বিপিএল শেষে সেরা পারফর্মার দেশি ক্রিকেটাররাই
ফাইনালে জ্বলে উঠলেন তানজিদ হাসান তামিম। যার ব্যাটে আগের ১২ ম্যাচে মাত্র ১ ফিফটি। সেই তামিম ফাইনালে ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে করলেন ৬২ বলে ১০০। তার ব্যাটে চড়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বোর্ডের ১৭৪। এরপর বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে চ্যম্পিয়ন হয় নাজমুল হোসেন শান্তর রাজশাহী।
এই সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে বিপিএলে এখন সর্বোচ্চ তিন সেঞ্চুরির মালিক বনে গেছেন তামিম। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের এটাই প্রথম শিরোপা হলেও ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। অর্থাৎ রাজশাহী নামে এটি দ্বিতীয় শিরোপা।
আসরজুড়ে ব্যাট আর বল হাতে টপ পারফর্মারদের মধ্যে এগিয়ে ছিলেন দেশি ক্রিকেটাররাই। দুদিকেই শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশের হয়ে ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতা দুই তারকা।
ব্যাটিংয়ে ৩৯৫ রান নিয়ে শীর্ষে সিলেট টাইটান্সের পারভেজ হোসেন ইমন। আর বোলিংয়ে ১২ ম্যাচে ২৬ উইকেট শিকার করেছেন শরিফুল ইসলাম। সেরা বোলিং ফিগার নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৯ রান খরচায় ৫ উইকেট। জিতেছেন ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কারও।
চলুন দেখে নেওয়া যাক, সদ্যসমাপ্ত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার (বিপিএল) লিগের দ্বাদশ আসরের সেরা পারফর্মার কারা ছিলেন।
সর্বোচ্চ রান
১. পারভেজ হোসেন ইমন, (সিলেট টাইটান্স) – ১২ ইনিংসে ৩৯৫ রান
২. তাওহিদ হৃদয়, (রংপুর রাইডার্স) – ১১ ইনিংসে ৩৮২ রান
৩. তানজিদ হাসান তামিম (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) – ১৩ ইনিংসে ৩৫৬ রান
৪. নাজমুল হোসেন শান্ত (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) – ১৩ ইনিংসে ৩৫৫ রান
৫. ডেভিড মালান (রংপুর রাইডার্স) – ৯ ইনিংসে ৩০০ রান
সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি
১. শরিফুল ইসলাম (চট্টগ্রাম রয়্যালস) – ১২ ইনিংসে ২৬ উইকেট
২. নাসুম আহমেদ (সিলেট টাইটান্স) – ১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট
৩. বিনুরা ফার্নান্দো (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) – ১১ ইনিংসে ১৮ উইকেট
৪. রিপন মন্ডল (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স) – ৮ ইনিংসে ১৭ উইকেট
৫. হাসান মাহমুদ (নোয়াখালী এক্সপ্রেস) – ১০ ইনিংসে ১৬ উইকেট
আইএন