‘বিজয় প্যারেড’ নিয়ে ক্রিকেট বোর্ড ও ইংলিশদের মধ্যে দ্বন্দ্ব

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৮ এএম, ১৩ জুলাই ২০১৯

চতুর্থবারের মতো ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করল ইংল্যান্ড। যা কিনা আবার ২৭ বছর পর। এর আগে প্রথম পাঁচ টুর্নামেন্টের মধ্যে তিন ফাইনাল খেলে একবারও শিরোপার ছোঁয়া পায়নি ক্রিকেটের জনকরা। তাই নিজেদের মাটিতে আয়োজিত আসরের ফাইনালে জয় ব্যতীত ভিন্ন কিছু চিন্তাও করতে পারছে না এউইন মরগ্যানের দল।

আগামী ১৪ জুলাই ঐতিহাসিক লর্ডসে আসরের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করবে ইংল্যান্ড। এদিকে এবারের বিশ্বকাপটি যেহেতু নিজেদের মাটিতে হচ্ছে তাই ফাইনাল ম্যাচ দেখতে সব ধরণের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই নিয়ে রাখছে ইংলিশ সমর্থকরা। এমনকি ইংল্যান্ড জিতলে কী কী করা হবে সেটারও একটা বিশাল ফর্দ করে ফেলেছে তারা।

লর্ডসের ফাইনালে ইংল্যান্ড যদি নিউজিল্যান্ড হারিয়ে তবে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব পাবে তারা। আর সেটা করতে পারলে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কাছে দলকে বিজয় প্যারেড দেয়ার আহবান জানিয়েছে দেশটির ক্রিকেট প্রেমীরা। যদিও আপাতত সেটা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জিতলে দলকে বিজয় প্যারেড দেয়া হবে কি-না এ বিষয়ে সম্প্রতি বৈঠকে বসে বোর্ড কর্মকর্তা এবং লন্ডন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেই ধারণা থেকে শেষ পর্যন্ত সরে আসে বোর্ড। তাদের মতে, অ্যাশেজের আগে বিজয় প্যারেড আয়োজন করার মতো পর্যাপ্ত সময় নেই।

ক্রিকেট বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তে অবশ্য ক্ষুব্ধ দেশটির মানুষ। তবে তারা দমে যাননি। জানা গেছে, বিশ্বকাপ জিতলে দেশের নায়কদের জন্য বিজয় প্যারেড আয়োজন করেই ছাড়বেন তারা। এজন্য পিটিশন জারি করেছে দেশটির এক সংবাদমাধ্যম। আর এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লন্ডনের এক সংসদ সদস্য কেইথ প্রিন্স।

পিটিশন সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এক ভিডিওতে কেইথ বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব হতাশ যে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড সিটি হলের প্রস্তাবটা গ্রহণ করেনি। যেখানে আমাদের ক্রিকেটের নায়কদের জন্য আমরা বিজয় প্যারেড আয়োজন করতে চাচ্ছিলাম। যদি আমরা রোববারে বিশ্বকাপ জিততে পারি। তাহলে এটাই হবে আমাদের প্রথম বিশ্বকাপ হবে এবং খেলোয়াড়রা লন্ডনে বীরের মতো সংবর্ধনা পাওয়ার যোগ্য। আপনি যদি আমার এই প্রস্তাবে রাজি হন তাহলে এই পিটিশনে স্বাক্ষর করুন।’

এএইচএস/এসএস/জেআইএম