সুয়ারেজের গোলে জয়ে ফিরল বার্সা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২৭ এএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

টানা দুই ম্যাচ হোঁচট খাওয়ার পর অবশেষে জয়ের দেখা পেল বার্সেলোনা। সুয়ারেজ ও আলবার দেয়া গোলে এইবারের মাঠ থেকেই ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে ভালভারদের শিষ্যরা।

প্রতিপক্ষের মাঠে নিজেদের গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় নেয় বার্সা। এ সুযোগেই ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণ করে খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। শুরুতেই গোলেরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে দলটি। তবে প্রথম মিনিটে জসে আঞ্জেলের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ডানদিক থেকেই গার্সিয়ার নেয়া শট ফিরিয়ে দেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন।

ম্যাচের ১৬ মিনিটে পাল্টা এক আক্রমণে বার্সাকে লিড এনে দেন সুয়ারেজ। লিওনেল মেসির নিখুঁতভাবে বাড়ানো বল ধরে গোলরক্ষককে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার। চলতি লিগে এটি ১৭তম গোল। তবে তিন মিনিট পরেই সমতায় ফিরতে পারতো স্বাগতিকরা। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে ফাবিয়ান ওরেয়ানা জোরালো শটে টের স্টেগেনকে পরাস্ত করলেও বল লাগে ক্রসবারে।

media

ম্যাচের ৩৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পান মেসি। সুয়ারেজ গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল দেন মেসিকে। তবে আর্জেন্টাইন এই তারকার নেয়া শট লাগে দূরের পোস্টে। চার মিনিট পর তার রক্ষণচেরা পাস ধরে ১২ গজ দূর থেকে গোলরক্ষক বরাবর শট মেরে বসেন আলবা।

বিরতি থেকে ফিরে বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে বুসকেটসকে ফাউল করায় হলুদ কার্ড দেখেন পাপে দিউপ। তবে রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে পাঞ্চ করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলা ওরেয়ানা।

দশজনের স্বাগতিকদের চেপে ধরে বার্সা। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে আলবা। মেসির শট গোলরক্ষক ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে জালে ঠেলে দেন স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার।

media

এ জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার নিজেদের রেকর্ড স্পর্শ করলো ভালভেরদের শিষ্যরা। এর আগে ২০১০-১১ মৌসুমে পেপ গার্দিওলার অধীনে রেকর্ডটি গড়েছিল বার্সেলোনা

এদিকে ২৪ ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ৬২। ১০ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে এক ম্যাচ কম খেলা অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। আর চতুর্থ স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ২২ ম্যাচে ৪২।

এমআর/এমএস