আবাহনী কোচ চান দ্রুত গোল
দ্রুত গোল করে ভারতীয় ক্লাব আইজল এএফসিকে তাদের মাটিতে সহজে হারিয়েছিল আবাহনী। ঘরের মাঠে সেভাবেই আগেভাগে এগিয়ে গিয়ে আই লিগের দলটিকে পরপর দুই ম্যাচে হারাতে চান আবাহনীর কোচ সাইফুল বারী টিটু। গত ১১ এপ্রিল গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় মিনিটে রুবেল মিয়ার দর্শনীয় গোল স্তব্ধ করে দিয়েছিল স্বাগতিক দর্শকদের। ২৭ মিনিটে অ্যালিসন ও ৩৭ মিনিটে কোজিমার গোল করলে প্রথমার্ধেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় আইজল।
দুই দলের প্রথম সাক্ষাতটির দুই অর্ধ ছিল দুই রকম। প্রথমার্ধে আবাহনী একচেটিয়া খেলে এগিয়ে যায় ৩-০ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিক আইজল প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করেও টলাতে পারেনি আবাহনীর রক্ষণ। দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সুবিধাটা ধরে রেখে এএফসি কাপের এবারের আসরে প্রথম জয় নিয়ে ঘরে ফিরেছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরা।
মঙ্গলবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আবাহনীর কোচ সাইফুল বারী ওই ম্যাচের মতোই দ্রুত গোল আদায় করে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকার চেষ্টার কথা বললেন।
‘আমরা আইজলের বিরুদ্ধে ম্যাচ দুটিকে টার্গেট করেছিলাম। দুই ম্যাচ হারার পর ঘুরে দাঁড়ানোর দরকার ছিল আমাদের। প্রথম ম্যাচে সেটা পেরেছি। ফিরতি ম্যাচেও যেন সে রকম করতে পারি সে চেষ্টা থাকবে আমাদের। আমাদের লক্ষ্য থাকবে দ্রুত গোল আদায় করা। তাহলে ম্যাচটা জেতা সম্ভব হবে। পরের ম্যাচ রিউ রেডিয়েন্টের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে ২ মে। মালদ্বীপ যাওয়ার আগে ম্যচটি জিততে পারলে খেলোয়াড়দের মনোবল আরো বাড়বে’-বলেছেন আবাহনীর কোচ।
তবে প্রস্তুতিতে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে সাইফুল বারী টিটু বলেছেন,‘গুয়াহাটি থেকে ফেরার পর অনুশীলনে বিচ্যুতি ঘটেছে। তারপরও খেলোয়াড়রা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগের ম্যাচে আইজলের বিরুদ্ধে জেতার সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের। কারণ, ওই ম্যাচ জেতা সহজ ছিল না। দ্রুত গোল পাওয়ায় আমরা ম্যাচটি জিতেছি।’
আইজলকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে এসেছে আবাহনী। তাও আবার ৩-০ গোলে। ঘরের মাঠে নিশ্চয়ই ফেবারিট আবাহনী? ‘ঘরে খেলার একটু সুবিধাতো আছেই। তবে আমরা তাদের সহজভাবে নেবো না। ম্যাচ জেতাটা আমাদের জরুরী। আগের ম্যাচে আমাদের ডিফেন্স অনেক জমাট ছিল। যে কারণে, দ্বিতীয়ার্ধে আইজল বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও আমাদের রক্ষণ সেভাবে ভাঙ্গতে পারেনি। এ ম্যাচেও আমাদের ডিফেন্স জমাট রাখতে হবে’-বলেছেন সাইফুল বারী টিটু।
আরআই/আইএইচএস/জেআইএম