বিশ্বকাপে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই দেশের সেরা সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ২২ মে ২০১৯

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পথচলা খুব বেশিদিনের নয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ দিয়ে শুরু, কয়েকদিন পরই ইংল্যান্ডে শুরু হতে যাওয়ার ক্রিকেট শ্রেষ্ঠত্বের দ্বাদশ আসরটি বাংলাদেশের জন্য নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপ। ১৯৯৯ সালে নিজেদের প্রথম আসরে যেখানে খেলেছিল টাইগাররা, সেখানেই বসছে এবারের বিশ্বকাপ।

বাংলাদেশের খেলা পাঁচ বিশ্বকাপে ব্যাট ও বল হাতে মাঠে নেমেছেন ৫১ জন ক্রিকেটার। তবে বিশ্বকাপে ব্যাটিং কিংবা বোলিং দুই জায়গায়ই একক শ্রেষ্ঠত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে ২১ ম্যাচে মাঠে নেমেছেন দেশসেরা এই ক্রিকেটার। যেখানে ৩০.০০ গড়ে ৫৪০ রান করেছেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্ব্বোচ্চ পাঁচ ফিফটিও সাকিব আল হাসানের। হাঁকিয়েছেন ৪৭ চার ও ছয় ছক্কা।

বিশ্বকাপে রান করার দিক থেকে সাকিবের পরে রয়েছে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের নাম। সমান ম্যাচ খেললেও সাকিবের চেয়ে এক ইনিংস কম খেলে ৩১.৮৭ গড়ে তিনি করেছেন ৫১০ রান। মুশফিকের ফিফটি ৪টি। রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছেন দেশসেরা ওপেনার তামিম। সাকিবের সমান ম্যাচ ও ইনিংসে ২৩.০০ গড়ে তিনি করেছেন ৪৮৩ রান। ৫৮ চার ও ৪ ছক্কার সাথে রয়েছে তিনটি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস।

ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন সাকিব। ২১ ম্যাচে ওভার প্রতি ৪.৯৯ গড়ে রান দিয়ে সাকিবের উইকেট সংখ্যা ২৩ টি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে যা সর্ব্বোচ্চ। বিশ্বকাপের সাকিবের সেরা বোলিং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৫ রানে ৪ উইকেট।

দুই বিশ্বকাপ খেলা আব্দুর রাজ্জাক রয়েছেন দ্বিতীয়তে। ১৫ ম্যাচ খেলে ৪.৬৩ ইকোনমিতে তার শিকার ২০ উইকেট। তালিকার তৃতীয়তে রয়েছেন বাংলাদেশের বর্তমান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ১৬ ম্যাচে ওভার প্রতি ৪.৯৪ গড়ে রান খরচ করে তিনি নিয়েছেন ১৮ উইকেট।

ফিল্ডিংয়ে সবার উপরে তামিম ইকবাল। ২১ ম্যাচে ফিল্ডার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৯ ক্যাচ ধরেছেন তিনি। এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ অবশ্য আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারের। গত বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ৪ ক্যাচ নেন তিনি।

উইকেট কিপার হিসেবে বিশ্বকাপে খেলেছেনই বাংলাদেশের দুজন। যেখানে খালেদ মাসুদ পাইলটকে ছাপিয়ে ডিসমিসালের দিক থেকে শীর্ষে মুশফিকুর রহিম। ২১ ম্যাচে ১৮ ডিসমিসাল তার।

দরজায় কড়া নাড়ছে আরো একটি বিশ্বকাপ। এসব পরিসংখ্যানে পরিবর্তন আসবে নিশ্চয়ই। কিন্তু কি পরিবর্তন আসছে তা জানতে বিশ্বকাপের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা তো করতেই হচ্ছে।

এমএইচবি/এসএএস/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :