ক্যানসার-করোনার ওষুধও নকল, মিটফোর্ড থেকে ছড়ায় সারাদেশে

তৌহিদুজ্জামান তন্ময়
তৌহিদুজ্জামান তন্ময় তৌহিদুজ্জামান তন্ময় , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৬ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

ওষুধ তৈরির কারখানা আছে। সেখানে তৈরি হয় করোনা, ক্যানসারসহ কঠিন সব রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। স্ট্রিপে সিল পড়ে নামিদামি সব ব্র্যান্ডের। কিন্তু সব ওষুধই নকল। এর অন্তরালে কাজ করছে একাধিক চক্র। হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা, হুমকিতে ফেলছে জনস্বাস্থ্য। আর এসব ওষুধের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার মিটফোর্ড।

নকল ওষুধ সেবন করে মানুষ সুস্থ না হয়ে আরও বেশি অসুস্থ হচ্ছে। মহামারির চেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে নকল ও ভেজাল ওষুধ খেয়ে। আর আইসিইউ ও সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রোগীদের এসব ওষুধ দেওয়া হলে তাদের মৃত্যু শতভাগ নিশ্চিত বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

দেশে বিভিন্ন সময় অভিযানে নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনকারীদের গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ, র‌্যাব, মহানগর পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কিন্তু তারপরও বন্ধ হচ্ছে না নকল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি। দুর্বল আইনের কারণে নকল ওষুধ তৈরিতে ভয় পায় না এসব চক্র। ড্রাগস আইনে নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান আছে ১০ বছর। তবে জরিমানার অঙ্ক নির্দিষ্ট না থাকলেও তা অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন হয় না। বিশেষ ক্ষমতা আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু মামলা হওয়ার পর তদন্তের ক্ষেত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নকল ওষুধ উৎপাদনকারীরা। তাদের টাকার অভাব নেই। কারণ নকল ওষুধে পুরোটাই লাভ।

jagonews24

গত ১২ আগস্ট ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কোতয়ালি জোনাল টিম রাজধানী ঢাকা, সাভার ও পিরোজপুরের নেছারাবাদ বিসিক শিল্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ জব্দ করে। এসময় গ্রেফতার করা হয় আটজনকে। যারা রীতিমতো কারখানা বানিয়ে নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে নকল ওষুধ বানাতো। তাদের কারখানা থেকে নকল ওষুধ তৈরির যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির ভুয়া লাইসেন্সে কারখানা বানিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে ভেজাল ওষুধ বানাতো। সাভার ও পিরোজপুরেও তাদের কারখানা আছে। ভেজাল ওষুধগুলো কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার ফার্মেসিতে পাঠাতো চক্রটি।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা মহামারিতে বহুল ব্যবহৃত একমি ল্যাবরেটরিজের মোনাস-১০ ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের মনটেয়ার-১০ নকল করতো চক্রটি। আবার স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সেফ-৩, সেকলো-২০, জেনিথ ফার্মাসিউটিক্যালসের ন্যাপ্রোক্সেন প্লাস ৫০০-ও বানাতো তারা।

jagonews24

এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাজলা, আরামবাগ ও মিটফোর্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জামসহ সাতজনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ।

তাদের কাছ থেকে একমি কোম্পানির মোনাস-৭০০ বক্স, স্কয়ার কোম্পানির সেকলো-৫০ বক্স, জেনিথ কোম্পানির ন্যাপ্রোক্সেন প্লাস-৭৪৮ বক্সসহ অন্যান্য কোম্পানির বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ, ওষুধ তৈরির মেশিন, ডায়াস ও ওষুধের খালি বক্স উদ্ধার করা হয়।

এসব ওষুধের ইনগ্রিডিয়েন্টসে মূলত প্রয়োজনীয় কোনো সক্রিয় উপাদান থাকে না। এছাড়া মেইন স্টার্চ নিম্ন গ্রেডের ব্যবহৃত হয়। এমনকি স্টেরয়েড ও ডাই ব্যবহৃত হতে পারে। নন ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রেডের এসব কেমিক্যাল সেবনের ফলে মানুষের কিডনি, লিভার, হৃদযন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এসব নকল ওষুধ সাধারণ মানুষের জন্য মরণফাঁদ। চক্রটি নকল ওষুধ পাঠাতো বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে।

jagonews24

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নকল ও ভেজাল ওষুধ নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। তাদের মনিটরিং ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিপণনে ঢাকাসহ সারাদেশে একাধিক চক্র সক্রিয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কিছু চক্রকে আইনের আওতায় আনা হয় ঠিকই, কিন্তু জামিনে বেরিয়ে তারা আবার শুরু করে ভেজাল ওষুধ তৈরির কাজ। গত কয়েক বছরে মিটফোর্ডের বাজার থেকেই কয়েক শ কোটি টাকা মূল্যের ভেজাল ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। নকল ওষুধ উৎপাদনকারীরা বিভিন্ন এলাকায় কারখানা বানায়। তবে তাদের পাইকারি বাজার মিটফোর্ড। এখান থেকেই ভেজাল ওষুধ ছড়ায় সারাদেশে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অনেক ফার্মেসি মালিক কম টাকায় ওষুধ কিনতে মিটফোর্ড আসেন। নকল ওষুধ উৎপাদনকারীরা তাদের প্রস্তাব দেয়। বেশি লাভের আশায় ফার্মেসি মালিকরা রাজি হলে কুরিয়ারের মাধ্যমে ওষুধ পাঠানো হয়।

jagonews24

এই চক্র যেভাবে ওষুধ নকল করে তা সাধারণ ক্রেতারা বুঝতে পারেন না। শুধু যারা ম্যানুফ্যাকচার করে তারাই বোঝেন। সেজন্য ওষুধ প্রশাসনসহ আরও যারা আছেন তাদের সক্রিয় হয়ে এসব নকল ওষুধ প্রস্তুতকারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিবি।

কোতোয়ালি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. সাইফুর রহমান আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, সারাদেশে নকল ওষুধ ছড়িয়ে দিয়েছে একটি চক্র। গত ২ সেপ্টেম্বর অভিযান চালিয়ে চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তারা প্রত্যন্ত অঞ্চলকে টার্গেট করে বহুল বিক্রিত ওষুধগুলো নকল করে বাজারজাত করছিল। আমরা আট প্রকার নকল ওষুধ উদ্ধার করেছি। যেসব ওষুধ সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় সেগুলোই নকল করে বাজারজাত করছিল তারা।

‘আসল ওষুধের প্রকৃত দামের তুলনায় অনেক কম দামে নকল ওষুধগুলো বাজারে বিক্রি হচ্ছিল। এগুলো মাদকের চেয়েও ভয়ংকর। মানুষ অসুস্থ হয়ে ওষুধ সেবন করে। আর নকল ওষুধ সেবন করে মানুষ সুস্থ না হয়ে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।’

jagonews24

জেনিথ ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বেলাল উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, যে ওষুধগুলো হটকেক, চিকিৎসকেরা বেশি প্রেসক্রাইব করেন এবং বেশি প্রচলিত সেই ওষুধগুলোই নকল হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। স্কয়ার, বেক্সিমকো, একমি ও জেনিথসহ একাধিক নামিদামি ব্র্যান্ডের ওষুধ নকল করছে অসাধু চক্ররা। আমাদের দুই হাজারের বেশি প্রোডাক্ট থাকলে তার মধ্যে বেশি প্রচলিত ওষুধগুলো নকল হচ্ছে। নকল ওষুধের বিরুদ্ধে ঔষধ প্রশাসন কাজ করছে। তবে তাদের একার পক্ষে ঠেকানো সম্ভব নয়। প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসন, র‍্যাবসহ প্রশাসনকে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি।

তিনি বলেন, ঔষধ প্রশাসনের হেড অফিস ও মহাপরিচালক বরাবর আমরা বারবার চিঠি দিচ্ছি। তারা কাজ করছে। তবে একটি জেলায় একজন ড্র্যাগ সুপার দায়িত্বে থাকেন। একজন মানুষের পক্ষে সম্ভব না পুরো জেলা কাভার করা। ওষুধ প্রশাসনের যথেষ্ট সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও জনবলের অভাবে সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। ওষুধ প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, ওষুধ শিল্প সমিতি, কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ও সাংবাদিকদের সমন্বয়ে কাজ করলে নকল ওষুধ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

‘ক্যানসার অথবা মহামারিতে একজন রোগী তার সঠিক ওষুধটি যখন পাচ্ছেন না তখনই তিনি মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন। মানুষ অসুস্থ হলে ওষুধ খায় সুস্থ হওয়ার জন্য, কিন্তু নকল ওষুধ খেলে সুস্থ হওয়ার বদলে মারা যাবে নিশ্চিত করেই বলা যায়।’

jagonews24

ফার্মেসি ব্যবসা যারা করে তারা যদি ব্রোকারদের কাছ থেকে ওষুধ না কিনে সংশ্লিষ্ট সাপ্লায়ার অথবা ডিলারদের কাছ থেকে ওষুধ কেনে তাহলে নকল ওষুধ বাজারে ছড়াতে পারবে না বলে যোগ করেন জেনিথ ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বেলাল উদ্দিন আহমেদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে লুত্ফুল কবীর জাগো নিউজকে বলেন, কোভিড রোগীদের মোনাস-১০ ওষুধ সেবন করতে দেওয়া হয়। কিন্তু নকল মোনাস-১০-এ কোনো কার্যকর উপাদানই নেই। এই ওষুধ সেবন করে রোগের প্রকোপ আরও বেড়ে যায়। আস্তে আস্তে অবস্থা খারাপের দিকে গিয়ে মৃত্যু হয় রোগীর। তাই নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন গণহত্যার শামিল। এটা বন্ধ করা উচিত। এসব ওষুধ তৈরি, বিক্রি ও বিপণনে জড়িতরাও সমান অপরাধী।

নকল ওষুধের ভয়াবহতা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জয় চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, নকল ওষুধ ব্যবহারে হার্ট, লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া গর্ভবতী নারী ও তার সন্তানের জন্য মারাত্মক ক্ষতিসহ মানবদেহের নানা ক্ষতি হতে পারে। নকল অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরে দেখা যায় আসল অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না। ফলে ওই রোগীকে পরবর্তীকালে চিকিৎসা করতে চিকিৎসকদের অনেক বেগ পেতে হয়।

টিটি/এএ/এএসএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৩,২৮,৩৩,৯৩২
আক্রান্ত

৪৭,৬৫,৩৮৬
মৃত

২০,৯৫,১৫,৩০২
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৫২,৫৬৩ ২৭,৪৩৯ ১৫,১২,৬৮১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৩৭,৭৩,১৪৭ ৭,০৬,৪৯৯ ৩,৩২,০৮,০৫২
ভারত ৩,৩৬,৯৪,৯৪০ ৪,৪৭,৩৬২ ৩,২৯,৪৮,৯২৮
ব্রাজিল ২,১৩,৫১,৯৭২ ৫,৯৪,৪৮৪ ২,০৩,৪০,৩৭৩
যুক্তরাজ্য ৭৭,০১,৭১৫ ১,৩৬,২০৮ ৬২,১৯,১১১
রাশিয়া ৭৪,৪৩,১৪৯ ২,০৪,৬৭৯ ৬৬,১৮,১১৭
তুরস্ক ৭০,৬৬,৬৮৮ ৬৩,৩৭২ ৬৫,২২,৪৩৫
ফ্রান্স ৬৯,৯৫,৬২৮ ১,১৬,৫৩৭ ৬৭,৩৭,৫৬৫
ইরান ৫৫,৪৭,৯৯০ ১,১৯,৬৪৯ ৪৯,৬৬,০৯৮
১০ আর্জেন্টিনা ৫২,৫০,৪০২ ১,১৪,৮৬২ ৫১,১১,৫৯৬
১১ কলম্বিয়া ৪৯,৫১,৬৭৫ ১,২৬,১৪৫ ৪৭,৯১,৭১৫
১২ স্পেন ৪৯,৫১,৬৪০ ৮৬,২৯৮ ৪৭,৩৬,০২২
১৩ ইতালি ৪৬,৬২,০৮৭ ১,৩০,৭৪২ ৪৪,৩০,২৬৫
১৪ জার্মানি ৪২,০৯,৬৯৬ ৯৪,০২০ ৩৯,৬৬,৭০০
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,০৯,৪০৩ ১,৪১,৫৮৫ ৪০,২৭,৫৪৮
১৬ মেক্সিকো ৩৬,৩২,৮০০ ২,৭৫,৪৪৬ ২৯,৮৪,৪৬১
১৭ পোল্যান্ড ২৯,০৩,৬৫৫ ৭৫,৫৭২ ২৬,৬২,০০৮
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৮,৯৭,৫২১ ৮৭,২১৬ ২৭,৬২,৮১২
১৯ ফিলিপাইন ২৪,৯০,৮৫৮ ৩৭,৪০৫ ২২,৯২,০০৬
২০ ইউক্রেন ২৩,৯৫,৪০৪ ৫৫,৭২০ ২২,৪৫,১৪৪
২১ মালয়েশিয়া ২১,৯৮,২৩৫ ২৫,৪৩৭ ১৯,৮৯,৫০৯
২২ পেরু ২১,৭৩,০৩৪ ১,৯৯,২৯২ ১৭,২০,৬৬৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ১৯,৯৭,৮৮৫ ১৮,১৫৪ ১৯,১৬,১৩৩
২৪ ইরাক ১৯,৯৬,২১৪ ২২,১৪২ ১৯,০০,২২৭
২৫ জাপান ১৬,৯৪,৬৭৫ ১৭,৪৮২ ১৬,৩৮,৬৩৩
২৬ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৮৯,৬২০ ৩০,৪৫৪ ১৬,৫৩,১৬৯
২৭ চিলি ১৬,৫২,৩৬৪ ৩৭,৪৪৫ ১৬,০৭,৪৯৬
২৮ কানাডা ১৬,০৪,৪৬৮ ২৭,৬৫৪ ১৫,৩১,৭৩৪
২৯ থাইল্যান্ড ১৫,৭১,৯২৬ ১৬,৩৬৯ ১৪,৩৫,৪০১
৩০ ইসরায়েল ১২,৭০,২৩০ ৭,৬৮৪ ১২,০৫,৬৫৭
৩১ পাকিস্তান ১২,৪০,৪২৫ ২৭,৫৯৭ ১১,৬২,১৭৭
৩২ বেলজিয়াম ১২,৩৩,৭২৩ ২৫,৫৫৪ ১১,৪৪,৬৭০
৩৩ রোমানিয়া ১১,৯৯,৭৬১ ৩৬,৪৫০ ১০,৯৮,৭৯৫
৩৪ সুইডেন ১১,৪৯,৪০৭ ১৪,৭৮১ ১১,০৯,৫৪৪
৩৫ পর্তুগাল ১০,৬৭,১৭৫ ১৭,৯৫৫ ১০,১৭,৯৩৫
৩৬ মরক্কো ৯,২৯,৬৯৯ ১৪,১৯৯ ৯,০১,২২০
৩৭ সার্বিয়া ৯,১৭,৮০২ ৮,০৯৭ ৭,৮৬,৪৭৭
৩৮ কাজাখস্তান ৮,৭৮,৯৯০ ১১,০৬৫ ৮,১২,৮৮৩
৩৯ কিউবা ৮,৬০,৭৯৯ ৭,২৭৯ ৮,১৯,৬২২
৪০ সুইজারল্যান্ড ৮,৩৬,৪৭৯ ১১,০৫৩ ৭,৫৯,৭৪১
৪১ হাঙ্গেরি ৮,২১,২৬১ ৩০,১৭১ ৭,৮৩,১৬৭
৪২ জর্ডান ৮,২০,৭৯৮ ১০,৬৯৭ ৭,৯৭,৭৭৩
৪৩ নেপাল ৭,৯২,৩৬৭ ১১,১০৩ ৭,৬২,৪১৬
৪৪ ভিয়েতনাম ৭,৬৬,০৫১ ১৮,৭৫৮ ৫,৩৮,৪৫৪
৪৫ অস্ট্রিয়া ৭,৩৭,২০২ ১০,৯৭৬ ৭,০৫,১০২
৪৬ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৩৫,১৮০ ২,০৯৪ ৭,২৭,৫১৬
৪৭ তিউনিশিয়া ৭,০৫,২৯৫ ২৪,৭৮৮ ৬,৭৩,০৪৪
৪৮ গ্রীস ৬,৪৮,০৯১ ১৪,৭২৭ ৬,০৮,০৮২
৪৯ লেবানন ৬,২২,২৩৫ ৮,২৮৬ ৫,৮৮,৫৭৭
৫০ জর্জিয়া ৬,০৭,১৫৫ ৮,৮৪৪ ৫,৭৮,৮৮১
৫১ গুয়াতেমালা ৫,৪৯,৫৬০ ১৩,৩৭৫ ৫,০৫,২১৩
৫২ সৌদি আরব ৫,৪৬,৯৮৫ ৮,৭০৪ ৫,৩৬,০২৬
৫৩ বেলারুশ ৫,৩২,১৪৯ ৪,১০২ ৫,১৪,৫৬১
৫৪ কোস্টারিকা ৫,২১,১৮২ ৬,১৮৯ ৪,২০,২০৪
৫৫ শ্রীলংকা ৫,১৪,৫৯২ ১২,৭৩১ ৪,৫৫,৩৪৪
৫৬ ইকুয়েডর ৫,০৭,৮৫৮ ৩২,৭২০ ৪,৪৩,৮৮০
৫৭ বলিভিয়া ৪,৯৮,৮৯৫ ১৮,৭০০ ৪,৫৭,৫১৬
৫৮ বুলগেরিয়া ৪,৯২,৮৬১ ২০,৪৮৯ ৪,৩০,০৪৭
৫৯ আজারবাইজান ৪,৮১,৪০১ ৬,৪৭৬ ৪,৫২,৯৬৮
৬০ পানামা ৪,৬৬,১৭৮ ৭,২০৮ ৪,৫৫,৩৯৭
৬১ প্যারাগুয়ে ৪,৫৯,৮২৮ ১৬,১৪৩ ৪,৪২,৭৪৫
৬২ মায়ানমার ৪,৫৯,৪৩৬ ১৭,৫৮৩ ৪,১৩,৮২১
৬৩ কুয়েত ৪,১১,৫৩৩ ২,৪৪৭ ৪,০৮,৪২৪
৬৪ স্লোভাকিয়া ৪,০৮,৬০৯ ১২,৫৯৬ ৩,৮৬,১৪৮
৬৫ ক্রোয়েশিয়া ৪,০০,১০৮ ৮,৬০৬ ৩,৮৪,৩৫৭
৬৬ ফিলিস্তিন ৩,৯৮,৯৪৬ ৪,০৪৬ ৩,৬৭,১৮১
৬৭ উরুগুয়ে ৩,৮৮,৫০২ ৬,০৫২ ৩,৮১,০৩৮
৬৮ আয়ারল্যান্ড ৩,৮৫,৭২১ ৫,২০৯ ৩,৩৯,৫৫৯
৬৯ ভেনেজুয়েলা ৩,৬৩,৩০০ ৪,৪১২ ৩,৪৬,৬০৩
৭০ হন্ডুরাস ৩,৬৩,০১৭ ৯,৬৭৯ ১,০৮,৯৩৯
৭১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৫৭,৫১৭ ৪,০৪১ ৩,৪৮,৬০৬
৭২ ডেনমার্ক ৩,৫৭,৩৭০ ২,৬৪৬ ৩,৫০,০২৭
৭৩ ইথিওপিয়া ৩,৪২,৩০৫ ৫,৪৩৯ ৩,০৮,৯৩৮
৭৪ লিবিয়া ৩,৩৭,৮৯০ ৪,৬১৭ ২,৫৬,১২১
৭৫ লিথুনিয়া ৩,২৬,৬৫৪ ৪,৯৩০ ২,৯৯,২৬৭
৭৬ ওমান ৩,০৩,৬৭৩ ৪,০৯৫ ২,৯৬,৯১৭
৭৭ দক্ষিণ কোরিয়া ৩,০৩,৫৫৩ ২,৪৫৬ ২,৬৯,১৩২
৭৮ মিসর ৩,০১,৬২৫ ১৭,১৮৭ ২,৫৪,৪৭১
৭৯ মঙ্গোলিয়া ২,৯৬,৭৬৬ ১,২২৫ ২,৮৪,৭১২
৮০ মলদোভা ২,৯০,০৪৩ ৬,৭১৩ ২,৭৩,৯২০
৮১ স্লোভেনিয়া ২,৮৯,৯৫৫ ৪,৫৪৩ ২,৭১,৯১৮
৮২ বাহরাইন ২,৭৪,৮১৪ ১,৩৮৯ ২,৭২,৬৭৭
৮৩ আর্মেনিয়া ২,৫৯,০০৭ ৫,২৬৪ ২,৪০,৩০৫
৮৪ কেনিয়া ২,৪৮,৫১৫ ৫,১০৯ ২,৪০,৬৭২
৮৫ কাতার ২,৩৬,৩৮৮ ৬০৫ ২,৩৪,৪২৫
৮৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৩২,২৩৭ ১০,৫০৮ ১,৯২,২১৮
৮৭ জাম্বিয়া ২,০৮,৮৬৭ ৩,৬৪৭ ২,০৪,৮১২
৮৮ নাইজেরিয়া ২,০৪,৪৫৬ ২,৬৭৭ ১,৯২,৬২০
৮৯ আলজেরিয়া ২,০২,৭২২ ৫,৭৭৭ ১,৩৮,৮৫২
৯০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৮৯,৯৯৯ ৬,৬০৭ ১,৭১,৩৭৫
৯১ নরওয়ে ১,৮৭,২১৭ ৮৫০ ৮৮,৯৫২
৯২ কিরগিজস্তান ১,৭৮,৩১৭ ২,৬০২ ১,৭২,৯১২
৯৩ বতসোয়ানা ১,৭৬,৪২৭ ২,৩৬০ ১,৭২,০৫১
৯৪ উজবেকিস্তান ১,৭২,৪৯৩ ১,২২৫ ১,৬৭,১৯৯
৯৫ আলবেনিয়া ১,৬৮,১৮৮ ২,৬৫৩ ১,৫৪,৬৯৪
৯৬ আফগানিস্তান ১,৫৫,১৩২ ৭,২০১ ১,২৪,০১৩
৯৭ লাটভিয়া ১,৫৫,০৭৬ ২,৬৮৯ ১,৪৪,৭১৫
৯৮ এস্তোনিয়া ১,৫৩,৯২৬ ১,৩৪৬ ১,৪২,৪৮৫
৯৯ মোজাম্বিক ১,৫০,৫৪০ ১,৯১০ ১,৪৬,৫৮৮
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১,৩৯,৬৭৮ ১,০৬২ ৪৬,০০০
১০১ মন্টিনিগ্রো ১,২৯,৯৯০ ১,৯০৬ ১,২০,৫৯৯
১০২ জিম্বাবুয়ে ১,২৯,৬২৫ ৪,৬০৪ ১,২২,২৪৯
১০৩ নামিবিয়া ১,২৭,২৬১ ৩,৪৯৪ ১,২২,৭৩৪
১০৪ ঘানা ১,২৬,৬২১ ১,১৪৬ ১,২১,৮৭৮
১০৫ উগান্ডা ১,২৩,২৪৫ ৩,১৪৬ ৯৬,০৫৯
১০৬ সাইপ্রাস ১,১৮,০৪৫ ৫৫৩ ৯০,৭৫৫
১০৭ কম্বোডিয়া ১,০৯,৯২৬ ২,২৬১ ১,০১,১৮৫
১০৮ এল সালভাদর ১,০২,০২৪ ৩,১৯৭ ৮৯,৩২৬
১০৯ অস্ট্রেলিয়া ৯৯,০৩৩ ১,২৪৪ ৭৪,৭৮১
১১০ রুয়ান্ডা ৯৬,৮৩৯ ১,২৫২ ৪৫,৪৬৪
১১১ চীন ৯৬,০৫০ ৪,৬৩৬ ৯০,৪০২
১১২ সিঙ্গাপুর ৮৭,৮৯২ ৭৮ ৭৪,৬৫২
১১৩ ক্যামেরুন ৮৫,৪১৪ ১,৩৬৮ ৮০,৪৩৩
১১৪ মালদ্বীপ ৮৪,৩৬২ ২৩১ ৮২,৫৬৭
১১৫ জ্যামাইকা ৮২,৭৭৮ ১,৮৩৪ ৫২,০৯৭
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৭৭,৭৬২ ৮৩৫ ৭৫,৭৬৫
১১৭ সেনেগাল ৭৩,৭৪৭ ১,৮৫৫ ৭১,৬১২
১১৮ মালাউই ৬১,৫০৯ ২,২৭৬ ৫৪,৫৯৩
১১৯ আইভরি কোস্ট ৫৯,৮৭৯ ৬০০ ৫৭,৪৭৯
১২০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৬,৬১৭ ১,০৮৩ ৩০,৮৫৮
১২১ অ্যাঙ্গোলা ৫৫,১২১ ১,৫০১ ৪৭,২৭৩
১২২ রিইউনিয়ন ৫৩,২৪১ ৩৬৩ ৫২,০১০
১২৩ গুয়াদেলৌপ ৫৩,১৪০ ৬৯০ ২,২৫০
১২৪ ফিজি ৫০,৭৫৫ ৫৯০ ৩৬,৭০৭
১২৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪৯,৯৪৯ ১,৪৫৭ ৪৪,১৭৬
১২৬ ইসওয়াতিনি ৪৫,৭৭০ ১,২১২ ৪৩,৮৯১
১২৭ মাদাগাস্কার ৪২,৮৯৮ ৯৫৮ ৪২,৫৪৫
১২৮ মার্টিনিক ৪০,৫৪৫ ৫৮২ ১০৪
১২৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪০,১৭৮ ৬১১ ৩৩,৫০০
১৩০ সুরিনাম ৩৯,৯০৮ ৮৪৫ ২৬,৮৬৪
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৩৯,৭৯০ ২৫৬ ৯,৯৯৫
১৩২ সুদান ৩৮,২০১ ২,৮৯৪ ৩২,০৩৮
১৩৩ কেপ ভার্দে ৩৭,৪৪৮ ৩৩৪ ৩৬,৪৪৮
১৩৪ মালটা ৩৭,১০৩ ৪৫৭ ৩৫,৮৫৯
১৩৫ মৌরিতানিয়া ৩৫,৮৫৯ ৭৬৮ ৩৪,২৯১
১৩৬ সিরিয়া ৩২,৯৭৩ ২,২০৭ ২৩,৫২৮
১৩৭ গায়ানা ৩১,১৪৮ ৭৬২ ২৬,২৭০
১৩৮ গিনি ৩০,৩৬২ ৩৭৭ ২৮,৭৩৩
১৩৯ গ্যাবন ২৯,১২৬ ১৭৮ ২৬,৫৪১
১৪০ টোগো ২৫,২১৮ ২২৬ ২২,৩২১
১৪১ বেনিন ২২,৯৫৮ ১৫৪ ১৭,২৯৪
১৪২ লাওস ২২,৪৪১ ১৬ ৫,৫৬৮
১৪৩ হাইতি ২১,৫৪০ ৬১০ ১৯,৩৪৮
১৪৪ সিসিলি ২১,২৫৭ ১১৫ ২০,৬৫৭
১৪৫ বাহামা ২০,৬০৩ ৫২২ ১৮,২৬৫
১৪৬ মায়োত্তে ২০,২১৯ ১৭৮ ২,৯৬৪
১৪৭ সোমালিয়া ১৯,৭২৩ ১,১০৩ ৯,৪১৪
১৪৮ বেলিজ ১৯,৬০০ ৪০২ ১৭,২৪৭
১৪৯ পাপুয়া নিউ গিনি ১৯,৫২৩ ২২৭ ১৮,৩৫৩
১৫০ পূর্ব তিমুর ১৯,৩৯৮ ১১৩ ১৮,৩৬৫
১৫১ তাজিকিস্তান ১৭,০৮৪ ১২৪ ১৬,৯৬০
১৫২ কিউরাসাও ১৬,৩৭৩ ১৬০ ১৫,৭৬৬
১৫৩ বুরুন্ডি ১৬,৩৫৬ ৩৮ ৭৭৩
১৫৪ তাইওয়ান ১৬,১৯৮ ৮৪২ ১৫,২০৬
১৫৫ আরুবা ১৫,৪১৬ ১৬৫ ১৪,৯৯৫
১৫৬ এনডোরা ১৫,১৮৯ ১৩০ ১৪,৯৮১
১৫৭ মালি ১৫,১৬৩ ৫৪৭ ১৪,২৬৪
১৫৮ মরিশাস ১৫,১৬১ ৭১ ১,৮৫৪
১৫৯ লেসোথো ১৪,৩৯৫ ৪০৩ ৬,৮৩০
১৬০ বুর্কিনা ফাঁসো ১৪,১৭২ ১৮০ ১৩,৮১২
১৬১ কঙ্গো ১৪,১১৩ ১৯১ ১২,৪২১
১৬২ নিকারাগুয়া ১৩,৭৩০ ২০৩ ৪,২২৫
১৬৩ জিবুতি ১২,২৫৩ ১৬২ ১১,৮৩৮
১৬৪ হংকং ১২,১৯৭ ২১৩ ১১,৮৯৭
১৬৫ দক্ষিণ সুদান ১১,৯৪৮ ১২৮ ১১,৪২২
১৬৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১১,৮০৬ ১৪২ ১০,২২৫
১৬৭ আইসল্যান্ড ১১,৬৩২ ৩৩ ১১,২৫১
১৬৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ১১,৪৬৬ ৯৭ ১১,০৩৩
১৬৯ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৩৭১ ১০০ ৬,৮৫৯
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১১,১৪৪ ১৮৫ ৮,৮০২
১৭১ গাম্বিয়া ৯,৯৩০ ৩৩৫ ৯,৫৭১
১৭২ ইয়েমেন ৮,৯৮৮ ১,৭০৩ ৫,৫৭০
১৭৩ বার্বাডোস ৭,৫৭৬ ৬৭ ৬,৪৭২
১৭৪ আইল অফ ম্যান ৭,৪২৭ ৫১ ৭,০৬৫
১৭৫ ব্রুনাই ৬,৭০০ ৩৮ ৪,৪৪৩
১৭৬ ইরিত্রিয়া ৬,৬৯৪ ৪২ ৬,৬২৮
১৭৭ সিয়েরা লিওন ৬,৩৯৩ ১২১ ৪,৩৮০
১৭৮ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৬,১৮৫ ৮৩ ৫৮
১৭৯ গিনি বিসাউ ৬,০৯৯ ১৩৫ ৫,২৮৩
১৮০ নাইজার ৫,৯৮০ ২০১ ৫,৭৩৫
১৮১ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৩ ৫,৪৫৮
১৮২ জিব্রাল্টার ৫,৫১৭ ৯৭ ৫,৩৬৫
১৮৩ সান ম্যারিনো ৫,৪২৮ ৯১ ৫,৩১০
১৮৪ চাদ ৫,০৩২ ১৭৪ ৪,৮৫০
১৮৫ বারমুডা ৪,৯৮২ ৫২ ৩,৩১৮
১৮৬ গ্রেনাডা ৪,৯২২ ১২০ ২,৮৫৯
১৮৭ সিন্ট মার্টেন ৪,২১৩ ৬৩ ৩,৯৮৪
১৮৮ নিউজিল্যান্ড ৪,১৯৪ ২৭ ৩,৯৪৫
১৮৯ কমোরস ৪,১২৮ ১৪৭ ৩,৯৬০
১৯০ সেন্ট মার্টিন ৩,৭২৭ ৫৫ ১,৩৯৯
১৯১ লিচেনস্টেইন ৩,৪৪৫ ৬০ ৩,৩৫৫
১৯২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৩,৩৩৮ ১৭ ২,৩৮১
১৯৩ মোনাকো ৩,৩০৩ ৩৩ ৩,২৪২
১৯৪ ডোমিনিকা ৩,২৯৩ ১৫ ২,৬৮০
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২,৯২৩ ৬৪ ১,৮৮২
১৯৬ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৮৩৪ ২৩ ২,৭৪৮
১৯৭ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৬৪২ ৩৭ ২,৫৫৫
১৯৮ ভুটান ২,৫৯৯ ২,৫৯৩
১৯৯ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,০১৯ ১৯ ৬,৪৪৫
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১,৮৩৫ ১০ ৯৭০
২০১ সেন্ট বারথেলিমি ১,৫৬৫ ৪৬২
২০২ তানজানিয়া ১,৩৬৭ ৫০ ১৮৩
২০৩ ফারে আইল্যান্ড ১,১২৭ ১,০৫১
২০৪ কেম্যান আইল্যান্ড ৭৯৫ ৭৪৭
২০৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৬ গ্রীনল্যাণ্ড ৫৬৫ ৩৯৮
২০৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৮ এ্যাঙ্গুইলা ৩৬৪ ৩৪৫
২০৯ ম্যাকাও ৬৭ ৬৩
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৭ ৬৩
২১১ মন্টসেরাট ৩৩ ৩০
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩১ ৩১
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৯ ভানুয়াতু
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]