পলি কেমিক্যাল থেকে এগুলো তৈরি হয়। এই পলি কেমিক্যাল থেকে কিন্তু পলিথিনও তৈরি হয়। বাজারের সার্জিক্যাল মাস্কগুলো এখন টিস্যু পলিব্যাগের উন্নত ভার্সন। পলিথিনের মতোই এগুলো সহজে গলবে না বা নষ্ট হবে না। ২০০ থেকে ৩০০ বছর লাগে একটা পলিথিন গলতে। এই মাস্কটাও গলতে অত্যন্ত ৫০ থেকে ৬০ বছর লাগবে। দীর্ঘ দিন মাটিতে থাকা এই বর্জ্য ড্রেনেজ সিস্টেম জ্যাম করে ওয়াটার লগিং, মাটির উর্বরতা কমানোসহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অনেক ক্ষতি করতে পারে।’

এই পরিবেশবিদ আরও বলেন, ‘প্রাণীরা এটাকে খাদ্য মনে করে খেয়ে ফেলতে পারে। এটা খেয়ে প্রাণীদের পাকস্থলিতে প্রভাব পড়তে পারে। প্রাণীদের মৃত্যুও ঘটতে পারে। নগর বর্জ্য হিসেবে এটাকে অনেক যায়গায় পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে টক্সিক গ্যাস তৈরি হচ্ছে, পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এই মাস্ক পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর।’

শুধু নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে দুই সিটি
মাস্ক নিয়ে যখন এমন খামখেয়ালি চলছে তখন নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং ও গণসংযোগে ব্যস্ত দুই সিটি করপোরশেন। গৃহস্থালি বর্জ্যের সঙ্গে মেডিকেল বর্জ্য আসায় সেগুলো আলাদা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

jagonews24

এ নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. বদরুল আমিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এই বর্জ্যগুলো আমরা কালেক্ট করার চেষ্টা করছি। মানুষকে যত্রতত্র মাস্ক ফেলতে নিষেধ করছি। আমাদের প্রচার অব্যাহত আছে। আমরা মাইকিং করছি, সবাইকে বোঝাতে চেষ্টা করছি যেন মাস্ক কিংবা গ্লাভস তারা জায়গা মতো ফেলেন। এছাড়া জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ বর্জ্য আর মেডিকেল বর্জ্য এখন একসঙ্গে আসছে। এগুলো আলাদা করতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে। রাস্তাঘাটে যারা ফেলছে, তারা তো ফেলছেই। রাস্তাঘাটে তো ফেলার কথা না লোকজনের। আমাদের ডাস্টবিনে, কন্টেইনারে ফেলার কথা। কিন্তু বাসা থেকে যখন দিচ্ছে তখন আলাদা করে দিচ্ছে না। আমরা কয়েক যায়গায় আলাদা করার চেষ্টা করছি, কিন্তু আলাদা হয়ে আসছে না। একসঙ্গেই ময়লাগুলো আসছে। এগুলো আলাদা করতে কষ্ট তো হচ্ছেই।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর এম সাইদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই এগুলো কালেকশন করার চেষ্টা করছি। মেডিকেল বর্জ্য নিয়ে কাজ করা সংগঠন প্রিজমের সঙ্গে যৌথভাবে আমরা কাজ চলছে। কোভিড-১৯ সুরক্ষায় ব্যবহৃত জিনিসগুলো আমরা আলাদা করে প্রিজমকে দিয়ে দিচ্ছি। কোনো কোনো এলাকায় এ ধরনের আবর্জনা থাকতে পারে। সেগুলো অপসারণে আমরা কাজ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে সেখানে মাস্ক কিংবা গ্লাভস না ফেলতে আমরা মাইকিং করছি, মসজিদে ইমামদের মাধ্যমে বলছি। নাগরিকদের বলছি, যেখানে সেখানে এগুলো না ফেলে এক জায়গায় রাখেন কিংবা আলাদা রাখেন। আমরা সেগুলো ডিসপোজ করার ব্যবস্থা করছি।’

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘মানুষ বাসা বাড়ি থেকে মাস্ক, গ্লাভস আলাদা করে দেবে এটা অবাস্তব চিন্তা। আমাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করলে ‘আমার মাস্ক আমি বাসা থেকে ম্যানেজ করব’ এটা অবাস্তব। এটা সিটি করপোরেশনকেই দেখতে হবে। এই মেডিকেল বর্জ্যকে আলাদা করে ডাম্প করতে হবে।’

নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন আনতে নিতে হবে পদক্ষেপ
নগর পরিকল্পনাবিদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক ড. আদিলুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুধু যে মাস্ক রাস্তাঘাটে ফেলা হচ্ছে তা তো নয়। চকলেটের প্যাকেট বা চিপসের প্যাকেট, সেটাও মানুষ রাস্তায় ফেলে দেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নাগরিকদের এই আচরণগত পরিবর্তন করতে কোনো কাজ করা হয়নি। একটা নির্দিষ্ট দূরত্বে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মানুষের অভ্যাসগত পরিবর্তন আনতে তাকে সতর্ক কিংবা আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচারও নেই, আবার পানিশমেন্টও নেই। এ কারণেই যত্রতত্র ময়লা ফেলাকে কেউ কিছু মনে করে না।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে উৎপন্ন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষায়িত পদক্ষেপ দরকার ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সেটা আমাদের দেশে হয়নি। বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে।’

তবে ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘মেডিকেল বর্জ্যকে আলাদা করতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। আলাদা করে এটাকে রিসাইকেল করতে হবে। পুনরায় ব্যবহারের চিন্তা করতে হবে।’

এসএম/এমএইচআর/এইচএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৭,৮৬,০৩,২১২
আক্রান্ত

৩৮,৬৬,৯৪৭
মৃত

১৬,৩১,২৩,৮৫৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৮,৪৪,৯৭০ ১৩,৩৯৯ ৭,৭৮,৪২১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৪৩,৯৩,২৬৯ ৬,১৬,৯২০ ২,৮৬,৭৫,৯২৯
ভারত ২,৯৮,২৩,৫৪৬ ৩,৮৫,১৬৭ ২,৮৬,৭৮,৩৯০
ব্রাজিল ১,৭৮,০২,১৭৬ ৪,৯৮,৬২১ ১,৬১,৩৬,৯৬৮
ফ্রান্স ৫৯,১৭,৩৯৭ ১,১০,৭০২ ৫৫,৪৬,৯২৬
তুরস্ক ৫৩,৫৯,৭২৮ ৪৯,০৭১ ৫২,২৪,২২৪
রাশিয়া ৫২,৮১,৩০৯ ১,২৮,৪৪৫ ৪৮,৫০,৬৫৯
যুক্তরাজ্য ৪৬,১০,৮৯৩ ১,২৭,৯৫৬ ৪৩,১০,৫৭২
ইতালি ৪২,৫০,৯০২ ১,২৭,২২৫ ৪০,৩১,৬০৫
১০ আর্জেন্টিনা ৪২,৪২,৭৬৩ ৮৮,২৪৭ ৩৮,৪৪,৩২৯
১১ কলম্বিয়া ৩৮,৮৮,৬১৪ ৯৮,৭৪৬ ৩৬,১৬,৬৮০
১২ স্পেন ৩৭,৫৭,৪৪২ ৮০,৬৫২ ৩৫,৪৪,২০৫
১৩ জার্মানি ৩৭,২৮,৫৫৯ ৯০,৮৭৭ ৩৫,৯৮,১০০
১৪ ইরান ৩০,৮০,৫২৬ ৮২,৭৪৬ ২৭,২২,৬১২
১৫ পোল্যান্ড ২৮,৭৮,৪৬৬ ৭৪,৭৮২ ২৬,৪৯,৮৭৯
১৬ মেক্সিকো ২৪,৭১,৭৪১ ২,৩০,৯৫৯ ১৯,৬৬,৭০২
১৭ ইউক্রেন ২২,২৮,১৯২ ৫১,৯৫২ ২১,৪৭,৯৭২
১৮ পেরু ২০,২৩,১৭৯ ১,৮৯,৯৩৩ ১৭,২০,৬৬৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৯,৬৩,২৬৬ ৫৪,০৪৩ ১৭,৭৯,১২৭
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭,৯৬,৫৮৯ ৫৮,৪৪১ ১৬,৩২,১৮২
২১ নেদারল্যান্ডস ১৬,৭৭,৫৯৬ ১৭,৭২৩ ১৫,৯৩,১৪৭
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৬৫,৮১৮ ৩০,২৭৫ ১৬,৩১,৬২৪
২৩ চিলি ১৫,০৫,০০১ ৩১,২৫৯ ১৪,৩১,৫১৫
২৪ কানাডা ১৪,০৭,২৬৯ ২৬,০২৩ ১৩,৬৮,৪৪৯
২৫ ফিলিপাইন ১৩,৪৬,২৭৬ ২৩,৩৮৫ ১২,৬১,১১৫
২৬ ইরাক ১২,৭৯,৬৯৭ ১৬,৮৩৪ ১১,৯২,২৮৫
২৭ সুইডেন ১০,৮৪,৬৩৬ ১৪,৫৩৭ ১০,৪০,৫৭৮
২৮ রোমানিয়া ১০,৮০,১৪০ ৩২,২১২ ১০,৪৪,৯১৯
২৯ বেলজিয়াম ১০,৭৮,২৫১ ২৫,১১৭ ১০,০৭,৭৮৫
৩০ পাকিস্তান ৯,৪৭,২১৮ ২১,৯৪০ ৮,৮৯,৭৮৭
৩১ পর্তুগাল ৮,৬২,৯২৬ ১৭,০৬১ ৮,১৮,৪৪০
৩২ ইসরায়েল ৮,৩৯,৭৬৯ ৬,৪৩০ ৮,৩৩,০৬১
৩৩ হাঙ্গেরি ৮,০৭,৪২৮ ২৯,৯৫০ ৭,৩৪,৬২৭
৩৪ জাপান ৭,৮০,৮৯৮ ১৪,৩২০ ৭,৪২,৮৪৮
৩৫ জর্ডান ৭,৪৫,৬৬৭ ৯,৬৪৭ ৭,২৯,৩৬৮
৩৬ সার্বিয়া ৭,১৫,৬০৪ ৬,৯৯০ ৭,০৫,২৩৯
৩৭ সুইজারল্যান্ড ৭,০১,৬২৭ ১০,৮৬৯ ৬,৭৪,১০৩
৩৮ মালয়েশিয়া ৬,৮৫,২০৪ ৪,২৭৬ ৬,১৫,৩২৬
৩৯ অস্ট্রিয়া ৬,৪৯,৩০৯ ১০,৬৭৭ ৬,৩৫,৫৪৪
৪০ নেপাল ৬,১৭,৯৪৭ ৮,৬৪১ ৫,৪৯,৬৮২
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬,০৮,০৭০ ১,৭৪৭ ৫,৮৭,১৬০
৪২ লেবানন ৫,৪৩,২৬৭ ৭,৮১৫ ৫,২৯,২২৮
৪৩ মরক্কো ৫,২৫,৯২৪ ৯,২৩৩ ৫,১২,৯৩৭
৪৪ সৌদি আরব ৪,৭১,৯৫৯ ৭,৬৫০ ৪,৫৩,২৫৯
৪৫ ইকুয়েডর ৪,৪৪,৩৯৫ ২১,২৩৪ ৪,০৭,৫১২
৪৬ বুলগেরিয়া ৪,২০,৯৬৪ ১৭,৯৮৭ ৩,৯২,৭৭২
৪৭ গ্রীস ৪,১৭,৭০৬ ১২,৫০৮ ৩,৯৬,৮৮০
৪৮ বলিভিয়া ৪,১৭,১৯৫ ১৫,৯২৪ ৩,৩২,৬৬২
৪৯ বেলারুশ ৪,০৯,৩৮৫ ৩,০২৫ ৪,০২,২০২
৫০ কাজাখস্তান ৪,০৭,৫৩১ ৪,২২৬ ৩,৮৩,২৩৯
৫১ প্যারাগুয়ে ৪,০৩,৩৯২ ১১,৪১১ ৩,৩৮,৫৫৬
৫২ পানামা ৩,৯২,১৬৬ ৬,৪৬৫ ৩,৭৫,৪৮৭
৫৩ স্লোভাকিয়া ৩,৯১,২৪৮ ১২,৪৭৮ ৩,৭৭,৭৫৯
৫৪ তিউনিশিয়া ৩,৭৮,৯৮২ ১৩,৮৭৪ ৩,৩০,৩৩১
৫৫ ক্রোয়েশিয়া ৩,৫৯,০৩১ ৮,১৬৮ ৩,৫০,১৬৩
৫৬ জর্জিয়া ৩,৫৭,৫৯১ ৫,১৩১ ৩,৪৩,৩৭৭
৫৭ উরুগুয়ে ৩,৫১,৩৭৮ ৫,২০৭ ৩,১৭,০১৬
৫৮ কোস্টারিকা ৩,৫০,৬৩০ ৪,৪৭৩ ২,৭২,১২৮
৫৯ কুয়েত ৩,৩৫,৮৭৪ ১,৮৫১ ৩,১৭,০৩১
৬০ আজারবাইজান ৩,৩৫,৩৯৯ ৪,৯৬১ ৩,২৯,৩৩৯
৬১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,১৪,০৩১ ৩,৭৪২ ২,৫৬,৮৭৪
৬২ ফিলিস্তিন ৩,১২,৪৯৯ ৩,৫৪৮ ৩,০৫,৬৫৮
৬৩ ডেনমার্ক ২,৯১,২২০ ২,৫২৮ ২,৮২,৮৭৮
৬৪ গুয়াতেমালা ২,৭৮,৪০৯ ৮,৫৯৫ ২,৫১,৮৩৭
৬৫ লিথুনিয়া ২,৭৮,২৫৪ ৪,৩৬০ ২,৬৫,০২৩
৬৬ মিসর ২,৭৬,১৯০ ১৫,৭৯১ ২,০৪,৭০১
৬৭ ইথিওপিয়া ২,৭৪,৮৯৯ ৪,২৭৬ ২,৫৩,৬৩৪
৬৮ আয়ারল্যান্ড ২,৬৮,৩৬৭ ৪,৯৪১ ২,৫১,৯৫২
৬৯ বাহরাইন ২,৬১,৯৮৮ ১,২৮৬ ২,৫১,৭৮৫
৭০ ভেনেজুয়েলা ২,৫৮,১৪০ ২,৯২৫ ২,৩৮,২৪১
৭১ স্লোভেনিয়া ২,৫৬,৮৭১ ৪,৪১১ ২,৫০,৫৬৬
৭২ মলদোভা ২,৫৬,০৫৪ ৬,১৬৫ ২,৪৯,০৬৬
৭৩ হন্ডুরাস ২,৫১,৯৬৬ ৬,৭৪৮ ৯১,৪৬৮
৭৪ ওমান ২,৪২,৭২৩ ২,৬২৬ ২,১৩,৮৮০
৭৫ শ্রীলংকা ২,৩৫,৪১৩ ২,৪৮০ ১,৯৭,২৫৯
৭৬ আর্মেনিয়া ২,২৪,০৮৬ ৪,৪৯২ ২,১৫,৮৯৩
৭৭ কাতার ২,২০,৫০৯ ৫৮২ ২,১৭,৯০১
৭৮ থাইল্যান্ড ২,১৪,৪৪৯ ১,৬০৯ ১,৮১,৩৫৮
৭৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৪,৮১৪ ৯,৬৩০ ১,৭৯,৮৫৮
৮০ লিবিয়া ১,৯০,৪২৬ ৩,১৭৩ ১,৭৫,৯২৩
৮১ কেনিয়া ১,৭৮,০৭৮ ৩,৪৩৭ ১,২২,৩৪৬
৮২ নাইজেরিয়া ১,৬৭,১৫৫ ২,১১৭ ১,৬৩,৫৪০
৮৩ কিউবা ১,৬৪,৮৯৬ ১,১৩২ ১,৫৫,৯৬০
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৫,৬১২ ৫,৪৭৪ ১,৪৯,৭২২
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৫০,৭২০ ১,৯৯৭ ১,৪২,৩৮৫
৮৬ মায়ানমার ১,৪৭,০৬৯ ৩,২৫১ ১,৩৩,৪৫২
৮৭ লাটভিয়া ১,৩৬,৬৫২ ২,৪৮৫ ১,৩২,০১৯
৮৮ আলজেরিয়া ১,৩৫,২১৯ ৩,৬১৫ ৯৪,০৯৩
৮৯ আলবেনিয়া ১,৩২,৪৮৪ ২,৪৫৪ ১,২৯,৯০৩
৯০ এস্তোনিয়া ১,৩০,৭৫১ ১,২৬৭ ১,২৬,৪৮৬
৯১ নরওয়ে ১,২৯,০৯৫ ৭৯০ ৮৮,৯৫২
৯২ জাম্বিয়া ১,২৫,১৫৭ ১,৫৫৪ ১,০৩,৮৮৪
৯৩ কিরগিজস্তান ১,১৩,৪৩০ ১,৯২০ ১,০৪,৩০২
৯৪ উজবেকিস্তান ১,০৫,২১৯ ৭১৭ ১,০১,০১৮
৯৫ আফগানিস্তান ১,০০,৫২১ ৪,০৩০ ৬৩,৪২৬
৯৬ মন্টিনিগ্রো ১,০০,০৩৬ ১,৬০৫ ৯৮,১০৪
৯৭ ঘানা ৯৪,৯১৩ ৭৯৩ ৯২,৮৮১
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৯৪,১৫৪ ৯৬৭ ৪৬,০০০
৯৯ চীন ৯১,৫৬৪ ৪,৬৩৬ ৮৬,৪২৫
১০০ মঙ্গোলিয়া ৯১,১৫১ ৪২৫ ৬২,৪৭২
১০১ ক্যামেরুন ৮০,৩২৮ ১,৩১৩ ৭৮,১৬২
১০২ এল সালভাদর ৭৬,৪৯৫ ২,৩২১ ৭০,৯৩১
১০৩ সাইপ্রাস ৭৩,৫২০ ৩৭৪ ৭১,৯৩৩
১০৪ মোজাম্বিক ৭২,১২৩ ৮৪৪ ৭০,০৩০
১০৫ মালদ্বীপ ৭১,৪৯৮ ২০৩ ৬৫,১৭৮
১০৬ লুক্সেমবার্গ ৭০,৫১৬ ৮১৮ ৬৯,২৯৪
১০৭ নামিবিয়া ৭০,১১২ ১,১০৭ ৫৭,৭১৬
১০৮ উগান্ডা ৬৮,৭৭৯ ৫৮৪ ৪৯,০২৬
১০৯ বতসোয়ানা ৬৩,২৪৭ ৯৪০ ৫৮,৫৪১
১১০ সিঙ্গাপুর ৬২,৩৮২ ৩৪ ৬১,৯৮৭
১১১ জ্যামাইকা ৪৯,৫৬৪ ১,০২৮ ২৮,৩৩৩
১১২ আইভরি কোস্ট ৪৭,৯৭৩ ৩০৬ ৪৭,৩৪৬
১১৩ সেনেগাল ৪২,২৫৯ ১,১৫৮ ৪০,৭৬৭
১১৪ মাদাগাস্কার ৪২,০৭৬ ৮৯৫ ৪০,৮৭০
১১৫ কম্বোডিয়া ৪১,৫৮১ ৩৯৪ ৩৫,৯৪০
১১৬ জিম্বাবুয়ে ৪১,৩৩৫ ১,৬৫৬ ৩৭,১৪৩
১১৭ অ্যাঙ্গোলা ৩৭,৪৬৭ ৮৫৩ ৩১,৫৬৯
১১৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩৬,৯৫৭ ৮৬৬ ২৭,৯১১
১১৯ সুদান ৩৬,৩৪৭ ২,৭৩৭ ৩০,০৬২
১২০ মালাউই ৩৪,৭৮১ ১,১৬৬ ৩২,৮২৪
১২১ কেপ ভার্দে ৩১,৯১০ ২৮১ ৩০,৯০৭
১২২ মালটা ৩০,৫৮৮ ৪২০ ৩০,১৩৬
১২৩ অস্ট্রেলিয়া ৩০,৩২২ ৯১০ ২৯,২৭২
১২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩০,১৮৩ ৭১৩ ২০,৮৯২
১২৫ রুয়ান্ডা ৩০,০৪৮ ৩৭৮ ২৬,৩৯৩
১২৬ রিইউনিয়ন ২৮,৪৪১ ২২০ ২৬,৩৩৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৬,৪৫০ ১৩৭ ৯,৯৯৫
১২৮ সিরিয়া ২৫,০৩৫ ১,৮৩৭ ২১,৭১৭
১২৯ গ্যাবন ২৪,৮৩২ ১৫৭ ২৪,১৬৫
১৩০ গিনি ২৩,৪৫০ ১৬৭ ২১,৪৯৮
১৩১ মৌরিতানিয়া ২০,২৮৮ ৪৮০ ১৯,৩৩০
১৩২ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৩ ২,৯৬৪
১৩৩ সুরিনাম ১৯,৫৭৬ ৪৪৩ ১৪,৯৬৭
১৩৪ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৯৬৩ ১৪২ ১৮,৭৮৭
১৩৫ গায়ানা ১৮,৮৩৭ ৪৪২ ১৬,৮৯৫
১৩৬ ইসওয়াতিনি ১৮,৮০০ ৬৭৭ ১৭,৯৯৭
১৩৭ হাইতি ১৭,০৪৮ ৩৬৯ ১২,৬১২
১৩৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১৬,৭৯৯ ১৬৭ ১৬,১৩২
১৩৯ গুয়াদেলৌপ ১৬,৭৫২ ২২৯ ২,২৫০
১৪০ সোমালিয়া ১৪,৮৪১ ৭৭৫ ৭,১৩৭
১৪১ মালি ১৪,৩৭৫ ৫২৪ ১০,০১৮
১৪২ সিসিলি ১৪,১২৩ ৫৫ ১২,৫০৫
১৪৩ এনডোরা ১৩,৮৪২ ১২৭ ১৩,৬৫০
১৪৪ তাইওয়ান ১৩,৭৭১ ৫১৮ ৮,০৪২
১৪৫ টোগো ১৩,৭০১ ১২৭ ১৩,৩৩৮
১৪৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৪৬২ ১৬৭ ১৩,২৮৭
১৪৭ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪৮ বেলিজ ১৩,০০৪ ৩২৮ ১২,৫৫১
১৪৯ ভিয়েতনাম ১২,৫০৮ ৬২ ৪,৭৩৩
১৫০ কিউরাসাও ১২,৩১৪ ১২৫ ১২,১৫১
১৫১ কঙ্গো ১২,২৯৮ ১৬১ ১১,২১১
১৫২ বাহামা ১২,২৪২ ২৪০ ১১,২০৮
১৫৩ মার্টিনিক ১২,১৭৮ ৯৮ ৯৮
১৫৪ হংকং ১১,৮৮৫ ২১০ ১১,৬০৮
১৫৫ জিবুতি ১১,৫৮৬ ১৫৪ ১১,৪২১
১৫৬ আরুবা ১১,১০৩ ১০৭ ১০,৯৬৭
১৫৭ লেসোথো ১১,০১০ ৩২৭ ৬,৪৪৫
১৫৮ দক্ষিণ সুদান ১০,৭৭০ ১১৫ ১০,৫১৪
১৫৯ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৬৯৮ ১২০ ৮,৪৮৯
১৬০ পূর্ব তিমুর ৮,৬০২ ১৯ ৭,৩৯৭
১৬১ বেনিন ৮,১৪০ ১০৩ ৭,৯৭৯
১৬২ নিকারাগুয়া ৭,৬৯৬ ১৮৮ ৪,২২৫
১৬৩ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১০১ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৪ ইয়েমেন ৬,৮৭৫ ১,৩৫২ ৩,৮৪৬
১৬৫ আইসল্যান্ড ৬,৬২৭ ৩০ ৬,৫৭৬
১৬৬ গাম্বিয়া ৬,০২৪ ১৮১ ৫,৮২৭
১৬৭ নাইজার ৫,৪৫৯ ১৯৩ ৫,১৭৮
১৬৮ ইরিত্রিয়া ৫,২৮৫ ১৯ ৪,৭৪৩
১৬৯ সেন্ট লুসিয়া ৫,২০৬ ৮০ ৫,০৫৩
১৭০ বুরুন্ডি ৫,১২১ ৭৭৩
১৭১ সান ম্যারিনো ৫,০৯০ ৯০ ৪,৯৯৯
১৭২ চাদ ৪,৯৪৫ ১৭৪ ৪,৭৬৮
১৭৩ সিয়েরা লিওন ৪,৬৩১ ৮২ ৩,২১২
১৭৪ জিব্রাল্টার ৪,৩১৮ ৯৪ ৪,২০৬
১৭৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১২৬ ৮৬ ৩,৯৯৪
১৭৬ বার্বাডোস ৪,০৪০ ৪৭ ৩,৯৮০
১৭৭ কমোরস ৩,৯০৫ ১৪৬ ৩,৭৪৫
১৭৮ গিনি বিসাউ ৩,৮২৪ ৬৯ ৩,৫৫৬
১৭৯ লিচেনস্টেইন ৩,০২৬ ৫৯ ২,৯৫৫
১৮০ লাইবেরিয়া ২,৮৩৪ ৯৫ ২,১০৫
১৮১ নিউজিল্যান্ড ২,৭১৪ ২৬ ২,৬৬৫
১৮২ সিন্ট মার্টেন ২,৫৬৪ ৩২ ২,৪৬৫
১৮৩ মোনাকো ২,৫৪৭ ৩৩ ২,৪৭৩
১৮৪ বারমুডা ২,৫০৪ ৩৩ ২,৪৬১
১৮৫ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪২৩ ১৮ ২,৩৮৯
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,১৮৩ ১২ ১,৯৩৪
১৮৭ সেন্ট মার্টিন ২,১৩৩ ১২ ১,৩৯৯
১৮৮ লাওস ২,০৪৭ ১,৯৩১
১৮৯ ভুটান ১,৮৮৯ ১,৫৪৪
১৯০ মরিশাস ১,৭০১ ১৮ ১,২৬৫
১৯১ ফিজি ১,৬৪৮ ৪৫২
১৯২ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬২৯ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯৩ আইল অফ ম্যান ১,৫৯৯ ২৯ ১,৫৬৬
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৬৩ ৪২ ১,২২১
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৭৬০ ৭৪৪
১৯৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৮ কেম্যান আইল্যান্ড ৬০৮ ৫৮৭
১৯৯ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০০ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০১ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩০৪ ৭০
২০২ ব্রুনাই ২৫১ ২৩৯
২০৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২৪৮ ২০৯
২০৪ ডোমিনিকা ১৯১ ১৮৯
২০৫ গ্রেনাডা ১৬১ ১৬০
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৮ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১০৯ ১০৯
২০৮ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৯ ম্যাকাও ৫৩ ৫১
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৪৯ ৪০
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৬ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]