স্মিথও সরে গেলেন নিজ দেশের বিগ ব্যাশ থেকে

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:২৫ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২০

দীর্ঘ অপেক্ষার পর আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে ঠিক, কিন্তু এটি করার জন্য মানতে হচ্ছে কড়াকড়ি স্বাস্থ্যবিধি। খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সকলকে থাকতে হচ্ছে বায়ো সিকিউর বাবলে (জৈব সুরক্ষা বলয়)। যেখান থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, মাঠ থেকে সরাসরি যেতে হয় টিম হোটেলের সেই বাবলে।

টানা এই বাবলের মধ্যে থেকে মানসিকভাবে নাজুক হয়ে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাঁহাতি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। তাই তিনি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শেষ করে আর নিজ দেশে হতে যাওয়া বিগ ব্যাশ খেলতে রাজি নন। বরং স্ত্রী-কন্যাদের নিয়ে সাজানো পরিবারকে সময় দেয়াই বেছে নিয়েছেন ওয়ার্নার।

একই পথে হাঁটলেন ওয়ার্নারের সতীর্থ ও কাছের বন্ধু স্টিভেন স্মিথ। তিনিও জানিয়েছেন, এবারের বিগ ব্যাশ খেলার কোন ইচ্ছা নেই তার। এমনকি চারদিকে নানান গুঞ্জন শোনা গেলেও, তার নিজের কোনো সম্ভাবনা নেই বিগ ব্যাশে খেলার। এছাড়া মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিনসও বিগ ব্যাশ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারেন।

এবারের বিগ ব্যাশটিকে আরও বেশি দর্শকপ্রিয় করে তুলতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ব্রডকাস্টিং পার্টনার হিসেবে থাকা সেভেন ও ফক্সটেল চাচ্ছিল, বিশ্বতারকাদের বেশি উপস্থিতি। প্রয়োজনে শুধুমাত্র শেষদিকে হলেও যেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা খেলেন, সে চেষ্টাও করছে তারা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।

করোনার বায়ো সিকিউর বাবল মাথায় রেখে আরও একটি টুর্নামেন্ট খেলতে আগ্রহী নন স্মিথ-ওয়ার্নাররা। গত আগস্টের পর নিজ বাড়িতে মাত্র ৩০ ঘণ্টার জন্য যেতে পেরেছিলেন বাঁহাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। এখন আবার বিগ ব্যাশ আরও প্রায় দেড় মাস পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নই থাকতে হবে তাদের।

তাই এসব বিষয়ে চিন্তা করেই মূলত বিগ ব্যাশ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান স্মিথ। এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বাবলের মধ্যে মাত্র শুরুর দিনে রয়েছি আমরা। জানি না কতদিন এভাবেই খেলতে হবে। সবকিছু নিয়েই একটা অনিশ্চয়তা রয়েছে এখন।’

স্মিথ আরও যোগ করেন, ‘দল নির্বাচনসহ যেকোনো বিষয় নিয়েই এখন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। কেউ যদি বাবলে টানা অনেকদিন থাকায় ছুটি নেয় এবং তার জায়গায় আসা অন্য কেউ ভালো করে ফেলে, তখন ছুটি শেষে ফেরা ক্রিকেটারের কী হবে? কিংবা সুযোগ পেয়ে ভালো করা খেলোয়াড়ের ব্যাপারেই বা কী সিদ্ধান্ত হবে? বাবলের মধ্যে থাকা মানসিকভাবে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং।’

এসএএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]