‘এবারের বিশ্বকাপে একটা ব্যক্তিগত লক্ষ্য আছে’

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০১ পিএম, ২৩ মে ২০১৯

পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসুতি- চিরন্তন সত্য একটি প্রবাদ। যার প্রমাণ মেলে জীবনের প্রতিটি স্তরে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে এ প্রবাদের সবচেয়ে বড় ধারক এবং বাহক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম। বিশ্বাস করেন, পরিশ্রম দ্বারা জয় করা যায় যে কোনো কিছু। যা তিনি করেছেন ব্যাট হাতে।

ক্যারিয়ারের শুরুতে খুবই সাদামাটা একজন ব্যাটসম্যান মুশফিক, গত কয়েক বছরে নিজেকে নিয়ে গেছেন সেরাদের সেরার কাতারে। ব্যাট হাতে তার পরম নির্ভরতার কারণে ভক্ত-সমর্থকরা ডাকে ‘মি. ডিপেন্ডেবল’ নামে। যা বেশ যায় সাবেক এ অধিনায়কের সঙ্গে। এবারের বিশ্বকাপেও বরাবরের মতো পরিশ্রমের মাধ্যমেই স্মরণীয় করে রাখার ইচ্ছা মুশফিকের।

‘এমন একটি বড় ইভেন্টে সবাই চায় মনে রাখার মতো কিছু খেলতে, দলের চাহিদা মেটানোর মতো ব্যাটিং করতে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। তবে কন্ডিশন একটা চ্যালেঞ্জ থাকবে, প্রতিপক্ষও একটা চ্যালেঞ্জ হবে। মাঠে দর্শকও থাকবে প্রচুর। সব কিছু মিলিয়ে এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জই। কারণ চতুর্থবারের মতো আমি খেলতে যাচ্ছি।

শেষ তিনটি বিশ্বকাপে আমি রান করেছি। এ বিশ্বকাপে আমার নিজেরও একটা ব্যক্তিগত লক্ষ্য আছে। তা হলো এবার যেন আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে যেতে পারি। আমি মনে করি সুযোগ আছে, সে সামর্থ্যও আছে। আমি সেভাবেই চেষ্টা করবো। একজন টপঅর্ডার হিসেবে মনে হয়, আমাদের যারাই টপঅর্ডার আছে তাদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ যারা ওপরের দিকে ব্যাট করে বিশেষ করে ওয়ানডে ফরম্যাটে টপঅর্ডার রান করলে অনেক বড় একটা রান স্কোরবোর্ডে তোলা যায়। প্রায় ৩শ বা সাড়ে ৩শ। আমার মনে হয় এই জিনিসগুলো আমার মাথায় আছে। দল হিসেবে আমরা এগুলো আলোচনা করেছি। যদি সুযোগ থাকে তাহলে চেস্টা করবো বাংলাদেশ দুহাত ভরে দিতে।’

দলের অধিনায়ক, সবার প্রিয় বড় ভাই মাশরাফি বিন মর্তুজা ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন এটিই তার শেষ বিশ্বকাপ। তাই বড় ভাইয়ের জন্য বিশেষ কিছু করার ইচ্ছে রয়েছে মুশফিকের।

‘নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপ সবচাইতে বড় মঞ্চ। এখানে সবাই পারফর্ম করতে চাইবে। মনে হয়, এটাই একসাথে হয়তোবা আমাদের শেষ বিশ্বকাপও হতে পারে। মাশরাফি ভাই যদি এরপরে আর বিশ্বকাপ খেলতে না পারে- এটাই আমাদের একসঙ্গে শেষ বিশ্বকাপ। তো আমরা সবাই চাইবো মাশরাফি ভাই’র জন্য হলেও যেন বিশেষ কিছু করতে পারি। যেটা কিনা স্মরণীয় হতে পারে। আমার মনে হয় এটা অবশ্যই অনেক বড় সুযোগ। একই সাথে আমাদের সুযোগও অনেক বেশি আছে।’

এসএএস/আইএইচএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :