এলচেকে উড়িয়ে বার্সেলোনার সঙ্গে ব্যবধান কমালো রিয়াল মাদ্রিদ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৪৯ এএম, ১৫ মার্চ ২০২৬

উরুগুয়ের তারকা মিডফিল্ডার ফেদেরিকো ভালভার্দে দারুণ ফর্ম ধরে রেখে আবারও আলো ছড়ালেন। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সে রিয়াল মাদ্রিদ ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েচে এলচেকে। এ জয়ের ফলে লা লিগায় বার্সেলোনার সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের ব্যবধান নেমে এসেছে মাত্র এক পয়েন্টে। ২৭ ম্যাচে বার্সার পয়েন্ট ৬৭। একম্যাচ বেশি খেলে, ২৮ ম্যাচে রিয়ারের পয়েন্ট ৬৬।

গত নয় দিনের মধ্যে এটি ভালভার্দের চতুর্থ গোল। অথচ চলতি মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ৩৯ ম্যাচে তিনি করেছিলেন মাত্র দুটি গোল। শেষ কয়েকটি ম্যাচে হঠাৎ করেই তার দুর্দান্ত ফর্ম ধরা দিয়েছে।

মাঝ সপ্তাহে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর এই ম্যাচেও তিনি ছিলেন দলের মূল চালিকাশক্তি।

এলচের বিপক্ষে প্রথমার্ধের শেষ ছয় মিনিটেই রিয়াল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। ৩৯তম মিনিটে প্রথম গোলটির পেছনেও ছিল ভালভার্দের অবদান। তার জোরালো ফ্রি-কিক প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক ম্যাতিয়াস দিতুরো ঠিকমতো ধরতে পারেননি। বলটি ফিরে আসে ডি-বক্সে। সেখানে ফেদেরিকো রেদোন্দো বলটি দূরে সরাতে চেষ্টা করলেও সেটি পেনাল্টি স্পটে গিয়ে পড়ে। সুযোগ পেয়ে শক্ত ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন আন্তোনিও রুডিগার।

এরপর বিরতির ঠিক এক মিনিট আগে, ৪৪তম মিনিটে নিজের গোলটি করেন ভালভার্দে। মাঝমাঠ থেকে দারুণ গতিতে আক্রমণ শুরু করে তিনি বল দেন বাঁ প্রান্তের ডিফেন্ডার ফ্রান গার্সিয়াকে। পরে বল ফিরে আসে তার কাছেই।

ডি-বক্সের কিনারে বল পেয়ে প্রথমে বাঁ পায়ে শট নেওয়ার ভান করেন ভালভার্দে। এরপর দ্রুত ডান পায়ে বল সেট করে জোরালো শটে গোলরক্ষক দিতুরোকে পরাস্ত করেন তিনি। ৬৬ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন ডিন হুইসেন।

যদিও ম্যাচে ভালভার্দের অবদান ছিল অসাধারণ, তবু রাতের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন গোলটি করেন তরুণ তুর্কি ফুটবলার আরদা গুলের। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে মাঝমাঠের একটু সামনে থেকে তিনি দূরপাল্লার লব শটে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান।

এই দারুণ জয়ে শিরোপা লড়াইয়ে নতুন করে শক্ত অবস্থান তৈরি করল রিয়াল মাদ্রিদ।

আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।