ফেরার আগে দর্শকদের প্রশংসায় ওয়ার্নার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:১৩ এএম, ২০ জানুয়ারি ২০১৯

এসেছিলেন পুরো টুর্নামেন্ট খেলতে কিন্তু বাঁধা দিয়েছে কনুইয়ের ইনজুরি। যে কারণে টুর্নামেন্টের মাঝপথেই দল ছেড়ে ফেশে ফিরে যাচ্ছেন সিলেট সিক্সার্সের অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। সোমবার (২১ জানুয়ারি) অস্ট্রেলিয়ার বিমান ধরার কথা রয়েছে তার।

ফেরার আগে সিলেট সিক্সার্সকে ৭ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন ওয়ার্নার। নিজে ব্যাট হাতে ভালো করলেও, দল হিসেবে খুব একটা ভালো হয়নি সিলেটের ফল। সাত ম্যাচ থেকে মাত্র ২টিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের ছয় নম্বরে অবস্থান করছে সিলেট।

এমনকি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা চার ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে জিততে পেরেছে ওয়ার্নারের দল। দলের ফলাফল ভালো না হলেও দর্শকদের কাছ থেকে যে সমর্থন এবং উৎসাহ পেয়েছেন তা দেখে অভিভূত ওয়ার্নার। তাই ফেরার আগে বিপিএলের দর্শকদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।

শনিবার রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ওয়ার্নার বলেন, ‘এখানের দর্শক সমাগম অসাধারণ। আমি বিসিবির কাছে কৃতজ্ঞ যে তারা আমাকে এখানে আসতে এবং খেলতে সুযোগ দিয়েছে। এখানের পরিবেশ এক কথায় অসাধারণ।’

এসময় নিজ দলের খেলোয়াড়দেরও শুভকামনা জানান ওয়ার্নার। তিনি ফিরে গেলেও সিলেট সিক্সার্স ম্যাচ জিততে থাকবে এমন আশা ব্যক্ত করেন সিলেটের প্রথম সাত ম্যাচের অধিনায়ক। নিজের সতীর্থদের জন্য বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

ওয়ার্নার বলেন, ‘আশা করি আমার দল ম্যাচ জিততে পারবে। দলের খেলোয়াড়রা নিজেদের শতভাগ দিচ্ছে মাঠে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমাদের কিছু পরিস্থিতি নিজেদের মতো করে আত্মস্থ করে নেয়া উচিৎ। কারণ একজন খেলোয়াড় ম্যাচের পুরোটা সময় অধিনায়কের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে না।’

শনিবার রংপুরের বিপক্ষে ম্যাচ হারলেও সাব্বির রহমানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৯৪ রানের বিশাল সংগ্রহ পেয়েছিল সিলেট। সাব্বিরের এই ৮৫ রানের ইনিংসের প্রশংসা করতেও ভোলেননি ওয়ার্নার।

তিনি বলেন, ‘ম্যাচটা দারুণ ছিলো। তবে দিন শেষে হাসিমুখটা আমাদের নয়। আমি সাব্বিরকে তার প্রাপ্য কৃতিত্ব দিতে চাই। যেভাবে সে শুরু করলো এবং নিজের ইনিংস এগিয়ে নিলো তা দারুণ ছিলো। এছাড়া নিকলাস পুরানও শেষ দিকে ভালো করেছে। আমি মনে করে ১৯৪ রান ডিফেন্ড করা উচিৎ ছিল। কিন্তু আপনি যদি ৪টি ক্যাচ ছেড়ে দেন তাহলে আপনার কাজ মোটেও সহজ হয় না।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]