বাবা থাকলে আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন: লিনু
জোবেরা রহমান লিনু ৮ বছর আগে হারিয়েছেন তার বাবা ইঞ্জিনিয়ার শেখ আবদুর রহমানকে। ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই মারা যাওয়া বাবার কথাই আজ বেশি মনে পড়ছে তার। বাবাই তাকে বানিয়েছেন টেনিস খেলোয়াড়।
সুদূর নিউজিল্যান্ড থেকে জাগো নিউজকে বললেন, ‘বাবা থাকলে আজ সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। তার জন্যই আমি আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। তাই এই পুরস্কার আমি তাকে উৎসর্গ করলাম।’
পাঠক আগেই জেনে গেছেন দেশের টেবিল টেনিসের রানি এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানো লিনুকে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ক্রীড়াঙ্গন থেকে মনোনীত করেছে সরকার। সর্বশেষ ক্রীড়াঙ্গন থেকে এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন অ্যাথলেট ফিরোজা খাতুন।
স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করার জন্য জোবেরা রহমান লিনু সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এখন ব্যক্তিগত সফরে নিউজিল্যান্ড রয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের কুইন্স টাওয়ার থেকে লিনু জাগো নিউজকে বলেছেন, ‘আমি খবরটি জানার পর প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে যখন নিশ্চিত হলাম, তখন আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছি। আমি খুব খুশি। এই সরকার এসে আমাকে এত বড় সম্মানের জন্য মনোনীত করেছেন। এটা আমি ভাবিনি। আমি গণমাধ্যমের ভাইদের প্রতিও সম্মান জানাচ্ছি। তারা আমার ক্যারিয়ার এ পর্যন্ত আনতে অনেক সহযোগিতা করেছেন।’
জোবেরা রহমান লিনুকে বলা হয় বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রানি। দুই যুগ নারীদের টেবিল টেনিসে রাজত্ব করেছেন তিনি। ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে কেবল নিজেকেই অনেক উচ্চতায় নিয়ে যাননি, বাংলাদেশের নামটাও ছড়িয়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। সবচেয়ে বেশি জাতীয় শিরোপা জিতে নিজের নামটি লিখিয়েছেন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। বাংলাদেশে নারীদের খেলাধুলার রোলমডেলও তিনি অনেকের কাছে।
আরআই/এমএমআর