৫ ওভারে ১০০, ২০ ওভারে ২৬৬ হায়দরাবাদের

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৪ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২৪

ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা যে তাণ্ডবলীলা শুরুতেই দেখাতে শুরু করেছিলেন, তাতে সবাই ধরে নিয়েছিলো- টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে আজ সব রেকর্ড তছনছ করে ফেলবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আগের ম্যাচেই তারা ২৮৭ রানের রেকর্ড স্কোর গড়েছিলো। নিজেদের গড়া ২৭৭ রানের রেকর্ড ভেঙে। আজ হয়তো সেই রেকর্ডও ভেঙে দেবে।

প্রথম ৫ ওভারেই যখন কোনো দল ১০০ রান তুলে ফেলে, তখন এমন প্রত্যাশা ভক্তরা করতেই পারে; কিন্তু ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা ফিরে যেতেই রানের গতি থমকে যায় হায়দরাবাদের। রেকর্ড তো হলোই না। আগের ম্যাচে ২৮৭ রানের ইনিংসের কাছাকাছিও যেতে পারেনি। ৭ উইকেটে ২৬৬ রানে থেমে যায় হায়দরাবাদের ইনিংস।

প্রথম ৫ ওভারে যেভাবে ঝড় তুলেছিলেন ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা, তাতে যে কারোরই মনে হতে পারে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সংজ্ঞাই বদলে দিচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তারা মাঠে নামলেই প্রায় প্রতি বলে চার এবং ছক্কা। দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হয়ে আবারও ব্যাটিং তাণ্ডবে মেতে উঠেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ওপেনার।

দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় (বর্তমানে অরুন জেটলি স্টেডিয়াম) টস জিতে হায়দরাবাদকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় দিল্লির অধিনায়ক রিশাভ পান্ত। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় বলেই খলিল আহমেদকে ছক্কা মেরে শুরু করেন ট্রাভিস হেড। এরপর দুই ওপেনারই চার-ছক্কার উৎসবে মেতে ওঠেন।

মাত্র ৩০ বলেই (৫ ওভার) ১০০ রান করে ফেলেন এই দুই ব্যাটার। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে সম্ভবত এটাই সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি জুটির রেকর্ড। এর মধ্যে ট্রাভিস হেড মাত্র ১৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। ৭টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কা মারেন তিনি ৪টি।

৭ম ওভারে গিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে সক্ষম হয় দিল্লি। ১২ বলে ৪৬ রান করা অভিষেক শর্মাকে আউট করেন কুলদিপ যাদব। ২টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৬টি ছক্কার মার মারেন তিনি। ১৩১তম রানের মাথায় আউট হন অভিষেক।

ট্রাভিস হেড টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। ৩১ বলে খেলে ফেলেন ৮৯ রানের ইনিংস। ৩২ তম বলে কুলদিপ যাদবের একটি লো বলকে উঁচিয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি পার করাতে পারেননি তিনি। ট্রিস্টান স্টাবসের হাতে ধরা পড়েন। ততক্ষণে ১১টি বাউন্ডারি এবং ৬টি ছক্কার মার মেরেছেন তিনি।

ব্যাট হাতে ঝড় তোলা আরেক ব্যাটার হেনরিক ক্লাসেন আজ বেশি কিছু করতে পারেননি। ৮ বলে ১৫ রান করে আউট হয়ে যান। নিতিশ কুমার রেড্ডি ২৭ বলে খেলেন ৩৭ রানের ইনিংস। তবে শাহবাজ আহমেদ ঝড় তোলেন। যে কারণে হায়দরাবাদের ইনিংস আড়াই শ পার হয়ে যান। ২৯ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ২টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৫টি ছক্কার মার মারেন শাহবাজ।

দিল্লির বোলার কুলদিপ যাদব ৪ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন মুকেশ কুমার এবং অক্ষর প্যাটেল।

আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।