‘চাপ না থাকলে মজাও নেই’ ফাইনালের আগে রোমাঞ্চিত ভারতীয় অধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৫৭ এএম, ০৮ মার্চ ২০২৬

ঘরের মাঠে খেলা। ভারত যেমন পরিষ্কার ফেবারিট, তেমনি চাপও তাদের ওপরই বেশি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নামার আগে দলকে নির্ভীক ক্রিকেটের বার্তা দিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তার মতে, চাপ থাকবেই। চাপ না থাকলে মজাও নেই।

আজ (রোববার) সেই একই স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলবে ভারত, যেখানে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাদের। তবে সূর্যকুমারের মতে, এবার পরিস্থিতি ভিন্ন—ভিন্ন ফরম্যাট, ভিন্ন দল এবং ভিন্ন নেতৃত্ব।

দলের উদ্দেশে তার মূল বার্তা একটাই—ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। সূর্যকুমার বলেন, ‘আমরা দুই বছর আগে এই যাত্রা শুরু করেছিলাম। ২০২৩ সালে যেখানে থেমেছিলাম, আবার সেই একই স্টেডিয়ামে ফিরে এসেছি। কঠিন পরিস্থিতিতে সাহসী হও—এটাই দলের জন্য আমার সহজ বার্তা।’

২০২৩ সালের বিশ্বকাপের হতাশা থেকে শিক্ষা নিলেও তার পর থেকে ভারত দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তারা জিতেছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ফলে ফাইনালের আগে দলটি এখন অনেক বেশি অভিজ্ঞ ও আত্মবিশ্বাসী।

সূর্যকুমার জানান, ড্রেসিংরুমে অনেক ক্রিকেটার আছেন যারা বড় টুর্নামেন্টে চাপের ম্যাচ খেলেছেন। যেমন জাসপ্রিত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া এবং অক্ষর প্যাটেল। তাদের অভিজ্ঞতা দলের জন্য বড় সহায়ক।

তিনি বলেন, ‘বাসে বা ডিনারের সময় আমরা প্রায়ই আলোচনা করি কঠিন পরিস্থিতি কীভাবে সামলাতে হয়। এসব আলাপ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমন বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতা সত্যিই অনেক কাজে আসে।’

অধিনায়ক হিসেবে এটি সূর্যকুমারের প্রথম বড় ফাইনাল। ভারতের আগের দুই আইসিসি শিরোপা জিতেছিল রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। তাই বড় ম্যাচের আগে কিছুটা স্নায়ুচাপ থাকাটা স্বাভাবিক বলেই মনে করেন তিনি।

সূর্যকুমার বলেন, ‘এটা অবশ্যই বিশেষ অনুভূতি—এমন একটি দুর্দান্ত দলকে ফাইনালে নেতৃত্ব দেওয়া, তাও আবার নিজেদের মাঠে। কিছুটা নার্ভাস লাগবে, পেটে প্রজাপতি উড়বে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমি সবসময় বলি, চাপ না থাকলে মজাও নেই। তাই আমি খুবই রোমাঞ্চিত।’

এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।