যত্রতত্র ফেলা মাস্ক-গ্লাভস আনছে নতুন বিপদ

সাইফুল হক মিঠু
সাইফুল হক মিঠু সাইফুল হক মিঠু
প্রকাশিত: ০৮:৪০ এএম, ২১ ডিসেম্বর ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক-গ্লাভসসহ নানা ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করছেন নাগরিকরা। তবে ব্যবহৃত এসব সামগ্রী যেখানে-সেখানে ফেলায় সেগুলো জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে। নাগরিক শিষ্টাচার না মেনে ফেলা এসব সামগ্রী এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বলছে, এ বিষয়ে তারা ‘জনসচেতনতা’ তৈরির চেষ্টা করছে। অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস নিয়ে উদাসীনতার চরম মূল্য দিতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক শ্রেণির অসচেতন মানুষ ব্যবহারের পর যেখানে খুশি সেখানেই ফেলছেন মাস্ক, গ্লাভস। নগরীর প্রতিটি গলি, সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত সবখানেই ব্যবহৃত মাস্কের ছড়াছড়ি। পড়ে থাকা গ্লাভস ও আই-প্রোটেকশন গ্লাসের তুলনায় সাদা বা নীল রঙের সার্জিক্যাল মাস্কের পরিমাণই বেশি। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবকে দুষছেন নগরবাসী। তবে সরেজমিনে ঘুরে অসেচতনতা এবং আইনের প্রয়োগে উদাসীনতাই চোখে পড়েছে বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেলে দেয়া এসব সুরক্ষা সামগ্রী করোনা ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়া যেখানে সেখানে ফেলা মাস্ক হতে পারে নানাবিধ রোগের কারণ।

এ প্রসঙ্গে হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘কোভিড-১৯ আক্রান্ত বা উপসর্গহীন মানুষ যেসব মাস্ক ব্যবহার করে সেগুলো করোনাভাইরাস ছড়ানোর একটি মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। এসব মাস্ক কিংবা গ্লাভস যেখানে সেখানে ফেলা যাবে না। এই বিষয়টা মানুষকে বোঝাতে হবে। কোভিড-১৯ রোগী অথবা সন্দেহজনক কোভিড-১৯ রোগীর ব্যবহৃত মাস্কের মাধ্যমে ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়াতে পারে। এগুলো অন্যান্য রোগ ছড়ানোরও উপকরণ।’

রাজধানীর বনানী এলাকায় রাস্তায় পড়ে থাকা মাস্ক দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, ‘ডাস্টবিনে যে ময়লা ফেলতে হবে এই সংস্কৃতি আমাদের গড়ে ওঠেনি। রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলা আমাদের এখানে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এজন্য কারও কোনো শাস্তি হয় না। বনানীর মতো অভিজাত এলাকায়ও রাস্তার পাশে কোনো ডাস্টবিন নেই। এই মাস্কগুলো থেকে অন্যেরও রোগ হতে পারে। শুধু মাস্ক নয়, যে কোনো আবর্জনাই নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা উচিত।’

মহাখালীতে রিকশাচালক হাশেম আলী বলেন, ‘এখন রাস্তায় গাছের পাতার চেয়ে মাস্ক বেশি। সবাইতো এখন মাস্ক ব্যবহার করে। রাস্তায় মাস্ক তো থাকবোই। এই মাস্কে হাঁচি, কাশি থাকে। আর একজনের ব্যবহার করা জিনিস থেকে রোগ হতে পারে।’

মাস্ক ব্যবহারের সরকারি বিধিতে নেই কোনো নির্দেশনা
করোনা সংক্রমণ বাড়লে সরকারি অফিস আদালত এবং জনসমাগম হয় এমন সব জায়গায় মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাস্ক ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের ২১ জুলাই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, ‘সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট অফিসে আগত সেবাগ্রহীতারা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করবেন। সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।’

সরকারি-বেসরকারি অফিস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, শপিং মল, হাটবাজার, গণপরিবহন, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, হোটেল-রেস্তোঁরাসহ সকল প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠানে সবাইকে এই নির্দেশনা মানতে বলা হয়। এছাড়া বাড়িতে করোনা উপসর্গের কোনো রোগী থাকলে পরিবারের সুস্থ সদস্যদেরও মাস্ক ব্যবহার করতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

jagonews24

তবে মাস্ক ব্যবহারের পরে সেগুলো কী করতে হবে সে সম্পর্কিত কোনো কিছুই এ নির্দেশনায় বলা হয়নি।

স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি পরিবেশের ঝুঁকি
সম্প্রতি বান্দরবানের নীলাচল পাহাড়ে সার্জিক্যাল মাস্কসহ একটি বানরকে ক্যামেরাবন্দি করেন বন্যপ্রাণী গবেষক আদনান আজাদ আসিফ। পরিবেশ বিষয়ক ম্যাগাজিন বেঙ্গল ডিসকাভার থেকে এ ঘটনা জানা যায়।

সেখানে আদনান আজাদ আসিফ বলেন, ‘পাহাড়টিতে পর্যটকদের ফেলা মাস্ক একটি বানর কুড়িয়ে নিয়ে ঠিক মানুষের মতো করেই পরার চেষ্টা করছিল। কিছুক্ষণ চেষ্টার পর মাস্কটি নিয়েই চলে যায় বানরটি।’

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, যততত্র ফেলে দেয়া এ ধরনের বর্জ্য মানুষ ছাড়া পরিবেশ ও প্রাণিকূলের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা বুড়িগঙ্গা নদীতে একটা সার্ভে করেছি। সেখানে নদী গর্ভে প্রচুর মাস্ক এবং গ্লাভস পেয়েছি। এছাড়া কিছু মাস্ক ভাসছে, আবার দুই কূলেও প্রচুর মাস্ক, গ্লাভস পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় ৯০ শতাংশ মাস্ক সিনথেটিক থেকে তৈরি। এক ধরনের পলি কেমিক্যাল থেকে এগুলো তৈরি হয়। এই পলি কেমিক্যাল থেকে কিন্তু পলিথিনও তৈরি হয়। বাজারের সার্জিক্যাল মাস্কগুলো এখন টিস্যু পলিব্যাগের উন্নত ভার্সন। পলিথিনের মতোই এগুলো সহজে গলবে না বা নষ্ট হবে না। ২০০ থেকে ৩০০ বছর লাগে একটা পলিথিন গলতে। এই মাস্কটাও গলতে অত্যন্ত ৫০ থেকে ৬০ বছর লাগবে। দীর্ঘ দিন মাটিতে থাকা এই বর্জ্য ড্রেনেজ সিস্টেম জ্যাম করে ওয়াটার লগিং, মাটির উর্বরতা কমানোসহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অনেক ক্ষতি করতে পারে।’

এই পরিবেশবিদ আরও বলেন, ‘প্রাণীরা এটাকে খাদ্য মনে করে খেয়ে ফেলতে পারে। এটা খেয়ে প্রাণীদের পাকস্থলিতে প্রভাব পড়তে পারে। প্রাণীদের মৃত্যুও ঘটতে পারে। নগর বর্জ্য হিসেবে এটাকে অনেক যায়গায় পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে টক্সিক গ্যাস তৈরি হচ্ছে, পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এই মাস্ক পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর।’

শুধু নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে দুই সিটি
মাস্ক নিয়ে যখন এমন খামখেয়ালি চলছে তখন নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং ও গণসংযোগে ব্যস্ত দুই সিটি করপোরশেন। গৃহস্থালি বর্জ্যের সঙ্গে মেডিকেল বর্জ্য আসায় সেগুলো আলাদা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।

jagonews24

এ নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. বদরুল আমিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এই বর্জ্যগুলো আমরা কালেক্ট করার চেষ্টা করছি। মানুষকে যত্রতত্র মাস্ক ফেলতে নিষেধ করছি। আমাদের প্রচার অব্যাহত আছে। আমরা মাইকিং করছি, সবাইকে বোঝাতে চেষ্টা করছি যেন মাস্ক কিংবা গ্লাভস তারা জায়গা মতো ফেলেন। এছাড়া জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ বর্জ্য আর মেডিকেল বর্জ্য এখন একসঙ্গে আসছে। এগুলো আলাদা করতে আমাদের কষ্ট হচ্ছে। রাস্তাঘাটে যারা ফেলছে, তারা তো ফেলছেই। রাস্তাঘাটে তো ফেলার কথা না লোকজনের। আমাদের ডাস্টবিনে, কন্টেইনারে ফেলার কথা। কিন্তু বাসা থেকে যখন দিচ্ছে তখন আলাদা করে দিচ্ছে না। আমরা কয়েক যায়গায় আলাদা করার চেষ্টা করছি, কিন্তু আলাদা হয়ে আসছে না। একসঙ্গেই ময়লাগুলো আসছে। এগুলো আলাদা করতে কষ্ট তো হচ্ছেই।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর এম সাইদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা প্রথম থেকেই এগুলো কালেকশন করার চেষ্টা করছি। মেডিকেল বর্জ্য নিয়ে কাজ করা সংগঠন প্রিজমের সঙ্গে যৌথভাবে আমরা কাজ চলছে। কোভিড-১৯ সুরক্ষায় ব্যবহৃত জিনিসগুলো আমরা আলাদা করে প্রিজমকে দিয়ে দিচ্ছি। কোনো কোনো এলাকায় এ ধরনের আবর্জনা থাকতে পারে। সেগুলো অপসারণে আমরা কাজ করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে সেখানে মাস্ক কিংবা গ্লাভস না ফেলতে আমরা মাইকিং করছি, মসজিদে ইমামদের মাধ্যমে বলছি। নাগরিকদের বলছি, যেখানে সেখানে এগুলো না ফেলে এক জায়গায় রাখেন কিংবা আলাদা রাখেন। আমরা সেগুলো ডিসপোজ করার ব্যবস্থা করছি।’

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘মানুষ বাসা বাড়ি থেকে মাস্ক, গ্লাভস আলাদা করে দেবে এটা অবাস্তব চিন্তা। আমাদের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করলে ‘আমার মাস্ক আমি বাসা থেকে ম্যানেজ করব’ এটা অবাস্তব। এটা সিটি করপোরেশনকেই দেখতে হবে। এই মেডিকেল বর্জ্যকে আলাদা করে ডাম্প করতে হবে।’

নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তন আনতে নিতে হবে পদক্ষেপ
নগর পরিকল্পনাবিদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক ড. আদিলুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুধু যে মাস্ক রাস্তাঘাটে ফেলা হচ্ছে তা তো নয়। চকলেটের প্যাকেট বা চিপসের প্যাকেট, সেটাও মানুষ রাস্তায় ফেলে দেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত নাগরিকদের এই আচরণগত পরিবর্তন করতে কোনো কাজ করা হয়নি। একটা নির্দিষ্ট দূরত্বে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি মানুষের অভ্যাসগত পরিবর্তন আনতে তাকে সতর্ক কিংবা আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচারও নেই, আবার পানিশমেন্টও নেই। এ কারণেই যত্রতত্র ময়লা ফেলাকে কেউ কিছু মনে করে না।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে উৎপন্ন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষায়িত পদক্ষেপ দরকার ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সেটা আমাদের দেশে হয়নি। বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে।’

তবে ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, ‘মেডিকেল বর্জ্যকে আলাদা করতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। আলাদা করে এটাকে রিসাইকেল করতে হবে। পুনরায় ব্যবহারের চিন্তা করতে হবে।’

এসএম/এমএইচআর/এইচএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৪,১৫,৬২,২৫৩
আক্রান্ত

৪৯,১৫,৯৯৫
মৃত

২১,৮৭,৮৮,৯১০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৬৫,৪৮৮ ২৭,৭৬৮ ১৫,২৭,৮৬২
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৫৭,৯২,৫৩২ ৭,৪৪,৫৪৬ ৩,৫৩,৭৪,৫৯৫
ভারত ৩,৪০,৮১,৩১৫ ৪,৫২,৩২১ ৩,৩৪,৩৯,৩৩১
ব্রাজিল ২,১৬,৪৪,৪৬৪ ৬,০৩,৩২৪ ২,০৭,৯৪,৪৯৭
যুক্তরাজ্য ৮৪,৪৯,১৬৫ ১,৩৮,৫৮৪ ৬৯,১৬,৪৩৯
রাশিয়া ৮০,২৭,০১২ ২,২৪,৩১০ ৭০,১৭,০৫৫
তুরস্ক ৭৬,৫৪,২৭৭ ৬৭,৬২৩ ৭০,৮৯,৭৬৬
ফ্রান্স ৭০,৮৯,০৫২ ১,১৭,২৬৫ ৬৮,৭৮,৩৬৮
ইরান ৫৭,৮৪,৮১৫ ১,২৪,০৭৫ ৫৩,২৪,১০৮
১০ আর্জেন্টিনা ৫২,৭২,৫৫১ ১,১৫,৬৬৬ ৫১,৩৯,৬১৫
১১ স্পেন ৪৯,৮৪,৩৮৬ ৮৬,৯৭৪ ৪৮,২৫,৭৯৪
১২ কলম্বিয়া ৪৯,৮১,৫৩২ ১,২৬,৮৬৫ ৪৮,২৫,২৬৫
১৩ ইতালি ৪৭,১৭,৮৯৯ ১,৩১,৫৪১ ৪৫,০৮,৭৮৯
১৪ জার্মানি ৪৩,৯৩,২২১ ৯৫,৪৫৪ ৪১,৫৫,০০০
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৩৫,৩৮৪ ১,৪২,৯৯৯ ৪০,৭৫,০১১
১৬ মেক্সিকো ৩৭,৫৭,০৫৬ ২,৮৪,৩৮১ ৩১,১৭,২৫৪
১৭ পোল্যান্ড ২৯,৪১,১২৬ ৭৬,১১৫ ২৬,৭৭,৫৩৭
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,১৬,৫৯৩ ৮৮,৬১২ ২৮,০৫,১৮৬
১৯ ফিলিপাইন ২৭,২৭,২৮৬ ৪০,৭৬১ ২৬,১৭,৬৯৩
২০ ইউক্রেন ২৬,৪৪,৬৯৪ ৬০,৮১০ ২৩,২৯,৪১৮
২১ মালয়েশিয়া ২৩,৯০,৬৮৭ ২৭,৯২১ ২২,৭০,৫২০
২২ পেরু ২১,৯০,০০৯ ১,৯৯,৮৪৩ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ২০,৪৭,৭১১ ১৮,২৪৮ ১৯,৬৩,০১০
২৪ ইরাক ২০,৩৫,৪৫৩ ২২,৭৫৬ ১৯,৬৭,৮৬২
২৫ থাইল্যান্ড ১৭,৯৩,৮১২ ১৮,৩৩৬ ১৬,৬৮,২৫০
২৬ জাপান ১৭,১৪,৭২০ ১৮,১০৩ ১৬,৮৮,৯৬৩
২৭ চেক প্রজাতন্ত্র ১৭,০৯,৭১৬ ৩০,৫৫৪ ১৬,৬২,৯৪৮
২৮ কানাডা ১৬,৭৯,৮৬৯ ২৮,৪৯৩ ১৬,১৫,৯৯২
২৯ চিলি ১৬,৭০,৭৫০ ৩৭,৬০৯ ১৬,২২,১৬৮
৩০ রোমানিয়া ১৪,৬৭,৪০১ ৪২,০৪২ ১২,৪৫,৪২২
৩১ ইসরায়েল ১৩,১৬,৮৩৪ ৭,৯৯৯ ১২,৯০,৮৭৩
৩২ বেলজিয়াম ১২,৭৯,৮৬৯ ২৫,৭৪৭ ১১,৮৬,৩৭৪
৩৩ পাকিস্তান ১২,৬৫,০৪৭ ২৮,২৮০ ১২,১০,৮৯৭
৩৪ সুইডেন ১১,৬১,৯৩৩ ১৪,৯১৬ ১১,৩০,৮৫২
৩৫ পর্তুগাল ১০,৭৯,৮০৬ ১৮,০৯৭ ১০,৩১,৪০০
৩৬ সার্বিয়া ১০,৪৮,৮৩৫ ৯,১০৫ ৯,১৭,২১৭
৩৭ মরক্কো ৯,৪২,১৩২ ১৪,৫৪৪ ৯,২১,৬২৮
৩৮ কিউবা ৯,৩৪,৯৬৫ ৮,০৫৮ ৯,১৮,১৬৭
৩৯ কাজাখস্তান ৯,১৮,১৪৬ ১১,৭৫১ ৮,৬০,১২০
৪০ ভিয়েতনাম ৮,৬৪,০৫৩ ২১,১৯৪ ৭,৯১,৮৪৪
৪১ সুইজারল্যান্ড ৮,৫৬,৯৫৫ ১১,১৭৪ ৮,১১,৯৪১
৪২ জর্ডান ৮,৪১,৪৮৯ ১০,৮৭৯ ৮,১৫,৪০৩
৪৩ হাঙ্গেরি ৮,৩৬,৩৮৯ ৩০,৪০২ ৭,৯১,৯৯৮
৪৪ নেপাল ৮,০৫,৫৬০ ১১,২৯৩ ৭,৮২,৩৯৩
৪৫ অস্ট্রিয়া ৭,৭৭,৬৭৯ ১১,১৮০ ৭,৪৪,৩২৮
৪৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৩৮,৫৮৬ ২,১২০ ৭,৩২,২৯৫
৪৭ তিউনিশিয়া ৭,১০,৯০৬ ২৫,০৯৮ ৬,৮৪,৪০৩
৪৮ গ্রীস ৬,৯৩,৮৮৬ ১৫,৩৭৫ ৬,৫১,১৬৯
৪৯ জর্জিয়া ৬,৬৪,৮১৩ ৯,৫১০ ৬,১৪,৮৫৫
৫০ লেবানন ৬,৩৩,৯০৯ ৮,৪২৫ ৬,০৭,৭৬০
৫১ গুয়াতেমালা ৫,৮৮,০৬৯ ১৪,৩৩০ ৫,৬১,৪৩৪
৫২ বেলারুশ ৫,৭৩,৯৪৩ ৪,৪১৭ ৫,৪৬,৪১৫
৫৩ কোস্টারিকা ৫,৫১,১৪৪ ৬,৭৯৭ ৪,৭০,০৫৬
৫৪ সৌদি আরব ৫,৪৭,৯৩১ ৮,৭৬৩ ৫,৩৬,৯৪৭
৫৫ বুলগেরিয়া ৫,৪০,৬১৯ ২২,২৭৪ ৪,৫৭,৮৬০
৫৬ শ্রীলংকা ৫,৩১,৬৪৮ ১৩,৪৮৪ ৪,৯২,৬২১
৫৭ ইকুয়েডর ৫,১৩,০২৬ ৩২,৮৯৯ ৪,৪৩,৮৮০
৫৮ বলিভিয়া ৫,০৬,৬৫৪ ১৮,৮৩৪ ৪,৬৮,৯৩৯
৫৯ আজারবাইজান ৫,০২,২০৭ ৬,৭৬৫ ৪,৭৮,৪০৩
৬০ মায়ানমার ৪,৮৭,৮৫৩ ১৮,৩৫৯ ৪,৪০,২৫৯
৬১ পানামা ৪,৭০,২৬৪ ৭,২৯১ ৪,৬০,৬৬৭
৬২ প্যারাগুয়ে ৪,৬০,৫২৯ ১৬,২২৮ ৪,৪৪,০০৬
৬৩ স্লোভাকিয়া ৪,৩৭,৯৩৮ ১২,৮৫৪ ৪,০৩,৪১৪
৬৪ ক্রোয়েশিয়া ৪,২৮,২৩৩ ৮,৯০৭ ৪,১০,০২৭
৬৫ ফিলিস্তিন ৪,১৮,৬৭৫ ৪,৩২২ ৪,০২,৪০৫
৬৬ আয়ারল্যান্ড ৪,১৫,১১৪ ৫,৩০৬ ৩,৬৭,৩৮১
৬৭ কুয়েত ৪,১২,৩৩২ ২,৪৫৭ ৪,০৯,৩০৮
৬৮ ভেনেজুয়েলা ৩,৯২,৭৬২ ৪,৭১৯ ৩,৭২,৮৬৩
৬৯ উরুগুয়ে ৩,৯১,০৪৪ ৬,০৬৯ ৩,৮৩,৩৯৯
৭০ হন্ডুরাস ৩,৭২,১৭৯ ১০,০৯৭ ১,১৩,৬৭৬
৭১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৭০,৪৫১ ৪,০৮৭ ৩,৫৮,৭৭৭
৭২ লিথুনিয়া ৩,৭০,১১৯ ৫,৪৫৬ ৩,২৯,৬১৫
৭৩ ডেনমার্ক ৩,৬৮,৬৫১ ২,৬৮৫ ৩,৫৭,২৯৫
৭৪ ইথিওপিয়া ৩,৫৯,২৪৭ ৬,২১৭ ৩,২৮,৯৬২
৭৫ লিবিয়া ৩,৫০,৬২৮ ৪,৯০৪ ২,৮০,৯৫১
৭৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৩,৪৩,৪৪৫ ২,৬৬৮ ৩,১১,৭৮১
৭৭ মঙ্গোলিয়া ৩,৩৯,৫৩৬ ১,৫৫৬ ৩,০৭,১৯২
৭৮ মিসর ৩,১৮,৪৫৬ ১৭,৯৭০ ২,৬৮,৮৪৩
৭৯ মলদোভা ৩,১৬,৫২৯ ৭,২৪১ ২,৯৫,৬০৪
৮০ স্লোভেনিয়া ৩,০৮,৫০১ ৪,৬৪১ ২,৯১,৪৫২
৮১ ওমান ৩,০৪,০৬৬ ৪,১০৬ ২,৯৯,৪৩৪
৮২ আর্মেনিয়া ২,৮৩,১৮৩ ৫,৮০৫ ২,৫৪,৯৩২
৮৩ বাহরাইন ২,৭৬,১১৮ ১,৩৯১ ২,৭৪,০৭৬
৮৪ কেনিয়া ২,৫২,০৩৩ ৫,২২৩ ২,৪৫,২৫৪
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৩,৯১৪ ১১,১১০ ১,৯২,২১৮
৮৬ কাতার ২,৩৭,৯২৯ ৬০৮ ২,৩৬,৪২৩
৮৭ জাম্বিয়া ২,০৯,৫২১ ৩,৬৫৮ ২,০৫,৬৬৭
৮৮ নাইজেরিয়া ২,০৯,২৯৮ ২,৮৩৭ ১,৯৭,১৪৩
৮৯ আলজেরিয়া ২,০৫,২৮৬ ৫,৮৭২ ১,৪০,৭৫৮
৯০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৯৭,০৯১ ৬,৯৪০ ১,৮৩,২২৭
৯১ নরওয়ে ১,৯৬,৩৫১ ৮৮৪ ৮৮,৯৫২
৯২ লাটভিয়া ১,৮৬,৮৬৯ ২,৮৯৭ ১,৫৮,৯০০
৯৩ বতসোয়ানা ১,৮১,৮৫৬ ২,৩৮৬ ১,৭৮,১২৪
৯৪ উজবেকিস্তান ১,৮১,৩১২ ১,২৯০ ১,৭৭,২১৩
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৭৯,৯১৩ ২,৬৩৬ ১,৭৪,৬৯২
৯৬ আলবেনিয়া ১,৭৭,৯৭১ ২,৮২০ ১,৬৮,৮৮৩
৯৭ এস্তোনিয়া ১,৭৩,৩৩৫ ১,৪২৯ ১,৫৪,০৩৫
৯৮ আফগানিস্তান ১,৫৫,৭৭৬ ৭,২৪৬ ১,২৭,১৪৩
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৫১,২০৭ ১,১২০ ৪৬,০০০
১০০ মোজাম্বিক ১,৫১,১০২ ১,৯২৬ ১,৪৮,১৮৭
১০১ সিঙ্গাপুর ১,৪৮,১৭৮ ২৩৩ ১,২১,৯৬৫
১০২ অস্ট্রেলিয়া ১,৪৫,৩১৪ ১,৫৪৩ ১,১০,০৯২
১০৩ মন্টিনিগ্রো ১,৩৭,৭৬৯ ২,০২৩ ১,৩০,৯১০
১০৪ জিম্বাবুয়ে ১,৩২,৩৬৮ ৪,৬৫৮ ১,২৬,৩০৮
১০৫ ঘানা ১,২৯,৪৪০ ১,১৬৭ ১,২৫,৮৩৯
১০৬ নামিবিয়া ১,২৮,৩২৮ ৩,৫৩৮ ১,২৩,৮৮০
১০৭ উগান্ডা ১,২৫,১৮৬ ৩,১৮৫ ৯৬,৩৭৮
১০৮ সাইপ্রাস ১,২০,৬৪০ ৫৬৩ ৯০,৭৫৫
১০৯ কম্বোডিয়া ১,১৬,৮৬০ ২,৬৭০ ১,১১,১৪৯
১১০ এল সালভাদর ১,১০,১৮৮ ৩,৪৭৭ ৯২,১৭৩
১১১ রুয়ান্ডা ৯৯,১৪৫ ১,৩১৩ ৪৫,৫০৬
১১২ ক্যামেরুন ৯৮,৪০২ ১,৫৫০ ৮০,৪৩৩
১১৩ চীন ৯৬,৫৪৬ ৪,৬৩৬ ৯১,৩৯৪
১১৪ জ্যামাইকা ৮৭,৩৮৯ ২,১১০ ৫৫,৪৬২
১১৫ মালদ্বীপ ৮৬,১৬৫ ২৩৮ ৮৪,৬২৭
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৭৯,৭২০ ৮৩৯ ৭৭,৪৪৭
১১৭ সেনেগাল ৭৩,৮৭৩ ১,৮৭১ ৭১,৯৭৫
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ৬২,৮৪২ ১,৬৬৪ ৫০,৬২৬
১১৯ মালাউই ৬১,৭১৬ ২,২৯২ ৫৬,৮২৫
১২০ আইভরি কোস্ট ৬১,০৩৮ ৬৮২ ৫৯,৪৪৭
১২১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৭,২৬৯ ১,০৮৯ ৫০,৯৩০
১২২ গুয়াদেলৌপ ৫৪,১৫২ ৭৩১ ২,২৫০
১২৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৫৪,১১৪ ১,৬০০ ৪৮,১৪১
১২৪ রিইউনিয়ন ৫৪,০২৪ ৩৭০ ৫৩,৫২০
১২৫ ফিজি ৫১,৭০১ ৬৬৩ ৪৮,২২১
১২৬ সুরিনাম ৪৬,৪৪৭ ১,০২২ ২৭,০৭১
১২৭ ইসওয়াতিনি ৪৬,৩৬৩ ১,২৩৩ ৪৪,৯১২
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩,৩৭৬ ২৯৫ ৯,৯৯৫
১২৯ মাদাগাস্কার ৪২,৮৯৮ ৯৫৮ ৪২,৫৪৫
১৩০ মার্টিনিক ৪২,১৬৭ ৬৩৮ ১০৪
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪০,১৭৮ ৬৩৩ ৩৩,৫০০
১৩২ সুদান ৩৯,৫৫০ ৩,০৩৮ ৩২,৮৭২
১৩৩ সিরিয়া ৩৯,০৮৬ ২,৪০৮ ২৫,০১৫
১৩৪ কেপ ভার্দে ৩৮,০৪০ ৩৪৭ ৩৭,২৮১
১৩৫ মালটা ৩৭,৪৬৪ ৪৫৯ ৩৬,৩৪১
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৬,৬৭৭ ৭৮৮ ৩৫,৪৪৬
১৩৭ গায়ানা ৩৪,৪৫৫ ৮৭০ ২৯,৭৩২
১৩৮ গ্যাবন ৩৩,৪৪২ ২১৩ ২৭,৮৭৯
১৩৯ লাওস ৩২,০২৯ ৪০ ৬,৫৫৮
১৪০ গিনি ৩০,৫৭২ ৩৮৫ ২৯,২৩৩
১৪১ তানজানিয়া ২৬,০৩৪ ৭২৪ ১৮৩
১৪২ টোগো ২৫,৮৯৯ ২৩৯ ২৫,১৯৪
১৪৩ বেনিন ২৪,৫৬০ ১৬১ ২৩,৯৭১
১৪৪ পাপুয়া নিউ গিনি ২৪,০৪১ ২৬৬ ১৯,৮৪০
১৪৫ বেলিজ ২৩,৯৯০ ৪৬১ ২০,৭২৪
১৪৬ হাইতি ২২,৯৩৩ ৬৫৭ ২০,০৪৩
১৪৭ সিসিলি ২১,৮৩৩ ১১৯ ২১,৪৩০
১৪৮ বাহামা ২১,৫৮০ ৫৯০ ১৯,৬৮৩
১৪৯ লেসোথো ২১,৫৩০ ৬৫৫ ১১,৯৯৭
১৫০ সোমালিয়া ২১,২৬৯ ১,১৮০ ৯,৯২৭
১৫১ মায়োত্তে ২০,৪৩৯ ১৮১ ২,৯৬৪
১৫২ পূর্ব তিমুর ১৯,৭২৫ ১১৯ ১৯,৫০৮
১৫৩ বুরুন্ডি ১৯,৫৫৫ ৩৮ ৭৭৩
১৫৪ তাজিকিস্তান ১৭,০৮৬ ১২৪ ১৬,৯৬০
১৫৫ কিউরাসাও ১৬,৯৩৪ ১৭১ ১৬,৪৮৭
১৫৬ মরিশাস ১৬,৬২১ ১২৯ ১,৮৫৪
১৫৭ তাইওয়ান ১৬,৩৩৭ ৮৪৬ ১৫,৩৫২
১৫৮ নিকারাগুয়া ১৫,৭৩৭ ২০৬ ৪,২২৫
১৫৯ আরুবা ১৫,৭২০ ১৭০ ১৫,৩৯৫
১৬০ মালি ১৫,৬১৯ ৫৫৭ ১৪,৪৭৮
১৬১ কঙ্গো ১৫,৫১৪ ২২২ ১২,৪২১
১৬২ এনডোরা ১৫,৩৩৮ ১৩০ ১৫,১৩৯
১৬৩ বুর্কিনা ফাঁসো ১৪,৭৩৪ ২০৩ ১৪,১৬৪
১৬৪ জিবুতি ১৩,৩৯৬ ১৭৯ ১৩,০৬১
১৬৫ বার্বাডোস ১২,৯৬৮ ১১৯ ৯,৩৩০
১৬৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২,৮৪০ ১৫৬ ১২,২৬৩
১৬৭ আইসল্যান্ড ১২,৪৫৫ ৩৩ ১১,৯২৩
১৬৮ হংকং ১২,৩০০ ২১৩ ১১,৯৯৪
১৬৯ সেন্ট লুসিয়া ১২,২২৮ ২৩৬ ১১,৪৩৯
১৭০ দক্ষিণ সুদান ১২,১৮৪ ১৩০ ১১,৭২৬
১৭১ চ্যানেল আইল্যান্ড ১২,১৭৪ ৯৮ ১১,৬৫৬
১৭২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৪৬৯ ১০০ ৬,৮৫৯
১৭৩ ব্রুনাই ১০,৮৬০ ৭৩ ৮,০৪৫
১৭৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১০,০৭০ ২৪২ ৫৮
১৭৫ গাম্বিয়া ৯,৯৪৬ ৩৩৯ ৯,৬০০
১৭৬ ইয়েমেন ৯,৫২৬ ১,৮০৪ ৬,০৫৪
১৭৭ আইল অফ ম্যান ৮,৫৭৮ ৫৪ ৭,৬৮১
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৬,৭৭৪ ৪৫ ৬,৬৭৭
১৭৯ সিয়েরা লিওন ৬,৩৯৬ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮০ নাইজার ৬,১৭০ ২০৪ ৫,৮৫৮
১৮১ গিনি বিসাউ ৬,১৩০ ১৪১ ৫,৩৯৬
১৮২ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৬ ৫,৪৫৮
১৮৩ জিব্রাল্টার ৫,৭৫৮ ৯৮ ৫,৪৯৯
১৮৪ গ্রেনাডা ৫,৭৪৬ ১৯২ ৫,৪২২
১৮৫ বারমুডা ৫,৫৬৭ ৯৫ ৫,১২২
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৪৭০ ৯১ ৫,৩৪৩
১৮৭ চাদ ৫,০৬৭ ১৭৪ ৪,৮৭৪
১৮৮ নিউজিল্যান্ড ৫,০৫৫ ২৮ ৪,৩৭৫
১৮৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৪,৬২৩ ৫৩ ২,৮৫৩
১৯০ সিন্ট মার্টেন ৪,৪৪৪ ৭১ ৪,৩০৯
১৯১ কমোরস ৪,১৯০ ১৪৭ ৪,০২১
১৯২ ডোমিনিকা ৪,১৫৩ ২৮ ৩,৮৪১
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৩,৯১৮ ৯৫ ৩,১২১
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৩,৮১৯ ৫৫ ১,৩৯৯
১৯৫ লিচেনস্টেইন ৩,৪৯০ ৬০ ৩,৩৯০
১৯৬ মোনাকো ৩,৩৫৮ ৩৩ ৩,২৮৪
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৯২৫ ২৩ ২,৮৫৫
১৯৮ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৭২৫ ৩৭ ২,৬৪৯
১৯৯ ভুটান ২,৬১৭ ২,৬০৫
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৫৫০ ২১ ১,৮৩৫
২০১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,৩৩৫ ১৯ ৬,৪৪৫
২০২ সেন্ট বারথেলিমি ১,৫৮৮ ৪৬২
২০৩ ফারে আইল্যান্ড ১,৩৫০ ১,২৬১
২০৪ কেম্যান আইল্যান্ড ১,০১১ ৮২৭
২০৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ৬৬৮ ৫৮৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ৬৫৪ ৬৯১
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৯ ম্যাকাও ৭৭ ৬৬
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৮ ৬৭
২১১ মন্টসেরাট ৪১ ৩১
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩২ ৩২
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৯ ভানুয়াতু
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]