‘রিস্ক নিয়েছি’ শুধু তিন ফিল্ডার বাইরে রাখা প্রসঙ্গে লিটন
বোর্ডে পুঁজি বেশি ছিল না। কার্টেল ওভারের ম্যাচে (১৫ ওভার) নিউজিল্যান্ডের সামনে মাত্র ১০৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিতে পেরেছিল বাংলাদেশ। শুরুতেই শরিফুল ইসলামের তোপে কিছুটা চাপে পড়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু সেই চাপটা আর ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা।
পাওয়ার প্লে ছিল ৪.৩ ওভার। কিন্তু অধিনায়ক লিটন দাস ৬ ওভার পর্যন্ত ৩ জন ফিল্ডারই বাইরে রেখেছিলেন। কেন এমন ঝুঁকি নিয়েছেন?
মিরপুরে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টির পর সংবাদ সম্মেলনে এমন সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লিটন বললেন, ‘টোটালটা খুব একটা বড় ছিল না আর উইকেটও খুবই ভালো। এটলিস্ট আমি এটা ধারণা করছিলাম যদি আরও ২টা উইকেট ওখান থেকে বের করে দিতে পারি। কারণ শরিফুল খুব ভালো বল করছিল। আরও যদি একটা উইকেট পড়তো আন্ডার প্রেসারে তারা পড়লেও পড়তে পারতো।’
বাংলাদেশ অধিনায়ক যোগ করেন, ‘এইখানে কখনো উইকেট হাতে রেখে জিততে পারবেন না। সো আপনাকে যেতেই হবে। আমরা এনাফ রান দেই নাই বোলারদেরকে যে ডট বলের সংখ্যা বাড়লে প্রেসার আসবে। রান রেট কখনো ৬ এর উপরে উঠেইনি। সেক্ষেত্রে উইকেটটা খুব ইম্পর্টেন্ট ছিল। ক্রিকেট অল অ্যাবাউট রিস্ক। রিস্ক নিয়েছি, সাকসেস হলে হতো, হয়নি কিছু করার নাই।’
১৫ ওভারের ম্যাচে ১৪.২ ওভারেই বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় ১০২ রানে। এই ম্যাচে বোর্ডে কেমন রান হলে অধিনায়ক হিসেবে সন্তুষ্ট থাকতেন?
লিটনের জবাব, ‘সিনারিও দুই রকম ছিল। সিনারিও কারো হাতে থাকে না। ওয়েদার কারো কন্ট্রোলে নাই। আমরা যখন ফার্স্টে খেলতে নামছি তখন উইকেটের বিহেভিয়ার এক রকম ছিল এবং ৩ উইকেট হারানোর পর আমরা আর্লি ব্যাকফুটেও ছিলাম। ওখান থেকে একটা পার্টনারশিপ লাগতেছিল। তারপর আবার ব্রেকে চলে গেছি। তো আপনি যখন ১৫ ওভারের খেলায় দুই ভাবে ব্যাটিং করবেন মানে আপনি জানেন আপনার টিমের স্ট্রেন্থ উইথ সিক্স ব্যাটার। সো আপনি চাইলেও খুব একটা বড় নিতে পারবেন না।’
‘অপনেন্টকে যদি দেখেন, তারা জানে তাদের হাতে একটা স্মল টোটাল আছে এবং খেলায় কোনো ব্রেক নাই। ১৫ ওভারই খেলবে। আপনিও বুঝবেন যখন বল ভিজে যায় তখন ব্যাটিং করাটা কত ইজি হয়ে যায়। সো খুব ডিফিকাল্ট ছিল যে রান আমরা করেছি এই রানে আটকিয়ে রাখা। কারণ মিডল ওভারে আপনার ডট বল দরকার, উইকেট দরকার। উইকেট ভালো হলে এই জিনিসগুলো খুব একটা হয় না।’
এমএমআর